যে ডিভাইস কোনো শব্দকে বিদ্যুৎ সংকেতে রূপান্তর করে তাই মাইক্রোফোন।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে একে অপরের সাথে যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যোগাযোগের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি কোনো তথ্য বা বার্তা প্রেরণ করে এবং কোনো ব্যক্তি তা গ্রহণ করেন। টেলিফোনে কথা বলা, শিক্ষকের প্রশ্ন শোনা ও উত্তর দেওয়া, ইত্যাদি সবই যোগাযোগ। তাই যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তি সংশ্লিষ্টতা অনস্বীকার্য।
চিত্রে 'খ' দ্বারা একটি স্পিকারের চিত্র দেখানো হয়েছে। এর গঠন চিত্র নিম্নরূপ।

চিত্র 'ক' দ্বারা মাইক্রোফোনকে বোঝানো হয়েছে। মাইক্রোফোনের গঠন লক্ষ করলে দেখা যায়-
মাইক্রোফোনের সামনে ধাতুর একটি পাতলা পাত বা ডায়াফ্রাম থাকে। ডায়াফ্রামের সাথে একটি চলকুণ্ডলী (Coil) লাগানো থাকে যেটি ছবিতে দেখানো উপায়ে একটা চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের ভেতর নাড়া চড়া করতে পারে। যখন কেউ এই মাইক্রোফোনের সামনে কথা বলে তখন ডায়াফ্রামটি শব্দ তরঙ্গের কম্পনের সাথে কাঁপতে থাকে।
ডায়াফ্রামের সাথে লাগানো চলকুণ্ডলীটিও চৌম্বক ক্ষেত্রে সামনে পিছনে নড়তে থাকে। চৌম্বক ক্ষেত্রে একটি চলকুন্ডলী নাড়াচড়া করলে সেখানে একটি বিদ্যুৎ শক্তির আবেশ হয়, কাজেই মাইক্রোফোনটি শব্দ শক্তিটিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে একটি বৈদ্যুতিক সিগন্যাল পাঠায়।
তাই বলা যায়, মাইক্রোফোনের গঠন খুবই সরল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!