উত্তরঃ

১৯২৩ সাল থেকে ১৯২৯ সাল পর্যন্ত সময়কে কল্লোল যুগ বলা হয়। আর এই সময়কালকেই ‘ত্রিশোত্তর সাহিত্য' বলা হয়। উল্লেখ্য, ৫ জন কবিকে বাংলা সাহিত্যে পঞ্চপাণ্ডব/ ত্রিশের কবি/ কল্লোলের কবি বলা হয়। এর হলেনঃ অমিয় চক্রবর্তী, বুদ্ধদেব বসু, জীবনানন্দ দাস, বিষ্ণু দে এবং সুধীন্দ্রনাথ দত্ত

উত্তরঃ

'বিষের বাঁশি' ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়। উল্লেখ্য, সাহিত্য সমালোচক শিশির কর নিষিদ্ধ নজরুল' নামক গ্রন্থে ৫টি গ্রন্থের কথা উল্লেখ করেছেন। গ্রন্থগুলি হলোঃ ‘যুগবাণী' (নিষিদ্ধ ২৩ নভেম্বর, ১৯২২ এবং প্রত্যাহার হয় ১৯৪৭), ‘বিষের বাঁশি” (নিষিদ্ধ হয় ২২ অক্টোবর, ১৯২৪ এবং প্রত্যাহার হয় ২৭ এপ্রিল, ১৯৪৫), 'ভাঙার গান' (নিষিদ্ধ হয় ১১ নভেম্বর, ১৯২৪), ‘প্রলয়শিখা' (নিষিদ্ধ হয় ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৩০), 'চন্দ্রবিন্দু' (নিষিদ্ধ হয় ১৪ অক্টোবর, ১৯৩১)।

167

১৯২৩ সালে আধুনিক লেখকদের সাহিত্যিক মুখপত্র হিসেবে কলকাতা থেকে মাসিক 'কল্লোল' প্রকাশিত হয়। দীনেশরঞ্জন দাশ ছিলেন এর সম্পাদক। এটি রবীন্দ্র-রোমান্টিক সাহিত্যের বিরুদ্ধধারা হিসেবে আধুনিক সাহিত্যের সূচনা হিসেবে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এ পত্রিকার লেখকগণ বয়সে তরুণ, সৃষ্টিতে কূলপ্লাবী। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের চেতনা, ইউরোপীয় সাহিত্যের প্রভাব এ তরুণ লেখকদের লেখনিতে বিশেষ প্রভাব বিস্তার করেছিল। অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত, শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়, প্রেমেন্দ্র মিত্র, বুদ্ধদেব বসু, কাজী নজরুল ইসলাম প্রমুখ ছিলেন এ পত্রিকার নিয়মিত লেখক।

Related Question

View All
উত্তরঃ যুগবাণী, বিষের বাঁশী, ভাঙার গান, প্রলয় শিখা, চন্দ্রবিন্দু, রুদ্রমঙ্গল, দুর্দিনের যাত্রী।

কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার এক কণ্ঠস্বর। তাঁর সাহিত্যকর্ম, বিশেষ করে কবিতা ও গানে, পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার আহ্বান এবং বিদ্রোহের সুর স্পষ্টভাবে প্রতিধ্বনিত হয়েছিল। তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার নজরুলের বিপ্লবী চেতনার এই প্রকাশকে নিজেদের শাসনের জন্য হুমকি মনে করত। ফলস্বরূপ, তাঁর বেশ কয়েকটি গ্রন্থ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ১৯২২ সালে প্রকাশিত প্রবন্ধ সংকলন 'যুগবাণী', যা রাজনৈতিক প্রবন্ধের জন্য নিষিদ্ধ হয়। ১৯২৪ সালে প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'বিষের বাঁশী' ও 'ভাঙার গান' ব্রিটিশবিরোধী পরাধীনতার তীব্র প্রতিবাদ এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করায় নিষিদ্ধ হয়। এছাড়া, ১৯২৯ সালে প্রকাশিত 'চন্দ্রবিন্দু' এবং ১৯৩০ সালে প্রকাশিত 'প্রলয় শিখা' কাব্যগ্রন্থও একই কারণে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। নজরুলের এই গ্রন্থগুলো পরাধীন ভারতে মুক্তিকামী মানুষের মনে দারুণ প্রভাব ফেলেছিল এবং ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
341
উত্তরঃ যুগবাণী

কাজী নজরুল ইসলামের বেশ কয়েকটি গ্রন্থ ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। তাঁর প্রথম বাজেয়াপ্ত গ্রন্থটি ছিল ‘যুগবাণী’। এটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত প্রবন্ধ সংকলন, যা ব্রিটিশ সরকারের শোষণ ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদী মনোভাব ব্যক্ত করে।

এছাড়া, ব্রিটিশ সরকার নজরুলের নিম্নলিখিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো বাজেয়াপ্ত করে:

        
  • বিষের বাঁশি: ১৯২৪ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি তার বিপ্লবী চেতনার জন্য বাজেয়াপ্ত হয়।
  •     
  • ভাঙ্গার গান: ১৯২৪ সালে প্রকাশিত এটিও একটি কাব্যগ্রন্থ, যা পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার আহ্বান জানিয়েছিল।
  •     
  • প্রলয়শিখা: ১৯৩০ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটিও ব্রিটিশ বিরোধী তীব্র প্রতিবাদী রচনার জন্য বাজেয়াপ্ত হয়।
  •     
  • চন্দ্রবিন্দু: ১৯৩১ সালে প্রকাশিত এই ব্যঙ্গাত্মক কাব্যগ্রন্থটিও বাজেয়াপ্ত হয়।

নজরুলের এসব লেখায় ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সরাসরি বিদ্রোহ, পরাধীন জাতির মুক্তি কামনা এবং শোষিত মানুষের পক্ষে সোচ্চার কণ্ঠস্বর ছিল, যা তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারকে ভীত করে তুলেছিল। ফলস্বরূপ, তাঁর একাধিক গ্রন্থ বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগও আনা হয়।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
287
উত্তরঃ একটি বাংলা সাহিত্য পত্রিকা ও সাহিত্য আন্দোলন

'কল্লোল' ছিল বিশ শতকের বিশের দশকে (১৯২৩-১৯২৯) কলকাতা থেকে প্রকাশিত একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী বাংলা সাহিত্য পত্রিকা এবং এর দ্বারা সূচিত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি যুগান্তকারী সাহিত্য আন্দোলন। এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল রবীন্দ্র-প্রভাব থেকে মুক্ত হয়ে নতুন ধারার সাহিত্য সৃষ্টি করা, যেখানে নগরজীবন, প্রেম, মনস্তত্ত্বের জটিলতা এবং প্রথা ভাঙার বিদ্রোহ প্রাধান্য পেত।

দীনেশচন্দ্র দাস এই পত্রিকার সম্পাদক হলেও, প্রেমেন্দ্র মিত্র, অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত, বুদ্ধদেব বসু, কাজী নজরুল ইসলাম, জগদীশ গুপ্ত প্রমুখ তরুণ সাহিত্যিকরা ছিলেন এর মূল চালিকাশক্তি। 'কল্লোল' আধুনিক বাংলা কবিতার পথ উন্মোচন করেছিল এবং পরবর্তী প্রজন্মের সাহিত্যিকদের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল, যা 'কল্লোল যুগ' নামে পরিচিতি লাভ করে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
358
উত্তরঃ

কল্লোল মূলত একটি সাহিত্য-পত্রিকা, যা অবিভক্ত ব্রিটিশ ভারতের কলকাতা থেকে ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয়কল্লোল ১৯২৩ থেকে ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দের ভেতরে সংগঠিত প্রভাবশালী বাংলা সাহিত্য বিপ্লবের সমনামিক।

621
উত্তরঃ

১৯২৩ সাল থেকে ১৯২৯ সাল পর্যন্ত সময়কে কল্লোল যুগ বলা হয়। আর এই সময়কালকেই ‘ত্রিশোত্তর সাহিত্য' বলা হয়। উল্লেখ্য, ৫ জন কবিকে বাংলা সাহিত্যে পঞ্চপাণ্ডব/ ত্রিশের কবি/ কল্লোলের কবি বলা হয়। এর হলেনঃ অমিয় চক্রবর্তী, বুদ্ধদেব বসু, জীবনানন্দ দাস, বিষ্ণু দে এবং সুধীন্দ্রনাথ দত্ত

1.5k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews