বজ্রঝড় বা টর্নেডো হচ্ছে একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা হঠাৎ করে অল্প সময়ের মধ্যে প্রচণ্ড ধ্বংসযজ্ঞ সাধন করে।
নগরায়ণ একটি পরিবেশগত সমস্যা যা মূলত জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সম্পৃক্ত। শহরাঞ্চলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে গ্রামীণ জনপদের একটি বিরাট অংশও শহরে ভিড় জমাচ্ছে কর্মসংস্থানের জন্য যার ফলে শহরাঞ্চলে আবাসন সংকট দেখা দিচ্ছে। ফলশ্রুতিতে আশেপাশের আবাদি জমি ও জলাভূমি ভরাট করে নগরায়ণ করা হচ্ছে।
উদ্দীপকে বৈশ্বিক উষ্ণতার জন্য C তথা শিল্পকারখানাকে দায়ী করা হয়েছে। এর কারণ নিম্নরূপ:
পৃথিবীতে বর্তমানে দ্রুত গতিতে শিল্পোন্নয়ন ঘটছে। যার ফলে দেশে দেশে প্রচুর পরিমাণে শিল্প কারখানা সৃষ্টি হচ্ছে। এ সকল শিল্প কারখানা প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক পদার্থ কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করছে এবং অতিরিক্ত বর্জ্য হিসেবে নির্গত করছে প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক দ্রব্যাদি। এ সকল রাসায়নিক পদার্থ বিভিন্ন গ্রীণ হাউস গ্যাস যেমন: CO₂, SO NO2, SO3, CC, CFC, CO ইত্যাদি উৎপন্ন করছে। এই গ্যাসগুলো উদ্ভিদ ও প্রাণীর জন্য ভয়াবহ ক্ষতিকর। এই গ্যাসগুলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর ধ্বংস করে এবং অতিমাত্রায় তাপ শোষণ করে রাখে। তাই এদের কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা ভীষণভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতএব বলা যায় বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য C অর্থাৎ শিল্পকারখানা সর্বাধিক দায়ী।
উদ্দীপকের ধাপ A অর্থাৎ জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হলে ৪ অর্থাৎ বৃক্ষ নিধন এবং D অর্থাৎ যানবাহন দ্বারা নির্গত ধোয়া হতে পরিবেশ দূষণ রোধ করা সম্ভব। নিচে এর পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হলো-
বর্তমানে পৃথিবীর জনসংখ্যা দ্রুত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ বিপুল জনসংখ্যার জন্য বসতি স্থাপন করতে গেলে বাড়তি আবাসস্থলের প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণে জনগণ বনভূমি উজাড় করতে বাধ্য হচ্ছে। অথচ এ বনাঞ্চলের গাছপালাই আমাদের পরিবেশকে বসবাসের উপযোগী করে রাখছে। বনাঞ্চল তথা গাছপালা হ্রাস পেলে সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়। এতে করে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যায়। অন্যদিকে অতিরিক্ত জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে প্রতিনিয়ত তাদের চলাচলের জন্য যানবাহনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ অন্যান্য মারাত্মক ক্ষতিকর গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি করে চলেছে। এভাবে বিশ্বে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্রমান্বয়ে মানুষের বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এছাড়া মানুষের বিভিন্ন কর্মকান্ডের ফলে জলবায়ুর পরিবর্তনi হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন-বন্যা, খরা, এসিড বৃষ্টি
ঘূর্ণিঝড়, তুষারপাত ইত্যাদি ঘটছে। ফলে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। কিন্তু যদি জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় তবে পরিবেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধিও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। ফলে পরিবেশের বিপর্যয়ও হবে না।
সুতরাং সামগ্রিকভাবে দেখা যায়, জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হলে 'পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!