উত্তরঃ

বৃক্কের অন্তর্গঠনে কয়েকটি সংগ্রাহী নালিকা মিলিত হয়ে গঠিত সাধারণ নালিই হলো ডাক্ট অব বেলিনী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

সক্রিয় ক্ষরণ হলো মূত্রের সাথে ক্রিয়েটিনিন ও সামান্য ইউরিয়াজাত পদার্থ অপসারনের একটি পদ্ধতি। এ প্রক্রিয়ায় প্রথমে নেফ্রনের প্রক্সিমাল প্যাঁচানো নালিকায় কৈশিক জালিকা থেকে কিছু অবাঞ্চিত বস্তু যেমন-ক্রিয়েটিনিন ও সামান্য ইউরিয়া প্রবেশ করে এবং পরে নালিকার ভেতরে কলারস থেকে ফিলট্রেট হয়ে মূত্রের সাথে অপসারিত হয়। এছাড়া এ পদ্ধতিতে ডিস্টাল প্যাঁচানো নালিকায় বেশ কিছু আয়ন ক্ষরিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের অঙ্গটি হলো বৃক্ক। বৃক্কের গ্লোমেরুলাসে আল্ট্রাফিলট্রেশন প্রক্রিয়া সংঘটিত হয়।
বৃক্কের গ্লোমেরুলাস যান্ত্রিক পরিস্রাবকের কাজ করে। এ' অংশে যে পরিস্রাবণ সংঘটিত হয় তা সাধারণ পরিস্রাবণ থেকে আলাদা। এক্ষেত্রে পরিস্রাবণ প্রক্রিয়াটি চাপ প্রয়োগের ফলে সম্পন্ন হয় বলে একে আলট্রাফিলট্রেশন বলে। গ্লোমেরুলাসের অ্যাফারেন্ট রক্তনালিকার ব্যাস ইফারেন্ট রক্তনালিকার ব্যাস অপেক্ষা বেশি হওয়ায় গ্লোমেরুলাসে উচ্চ চাপ বজায় থাকে। সাধারণ অবস্থায় এ চাপের মাত্রা ৭০ মিলিমিটার পারদস্তম্ভের সমান। এ উচ্চ চাপযুক্ত রক্ত গ্লোমেরুলাস দিয়ে বৃক্ক নালিকায় প্রবাহিত হওয়ার সময় আরও দুটি চাপ দ্বারা বাধা প্রাপ্ত হয়। এর একটি হলো রক্তের প্লাজমা প্রোটিনের অভিস্রবণিক চাপ, অন্যটি হলো বোম্যান্স ক্যাপসুলের অভ্যন্তরীণ চাপ। এ দুই চাপে গ্লোমেরুলাসে উচ্চ রক্তচাপ বাধাগ্রস্ত হয়ে সক্রিয় পরিস্রাবণ চাপ সৃষ্টি হয়। সাধারণ অবস্থায় প্লাজমা প্রোটিনের অভিস্রবণিক চাপ ও বোম্যান্স ক্যাপসুলের অভ্যন্তরীণ চাপ যথাক্রমে ২৫ ও ১৫ মিলিমিটার পারদস্তম্ভের সমান। সক্রিয় পরিস্রাবণ চাপের মাত্রা ৭০ (২৫ + ১৫) = ৩০ মি.মি. Hg। এই চাপের প্রভাব রক্তের প্লাজমা থেকে প্রোটিন ছাড়া সকল উপাদানই গ্লোমেরুলাস ছাঁকন করতে পারে। এ পরিসুতকে গ্লোমেরুলার পরিসুত বলে। এ পরিসুত তরল গ্লোমেরুলাস থেকে বোম্যান্স ক্যাপসুলের গহ্বরে প্রবেশ করে এবং সেখান থেকে বৃক্কীয় নালিকায় যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

বিচিত্রের অঙ্গটি হলো বৃক্ক। যা দেহের N2ঘটিত বর্জ্য পদার্থ অপসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মূত্রে ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড, অ্যামোনিয়া, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি নাইট্রোজেনজাত পদার্থ থাকে। এছাড়াও সামান্য পরিমাণ ক্রিয়েটিন এবং অ্যামিনো অ্যাসিড বিদ্যমান থাকে। এগুলো শরীরের জন্য ক্ষতিকর হওয়ায় উৎপন্ন হওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অপসারণ করা প্রয়োজন। এসব অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকুর বর্জ্য পদার্থ মূত্র হিসেবে অপসারণে বৃক্ক সহায়তা করে। এছাড়াও বৃক্ক দেহে এবং রক্তে 'পানির পরিমাণের সাম্যতা নিয়ন্ত্রণ করে। পাশাপাশি বৃক্ক রেনিন ও এরিথ্রোপয়েটিন ক্ষরণ করে। দেহরসের H+ এর তীব্রতা এবং তড়িৎ বিশ্লেষণের সাম্যতা নিয়ন্ত্রণ করে। অন্যদিকে এটি কলা ও রক্তের অভিস্রবণিক সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করার সাথে সাথে রক্তে কয়েকটি উপাদানের পরিমাণ নির্দিষ্ট রাখতেও সাহায্য করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
33

আমিষ জাতীয় খাদ্য বিপাকের ফলে দেহে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্যপদার্থ সৃষ্টি হয়। যে প্রক্রিয়ায় এসব পদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশিত হয় তাকে রেচন বলে।রেচন প্রক্রিয়ায় নিষ্কাষিত বস্তুগুলোকে বলা হয় রেচন পদার্থ । রেচন পদার্থগুলো সাধারণত ক্ষারীয় হয় । রেচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী অঙ্গগুলোকে বলা হয় রেচন অঙ্গ ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রাণিকোষে রিপাকের ফলে সৃষ্ট নাইট্রোজেনজাত বর্জ্য পদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশিত হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো রেচন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
43
উত্তরঃ

গ্লোমেরুলাস রক্তের হাইড্রোস্ট্যাটিক চাপে। রক্তের প্রোটিন ও রক্তকণিকা ছাড়া সকল পানি, লবণ, শর্করা, ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড প্রভৃতি পরিস্রাবণ প্রক্রিয়ায় কৈশিকজালিকার এন্ডোথেলিয়াম ও ভিত্তিঝিল্লি এবং রেনাল ক্যাপসুলের এপিথেলিয়াম ভেদ করে ক্যাপসুলের স্পেসে জমা হয়। এ পরিদ্রুত তরলকে গ্লোমেরুলার ফিলট্রেট বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
79
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটি হলো বৃক্ক। বৃক্কের সূক্ষ্ম গাঠনিক একক হলো নেফ্রন। নিচে নেফ্রনের সূক্ষ্ম গঠন বর্ণনা করা হলো-

নেফ্রনের দৈর্ঘ্যে প্রায় ৩ সেন্টিমিটার। নেফ্রন প্রধানত দুটি অংশে বিভক্ত। মালপিজিয়ান করপাসল ও বৃক্কীয় নালিকা। মালপিজিয়ান করপাসল বৃক্কের কর্টেক্সে অবস্থিত। এটি দুটি অংশে বিভক্ত- বোম্যান্স ক্যাপসুল ও গ্লোমেরুলাস। বৃক্কীয় নালিকা 'রেনাল করপাসল, প্রক্সিমাল প্যাঁচানো নালিকা, হেনলির লুপ, ডিস্টাল প্যাঁচানো নালিকা ও সংগ্রাহক নালিকা নিয়ে গঠিত। রেনাল করপাসল নেফ্রনের সম্মুখভাগে থাকে। এটি বোম্যানস ক্যাপসুল এবং গ্লোমেরুলাস সমন্বয়ে গঠিত। রেনাল করপাসলের পরবর্তী প্রায় ১৪ মি.মি. অংশকে প্রক্সিমাল প্যাঁচানো নালিকা বলে যা এক স্তর বিশিষ্ট কিউবয়ডাল এপিথেলিয়াল কোষ দ্বারা গঠিত। কোষগুলোর একপ্রান্তে মাইক্রোভিলাইযুক্ত ব্রাশ বর্ডার এবং অপরপ্রান্তে ব্যাসাল চ্যানেল থাকে। এ নালিকার শেষপ্রান্ত সোজা হয়ে মেডুলা অঞ্চলে প্রবেশ করে এবং একটি 'U' আকৃতির লুপ গঠন করে যা হেনলির লুপ নামে পরিচিত। এ লুপে দুটি অংশ। যথাঃ অবরোহন বাহু এবং আরোহন বাহু। এ লুপের আরোহন বাহুর পরবর্তী ৫ মি.মি. হলো ডিস্টাল প্যাঁচানো নালিকা। এ নালিকার পরবর্তী অংশই সংগ্রাহক নালিকা। কিছু সংগ্রাহক নালিকা একত্রিত হয়ে বেলিনি-র ডাক্ট গঠন করে। অনেকগুলো বেলিনি-র ডাক্ট একত্রে মেডুলাতে প্যাপিলারি ডাক্টের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত পেলভিসে উন্মুক্ত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
44
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটি হলো বৃক্ক। এটি নাইট্রোজেন ঘটিত তরল বর্জ্য সৃষ্টি করে তা দেহ থেকে অপসারণ করে। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
মূত্রে ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড, অ্যামোনিয়া, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি নাইট্রোজেন ঘটিত পদার্থ থাকে, এগুলো মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এসব অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে অপসারণে বৃক্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বৃক্কস্থিত নেফ্রন একটি জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্রমাগতভাবে মূত্র উৎপন্ন করে। উৎপন্ন মূত্র সংগ্রাহী নালিকার মাধ্যমে বৃক্কের পেলভিসে পৌঁছায়। পেলভিস থেকে ইউরেটারের ফানেল আকৃতির প্রশস্ত অংশ বেয়ে ইউরেটারে প্রবেশ করে। ইউরেটার থেকে মূত্র মূত্রথলিতে আসে এবং সাময়িকভাবে জমা থাকে। মূত্রথলি মূত্র দ্বারা পরিপূর্ণ হলে মূত্র ত্যাগের ইচ্ছা জাগে এবং মূত্রথলির নিচের দিকে অবস্থিত ছিদ্রপথে দেহের বাইরে বেরিয়ে আসে। এভাবে বৃক্ক মানবদেহ থেকে ক্ষতিকর নাইট্রোজেন জাতীয় বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
45
উত্তরঃ

প্রাণিকোষে বিপাকের ফলে সৃষ্ট নাইট্রোজেনজাত বর্জ্য পদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশিত হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো রেচন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
46
উত্তরঃ

বৃক্কের গ্লোমেরুলার ফিলট্রেট নেফ্রনের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় বিভিন্ন দ্রব্য এর প্রাচীরের কোষে শোষিত হয়ে সংলগ্ন কৈশিকজালিকায় প্রবেশের প্রক্রিয়াকে বলা হয় নির্বাচিত পুনঃশোষণ। বৃক্কের প্রক্সিমাল প্যাঁচানো নালিকার কোষেই অধিকাংশ পুনঃশোষণ সংঘটিত হয়ে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
72
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews