জিপসামের সংকেত হলো CaSO4.2H2O |
হিউমাস হলো মাটিতে বিদ্যমান জৈব পদার্থ। এটি অ্যামিনো এসিড, প্রোটিন, চিনি, অ্যালকোহল, চর্বি, তেল, লিগনিন, ট্যানিন ও অন্যান্য অ্যারোমেটিক যৌগের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ জটিল পদার্থ। হিউমাস দেখতে কালচে ধরনের। প্রকৃতপক্ষে মৃত গাছপালা ও প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে এগুলোর সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকের চিত্রটিতে আয়তন অনুসারে মাটিতে বিদ্যমান পদার্থসমূহের পরিমাণ দেখানো হয়েছে। এখানে, এ উপাদানটি হলো খনিজ পদার্থ। মাটিতে বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থ থাকে। এসব খনিজ পদার্থ বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। যেমন-
ম্যাগনেটাইট লোহা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
ii.
চুনাপাথর ঘরবাড়ি, সিমেন্ট, সোডা, গ্লাস, লোহা ও স্টিল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া মাটি এসিডিক হলে চুনাপাথর ব্যবহার করে মাটিকে প্রশমিত করা হয়।
iii.
কাচ, সিরিচ কাগজ, রেডিও, ঘড়ি তৈরিতে কোয়ার্টজ ব্যবহৃত হয়।
iv.
গহনা ও ধাতব মুদ্রা তৈরিতে সিলভার বা রূপা ব্যবহার করা হয়।
v.
বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে মাইকা ব্যবহার করা হয়।
vi.
সিমেন্ট ও প্লাস্টার অব প্যারিস তৈরির কাঁচামাল তৈরিতে জিপসাম ব্যবহৃত হয়।
vil
. সালফার ও নানা রকম ধাতু তৈরিতে ধাতব পাইরাইটস ব্যবহৃত হয়।
viii.
গহনা তৈরিতে সোনা ও হীরা ব্যবহার করা হয়।
ix.
জ্বালানি হিসেবে রান্নার কাজে গাড়ি ও শিল্পকারখানায় গ্যাস, কয়লা, পেট্রোল ব্যবহার করা হয়।
উদ্দীপক চিত্রের ৪ উপাদানটি হলো পানি।
আমাদের পানির উৎস সমূহ স্পষ্টতই বেশ কয়েকটি হুমকির মুখে রয়েছে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো জলবায়ুজনিত পরিবর্তনের ফলে হুমকি। এ জাতীয় পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ লবণাক্ত পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে। বন্যা ও মাটির ক্ষয়জনিত। কারণে নদী ভরাট হয়ে পানি সম্পদ বিলুপ্ত হচ্ছে।
বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। তবে, এদেশের বেশিরভাগ নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতে। ভারত উজানে এবং বাংলাদেশ ভাটিতে অবস্থান করছে। উজানে ভারত বেশ কয়েকটি নদীতে বাঁধ দিয়ে নদীর গতিপথ পরিবর্তন করেছে। ফলে বাংলাদেশের মিঠাপানির উৎস বা নদী হুমকির মধ্যে পড়েছে। পানি প্রবাহের আন্তর্জাতিক নিয়ম না মেনে ভারত সরকার ১৯৭৫ সালে গঙ্গার পানির গতিপথ পরিবর্তন করে। গঙ্গার পানির এই গতিপথ পরিবর্তনের কারণেই বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের অনেক নদী। পানিশূন্য হয়ে পড়েছে, যা ঐ অঞ্চলকে অনেকটা মরুভূমিতে পরিণত করেছে। ভারত ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথও পরিবর্তন করে শিলিগুড়ি করিডর দিয়ে পশ্চিমাঞ্চলে নেয়ার পরিকল্পনা করেছে। এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের প্রায় ৩০০ কি.মি. হাওড় এলাকাসহ পুরো দক্ষিণাঞ্চলের পানিসম্পদে বিপর্যয় নেমে আসবে। সম্প্রতি ভারত টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে তাতেও বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলের পানি সম্পদ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।
উপরোক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চিত্রের ৪ উপাদানটি অর্থাৎ পানির উৎস হুমকীস্বরূপ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!