উত্তরঃ

নতুন উদ্ভিদ জন্মানোর জন্য উদ্ভিদের যে অংশ ব্যবহৃত হয় তাকে বীজ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

ভালো বীজে অন্য কোনো জাতের বীজ বা জড় পদার্থের মিশ্রণ থাকবে না। রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণমুক্ত হবে। সকল বীজ সম আকারের, পুষ্ট এবং বড় দানার হবে। বীজের রং উজ্জ্বল, আর্দ্রতার পরিমাণ হবে ৮-১২%। অধিক জীবনীশক্তি ও অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা কমপক্ষে ৮০% হতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে দেখানো বীজ হলো প্রত্যয়িত বীজ।
ভিত্তি বীজ থেকে বীজ অনুমোদন সংস্থার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বীজ উৎপাদনের নিয়মকানুন মেনে প্রত্যয়িত বীজ উৎপাদন করা হয়। এসব বীজ উৎপাদনের সময় বীজ ও জাতের বিশুদ্ধতার দিকে খেয়াল করা হয়। বীজ জমিতে বপনের আগে গ্রানোসান এম, ভিটাভেক্স-২০০ ইত্যাদি ঔষধ দ্বারা শোধন করে নেওয়া হয়। জমিতে রোগিং করা হয়।
আগাছা ও কীট-পতঙ্গ দমন করা হয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে মাড়াই-ঝাড়াই করে ও শুকিয়ে আর্দ্রতা ৮-১২% রাখা হয়। কীটপতঙ্গের আক্রমণ রোধে শুষ্ক ও পরিচ্ছন্ন পাত্রে রেখে বীজে ম্যালাথিয়ন স্প্রে করা হয়।
উপরিউক্ত নিয়মাবলি অনুসরণ করার ফলে প্রত্যয়িত বীজের গুণগত মান ভালো হয়। তাই সার্বিকভাবে আমরা বলতে পারি, প্রত্যয়িত বীজ কৃষিকাজে ব্যবহারের উপযোগী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

মানসম্মত বীজ উৎপাদনের ধাপগুলোর সর্বশেষ ও চূড়ান্ত ধাপ হলো প্রত্যয়িত বীজ।

মৌল বীজের সকল বংশগত গুণাগুণ রক্ষা করে বীজ অনুমোদন সংস্থার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে উৎপাদিত বীজকে ভিত্তি বীজ বলে। ফসল উৎপাদনে মৌল বীজ বা ভিত্তি বীজ ব্যবহার করলে ফসল ভালো না পাওয়ার আশঙ্কা থাকে। আবার ভিত্তি বীজ থেকে বীজ অনুমোদন সংস্থার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বীজ উৎপাদনের নিয়মকানুন মেনে প্রত্যয়িত বীজ উৎপাদন করা হয়। অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বিশেষজ্ঞরা প্রত্যয়িত বীজ ব্যবহারের অনুমোদন প্রদান করেন। এজন্য প্রত্যয়িত বীজ কৃষকদের নিকট বিক্রি করা হয় এবং কৃষকরা এ বীজ ব্যবহার করেন।
অতএব বলা যায়, মানসম্মত বীজ উৎপাদনের ধাপগুলোর সর্বশেষ ও চূড়ান্ত ধাপ হিসেবে প্রত্যয়িত বীজ যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
60

আমরা প্রযুক্তির যুগে বাস করছি। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছি। কৃষিকাজ একটি বৈজ্ঞানিক কাজ। এই কাজকে সহজ করার জন্য অনেক প্রযুক্তির উদ্ভাবন হয়েছে। কৃষকেরা এখন এই প্রযুক্তিগুলো ফসলের মাঠে যেমন ব্যবহার করছেন তেমনি উদ্ভিদ ও প্রাণীর বংশবৃদ্ধিতেও ব্যবহার করছেন। আবার গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালনে প্রযুক্তি যেমন ব্যবহার করছেন, তেমনি মাছ চাষেও ব্যবহার করছেন। বিজ্ঞানের গবেষণা যত এগুচ্ছে প্রযুক্তির উদ্ভাবনও ততই বাড়ছে।

এ অধ্যায় শেষে আমরা -

  • কৃষিতে ব্যবহৃত মাঠ প্রযুক্তিগুলো ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • উদ্ভিদ ও প্রাণীর বংশবৃদ্ধিতে প্রযুক্তির ব্যবহার বিশ্লেষণ করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

বীজ ছাড়া উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গ (যেমন- মূল, পাতা, কান্ড ইত্যাদি) দিয়ে চারা উৎপাদনকে উদ্ভিদের অঙ্গজ বংশবিস্তার বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
434
উত্তরঃ

অঙ্গজ বংশবিস্তারের একটি সুবিধা হলো তাড়াতাড়ি ফল পাওয়া যায়। বীজ রোপণ করে চারা উৎপন্ন করলে ফল পেতে অনেক সময় লাগে, যা অঙ্গজ প্রজননের ক্ষেত্রে লাগে না। এতে দ্রুত অর্থ আয় হয় ও খাদ্যের চাহিদা পূরণ করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
213
উত্তরঃ

গোলাপের বংশবিস্তারের ক্ষেত্রে 'ক' চিত্রের পদ্ধতিটি হলো দাবা কলম এবং 'খ' পদ্ধতিটি হলো কর্তন বা ছেদ কলম।

দাবা কলম পদ্ধতিতে মাতৃগাছের মাটির নিকটে অবস্থিত শাখা নিচে নামিয়ে দুই গিটের মাঝখানের বাকল কেটে নিতে হয়। বাকলের নিচের সবুজ অংশ ছুরির ভোতা 'পাশ দিয়ে চেছে ফেলতে হয়। এরপর কাটা অংশ মাটিতে চাপা দিতে হয়। কিছুদিন পর কাটা অংশ থেকে শিকড় ও নতুন চারা গজায়। গজানো অংশ কেটে ২-৩ সপ্তাহ পর সাবধানে মাটিসহ অন্যত্র রোপণ করতে হয়। অপরদিকে কর্তন, বা ছেদ কলম পদ্ধতিতে শাখা, মূল, পাতা ইত্যাদি মাতৃগাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ছায়াযুক্ত স্থানে টবে বা নার্সারি বেডে রোপণ করতে হয়। ১৫ দিনের মধ্যে তা থেকে নতুন চারা উৎপন্ন হয়। অতঃপর চারাটি অন্যত্র মূল জমিতে রোপণ করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় খুব সহজে ও কম সময়ে গোলাপের বংশবিস্তার করা যায়। তাছাড়া কাণ্ড বাঁকানোর ফলে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না।
অর্থাৎ, কর্তন বা ছেদ কলম পদ্ধতি গোলাপের বংশবিস্তারের ক্ষেত্রে অমিত কার্যকরী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
167
উত্তরঃ

চিত্রের পদ্ধতিগুলো হলো দাবা কলম ও কর্তন বা ছেদ কলম যা কৃত্রিম অঙ্গজ বংশবিস্তারের প্রকারভেদ।

অঙ্গজ পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন করলে নতুন বৃক্ষ তার মাতৃবৃক্ষের সকল গুণাগুণ বিশুদ্ধভাবে বহন করে। অর্থাৎ, যদি কোনো গাছের আম খুব বড় এবং মিষ্টি হয় তবে তার অঙ্গ দিয়ে উৎপাদিত গাছের আমের স্বাদ ও - আকার হুবহু এক হবে। আবার কোনো গাছের যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকে, তবে সে গাছ থেকে উৎপাদিত চারা গাছও একই গুণ পাবে। এ পদ্ধতি ব্যবহার করে উদ্ভিদে বিভিন্ন গুণগত পরিবর্তন আনা যায়। মাতৃগাছের গুণাগুণের সুবিধা ছাড়াও অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে চারা থেকে খুব তাড়াতাড়ি ফল পাওয়া যায়। ফলে ফসল উৎপাদন যেমন দ্রুত হয়, তেমনি দ্রুত আয় এবং খাদ্য ঘাটতিও হ্রাস করা যায়।
অতএব বলা যায়, উপরের চিত্রের পদ্ধতিগুলো কম সময়ে অধিক ফসল উৎপাদনে ভূমিকা রাখতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
149
উত্তরঃ

ফসলের পানির চাহিদা পূরণ ও ফলন বৃদ্ধির জন্য কৃত্রিমভাবে পানি সেচ দেওয়া হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
273
উত্তরঃ

সেচের পানির কার্যকারিতা বৃদ্ধির একটি প্রযুক্তি হচ্ছে উপযুক্ত পদ্ধতিতে সেচ প্রদান। যেমন- বৃত্তাকার সেচ পদ্ধতিতে বহুবর্ষজীরী ফলগাছের সমস্ত জমিতে সেচ না দিয়ে যে স্থানে গাছ রয়েছে শুধু সেখানেই পানি সরবরাহ করা হয়। এতে পানি নিয়ন্ত্রণ সহজ ও পানির অপচয় কম হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
224
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews