যখন একাধিক কলাম মিলে প্রাইমারি কি তৈরি হয়, তখন তাকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কি।
সিকিউরিটির জন্য বিশেষ ধরনের কোড. হিসেবে ডেটা এনক্রিপশন ব্যবহার করা হয়। অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার থেকে ডেটাকে ডেটা এনক্রিপশন নিরাপদ রাখে। প্লেইন টেক্সট (এনক্রিপ্ট করার পূর্বের মেসেজ) যা মানুষের পাঠযোগ্যরূপে থাকে। অপরপক্ষে সাইফারটেক্সট (এনক্রিপ্ট করার পরের মেসেজ) যা মানুষের পাঠযোগ্যরূপে থাকে না। ডেটা এনক্রিপশন করা হলে সাধারণত অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ডেটা ব্যবহার করতে পারে না। এসব কারণে ডেটাবেজ নিরাপত্তায় এনক্রিপশন কার্যকরী পদ্ধতি।
উদ্দীপকের আলোকে টেবিল-১ এর ফিল্ডগুলোর ডেটাটাইপ নিম্নরূপ
| ফিল্ডের নাম | ডেটা টাইপ |
| ROLL | Integer |
| NAME | Text |
| DATE OF BIRTH | Text/Integer |
| CLASS | Text |
| GROUP | Text |
Integer (পূর্ণসংখ্যা): অঙ্ক বা সংখ্যা জাতীয় লেখার জন্য Integer ডেটা টাইপ ব্যবহার করা হয়। এ ডেটা টাইপে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক পূর্ণসংখ্যার মান থাকতে পারে। এ ধরনের ডেটাটাইপ ডেটার ধরন/প্রকৃতি অনুযায়ী 1, 2, 4 এবং ৪ বাইটের হয়ে থাকে।
Text (শব্দ): Character বা অক্ষর জাতীয় তথ্যের জন্য Text ডেটা টাইপ ব্যবহার করা হয়। SQLite -এ Date/Time ডেটার জন্য আলাদা কোনো ডেটাটাইপ ব্যবহার করা হয় না। Date/Time এর ফরম্যাট অনুযায়ী এটা Integer/Text/Real ডেটাটাইপের হয়ে থাকে। | SQLite -এ টেক্সট ডেটাটাইপের সাইজ আনলিমিটেড।
উদ্দীপকের টেবিলদ্বয়ের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন সম্ভব। One to | One রিলেশন তৈরি করা যায়।
এখানে টেবিলে Roll ফিল্ড দুটির Data type, Data format ও Size সম জাতীয়। দুটি ডেটা টেবিলের মধ্যে এমনভাবে রিলেশন স্থাপন করা হয় যে, কোনো ডেটা টেবিলের একটি মাত্র রো এর সাথে অন্য টেবিলের একটি মাত্র রো এর সম্পর্ক থাকে তখন তাকে One to One রিলেশন বলে। টেবিল দুটির মধ্যে ১নং টেবিলের একটি রো এর সাথে ২নং টেবিলের শুধুমাত্র একটি রো এর সম্পর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরনের

বর্তমান বিশ্বে আমাদের চারপাশের প্রায় সবকিছুই অনলাইনের মাধ্যমে হতে শুরু করেছে। আমরা কেনাকাটা কিংবা বাজার করি অনলাইনে, ব্যাংকিং করি অনলাইনে, ইলেক্ট্রিসিটির বিল দেই অনলাইনে, ট্রেনের টিকেট কিনি অনলাইনে। এ ধরনের প্রত্যেকটি কাজের জন্য কোথাও না কোথাও অসংখ্য তথ্য সংরক্ষণ করতে হয়। একসময় যে কাজগুলো করতে অসংখ্য লেজার বই কিংবা কাগজের উপর নির্ভর করতে হতো এখন সেগুলো করা হয় ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম দিয়ে। সেগুলো আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে তুললেও সেখানে এখনো চ্যালেঞ্জের অভাব নেই। সেগুলো অনেক সময় প্রয়োজনমতো বড় করা যায় না, দ্রুত প্রক্রিয়া করা যায় না কিংবা সাইবার দুর্বৃত্তরা মাঝে মাঝেই ডেটা হাতিয়ে নেয়। কাজেই কম্পিউটার বিজ্ঞানীরা ক্রমাগতভাবে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকে আরো শক্তিশালী করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এই অধ্যায়ে শিক্ষার্থীদের ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সম্পর্কে একটি প্রাথমিক ধারণা দেওয়া হয়েছে।
এ অধ্যায় পাঠ শেষে শিক্ষার্থীরা-
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট-এর ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে; ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট-এর কার্যাবলি বিশ্লেষণ করতে পারবে;
- রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে; রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারবে;
- রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বর্ণনা করতে পারবে; ডেটাবেজ সিকিউরিটির ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে;
- ডেটাবেজ সিকিউরিটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারবে,
- ডেটা এনক্রিপশনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারবে;
- ডেটা এনক্রিপশনের উপায়সমূহ ব্যাখ্যা করতে পারবে।
- ব্যাবহারিক ডেটাবেজ তৈরি করতে পারবে ।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
