উত্তরঃ

সমুদ্রের বা সাগর ও মহাসাগরের পানির নির্দিষ্ট ও নিয়মিত প্রবাহকে সমুদ্রস্রোত বলে।

Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

সমুদ্রের তলদেশে শৈলশিরা থাকার কারণে অন্তঃস্রোতের গতি প্রতিহত হয়। সাধারণত শীতল অঞ্চল থেকে, পানি সমুদ্রের তলদেশে দিয়ে অন্তঃস্রোত রূপে উষ্ণ স্থানের দিকে প্রবাহিত হওয়ার গতিপথে কোনো শৈলশিরা দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হলে উক্ত শীতল স্রোত উষ্ণ অঞ্চলে পৌছাতে পারে না। এভাবে শৈলশিরার অবস্থান সমুদ্র স্রোতকে প্রবাহিত করে।

Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'খ' এ প্রদর্শিত জোয়ারভাটার বৈশিষ্ট্যগতভাবে মরা কটালকে ইঙ্গিত করে।
সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর দুই পার্শ্বে পরস্পরের সাথে সমকোণে অবস্থান করে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে। ঐ দিন তারা পৃথিবীকে আড়াআড়িভাবে আকর্ষণ করে বলে আকর্ষণের বেগ কমে যায়। সেই সময় চন্দ্রের আকর্ষণে চন্দ্রের দিকে এবং তার বিপরীত দিকে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণেও সূর্যের দিকে এবং তার বিপরীত দিকে জোয়ার হওয়ার কথা। কিন্তু সূর্য অপেক্ষা চাঁদের আকর্ষণ শক্তি বেশি বলে চন্দ্রের আকর্ষণে চন্দ্রের দিকে ও তার বিপরীত দিকে
জোয়ার হয়। একই সাথে সূর্যের দিকে এবং সূর্যের বিপরীত দিকে ভাটা হয়। যে কারণে চন্দ্রের আকর্ষণে তার দিকে এবং তার বিপরীত দিকে জোয়ারের পানি এতবেশি ফুলে উঠতে পারে না। ফলে সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে জোয়ারের তীব্রতা সবচেয়ে কম থাকে। সেজন্য উক্ত দুদিনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে।

Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

'ক' ও 'খ' এ প্রদর্শিত জোয়ার হলো ভরা কটাল ও মরা কটাল। নিচে এ দুই ধরনের জোয়ারের পার্থক্য তুলে ধরা হলো-

জোয়ারভাটা সৃষ্টিতে চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাব বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অমাবস্যা তিথিতে সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী প্রায় একই সরল রেখায় অবস্থান করে। আবার পূর্ণিমার সময় পৃথিবীর একদিকে সূর্য ও অপরদিকে চন্দ্র থাকে এবং সমসূত্রে অবস্থান করে। ফলে সূর্য ও চন্দ্রের আকর্ষণ শক্তি একই সাথে কার্যকরী হয় এবং উভয়ের মিলিত আকর্ষণ শক্তি প্রবল হয়। পূর্ণিমা ও অমাবস্যার ঐ দুই দিন চন্দ্রের আকর্ষণে যে স্থানে জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণেও সেই স্থানে জোয়ার হয়। এ দুই দিন চন্দ্র সূর্যের মিলিত শক্তির আকর্ষণের ফলে পৃথিবীর দুই দিকের জলরাশি খুণ বেশি মাত্রায় ফুলে ওঠে এবং দুই জোয়ারের মধ্যে সমকোণী অংশে ভাটার পানি খুবই নেমে যায়। এ কারণে পূর্ণিমা ও অমাবস্যার জোয়ারকে ভরা জোয়ার, ভরা কটাল বা তেজ কটাল বলে।

অন্যদিকে, সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর দুই পার্শ্বে পরস্পরের সাথে সমকোণে অবস্থান করে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে। ঐ দিন তারা পৃথিবীকে আড়াআড়িভাবে আকর্ষণ করে বলে আকর্ষণের বেগ কমে যায়। সেই সময় চন্দ্রের আকর্ষণে চন্দ্রের দিকে এবং তার বিপরীত দিকে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণেও সূর্যের দিকে এবং তার বিপরীত দিকে জোয়ার হওয়ার কথা। কিন্তু সূর্য অপেক্ষা চাঁদের আকর্ষণ শক্তি বেশি বলে চন্দ্রের আকর্ষণে চন্দ্রের দিকে ও তার বিপরীত দিকে জোয়ার হয়। একই সাথে সূর্যের দিকে এবং সূর্যের বিপরীত দিকে ভাটা হয়। যে কারণে চন্দ্রের আকর্ষণে তার দিকে এবং তার বিপরীত দিকে জোয়ারের পানি ততবেশি ফুলে উঠতে পারে না। ফলে সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে জোয়ারের তীব্রতা সবচেয়ে কম থাকে। সেজন্য উক্ত দুদিনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে।
তাই বলা যায় চন্দ্র ও সূর্যের অবস্থানগত পার্থক্যের কারণেই জোয়ারের এ পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।

Md Durjoy islam
5 months ago
51
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সমুদ্রের পানিরাশির একস্থান হতে অন্যস্থানে নিয়মিতভাবে প্রবাহিত হওয়াই সমুদ্রস্রোত।

Md Durjoy islam
5 months ago
87
উত্তরঃ

পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সমুদ্রস্রোতের উৎপত্তি।
আহ্নিক গতির জন্য পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর সর্বদা পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘুরছে। পৃথিবীর এ আবর্তনের জন্য সমুদ্রের উপরিভাগের তরল পানি পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি করে।

Md Durjoy islam
5 months ago
76
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' স্রোত দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোতকে নির্দেশ করে।
বেঙ্গুয়েলা স্রোত যখন নিরক্ষরেখার দক্ষিণ দিক দিয়ে সোজা পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয় তখন তাকে দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোত বলে।
দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ুর প্রভাবে এ স্রোতের গতিবেগ বৃদ্ধি পায়। মহাসাগরের সবচেয়ে উষ্ণতম অঞ্চলের উপর দিকে প্রবাহিত হয় বলে এটি একটি উষ্ণ স্রোত। এ স্রোতটি আটলান্টিক মহাসাগর অতিক্রম করে দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূলে এসে সেন্টরকে অন্তরীপে বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং দুটি শাখায় বিভক্ত হয়। প্রথম ও প্রধান শাখাটি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূল দিয়ে ক্যারিবিয়ান সাগরে প্রবেশ করে এবং পরে মেক্সিকো উপসাগরে পৌছে উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতে পরিণত হয়। দ্বিতীয় শাখাটি দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল' দিয়ে প্রবাহিত হয়।

Md Durjoy islam
5 months ago
90
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের কথা বলা হয়েছে। যার দুটি স্রোত বিপরীত ধর্মী। এর ফলে বিভিন্ন ধরনের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
উত্তর মহাসাগর হতে আগত সুমেরু শীতল স্রোত দুটি গ্রীনল্যান্ডের পূর্ব ও পশ্চিম পাশ দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে ল্যাব্রাডর উপদ্বীপের নিকট মিলিত হয়। এ মিলিত স্রোত শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত নামে পরিচিত। এ শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত আরও দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে নিউফাউন্ডল্যান্ডের নিকট দুটি শাখায় বিভক্ত হয়। এর একটি শাখা উপসাগরীয় স্রোতের নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে এবং অপর শাখাটি উপসাগরীয় স্রোতের পশ্চিম পাশ দিয়ে উত্তর আমেরিকার পূর্ব উপকূল বেয়ে দক্ষিণ দিকে চলে যায়। উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের নীল পানি উত্তর-পূর্ব দিকে এবং তার পাশ দিয়ে শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের সবুজ পানি দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়। এ দুটি বিপরীত স্রোত পরস্পর বিপরীত দিকে প্রবাহিত হওয়ার সম্ভব তাদের স্রোতের সীমারেখা সুস্পষ্টভাবে দৃষ্টিগোচর হয়। এ দুটি স্রোতের মধ্যবর্তী সীমারেখাকে হিমপ্রাচীর বলে l

উত্তর মহাসাগর হতে ল্যাব্রাডর স্রোতের সাথে অনেক হিমশৈল ভেসে আসে। উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের সংস্পর্শে ঐ সব হিমশৈল গলে যায়। এর ফলে হিমশৈলের সাথে বাহিত কাদা, বালি প্রভৃতি সমুদ্রতলে সঞ্চিত হয়ে বৃহৎ মগ্নচড়ার সৃষ্টি করে। নিউফাউল্যান্ডের নিকটবর্তী গ্র্যান্ড ব্রাঙ্ক এরূপে সৃষ্টি হয়েছে।
উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের ওপর দিকে প্রবাহিত বায়ু উষ্ণ ও আর্দ্র হয়। অন্যদিকে ল্যাব্রাডর স্রোতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু শুষ্ক ও শীতল হয়। এ বিপরীতধর্মী দুই বায়ুর সংমিশ্রণে এ অঞ্চলে প্রায়ই কুয়াশা ও ঝড়-তুফান লেগে থাকে।

Md Durjoy islam
5 months ago
96
উত্তরঃ

চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে নির্দিষ্ট সময় পর পর পর্যায়ক্রমে সমুদ্রের পানিরাশির স্ফীতি ও অবনমনকে জোয়ারভাটা বলে।

Md Durjoy islam
5 months ago
86
উত্তরঃ

চন্দ্রের আকর্ষণে পানি ফুলে ওঠাকে মুখ্য জোয়ার বলে।
চন্দ্র এক স্থানে স্থির থাকে না। তা পৃথিবীর চারদিকে সর্বদা ঘুরছে। আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এ আকর্ষণে চারদিক হতে পানি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলা হয়।

Md Durjoy islam
5 months ago
168
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews