যেসব ছোট অণু থেকে পলিমার তৈরি হয় সেগুলোই হলো মনোমার।
প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে রেশম সবচেয়ে শক্ত ও দীর্ঘ। এটি হালকা ও অধিকতর উষ্ণ এবং খুব কম পরিসরে রাখা যায়। রেশমের প্রধান গুণ এর সৌন্দর্য। বিলাসবহুল বস্ত্র তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়।
তাই বিভিন্ন গুণাগুণের জন্য রেশমকে তন্তুর রাণি বলা হয়।
পাপন পলিথিনের ব্যাগ তৈরির কারখানায় কাজ করে। উচ্চ চাপ ও তাপের সাহায্যে পলিমারকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পলিথিন উৎপন্ন করা হয়। এ প্রক্রিয়ার সাহায্যে পলিথিন তৈরির কৌশল দেখানো হলো-
ইথিলিন গ্যাসকে ১০০০-১২০০ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে, ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে পলিথিন পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে পলিমারকরণ প্রক্রিয়া দ্রুত করার জন্য প্রভাবক হিসেবে অক্সিজেন গ্যাস ব্যবহৃত হয়। পলিথিন তৈরির বিক্রিয়াটি হলো-

উচ্চচাপ পদ্ধতি সহজসাধ্য না হওয়ায় ইদানীং এটি তেমন জনপ্রিয় নয়। বর্তমানে টাইটেনিয়াম ট্রাইক্লোরাইড (TiCl 3 ) নামক প্রভাবক ব্যবহার করে সাধারণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে পলিথিন উৎপাদন করা হয়।
উদ্দীপকের 'A' হলো পলিথিন। পরিবেশের ভারসাম্যহীনতায় পলিথিনের ভূমিকা রয়েছে।
পলিথিন দীর্ঘদিন মাটিতে বা পানিতে পড়ে থাকলেও পচে না। ফলে পরিবেশে অবিকৃত অবস্থায় থেকে যায় বলে মাটিতে অণুজীব দ্বারা নিঃশেষিত হয় না। বর্জ্য হিসেবে পলিথিন অপসারণ করলে পরিবেশে জমে নানা রকম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। শহরাঞ্চলের বেশিরভাগ নর্দমার নালায় এগুলো জমতে জমতে এক পর্যায়ে নালা বন্ধ হয়ে যায় এবং পানির প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে দেখা যায়, সামান্য বৃষ্টিপাত হলেই রাস্তায় পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। একইভাবে পরিকল্পিত উপায়ে পলিথিনের সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে এর বড় একটি অংশ নদ-নদী, হ্রদ বা জলাশয়ে জমা হয়। এভাবে জমতে থাকার ফলে এক সময় নদীর গভীরতা কমে যায়, যা নাব্যতার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। আবার কৃষিজমিতে পলিথিন জমা হয়ে মাটির উর্বরতা নষ্ট করে যাতে উদ্ভিদের পুষ্টি সংগ্রহ বাধাগ্রস্ত হয়।
সুতরাং পলিথিনের অপব্যবহার পরিবেশের ভারসাম্যহীনতার জন্য দায়ী।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!