Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

দুটি গোলীয় পৃষ্ঠ দ্বারা সীমাবদ্ধ কোনো স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যমকে লেন্স বলে।

উত্তরঃ

একগুচ্ছ সমান্তরাল আলোক রশ্মিকে কোনো লেন্সের অভিসারী গুচ্ছ বা অপসারী গুচ্ছে পরিণত করার ক্ষমতাই হলো লেন্সের ক্ষমতা। লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক বা ঋণাত্মক হতে পারে। সাধারণত লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক হলে লেন্সটি উত্তল লেন্স এবং ঋণাত্মক হলে লেন্সটি অবতল লেন্স।

উত্তরঃ

চিত্র-১-এর X দর্পণটি একটি গোলীয় দর্পণ। এটি বস্তুর চেয়ে খর্বিত আকারের বিম্ব তৈরি করে, ফলে অনেকগুলো লক্ষ্যবস্তুর প্রতিবিম্ব একসাথে দেখা সম্ভব। উদ্দীপকে প্রদত্ত রাস্তার বাঁকটি প্রায় ৯০০ কোণের। এরূপ তীক্ষ্ণ বাঁকের কারণে উক্ত রাস্তায় ড্রাইভিং করা বিপজ্জনক। এ কারণে উক্ত রাস্তায় বাঁকে বড় সাইজের গোলীয় দর্পণ স্ট্যান্ডে (বাঁকের নিকটে) দাঁড় করে রাখা হয়েছে। যাতে এর কাছাকাছি এসে দর্পণে তাকালে বাঁকের অন্য পাশ থেকে কোনো গাড়ি আসে কিনা বা গাড়ির সংখ্যা কতটি তা দেখা যায়। ফলে ড্রাইভার সাবধান হয়ে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ করে নিরাপদে গাড়ি চালাতে পারে।
সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি, চিত্র-১ এর রাস্তার বাঁকে গোলীয় দর্পণটি ব্যবহার করার কারণ হলো বাঁকের বিপরীত পাশ থেকে আসা গাড়ি ড্রাইভার দেখে নিরাপদে গাড়ি চালাতে পারে। অর্থাৎ কোনোরূপ দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে।

উত্তরঃ

চিত্র-২ এর গাড়িটিতে P, Q, R দর্পণগুলো ব্যবহারের ভূমিকা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-

গাড়ি নিরাপদে চালানোর অন্যতম শর্ত হলো নিজ গাড়ির আশেপাশে সর্বদা কী ঘটছে তা খেয়াল রাখা। সাধারণত গাড়ির সম্মুখ দিকে দু'পাশে দুটি দর্পণ ব্যবহার করতে হয়। এছাড়া গাড়ির ভিতরে সামনের দিকে মাঝখানে আরেকটি দর্পণ থাকে। এগুলো গাড়ির দুপাশে এবং পিছনের দিকে দেখার কাজে সহায়তা করে।
উদ্দীপক হতে দেখা যায় P দর্পণটি গাড়ির ডানপাশে অবস্থিত। তাই এটি গাড়ির ডানপাশে পিছনের দিকে কোনো যানবাহন আসছে কিনা তা দেখতে চালককে সাহায্য করে। আবার R দর্পণটি গাড়ির বামপাশে অবস্থিত। এটি ফুটপাত লক্ষ করার জন্য এবং বামপাশ হতে কোনো গাড়ি ওভারটেক করার চেষ্টা করছে কিনা তা লক্ষ রাখতে চালককে সাহায্য করে। অপরদিকে দর্পণটি চালকের মাথার উপরের দিকে অবস্থিত। এটি দ্বারা গাড়ির সরাসরি পিছনে যানবাহনগুলো কত দূরত্বে আছে এবং কত দ্রুত চলছে তা দেখা সম্ভব।

এর ফলে কোনো ঘটনার প্রতিক্রিয়া দেখানোর জন্য ড্রাইভারকে তার হাতকে সর্বদা হুইলে রেখে সামনে বা পিছনের দিকে নজর রাখা সহজ হয়। ফলে ড্রাইভারকে পাশে বা পেছনে দেখার জন্য তার শরীরকে কোনোরকম মোচড় দেওয়া লাগে না। ফলে সে নিরাপদে গাড়ি চালাতে পারে। এছাড়া গাড়ি কোনো কারণে পিছানোর বা গাড়ি লেন পরিবর্তন করার দরকার হলে তিনটি দর্পনেই চোখ বুলিয়ে চালক সিটে বসে নিরাপদে কাজটি সম্পন্ন করতে পারে।

134

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আলোর প্রয়োজনের কথা বলে শেষ করা যাবে না। আমরা চোখ বন্ধ করলে কিছুই দেখি না। আবার পুরোপুরি অন্ধকারে চোখ খোলা রাখলেও কিছু দেখতে পাই না। আলো হচ্ছে সেই নিমিত্ত, যার সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। তোমরা আপের শ্রেণিগুলোতে আলোর বিভিন্ন ধর্মের সাথে পরিচিত হয়েছ। এই অধ্যায়ে আয়না বা দর্পণের ব্যবহার ছাড়াও আলোর প্রতিসরণ সম্পর্কে আরও কিছু জানবে। এছাড়া চোখের ক্রিয়া, স্পষ্ট দর্শনের নিকটতম বিন্দু, লেন্সের ক্ষমতা, চোখের ত্রুটি এবং লেন্স ব্যবহার করে চোখ ভালো রাখার উপায় জানতে পারবে।

 

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা:

  • দর্পণের ব্যবহার ব্যাখ্যা করতে পারব।
  •  আলোর প্রতিসরণ ব্যাখ্যা করতে পারব ।
  • দৃষ্টি কার্যক্রমে চোখের ক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
  •  স্পষ্ট দর্শনের নিকটতম বিন্দু ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • লেন্সের ক্ষমতা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • চোখের ত্রুটি সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব ।
  • লেন্স ব্যবহার করে চোখের ত্রুটি সংশোধনের উপায় বর্ণনা করতে পারব।
  • চোখ ভালো রাখার উপায় ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • চোখের ত্রুটি সৃষ্টির কারণ অনুসন্ধান করতে পারব ।
  • চোখের প্রতি যত্ন নেব এবং অন্যদের সচেতন করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

আলোর প্রতিসরণ (Reflection of light) হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে আলোর রশ্মি একটি বিপরীত পৃষ্ঠ থেকে ফিরে আসে। এটি ঘটে যখন আলোর রশ্মি কোনো প্রতিবন্ধক বা পৃষ্ঠে আঘাত করে এবং সেই পৃষ্ঠ থেকে প্রতিফলিত হয়।

প্রতিসরণের দুইটি মূল ধরণ রয়েছে:

  1. সমতল প্রতিসরণ: যখন আলো একটি সমতল পৃষ্ঠে প্রতিফলিত হয়, যেমন আয়না।
  2. বক্র প্রতিসরণ: যখন আলো বক্র পৃষ্ঠে প্রতিফলিত হয়, যেমন জলাধার বা কোনো গোলাকার পৃষ্ঠ।

প্রতিসরণের মূল নিয়ম:

  • প্রতিরূপ নিয়ম: প্রতিসরণের সময়, প্রতিসরণের কোণ (অর্থাৎ আলোর আসার কোণ) এবং প্রতিফলনের কোণ (অর্থাৎ ফিরে আসার কোণ) একে অপরের সমান হয়।
  • আইনার নিয়ম: আলো যে কোন পৃষ্ঠের দিকে প্রবাহিত হয়, সেই পৃষ্ঠের সাথে প্রান্তিক অবস্থায় প্রতিসরণ ঘটে।

উদাহরণস্বরূপ, একটি আয়না দেখতে পাওয়া যা আমাদের নিজস্ব প্রতিবিম্ব দেখায়, এটি আলোর প্রতিসরণের একটি বাস্তব উদাহরণ।

পদার্থবিজ্ঞানে প্রতিসরণ বলতে একটি তরঙ্গের পথ পরিবর্তনকে বোঝায়; যখন এটি একটি মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যায়। তরঙ্গের গতির পরিবর্তন বা মাধ্যমের পরিবর্তনের কারণে পথ পরিবর্তন হতে পারে। আলোর প্রতিসরণ হতে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, তবে অন্যান্য তরঙ্গ যেমন শব্দ তরঙ্গ এবং জলতরঙ্গেও প্রতিসরণ হতে দেখা যায়।

আলো যখন একটি  স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য  স্বচ্ছ মাধ্যমে লম্বভাবে  বাকাভাবে আপতিত হয় তখন বিবেদতলে এর গতিপথের দিক পাল্টে যায়। আলোকরশ্মির দিক পরিবর্তন করার এই ঘটনাই হলো আলোর প্রতিসরণ

 

 

2 years after
14.7k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews