উত্তরঃ

যা কিছু পরিবর্তনশীল বা যাকে পরিবর্তন করা যায় তাকে চল বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

পরীক্ষণ পদ্ধতির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে নিয়ন্ত্রণ।
যে অনুসন্ধান কার্যে উদ্দীপকের প্রভাবের উপর অনুসন্ধানকারীর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা থাকে তাকে পরীক্ষণ বলা যায়। মনোবিজ্ঞানী বিশেষ কোনো আচরণকে গবেষণাগারে সৃষ্টি করেন এবং যে সব অবস্থা বা শর্তের ওপর আচরণটি নির্ভর করে সেগুলোকে প্রয়োজনানুসারে নিয়ন্ত্রণ করেন। অর্থাৎ পরীক্ষণের প্রয়োজন অনুসারে বাড়ানো, কমানো, উপস্থিত করা বা অনুপস্থিত রাখা হয়। একারণে 'নিয়ন্ত্রণ' পরীক্ষণ পদ্ধতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-১ এর ছক দ্বারা চল নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে তুল্যমূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টিকে নির্দেশ করা হয়েছে।
এমন কতগুলো অবাঞ্ছিত চল আছে যেগুলোকে অপসারণ বা অবস্থার সমতাকরণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার অন্যতম কৌশল হলো ভারসাম্য সৃষ্টি করা। এ পদ্ধতিতে সকল বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে সমান সমান দুটি দল গঠন করা হয়। একটি দলকে পরীক্ষণ দল এবং অন্যদলকে নিয়ন্ত্রিত দল বলা হয়। এ দুটি দল সব শর্তের দিক থেকে সমান বা সমতুল্য থাকবে; পার্থক্য শুধু এই যে, পরীক্ষণ দলে অনির্ভরশীল চল প্রয়োগ করা হয় কিন্তু নিয়ন্ত্রিত দলে উক্ত চল প্রয়োগ করা হয় না।
তাই দুটি দলের নির্ভরশীল চলের মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হলে, সেজন্য শুধুমাত্র অনির্ভরশীল চলকেই দায়ী করা হয়। নির্ভরশীল চলের পার্থক্য তুলনার জন্য নিয়ন্ত্রিত চল ব্যতীত অন্যসব দিক থেকে পরীক্ষণ দল ও নিয়ন্ত্রিত দলকে সমমানে গঠন কুরার মাধ্যমেই ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'B' ও 'E' চিহ্নিত চল নিয়ন্ত্রণের কৌশল দুটি হলো যথাক্রমে অবস্থার ধ্রুবকতা এবং দৈবচয়ন।
সব চলকে সবসময় পরীক্ষণ পরিবেশ থেকে অপসারণ করা যায় না। এক্ষেত্রে অবস্থার ধ্রুবকতা কৌশলটি ব্যবহার করতে হয়। এ সকল চলকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে লক্ষ রাখতে হবে যে, পরীক্ষণে অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষণপাত্রের উপরই যেন এগুলো অপরিবর্তনশীলভাবে ক্রিয়াশীল থাকে। যেমন- পরীক্ষণপাত্রের প্রতি নির্দেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত যার উপর পরীক্ষণের ফলাফল বহুলাংশে নির্ভর করে। নির্দেশাবলি মুখে বলতে গেলে কোনো বিশেষ দিক বাদ পড়তে পারে বা বিভিন্ন পরীক্ষণপাত্রের নিকট নির্দেশাবলি বলা হুবহু একই রকম নাও হতে পারে। তাই পরীক্ষণ পরিস্থিতির অপরিবর্তনশীলতা রক্ষা করার জন্য সকল পরীক্ষণপাত্রকে একই লিখিত নির্দেশাবলি প্রদান করতে হবে। এমন কিছু অবাঞ্ছিত চল আছে যা সুস্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা যায় না এবং পূর্বোক্ত পদ্ধতিগুলোর সাহায্যেও নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, সেক্ষেত্রে দৈবচয়ন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। পরীক্ষণে পরীক্ষণকারীর পক্ষপাতিত্ব একটি অবাঞ্ছিত চল। পরীক্ষণপাত্র নির্বাচন, পরীক্ষণপাত্রদের বিভিন্ন দলে বণ্টন, উদ্দীপক উপস্থাপনের ধারা ইত্যাদি ক্ষেত্রে পরীক্ষণকারীর পক্ষপাতিত্ব ঘটতে পারে। এ সকল পরিস্থিতিতে অবাঞ্ছিত চল নিয়ন্ত্রণের জন্য দৈবচয়ন পদ্ধতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উদ্দেশ্যহীন কৌশলে নমুনা নির্বাচনের পন্থা অবলম্বনকেই দৈবচয়ন পদ্ধতি বলে। পরিশেষে বলা যায়, পরীক্ষণ পরিচালনায় চল নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। প্রয়োজন অনুসারে চল নিয়ন্ত্রণ করলে ফলাফলের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
17

Related Question

View All
উত্তরঃ

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলতে অনুসন্ধানের সুনির্দিস্ট প্রতিক্রিয়াকে বোঝায়, যার দ্বারা ধারাবাহিক, বস্তুনিষ্ঠ ও সুশৃঙ্খল জ্ঞান আহরণ করা সম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
22
উত্তরঃ

মনোবিজ্ঞানের পরীক্ষণে কোনো ঘটনার কিছু শর্তকে যখন পরীক্ষকের ইচ্ছানুযায়ী এবং প্রয়োজনানুসারে পরিবর্তন করে পরীক্ষণের ওপর থেকে প্রভাবমুক্ত রাখা হয় তখন তাকে নিয়ন্ত্রণ বলা হয়।
নিয়ন্ত্রণ বলতে মূলত পরীক্ষণে চলের নিয়ন্ত্রণকেই বোঝায়। চলের নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষণ পদ্ধতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। পরীক্ষণ পরিচালনায় গবেষককে অনির্ভরশীল চল ব্যতীত অন্য যেসব চল নির্ভরশীল চলকে প্রভাবিত করতে পারে সেগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। একারণে পরীক্ষণে নিয়ন্ত্রণ অত্যাবশ্যক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
20
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'C' চিহ্নিত স্থানটি মধ্যবর্তী চলকে নির্দেশ করে।
পরীক্ষণে চল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মূলত চল বলতে তাকে বোঝায় যা পরিবর্তনশীল। চলকে প্রধানত অনির্ভরশীল, নির্ভরশীল, মধ্যবর্তী ও বাহ্যিক- এই চার ভাগে ভাগ করা যায়। উদ্দীপকের ছকে বিভিন্ন প্রকার চলের প্রকারভেদ দেখানো হয়েছে। অতএব বলা যায়, 'C' চিহ্নিত স্থানে মধ্যবতী বা অন্তবর্তী চলকেই নির্দেশ করা হয়েছে। অনির্ভরশীল চল ও নির্ভরশীল চলের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী চলকে মধ্যবর্তী চল বা অন্তবর্তী চল বলে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই চলকে যোগ সাধনকারী চল হিসেবেও উল্লেখ করা হয়। পরীক্ষণ পরিচালনার সময় এই মধ্যবর্তী চল কিছুটা অন্য রকমের হয়। এক্ষেত্রে মধ্যবর্তী চল দুই রকমের হতে পারে। যথা: ১. মনস্তাত্ত্বিক চল, যেমন- বুদ্ধি, শিক্ষণ, ব্যক্তিত্ব, প্রেষণা, চিন্তন, আবেগ ইত্যাদি এবং ২. শরীরবৃত্তীয় চল, যেমন-বয়স, লিঙ্গ, স্বাস্থ্যগত অবস্থা ইত্যাদি। সাপেক্ষ চলের ওপর অনির্ভরশীল চলের প্রভাব মধ্যবর্তী চলের প্রভাব দ্বারা প্রভাবিত হয়। এ কারণে মধ্যবর্তী চলগুলো পরীক্ষণে অবাস্তব উপাদান হিসেবে পরিচিত। তাই একটি ভালো পরীক্ষণ চালাতে এসব চলকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে যাতে এদের প্রভাব সাপেক্ষ চলে পড়তে না পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
23
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'A' ও 'D' চিহ্নিত স্থান দুটি যথাক্রমে অনির্ভরশীল চল ও বাহ্যিক চলকে নির্দেশ করে।
'A' চিহ্নিত স্থানে নির্দেশিত অনির্ভরশীল চল 'উদ্দীপক চল' বা 'নিরপেক্ষ চল' নামেও পরিচিত। মূলত গবেষক প্রাণীর আচরণের ওপর যে সকল চলের প্রভাব লক্ষ করেন সে সকল চলই হচ্ছে অনির্ভরশীল চল। এখানে গবেষক তার ইচ্ছানুসারে অনির্ভরশীল চলকে হ্রাস বা বৃদ্ধি করে থাকেন। মনোবিজ্ঞানীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উদ্দীপকের প্রতি প্রাণীর প্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করেন। এজন্য মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় শব্দ, আলোকরশ্মি, বিদ্যুৎপ্রবাহ ইত্যাদিকে উদ্দীপক বা অনির্ভরশীল চল হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এ অর্থে বলা যায়, যে চলকে তার উপস্থিতি বা সৃষ্টির জন্য অন্য চলের ওপর নির্ভর করতে হয় না তাকে অনির্ভরশীল বা স্বাধীন চল বলা হয়ে থাকে।
অন্যদিকে, পরীক্ষণের ফলাফলের ওপর যেসব চল অবাঞ্ছিতভাবে প্রভাব বিস্তার করে সেসব চলকে বাহ্যিক চল বলে। যেমন- গবেষণাগারের পরিবেশ, আলো, বাতাস, তাপমাত্রা, শব্দ ইত্যাদি যদি গবেষণা কাজে সমস্যা সৃষ্টি করে তবে এগুলোকে বাহ্যিক চলা বলা যাবে। উদাহরণস্বরূপ, মুখস্থ করার সময় যদি কক্ষের তাপমাত্রা খুব বেশি থাকে অথবা কক্ষের বাইরে যদি তখন তুমুল হট্টগোল চলতে থাকে, তাহলে তা মুখস্থ করার ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তাই এই চলটিকেও এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে যাতে পরীক্ষণের উপর এর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব না পড়ে।
-পরিশেষে বলা যায়, অনির্ভরশীল চল ও বাহ্যিক চল উভয়ই পরীক্ষণের ক্ষেত্রে গুরুত্ব বহন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
27
উত্তরঃ

কোনো পরীক্ষা পরিচালনা করার পূর্বেই উক্ত পরীক্ষণের সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান সম্পর্কে যে আনুমানিক ধারনা ঠিক করা হয় তাকে প্রকল্প বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
18
উত্তরঃ

পরীক্ষণ পদ্ধতি হলো এমন একটি সুপরিকল্পিত ও সুনিয়ন্ত্রিত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, যার মাধ্যমে অনির্ভরশীল চল ও নির্ভরশীল চলসমূহের কার্যকারণগত সম্পর্ক নির্ণয় ও পরিমাপ করা হয়।
মনোবৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে পরীক্ষণ পদ্ধতি হলো মানুষ বা প্রাণীর আচরণ ও মানসিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া নির্ণয়ের একটি সুপরিকল্পিত ও সুনিয়ন্ত্রিত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে বৈজ্ঞানিক বৈশিষ্ট্যাবলি বর্তমান থাকে। এ কারণেই পরীক্ষণ পদ্ধতিকেই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
24
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews