নির্দিষ্ট স্কেলে অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখাসহ কোনো সমতল ক্ষেত্রের উপর পৃথিবী বা এর অংশবিশেষের অঙ্কিত প্রতিরূপকে মানচিত্র বলে।
মানচিত্রে তিনটি পদ্ধতিতে স্কেল নির্দেশ করা হয়।
বর্ণনার সাহায্যে: আমরা বর্ণনা বা কথার মাধ্যমে মানচিত্রের স্কেল প্রকাশ করে থাকি। যেমন- ১৬ ইঞ্চিতে ১ মাইল।
রেখাচিত্রের সাহায্যে: কোনো একটি রেখাকে প্রয়োজনীয় ইঞ্চি ও ইঞ্চির
ক্ষুদ্র অংশে বা সেন্টিমিটারের ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করে প্রতি ভাগে মান লিখে মানচিত্রের স্কেল প্রকাশ করা যায়। যেমন-১ সেন্টিমিটারে ১০ কিলোমিটার।
প্রতিভূ অনুপাতের সাহায্যে: বিভিন্ন দেশের দূরত্ব পরিমাপের জন্য স্বতন্ত্র
একক ব্যবহার করা হয়। এরূপ এক দেশের এককের মাধ্যমে মানচিত্রে স্কেল প্রকাশ করা হলে ভাষাগত কারণে তা অন্য দেশের লোকের কাছে ব্যবহারযোগ্য হবে না। এ অসুবিধা দূর করার জন্য প্রতিভূ অনুপাত (R.F বা Represetative Fraction) পদ্ধতি উদ্ভাবিত হয়েছে।
মানচিত্র 'খ' হলো মৌজা মানচিত্র।
চিহ্নিত করার জন্য মৌজা মানচিত্র তৈরি করা হয়।
আমাদের দেশে আমরা যে মৌজা মানচিত্র ব্যবহার করি বা দেখতে পাই সেগুলি আসলে ক্যাডাস্ট্রাল (cadastral)। এই মানচিত্রের মাধ্যমেই হিসাব করে সরকার ভূমির মালিকের কাছ থেকে কর নিয়ে থাকে। এই মানচিত্রের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো- আমাদের গ্রামের মানচিত্রগুলি। এই মানচিত্রে নিখুঁতভাবে সীমানা দেওয়া থাকে এই মানচিত্র বৃহৎ স্কেলে অঙ্কন করা হয়। যেমন- ১৬ বা ৩২ ইঞ্চিতে ১ মাইল।
চিত্র 'ক' এবং 'খ' যথাক্রমে প্রশাসনিক ও মৌজা মানচিত্র।
প্রশাসনিক মানচিত্র সাধারণত রাষ্ট্র, বিভাগ, জেলা প্রভৃতি প্রশাসনিক এককের সীমানা চিহ্নিত করে। তাই কোনো দেশ বা অঞ্চলের পরিচিতি লাভে এ মানচিত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ মানচিত্রের উপর ভিত্তি করেই কোনো দেশের অন্যান্য উপাদান (যেমন- কৃষি, জনসংখ্যা) মানচিত্রে প্রকাশ করা হয়।
মৌজা মানচিত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদের মানুষ হিসাব করে সরকারকে ভূমির কর দিয়ে থাকে। এই মানচিত্র নিখুঁতভাবে সীমানা চিহ্নিত করে বলে গ্রামীণ ভূমিগুলোর জন্য এই মানচিত্র যথার্থ।
বাংলাদেশ গ্রাম প্রধান দেশ এবং গ্রামীণ জনপদের সাথে জমি বা ভূমি জড়িত। গ্রামে সাধারণত কৃষিজমির পরিমাণ অধিক এবং ঘরবাড়ি বৃহৎ ভূমির ওপর গড়ে ওঠে। এসব জমি ও ভিটেবাড়িগুলোর সঠিক পরিমাপের প্রয়োজন হয়। যে জমি যার তার মালিককে সেই জমি সঠিক প্রক্রিয়ায় হস্তান্তর করতে হলে জমির মানচিত্র সঠিকভাবে অঙ্কনের প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে মৌজা মানচিত্র সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মানচিত্র। কারণ এই মানচিত্র কোনো রেজিস্ট্রিকৃত ভূমির সীমানা চিহ্নিত করে।
সুতরাং বলা যায় প্রশাসনিক ও মৌজা মানচিত্রের ব্যবহারিক গুরুত্ব অপরিসীম।
Related Question
View Allআকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় স্থির করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে।
সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।
জাউদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা = ৬ ঘণ্টা = (৬ × ৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]
উদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা
সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা
= ৬ ঘণ্টা
= (৬৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]
আকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় নির্ধারণ করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে।
সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
