Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

অপ্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ছাগলকে বাকলিং বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সাইলেজ হলো সংরক্ষণকৃত আঁশজাতীয় রসালো খাদ্য। উন্নত জাতের ঘাস (যেমন- পারা, নেপিয়ার, জার্মান, ভুট্টা ইত্যাদি) নরম ও রসালো অবস্থায় ফুল আসার পূর্বে কেটে নির্দিষ্ট স্থানে বা গর্তে বায়ুরোধী অবস্থায় সংরক্ষণ করা হয়। এতে সংরক্ষণের পরেও প্রাথমিক অবস্থার মতো পুষ্টিমান বিদ্যমান থাকে। সাইলেজ তৈরিতে আর্দ্রতা ৭০-৭৫% ভাগ রাখা হয়। কোনো মৌসুমে ঘাস কম হলে বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ঘাস পাওয়া না গেলে গবাদিপশুকে সংরক্ষিত এই সাইলেজ খাওয়ানো যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

চিত্র-ক এ দেশি জাতের ও চিত্র-খ এ বিদেশি বা উন্নত জাতের গাভি দেখানো হয়েছে। চিত্রে দেখানো গাভি দুটির তুলনা নিম্নরূপ- 

i. বিদেশি জাতের গাভিগুলো দেশি জাতের তুলনায় আকারে বড়, ওজনে বেশি ও উন্নত মানের হয়ে থাকে।

ii. বিদেশি জাতের গাভির শিং সাধারণত খাটো ও মোটা হয়। কিন্তু দেশি জাতের গাভির শিং চোখা ও বাঁকানো হয়। 

iii. বিদেশি জাতের গাভি দেশি জাত অপেক্ষা বেশি পরিমাণে মাংস উৎপাদন করে থাকে। 

iv. বিদেশি উন্নত জাতের গরুর দুধ উৎপাদন ক্ষমতা দেশি জাতের গরু অপেক্ষা বেশি। বিদেশি জাতের গাভি থেকে দৈনিক কমপক্ষে ১০ লিটার দুধ পাওয়া যায়, যেখানে দেশি জাতের গাভি থেকে দৈনিক ১-৩ লিটার দুধ পাওয়া যায়। 

V. বিদেশি জাতের গাভি দেশি জাতের তুলনায় দ্রুত প্রজননের উপযোগী হয়। যেমন- হল্যান্ডের হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের গাভি মাত্র ১৮ মাসে প্রজননক্ষম হয়। কিন্তু দেশি গাভির প্রজননক্ষম হতে প্রায় ৩৬-৪৮ মাস সময় লাগে। 

vi. বিদেশি জাতের গরু অপেক্ষা দেশি জাতের গরু অধিক রোগ প্রতিরোধী ও কষ্টসহিষ্ণু হয়।

উপরে বর্ণিত বৈশিষ্ট্যগুলো থেকে গাভি দুটির মধ্যে তুলনা করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চিত্র-ক এর দেশি জাতের গাভির তুলনায় চিত্র-খ এর বিদেশি জাতের গাভি পালন করা অধিক, লাভজনক বলে আমি মনে করি। নিচে আমার মতামতের স্বপক্ষে যুক্তি তুলে ধরা হলো- গাভি পালন করা হয় মূলত মাংস ও দুধ উৎপাদনের উদ্দেশ্যে। তাই গাভি পালন করে লাভবান হতে হলে এমন গাভি পালন করা উচিৎ যেগুলো অল্পসময়ে অধিক মাংস উৎপাদন এবং বেশি পরিমাণে দুধ প্রদান করতে সক্ষম।

দেশি জাতের গরুর ওজন সর্বোচ্চ ৩৫০-৪০০ কেজি হতে পারে, যেমন- রেড চিটাগং। এদের দৈনিক দুধ উৎপাদন ক্ষমতা ২-৫ লিটার। এ জাতের গরু ৩.৫-৪.০ বছর বয়সে প্রথম বাচ্চা প্রদান করে। সেক্ষেত্রে এ জাতীয় গরু পালন করে বাছুর উৎপাদন ও দুধ প্রাপ্তির জন্যে অনেকটা সময়ের প্রয়োজন হয়। এতে খাদ্য, আবাসস্থল, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন আনুষঙ্গিক খরচ বেশি হয়। বিদেশি জাতের গরুর ওজন সর্বোচ্চ ৮০০- ১০০০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে, যেমন- হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান। এ গরু দৈনিক ৩০ লিটারের অধিক দুধ প্রদানে সক্ষম। এ জাতীয় গাভির দুধে চর্বির পরিমাণ অনেক কম, মাত্র ৩.৫-৪%। এ জাতের গাভি ১৮ মাসেই প্রজননক্ষম হয় এবং ৩০ মাসেই প্রথম বাচ্চা প্রসব করে। তাই অধিক মাংসের পাশাপাশি দ্রুত বাছুর ও দুধ উৎপাদন করে।

সামগ্রিকভাবে বলা যায়, দেশি জাতের গাভির চেয়ে বিদেশি জাতের গাভি থেকে মাংস, দুধ, চামড়া ইত্যাদি অধিক পরিমাণে পেয়ে থাকি যা অর্থনৈতিকভাবে অধিক লাভজনক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
187

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাইলেজ (Silage) হলো রসালো অবস্থায় ফুল আসার পূর্বে সবুজ ও সতেজ ঘাসকে (ভুট্টা, নেপিয়ার, গিনি ইত্যাদি) কেটে টুকরা করে সেগুলো বায়ুরোধী অবস্থায় সংরক্ষণকৃত খাদ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
388
উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গবাদিপশু পালন তথা গরু, মহিষ ও ছাগল পালনের প্রয়োজনীয়তা অনেক। এদেশের কৃষিখাতের আয়ের একটি বিরাট অংশ নির্ভর করে পশুসম্পদের উপর। গরু, মহিষ ও ছাগলের মাংস, দুধ, চামড়াসহ বিভিন্ন উপজাত দ্রব্যাদি যেমন- হাড়, শিং, নাড়িভুঁড়ি, গোবর ইত্যাদি অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া কৃষিকাজ, গাড়িটানা, সেচকাজ, ঘানিটানা, ভারবহন, বিনোদন প্রভৃতি কাজে গবাদিপশুর বহুল ব্যবহার হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনে পশুসম্পদের অবদান প্রায় ১৬.৫২%। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণেও গবাদিপশু পালন গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.3k
উত্তরঃ

রুহুল আমিনের দুগ্ধ খামারের গাভিগুলো হলো হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের গরু। নিচে এদের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো- 

i. দুধাল জাতের মধ্যে এরা সবচেয়ে বড় আকারের গরু। এদের গায়ের রং সাধারণত সাদা-কালো ছোপ ছোপ হয়। 

ii. মাথা লম্বাটে, সরু ও সোজা হয়। এদের কুঁজ উঁচু হয় না। 

iii. দিনে ৩০ লিটারের বেশি দুধ দেয়। দুধে চর্বির পরিমাণ ৩.৫- ৪%। 

iv. বড় আকারের গাভির ওজন ৫০০-৬০০ কেজি এবং ষাঁড়ের ওজন ৮০০-১০০০ কেজি হয়। 

V. বকনা ১৮ মাস বয়সে প্রজননক্ষম হয় এবং ৩০ মাসে বাচ্চা দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
494
উত্তরঃ

রুহুল আমিনের খামারের গরুগুলো ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত।

ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে ৬ মাস বয়সে পশুকে টিকা দিতে হবে। পরে প্রতি বছরে একবার করে টিকা দিতে হবে। এছাড়া সুস্থ পশুকে আক্রান্ত পশু হতে পৃথক রাখতে হবে এবং আক্রান্ত পশুর মল, রক্ত ও মৃতদেহ মাটির নিচে পুঁতে ফেলতে হবে। সর্বোপরি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত শুকনো স্থানে পশু লালন-পালনের মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ক্ষুরা রোগ দেখা দিলে আক্রান্ত পশুকে সুস্থ পশু হতে আলাদা করে পরিষ্কার ও শুকনা জায়গায় রাখতে হবে। আক্রান্ত পশুকে কচি ঘাস ও তরল খাবার যেমন ভাতের মাড় বা জাউভাত খেতে দিতে হবে। আক্রান্ত পশুর মুখের বা পায়ের ঘা-এর চিকিৎসা করাতে হবে। মুখের ক্ষত ও জিহ্বা প্রত্যহ ২/৩ বার পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট (০.০১%) অথবা ফিটকিরি বা এলম (২%) দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে। ৩% আইওসান সলিউসান দ্বারা ক্ষতস্থান দৈনিক ৩ বার করে ৩ ৫ দিন ধুয়ে দিতে হবে। অথবা মুখের ঘা-এ সোহাগার খৈ গুঁড়া করে মধু বা ঝোলাগুড়ের -সাথে মিশিয়ে লাগাতে হবে। আইওসান দ্বারা ধোয়ার পরপরই ক্ষতস্থানে এন্টিবায়োটিক পাউডার লাগিয়ে অথবা পায়ের ক্ষত স্থানে তুঁতে (১%) অথবা সোডিয়াম বাইকার্বোনেট (২%) অথবা পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট (০.০১%) সলিউশন দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে। এরপর | গন্ধকের গুঁড়া বা সালফানিলামাইড পাউডার দিনে ২-৩ বার লাগাতে হবে। নারিকেল তেল ও তারপিন তেল ৪:১ অনুপাতে মিশিয়ে ঘা-এ লাগাতে হবে যাতে ক্ষতস্থানে মাছি না পড়ে। প্রাণিচিকিৎসকের পরামর্শে উপরোক্ত ব্যবস্থাসমূহ গ্রহণ করে রুহুল আমিন তার খামারে ক্ষুরারোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
418
উত্তরঃ

সুষম খাদ্য বলতে যে খাদ্যে সকল খাদ্য উপাদান সুনির্দিষ্ট পরিমাণে বা অনুপাতে থাকে সে খাদ্যকে বোঝায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
372
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews