উত্তরঃ

চিত্র 'A' এ প্রদর্শিত আয়নটির ইলেকট্রন বিন্যাস থেকে এর প্রোটন সংখ্যা নির্ণয় করা যায়। চিত্র অনুযায়ী, আয়নটির প্রথম শক্তিস্তরে ২টি, দ্বিতীয় শক্তিস্তরে ৮টি এবং তৃতীয় শক্তিস্তরে ৮টি ইলেকট্রন রয়েছে। সুতরাং, আয়নটিতে মোট ইলেকট্রন সংখ্যা হলো \(2+8+8 = 18\)। যেহেতু আয়নটি \(2+\) চার্জযুক্ত, এটি একটি নিরপেক্ষ পরমাণু থেকে ২টি ইলেকট্রন ত্যাগ করে গঠিত হয়েছে। অতএব, নিরপেক্ষ পরমাণুটিতে ইলেকট্রন সংখ্যা ছিল \(18+2 = 20\)। একটি নিরপেক্ষ পরমাণুতে ইলেকট্রন সংখ্যা ও প্রোটন সংখ্যা সমান হয়, তাই চিত্র 'A' দ্বারা নির্দেশিত পরমাণুটির প্রোটন সংখ্যা (পারমাণবিক সংখ্যা) হলো 20।

নিউক্লিয়াসের ভর হলো প্রোটন ও নিউট্রনের ভরের সমষ্টি। আমরা জানি, একটি প্রোটনের ভর (\(m_p\)) প্রায় \(1.6726 \times 10^{-24}\) g এবং একটি নিউট্রনের ভর (\(m_n\)) প্রায় \(1.6749 \times 10^{-24}\) g। যেহেতু পরমাণুটির প্রোটন সংখ্যা 20, তাই 20টি প্রোটনের মোট ভর = \(20 \times 1.6726 \times 10^{-24} \text{ g} = 33.452 \times 10^{-24} \text{ g}\)।

প্রশ্নানুসারে, চিত্র 'A' আয়নটির নিউক্লিয়াসের প্রকৃত ভর হলো \(6.696 \times 10^{-23} \text{ g}\), যা \(66.96 \times 10^{-24} \text{ g}\) এর সমান। ধরি, নিউট্রন সংখ্যা = N। তাহলে, নিউক্লিয়াসের ভর = (প্রোটনের মোট ভর) + (নিউট্রনের মোট ভর) \(66.96 \times 10^{-24} \text{ g} = 33.452 \times 10^{-24} \text{ g} + (N \times 1.6749 \times 10^{-24} \text{ g})\) উভয় পক্ষকে \(10^{-24}\) দ্বারা ভাগ করে পাই: \(66.96 = 33.452 + N \times 1.6749\) \(N \times 1.6749 = 66.96 - 33.452\) \(N \times 1.6749 = 33.508\) \(N = \frac{33.508}{1.6749}\) \(N \approx 20.0053\)

যেহেতু নিউট্রন সংখ্যা একটি পূর্ণ সংখ্যা হবে, তাই চিত্র 'A' আয়নটির নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা হলো 20।

Satt AI
Satt AI
3 days ago
উত্তরঃ

পরমাণুর প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তরে (energy level) ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা নির্দিষ্ট। এই ধারণক্ষমতা প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা (principal quantum number), n, এর উপর নির্ভরশীল এবং তা \(2n^2\) সূত্র দ্বারা প্রকাশ করা হয়। চিত্র 'B' তে পরমাণুর বিভিন্ন শক্তিস্তর (n=1, n=2, n=3, n=4) দেখানো হয়েছে, যেখানে প্রতিটি শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা \(2n^2\) সূত্র মেনে চলে তা প্রমাণ করে দেখানো হলো।

পরমাণুর প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তর একাধিক উপশক্তিস্তরে (subshells) বিভক্ত এবং প্রতিটি উপশক্তিস্তরে সুনির্দিষ্ট সংখ্যক অরবিটাল (orbital) থাকে। প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা 'n' একটি শক্তিস্তরের ক্রমিক নম্বর নির্দেশ করে। 'n' এর মান বৃদ্ধির সাথে সাথে উপশক্তিস্তর এবং অরবিটালের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। প্রতিটি অরবিটালে সর্বোচ্চ দুটি ইলেকট্রন থাকতে পারে। অরবিটালসমূহের ইলেকট্রনের যোগফল বলতে সেই শক্তিস্তরের মোট ইলেকট্রন ধারণক্ষমতাকে বোঝায়।

চিত্র 'B' অনুযায়ী প্রতিটি শক্তিস্তরের জন্য অরবিটালসমূহের ইলেকট্রনের যোগফল নিম্নরূপ দেখানো হলো:

        
  •         n = 1 শক্তিস্তর (K-shell):         
    এই শক্তিস্তরে শুধুমাত্র একটি উপশক্তিস্তর (1s) থাকে।         
    1s উপশক্তিস্তরে অরবিটাল সংখ্যা = 1।         
    সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা = \(1 \times 2 = 2\)টি।         
    সূত্র অনুযায়ী: \(2n^2 = 2 \times (1)^2 = 2 \times 1 = 2\)টি।         
    সুতরাং, n = 1 এর জন্য অরবিটালসমূহের ইলেকট্রনের যোগফল \(2n^2\) এর সমান।     
  •     
  •         n = 2 শক্তিস্তর (L-shell):         
    এই শক্তিস্তরে দুটি উপশক্তিস্তর (2s, 2p) থাকে।         
    2s উপশক্তিস্তরে অরবিটাল সংখ্যা = 1।         
    2p উপশক্তিস্তরে অরবিটাল সংখ্যা = 3।         
    মোট অরবিটাল সংখ্যা = \(1 + 3 = 4\)।         
    সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা = \(4 \times 2 = 8\)টি।         
    সূত্র অনুযায়ী: \(2n^2 = 2 \times (2)^2 = 2 \times 4 = 8\)টি।         
    সুতরাং, n = 2 এর জন্য অরবিটালসমূহের ইলেকট্রনের যোগফল \(2n^2\) এর সমান।     
  •     
  •         n = 3 শক্তিস্তর (M-shell):         
    এই শক্তিস্তরে তিনটি উপশক্তিস্তর (3s, 3p, 3d) থাকে।         
    3s উপশক্তিস্তরে অরবিটাল সংখ্যা = 1।         
    3p উপশক্তিস্তরে অরবিটাল সংখ্যা = 3।         
    3d উপশক্তিস্তরে অরবিটাল সংখ্যা = 5।         
    মোট অরবিটাল সংখ্যা = \(1 + 3 + 5 = 9\)।         
    সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা = \(9 \times 2 = 18\)টি।         
    সূত্র অনুযায়ী: \(2n^2 = 2 \times (3)^2 = 2 \times 9 = 18\)টি।         
    সুতরাং, n = 3 এর জন্য অরবিটালসমূহের ইলেকট্রনের যোগফল \(2n^2\) এর সমান।     
  •     
  •         n = 4 শক্তিস্তর (N-shell):         
    এই শক্তিস্তরে চারটি উপশক্তিস্তর (4s, 4p, 4d, 4f) থাকে।         
    4s উপশক্তিস্তরে অরবিটাল সংখ্যা = 1।         
    4p উপশক্তিস্তরে অরবিটাল সংখ্যা = 3।         
    4d উপশক্তিস্তরে অরবিটাল সংখ্যা = 5।         
    4f উপশক্তিস্তরে অরবিটাল সংখ্যা = 7।         
    মোট অরবিটাল সংখ্যা = \(1 + 3 + 5 + 7 = 16\)।         
    সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা = \(16 \times 2 = 32\)টি।         
    সূত্র অনুযায়ী: \(2n^2 = 2 \times (4)^2 = 2 \times 16 = 32\)টি।         
    সুতরাং, n = 4 এর জন্য অরবিটালসমূহের ইলেকট্রনের যোগফল \(2n^2\) এর সমান।     

উপরিউক্ত বিশ্লেষণ থেকে দেখা যায় যে, চিত্র 'B' তে প্রদর্শিত প্রতিটি শক্তিস্তরের জন্য অরবিটালসমূহের মোট ইলেকট্রন সংখ্যা \(2n^2\) সূত্র দ্বারা সঠিকভাবে নির্ণয় করা যায়। এটি পরমাণুর শক্তিস্তরের ইলেকট্রন বিন্যাসের একটি মৌলিক নীতি।

Satt AI
Satt AI
2 days ago
319

তোমরা কি কখনো ভেবে দেখেছো আমাদের চারপাশের জিনিসগুলো কী দিয়ে তৈরি? তোমার শরীরই বা কী দিয়ে তৈরি? হ্যাঁ, তোমাদের মতো প্রাচীন দার্শনিকেরাও এ নিয়ে বহু চিন্তা-ভাবনা করেছেন। প্রাচীন গ্রিক দার্শনিকেরা ভাবতেন মাটি, পানি, বায়ু এবং আগুন ইত্যাদি মৌলিক পদার্থ আর অন্য সকল বস্তু এদের মিশ্রণে তৈরি। গ্রিসের দার্শনিক ডেমোক্রিটাস প্রথম বলেছিলেন, প্রত্যেক পদার্থের একক আছে যা অতি ক্ষুদ্র আর অবিভাজ্য। তিনি এর নাম দেন এটম। কোনো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা দিয়ে এটি প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি বলে এটি কোনো গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। অবশেষে 1803 সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জন ডাল্টন বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রাপ্ত ফলাফলের উপর ভিত্তি করে পরমাণু সম্পর্কে একটি মতবাদ দেন যে, প্রতিটি পদার্থ অজস্র ক্ষুদ্র এবং অবিভাজ্য কণার সমন্বয়ে গঠিত। তিনি দার্শনিক ডেমোক্রিটাসের সম্মানে এ একক কণার নাম দেন Atom, যার অর্থ পরমাণু। এর পরে প্রমাণিত হয় যে, পরমাণু অবিভাজ্য নয় । এদের ভাঙলে পরমাণুর চেয়েও ক্ষুদ্র কণিকা ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন ইত্যাদি পাওয়া যায়। পরমাণুর বিভিন্ন মডেল, পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস ইত্যাদি এ অধ্যায়ে আলোচনা করা হবে।

 

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • মৌলের ইংরেজি ও ল্যাটিন নাম থেকে তাদের প্রতীক লিখতে পারব।
  •  মৌলিক ও স্থায়ী কণিকাগুলোর বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে পারব।
  • পারমাণবিক সংখ্যা, ভর সংখ্যা, আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর থেকে আপেক্ষিক আণবিক ভর হিসাব করতে পারব।
  • পরমাণুর ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা হিসাব করতে পারব ৷
  • আইসোটোপের ব্যবহার ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পরমাণুর গঠন সম্পর্কে রাদারফোর্ড ও বোর পরমাণু মডেলের বর্ণনা করতে পারব।
  • রাদারফোর্ড ও বোর পরমাণু মডেলের মধ্যে কোনটি বেশি গ্রহণযোগ্য তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পরমাণুর বিভিন্ন কক্ষপথে এবং কক্ষপথের বিভিন্ন উপস্তরে পরমাণুর ইলেকট্রনসমূহকে বিন্যাস করতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোন মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যতটি প্রোটন থাকে সে সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.5k
উত্তরঃ

X2964 এবং Y3064 মৌল দুটির প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে 29 ও 30 এবং ভরসংখ্যা যথাক্রমে 64 ও 64। অর্থাৎ নিউক্লিয়ন সংখ্যা একই। নিউক্লিয়ন সংখ্যা হলো প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফল। আমরা জানি, নিউট্রন সংখ্যা = ভর সংখ্যা (A) – পারমাণবিক সংখ্যা (Z)

সুতরাং  X2964 এর নিউট্রন সংখ্যা = 64-29 = 35

Y3064 এর নিউট্রন সংখ্যা = 64 - 30 = 34

যেহেতু, মৌল দুটির পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাই পরমাণু দুটির নিউক্লিয়ন সংখ্যা সমান হলেও, নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
উত্তরঃ

ফরিদের আঁকা মডেলটি রাদারফোর্ড পরমাণু মডেলকে সমর্থন করে। মডেলটির স্বীকার্যসমূহ হলো-


i. পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে একটি ধনাত্মক চার্জ বিশিষ্ট ভারী বস্তু বিদ্যমান। এই ভারী বস্তুকে পরমাণুর কেন্দ্র বা নিউক্লিয়াস বলা হয়। পরমাণুর মোট আয়তনের তুলনায় নিউক্লিয়াসের 'আয়তন অতি নগণ্য। নিউক্লিয়াসে পরমাণুর সমস্ত ধনাত্মক চার্জ ও প্রায় সমস্ত ভর কেন্দ্রীভূত।
ii. পরমাণু বিদ্যুৎ নিরপেক্ষ। অতএব নিউক্লিয়াসের ধনাত্মক চার্জযুক্ত প্রোটন সংখ্যার সমান সংখ্যক ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে পরিবেষ্টিত করে রাখে।
iii. সৌরজগতের সূর্যের চারদিকে ঘূর্ণায়মান গ্রহসমূহের মতো পরমাণুর ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসের চারদিকে অবিরাম ঘুরছে। ধনাত্মক চার্জ বিশিষ্ট নিউক্লিয়াস ও ঋণাত্মক চার্জ বিশিষ্ট ইলেকট্রনসমূহের পারস্পরিক স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণজনিত কেন্দ্রমুখী বল এবং ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনের কেন্দ্র বহির্মুখী বল পরস্পর সমান।

চিত্র: রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
741
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বিদ্যমান ফরিদের অঙ্কিত মডেল হল রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল। এটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ইলেকট্রনগুলো সর্পিলাকারে ঘুরতে ঘুরতে নিউক্লিয়াসে পতিত হচ্ছে, তাই অঙ্কিত মডেলটি একটি অস্থায়ী পরমাণু মডেল।

ম্যাক্সওয়েলের তত্ত্বানুসারে কোন চার্জযুক্ত কণা কোনো বৃত্তাকার পথে ঘুরতে থাকলে তা ক্রমাগত শক্তি বিকিরণ করবে এবং তার আবর্তন কক্ষপথের ব্যাসার্ধ ধীরে ধীরে কমতে থাকবে। সুতরাং ইলেকট্রনসমূহ ক্রমশ শক্তি হারাতে হারাতে নিউক্লিয়াসে প্রবেশ করবে। ফলে মডেলটি অর্থাৎ পরমাণুর অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে।

অর্থাৎ, রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল ম্যাক্সওয়েলের তত্ত্ব অনুসারে পরমাণু স্থায়ী হবে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
774
উত্তরঃ

কোনো মৌলের পূর্ণ নামের সংক্ষিপ্ত প্রকাশকে ঐ মৌলের প্রতীক বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
484
উত্তরঃ

বর্ণালি হলো বিভিন্ন বর্ণের আলোর সমাবেশ। বোর পরমাণু মডেল অনুসারে পরমাণুর মধ্যে কোনো ইলেকট্রন যখন একটি নিম্নতর কক্ষপথ থেকে উচ্চতর কক্ষপথে স্থানান্তরিত হয় তখন নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি শোষণ করে। আবার যখন উচ্চতর শক্তিস্তর থেকে নিম্নতর শক্তিস্তরে স্থানান্তরিত হয় তখন নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি বিকিরণ করে। বিকিরিত শক্তি আলোক শক্তিরূপে আমাদের চোখে ধরা পড়ে। এ আলোক শক্তিকে বর্ণালি হিসাবে পাওয়া যায়। এভাবে পরমাণুতে বর্ণালির সৃষ্টি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews