Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহের শতকরা ৬৫-৭৫ ভাগ পানি।

উত্তরঃ

জলজ উদ্ভিদসমূহ সারা দেহের মাধ্যমে পানিসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান, বিশেষ করে খনিজ লবণ সংগ্রহ করে। এভাবে জলজ উদ্ভিদের সমগ্র দেহ পানির সংস্পর্শে থাকায় কান্ড এবং অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ খুব নরম হয়, যা পানির স্রোত ও জলজ প্রাণীর চলাচলের সঙ্গে মানানসই। আর এ কারণেই জলজ উদ্ভিদ পানির স্রোতে ভেঙ্গে যায় না।

উত্তরঃ

জাউদ্দীপকে P চিত্রের উদ্ভিদগুলো হলো জলজ উদ্ভিদ। এদের
বেশিরভাগই পানিতে জন্মে এবং কিছু কিছু যেমন- কলমি, হেলেঞ্চা, কেশরদাম ইত্যাদি পানিতে ও মাটিতে দু'জায়গাতেই জন্মে। স্থলজ উদ্ভিদসমূহ মূলত মূলের মাধ্যমে পানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান সংগ্রহ করে। কিন্তু জলজ উদ্ভিদসমূহ সারা দেহের মাধ্যমে পানিসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান বিশেষ করে খনিজ লবণ সংগ্রহ করে থাকে। তাই এদের সমগ্র দেহ পানির সংস্পর্শে না এলে এদের বেড়ে ওঠায় ব্যাঘাত ঘটে। জলজ উদ্ভিদের কাণ্ডসহ অন্যান্য

প্রত্যঙ্গ খুব নরম হয়, যা পানির স্রোত ও জলজ প্রাণীর চলাচলের সাথে মানানসই। পানি ছাড়া স্থলভাগে এদের জন্ম হলে, এরা ভেঙে পড়ত এবং বেড়ে উঠতে পারত না- এমনকি বাঁচতেও পারত না। জলজ উদ্ভিদসমূহ সাধারণত অঙ্গজ উপায়ে বংশবিস্তার করে থাকে। পানি না থাকলে এ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতো। অর্থাৎ পানির অভাবে বেশিরভাগ জলজ উদ্ভিদ জন্মাতই না, অথবা কিছু কিছু জন্মালেও বেঁচে থাকতে ও বেড়ে উঠতে পারত না।
অতএব আমরা বলতে পারি, জলজ উদ্ভিদের জীবনধারণে পানির ভূমিকা অপরিসীম।

উত্তরঃ

চিত্রে Q প্রাণীটি হলো মাছ। নদ-নদীতে মাছ কমে যাওয়ার কারণ নিম্নরূপ দেওয়া হলো-

নদ-নদীর পাড়ে বিভিন্ন ধরনের শিল্প কারখানা রয়েছে। এসব শিল্প কারখানা থেকে প্রচুর রাসায়নিক বর্জ্য পদার্থ নদ-নদীতে পড়ে। জমিতে ব্যবহৃত সার ও কীটনাশক এবং বিভিন্ন নর্দমার পানিও নদ-নদীর পানিতে গিয়ে মিশছে। এসব বিষাক্ত পদার্থ মেশার ফলে নদীর পানি ঘোলাটে হয়ে যায় এবং পানিতে তেজস্ক্রিয় পদার্থ মিশতে পারে। ময়লা- আবর্জনা বেড়ে গেলে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যাওয়া, pH এর মানের পরিবর্তনসহ বিভিন্ন নেতিবাচক পরিবর্তন ঘটে। পানি ঘোলা হলে সূর্যালোকের অভাবে জলজ উদ্ভিদের খাদ্য তৈরি ব্যাহত হয়। ফলে অক্সিজেন উৎপাদনও কম হয়। পানি ঘোলা হলে মাছ ঠিকমতো খাবার সংগ্রহ করতে পারে না। তেজস্ক্রিয় পদার্থের প্রভাবে মাছের দেহে ক্যান্সারের মতো রোগ সৃষ্টি হয়। ময়লা-আবর্জনার জন্য মাছের জীবন ধ্বংসকারী রোগ জীবাণু সৃষ্টি হয়। মাছের বেঁচে থাকার জন্য পানিতে

নির্দিষ্ট পরিমাণে দ্রবীভূত অক্সিজেন থাকতে হয়। দ্রবীভূত অক্সিজেনের এই নির্দিষ্ট মাত্রা কমে গেলে মাছের শ্বাসক্রিয়ায় অসুবিধার সৃষ্টি হয়।
আবার, নদীতে যদি পানির pH খুব কমে যায় বা বেড়ে যায় তাহলে তা মাছের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়। পানিতে এসিডের পরিমাণ খুব বেড়ে গেলে বা কমে গেলে মাছ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়।
নদ-নদীর পানি দূষিত হয়ে উপরে উল্লিখিত সমস্যার সৃষ্টি করে যা মাছের জীবন ধারনের জন্য হুমকিস্বরূপ। এজন্য এখন নদ-নদীতে আগের মতো মাছ পাওয়া যায় না।

136

পানির আরেক নাম জীবন। শুধু জীবন ধারণের জন্য নয়, দেশের উন্নয়নের জন্যও আমাদের পানির দরকার। নানা উৎস থেকে আমরা পানি পাই। নানা কারণে আমাদের অতিপ্রয়োজনীয় এই পানির উৎস হুমকির মুখে পড়ছে। এই অধ্যায়ে আমরা এই হুমকিগুলোর কথা জানব এবং কেমন করে তার মোকাবেলা করতে পারব, সেই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করব।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা:

  • পানির ধর্ম বর্ণনা করতে পারব।
  • পানির গঠন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পানির বিভিন্ন উৎস বর্ণনা করতে পারব।
  •  জলজ উদ্ভিদ ও জলজ প্রাণীর জন্য পানির প্রয়োজনীয়তা এবং পানির মানদন্ড ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পরিবেশ সংরক্ষণে পানির পুনরাবর্তন ধাপসমূহে পানির ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব।
  •  মানসম্মত পানির প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা করতে পারব।
  • পানি বিপুখকরণ প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
  •  বাংলাদেশে পানির উৎসে দূষণের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পানিদূষণের প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব।
  • বাংলাদেশের মিঠা পানিতে বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব।
  • পানিদূষণ প্রতিরোধের কৌশল ও নাগরিকের দায়িত্ব বর্ণনা করতে পারব।
  • উন্নয়ন কার্যক্রমে পানির ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব।
  •  বাংলাদেশে পানির উৎসে হুমকির প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব।
  • পানির উৎস সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা এবং কৌশল বর্ণনা করতে পারব।
  •  পানি প্রাপ্তি সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার – ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পানিপ্রবাহের সর্বজনীনতা এবং আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি বর্ণনা করতে পারব ।
  • বিশুদ্ধ পানির ব্যবহার এবং সুস্থ জীবনযাপনে এর প্রভাব বিষয়ে অনুসন্ধানমূলক কাজ পরিচালনা করতে পারব।
  • পানির সংকটের (গৃহস্থালি/কৃষি/শিল্পে ব্যবহার) কারণ অনুসন্ধান করতে পারব।
  • পানি ব্যবহার ও পানির সংরক্ষণে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে পোস্টার অঙ্কন করতে পারব।
  • পানির উৎসে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ, দূষণ রোধ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি করব।
  •  “পানি নাগরিকের মৌলিক মানবিক অধিকার” বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করব।
  • পানির অপচয়রোধ এবং কার্যকর ব্যবহারে সচেতন হব।

 

 

Related Question

View All
উত্তরঃ

পৃথিবীতে পানি একই প্রক্রিয়ায় ঘুরে ফিরে ব্যবহার হয়। এটি সূর্যের তাপে বাষ্পীভবন, মেঘে রূপান্তর ও বৃষ্টির মাধ্যমে আবার ভূমি ও সমুদ্রে ফিরে আসে। একে পানির পুনরাবর্তন বলে।

Vijay Kumar
8 months ago
2.6k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews