কাপড় কাটার জন্য বিভিন্ন সাইজের কাঁচি প্রয়োজন।
ঘরে পোশাক তৈরিতে বিভিন্ন দিক দিয়ে উপকার পাওয়া যায়।
প্রত্যেকের পোশাকের চাহিদা, রুচি ও প্রয়োজন ভিন্ন। বাজারে সবসময় নিজের পছন্দমতো পোশাক পাওয়া যায় না। যদিও বা পাওয়া যায় সেগুলোর মূল্য অত্যধিক থাকে। যদি নিজের চাহিদা, রুচি ও প্রয়োজনমতো পোশাক ঘরে তৈরি করা যায় তবে তা যেমন মনমতো হয় তেমনি মজবুত ও টেকসই হয়। এছাড়াও যে সবচেয়ে বড় উপকার পাওয়া যায় সেটি হলো অর্থের সাশ্রয় হয়। ঘরে পোশাক তৈরিতে এরূপ নানামুখী উপকার পাওয়া যায়।
উদ্দীপকের চিত্রে '?' চিহ্নিত স্থানে পোশাক তৈরির মাপ নেওয়ার সরঞ্জামকে নির্দেশ করা হয়েছে।
পোশাক হলো সভ্যতার অগ্রগতির প্রতীক। আমাদের প্রত্যেকের পোশাকের চাহিদা, রুচি ও প্রয়োজন ভিন্ন। তবে নিজের চাহিদা, রুচি ও প্রয়োজন অনুযায়ী পোশাক ঘরেও তৈরি করা যায়। এতে করে যেমন নিজের রুচির প্রতিফলন ঘটানো যায় তেমনি অর্থেরও সাশ্রয় হয়। তবে ঘরে পোশাক তৈরির জন্য বেশ কিছু উপকরণের প্রয়োজন পড়ে।
উদ্দীপকের চিত্রে যেসব উপকরণকে উপস্থাপন করা হয়েছে সেগুলো হলো- কাপড় মাপার ফিতা, স্কেল ও সেপকাঠ। উপকরণগুলো সাধারণত পোশাকের মাপ নেওয়ার জন্যই ব্যবহার করা হয়। সুন্দর, মানানসই ও ফিটিং পোশাক পাওয়ার জন্য পরিধানকারীর দেহের সঠিক মাপ নেওয়া প্রয়োজন। এক্ষেত্রে যেসব সরঞ্জামের প্রয়োজন পড়ে তার মধ্যে রয়েছে কাপড় মাপার ফিতা, স্কেল, সেপকাঠ, পোশাক তৈরির বিভিন্ন উপকরণ, ফ্রেঞ্চ কার্ড, টি-স্কোয়ার, গজকাঠি ইত্যাদি। উদ্দীপকের চিত্রে যে তিনটি উপাদানকে নির্দেশ করা হয়েছে সেগুলো হলো- কাপড় মাপার ফিতা, স্কেল'ও সেপকাঠ। এগুলো মাপ নেওয়ার সরঞ্জামের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় '?' চিহ্নিত স্থানে একেই নির্দেশ করা হয়েছে বলা যায়। উক্ত উপকরণটিরই অন্তর্ভুক্ত চিত্রে নির্দেশিত তিনটি বিষয়।
ফিটিং পোশাক তৈরি করতে হলে চিত্রে নির্দেশিত তিনটি উপাদানের প্রয়োজন পড়ে বলে উক্ত পোশাক তৈরিতে এগুলো অপরিহার্য। প্রতিটি মানুষের কাছে পোশাকের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রত্যেকের পোশাকের চাহিদা, রুচি ও প্রয়োজনও ভিন্ন ভিন্ন হয়। ঘরে নিজের পছন্দমতো পোশাক বানিয়ে নেওয়া যায়। এতে পোশাক যেমন মজবুত ও টেকসই হয়, তেমনি আর্থিক দিক থেকেও সাশ্রয় করা যায়। ঘরে পোশাক তৈরির আবার নানা উপকরণ রয়েছে। মাপ নেওয়ার সরঞ্জাম এর মধ্যে অন্যতম। যার সাহায্যে ফিটিং পোশাক বানানো যায়। উদ্দীপকের চিত্রে যে তিনটি উপাদানকে তুলে ধরা হয়েছে সেগুলো হলো- কাপড় মাপার ফিতা, স্কেল ও সেপকাঠ। এগুলো সবই পোশাকের মাপ নেওয়ার সরঞ্জামের অন্তর্ভুক্ত। পোশাকের মাপ যেন সঠিক হয় সেজন্য এসরঞ্জামগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সুন্দর, মানানসই ও ফিটিং পোশাক পাওয়ার জন্য পরিধানকারীর দেহের সঠিক মাপ নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। মাপ নেওয়ার জন্য কাপড় মাপার ফিতা, স্কেল, সেপকাঠ ইত্যাদি উপাদান ব্যবহার করা হয়। এগুলোর সাহায্যে পরিধানকারীর দেহের মাপ নেওয়া হয় যেন পোশাকের মাপ যথাযথ হয়। এদের সাহায্যে মাপ নিয়েই ফিটিং পোশাক তৈরি করা হয়। তাই ফিটিং পোশাক তৈরিতে এগুলোর ভূমিকা অপরিহার্য। উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তাই বলা যায় যে, প্রশ্নের মন্তব্যটি যথার্থ।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allজামদানি কার্পাস তুলা দিয়ে তৈরি এক ধরনের পরিধেয় বস্ত্র।
উপজাতীয় জনগণের পোশাক মূলত তারা নিজ হাতে তৈরি করে ৫. বিধায় তাদের পোশাক তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে।উপজাতিদের পোশাকের বৈচিত্র্যই এক গোষ্ঠী থেকে অন্য গোষ্ঠীকে আলাদা করে তোলে। প্রত্যেক গোষ্ঠীই তাদের নিজস্ব স্বকীয়তা বজায় রেখে ঐতিহ্যবাহী পোশাক তৈরি করে।
পোশাক তৈরির পূর্বে পরিধানকারীর দেহের মাপ নেওয়া প্রয়োজন। মাপ না নিয়ে পোশাক তৈরি করলে তা অনেক সময় পরিধানকারীর জন্য উপযুক্ত হয় না। পরিধানকারীকে দেখতেও ভালো লাগে না।
আনিকা তার ছোট বোনের সোলোয়ার কামিজ তৈরির জন্য কাপড় কিনে। সালোয়ার কামিজ তৈরির জন্য তাকে দেহের নিম্নলিখিত অংশের মাপ নিতে হবে।
১. ঝুল- জামীর লম্বা মাপ।
২ছাতি বা বুক- বুকের ঘেরের মাপ।
৩. কোমর- কোমরের সম্পূর্ণ ঘের।
৪. কাঁধ বা পুট- মেরুদণ্ডের সবচেয়ে উঁচু হাড় থেকে কাঁধের ওপরের উঁচু হাড় পর্যন্ত।
৫ফুল হাতা-পুটের মাপের সাথে হাতের কব্জি পর্যন্ত মাপ।
৬. গলা- গলার ঘেরের মাপ।
৭. হিপ- হিপের উঁচু মাংসল অংশের মাপ।
৮. সেন্ত- কাঁধের ওপরের মেরুদণ্ডের হাড় থেকে কোমর পর্যন্ত মাপ।
৯. মুহুরী বা বাহু-বাহু বা হাতের কব্জির ঘেরকে মুহুরী বা বায়ু বলে।
১০. সেকম- দুই পায়ের সংযোগস্থলের কেন্দ্র থেকে পায়ের গোড়ালির নিচ পর্যন্ত মাপ।
১১. হাঁটু- হাঁটুর ঘেরের মাপ।
১২. উবু- উত্তর ঘেরের মাপ।
১৩. মৌরি- পায়জামার পায়ের পাতার ওপরের ঘেরের মাপ।
যেহেতু আনিকা দেলোয়ার কামিজ তৈরি করবে তাই তাকে দেহের উপরিউক্ত অংশের মাপগুলো নিতে হবে।
আনিকা মনে করে সেলাইয়ের ক্ষেত্রে সেলাই মেশিনের যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ খুবই জরুরি।
তার ধারণাটি যৌক্তিক বলে আমি মনে করি। সেলাই মেশিনের মাধ্যমেই পোশাক সেলাই করা হয়। কারো কাছে প্রশিক্ষণজনিত দক্ষতা থাকলেও মেশিনের অভাবে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। তাই এর যত্ন নেওয়া জরুরি।
সেলাই মেশিনের রক্ষণাবেক্ষণ দুইভাবে করা হয়। প্রিভেনটিভ ও ব্রেকডাউন মেইনটেনেন্স। প্রিভেনটিভ মেইনটেনেন্স হলো প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণ। কাজ করার পূর্বে মেশিনকে সচল ও ভালো অবস্থায় রাখার জন্য এ ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ করা জরুরি। মেশিনের সকল যন্ত্রাংশ সচল রাখার জন্য এ মেইনটেনেন্স করতে হয়। কাজ করার পর কোনো কারণে মেশিনের কোনো যন্ত্রাংশ ভেঙ্গে গেলে কিংবা কোনো কারণে মেশিন নষ্ট হলে ব্রেকডাউন মেইনটেনেন্স করা হয়। এ লক্ষ্যে প্রতিদিন মেশিন পরিষ্কার করা, কাজ শেষে মেশিন মুছে রাখা, কভার দিয়ে ঢেকে রাখা, নিয়মিত তেল দেওয়া, আলো-বাতাসপূর্ণ জায়গায় মেশিন রাখা উচিত। ভালো সেলাই পেতে হলে সেলাই মেশিনের যত্ন নিতে হবে। কারণ যেকোনো যন্ত্রাংশ রক্ষণাবেক্ষণ ও যত্নের ওপরই ভালো থাকে। মেশিনের যত্ন নিলে এর স্থায়িত্ব বাড়ে ও গুণগত মানসম্পন্ন সেলাই পাওয়া যায়। উৎপাদনও বৃদ্ধি হয়। সেলাই মেশিনও এর ব্যতিক্রম নয়। তাই বলা যায়, আনিকা ধারণাটি অত্যন্ত যৌক্তিক।
কাপড়ের টানা বা লম্বা সুতা এবং পড়েন বা আড়াআড়ি সুতাই গ্রেন লাইন l
ড্রাফটিং এর একটি পদ্ধতি হচ্ছে প্যাটার্ন ড্রাফটিং।
পোশাক তৈরি করার পূর্বে দেহের বিভিন্ন অংশের মাপ নিয়ে বাদামি রঙের অথবা যেকোনো শক্ত কাগজে যে নকশা অঙ্কন করা হয় তাকে ২২ প্যাটার্ন ড্রাফটিং বলা হয়। মূল নকশার সাথে পছন্দমতো ডিজাইন প্রয়োজনানুসারে রদবদল করে চূড়ান্ত নমুনা প্রস্তুত করাকে প্যাটার্ন ড্রাফটিং বলে। প্যাটার্ন ড্রাফটিং করার সময় সেলাই ও বোতাম ঘরের জন্য যে বাড়তি কাপড়ের প্রয়োজন হয় তা কাগজের উপর বাড়তি রেখেই কাটতে হয়। সুতরাং বলা যায়, মূল নকশার পরিবর্তিত রূপই হলো প্যাটার্ন ড্রাফটিং।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
