Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

অপ্রাপ্তবয়স্ক স্ত্রী ছাগলকে গোটলিং বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

স্বল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে আত্মকর্মসংস্থানের একটি সহজ উপায় হলো ছাগল পালন। ছাগল অল্প খরচে পালন করা যায়। এদের খাদ্য কম লাগে, রোগব্যাধি কম হয় এবং বাসস্থানের জন্যও বেশি জায়গার প্রয়োজন হয় না। দুস্থ মহিলা এবং ভূমিহীন প্রান্তিক চাষিরা যাদের গাভি কেনার ও পালনের সামর্থ্য নেই, তারা অল্প পুঁজিতে ছাগল কিনে অধিক ি লাভবান হতে পারেন। এ কারণে ছাগলকে গরিবের গাভি বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

চিত্র-ক এর প্রাণীটি হলো ব্ল‍্যাক বেঙ্গল ছাগল যা বাংলাদেশের অ নিজস্ব জাত। নিচে এর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো-

এ জাতের ছাগলের গায়ের রং সাধারণত কালো হয়। তবে সাদা, সাদা- কালো, খয়েরি ইত্যাদি রঙেরও হতে পারে। এ জাতের ছাগল আকারে ছোট এবং গায়ের লোম মসৃণ ও কোমল হয়। এদের পা খাটো, কান সোজা, শিং বাঁকা ও আকারে ছোট হয়।

পুরুষ ছাগল ও ছাগীর ওজন যথাক্রমে ২৫-৩৫ কেজি এবং ২০-৩০ কেজি হয়। এদের দুধ উৎপাদন ক্ষমতা খুবই কম, দৈনিক ১ লিটার দুধ দেয়। এদের মাংস ও চামড়া উন্নতমানের হয়। ৭-৮ মাস বয়স হলেই এরা প্রজননের উপযুক্ত হয় এবং ১৩-১৪ মাস বয়সে প্রথম বাচ্চা দেয়। একটি ছাগী প্রতিবার ২ বা ততোধিক বাচ্চা প্রসব করে। এরা বেশ কষ্টসহিষ্ণু ও চঞ্চল প্রকৃতির হয়। এদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অধিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

চিত্র-ক এর প্রাণীটি হলো ব্ল্যাক বেঙ্গল ও চিত্র-খ এর প্রাণীটি হলো যমুনাপাড়ি ছাগল। এদের মধ্যে ব্ল‍্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন অর্থনৈতিকভাবে বেশি লাভজনক। নিচে আমার মতামত ব্যক্ত করা হলো-

ব্ল‍্যাক বেঙ্গল ছাগল অল্প বয়সে অর্থাৎ ১৩-১৪ মাস বয়সে প্রথম বাচ্চা দেয়। ৭-৮ মাস হলেই এরা প্রজননের জন্য উপযুক্ত হয়। একটি ছাগী বছরে দুইবার এবং প্রতিবারে দুই থেকে চারটি বাচ্চা প্রসব করে। অপরদিকে যমুনাপাড়ি বছরে একবার এবং একটির বেশি বাচ্চা দেয় না।

ব্ল‍্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কোমল এবং চামড়া ও মাংস উন্নতমানের হওয়ায় বিদেশে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু যমুনাপাড়ির মাংস এবং চামড়া উন্নতমানের হয় না। ব্ল‍্যাক বেঙ্গল ছাগল প্রতিকূল আবহাওয়ায় বেঁচে থাকে। তাছাড়া এরা বেশ কষ্ট সহিষ্ণু এবং চঞ্চল হয়। অন্যদিকে যমুনাপাড়ি ছাগল খামারে আবদ্ধ অবস্থায় পালনের জন্য উপযোগী। উপরের আলোচনা হতে বলা যায়, চিত্র-ক এর প্রাণীটি অর্থাৎ ব্ল‍্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন অর্থনৈতিকভাবে বেশি লাভজনক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
213

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাইলেজ (Silage) হলো রসালো অবস্থায় ফুল আসার পূর্বে সবুজ ও সতেজ ঘাসকে (ভুট্টা, নেপিয়ার, গিনি ইত্যাদি) কেটে টুকরা করে সেগুলো বায়ুরোধী অবস্থায় সংরক্ষণকৃত খাদ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
388
উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গবাদিপশু পালন তথা গরু, মহিষ ও ছাগল পালনের প্রয়োজনীয়তা অনেক। এদেশের কৃষিখাতের আয়ের একটি বিরাট অংশ নির্ভর করে পশুসম্পদের উপর। গরু, মহিষ ও ছাগলের মাংস, দুধ, চামড়াসহ বিভিন্ন উপজাত দ্রব্যাদি যেমন- হাড়, শিং, নাড়িভুঁড়ি, গোবর ইত্যাদি অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া কৃষিকাজ, গাড়িটানা, সেচকাজ, ঘানিটানা, ভারবহন, বিনোদন প্রভৃতি কাজে গবাদিপশুর বহুল ব্যবহার হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনে পশুসম্পদের অবদান প্রায় ১৬.৫২%। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণেও গবাদিপশু পালন গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.3k
উত্তরঃ

রুহুল আমিনের দুগ্ধ খামারের গাভিগুলো হলো হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের গরু। নিচে এদের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো- 

i. দুধাল জাতের মধ্যে এরা সবচেয়ে বড় আকারের গরু। এদের গায়ের রং সাধারণত সাদা-কালো ছোপ ছোপ হয়। 

ii. মাথা লম্বাটে, সরু ও সোজা হয়। এদের কুঁজ উঁচু হয় না। 

iii. দিনে ৩০ লিটারের বেশি দুধ দেয়। দুধে চর্বির পরিমাণ ৩.৫- ৪%। 

iv. বড় আকারের গাভির ওজন ৫০০-৬০০ কেজি এবং ষাঁড়ের ওজন ৮০০-১০০০ কেজি হয়। 

V. বকনা ১৮ মাস বয়সে প্রজননক্ষম হয় এবং ৩০ মাসে বাচ্চা দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
494
উত্তরঃ

রুহুল আমিনের খামারের গরুগুলো ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত।

ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে ৬ মাস বয়সে পশুকে টিকা দিতে হবে। পরে প্রতি বছরে একবার করে টিকা দিতে হবে। এছাড়া সুস্থ পশুকে আক্রান্ত পশু হতে পৃথক রাখতে হবে এবং আক্রান্ত পশুর মল, রক্ত ও মৃতদেহ মাটির নিচে পুঁতে ফেলতে হবে। সর্বোপরি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত শুকনো স্থানে পশু লালন-পালনের মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ক্ষুরা রোগ দেখা দিলে আক্রান্ত পশুকে সুস্থ পশু হতে আলাদা করে পরিষ্কার ও শুকনা জায়গায় রাখতে হবে। আক্রান্ত পশুকে কচি ঘাস ও তরল খাবার যেমন ভাতের মাড় বা জাউভাত খেতে দিতে হবে। আক্রান্ত পশুর মুখের বা পায়ের ঘা-এর চিকিৎসা করাতে হবে। মুখের ক্ষত ও জিহ্বা প্রত্যহ ২/৩ বার পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট (০.০১%) অথবা ফিটকিরি বা এলম (২%) দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে। ৩% আইওসান সলিউসান দ্বারা ক্ষতস্থান দৈনিক ৩ বার করে ৩ ৫ দিন ধুয়ে দিতে হবে। অথবা মুখের ঘা-এ সোহাগার খৈ গুঁড়া করে মধু বা ঝোলাগুড়ের -সাথে মিশিয়ে লাগাতে হবে। আইওসান দ্বারা ধোয়ার পরপরই ক্ষতস্থানে এন্টিবায়োটিক পাউডার লাগিয়ে অথবা পায়ের ক্ষত স্থানে তুঁতে (১%) অথবা সোডিয়াম বাইকার্বোনেট (২%) অথবা পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট (০.০১%) সলিউশন দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে। এরপর | গন্ধকের গুঁড়া বা সালফানিলামাইড পাউডার দিনে ২-৩ বার লাগাতে হবে। নারিকেল তেল ও তারপিন তেল ৪:১ অনুপাতে মিশিয়ে ঘা-এ লাগাতে হবে যাতে ক্ষতস্থানে মাছি না পড়ে। প্রাণিচিকিৎসকের পরামর্শে উপরোক্ত ব্যবস্থাসমূহ গ্রহণ করে রুহুল আমিন তার খামারে ক্ষুরারোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
418
উত্তরঃ

সুষম খাদ্য বলতে যে খাদ্যে সকল খাদ্য উপাদান সুনির্দিষ্ট পরিমাণে বা অনুপাতে থাকে সে খাদ্যকে বোঝায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
372
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews