Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

নদী যখন সাগর বা হ্রদের সাথে মিলিত হয় তখন ঐ মিলিত স্থানকে মোহনা বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেকোনো উৎস থেকে সৃষ্ট পানি প্রবাহিত হয়ে সমভূমি বা নিম্নভূমির উপর দিয়ে যখন সাগরে পতিত হয় তখন তাকে নদী বলে। উচু পর্বত বা মালভূমি থেকে বৃষ্টি, প্রস্রবণ, হিমবাহ ইত্যাদি থেকে সৃষ্ট কোনো জলধারা মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে ভূমির ঢাল বরাবর প্রবাহিত হয়ে নদীর সৃষ্টি করে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

চিত্রে 'ক' চিহ্নিত গতিপ্রবাহ হলো ঊর্ধ্বগতি। পর্বতের উৎপত্তিস্থল থেকে সমভূমিতে পৌছানো পর্যন্ত অংশকে নদীর ঊর্ধ্বগতি বলে।
গঙ্গা নদীর গঙ্গোত্রী হতে হরিদ্বার পর্যন্ত অংশকে বলে এর পার্বত্য বা ঊর্ধ্ব প্রবাহ। পার্বত্য অবস্থায় ক্ষয়সাধন করাই হলো নদীর প্রধান কার্য।
পার্বত্য অঞ্চলে নদীর ভূভাগ উঁচুনিচু হওয়ার কারণে নদী উঁচুস্থান থেকে নিচে নামতে থাকে। এ সময় নদীর গতিবেগ ঘণ্টায় (২৪-৩২) কিমি, হয়। প্রবল স্রোতের আঘাতে ভূত্বক হতে শিলাখন্ড ভেঙে পড়ে এবং তা নিচের দিকে পড়ে। পার্বত্য অবস্থায় নদী পার্শ্বক্ষয় থেকে। নিম্নক্ষয় বেশি হয়। তাই বিভিন্ন প্রকার গিরিখাত, ক্যানিয়ন, জলপ্রপাত ইত্যাদির সৃষ্টি হয়। পার্বত্য প্রবাহের কারণে নদীর স্থলভাগ ক্ষয়ীভূত হয় এবং পরিবহনের মাধ্যমে এ অংশ নিয়ে যাওয়া হয়। নদী হঠাৎ উঁচু ভূমি থেকে নিচু ভূমিতে পতিত হলে সেখানে পলি জমে এবং পলল কোণ গঠিত হয়। কোনো কোনো পর্বতের পাদদেশে প্রস্তরখণ্ড, নুড়ি, বালি জমা হয়ে একটি বিস্তৃত সমভূমি গঠন করে এবং এ ধরনের সমভূমি ভারতের শিবালিক পর্বতের পাদদেশেই বেশি দেখা যায়। এভাবে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় ভূমির উর্ধ্বগতির ফলে আকৃতির উপত্যকাসহ যেকোনো ভূমিরূপ গঠিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

চিত্রে 'খ' ও 'গ' চিহ্নিত নদীর গতিপথ হলো মধ্যগতি ও নিম্নগতি।
নদীর গতিপথ একেক সময় একেক দিকে মোড় নেয়। বিভিন্ন পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে নদীর একেক ধরনের গতি সৃষ্টি হয়।
ধরনভেদে নদীর বিভিন্ন গতির মধ্যে বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়। নিচে নদীর মধ্যগতি ও নিম্নগতিতে যেসব বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয় তা
আলোচনা করা হলো- পার্বত্য অঞ্চল থেকে নদী যখন সমভূমির উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় তখন সে প্রবাহকে মধ্যগতি বলে। মধ্যগতিতে নদীর বিস্তার ও স্রোতের বেগ বেশি থাকে। নদী অববাহিকা প্রশস্ত হয় এবং উপত্যকাগুলোর গভীরতা কমে আসে। এ অংশে নদীর পানির পরিমাণ বেশি হয়। বহু উপনদী এসে মূল নদীর সাথে মিলিত হয়। নদী উপত্যকায় গভীরতা হ্রাস পাওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতাও কমে আসে।
নদীবাহিত পলি দ্বারা ঐ নিম্নভূমি ধীরে ধীরে উঁচু হয় এবং সমভূমির আকার ধারণ করে।  অন্যদিকে নদীর শেষ অংশকে নিম্নগতি বা বদ্বীপ বলে। নিম্নগতিতে নদীর বিস্তার ও স্রোতের বেগ কম থাকে। নদীর নিম্ন ক্ষয় বেশি হয় এবং স্বল্প পরিমাণ পার্শ্বক্ষয় হতে থাকে। যার দরুন নদী উপত্যকা চওড়া ও অগভীর হয়। নিম্নগতির ফলে গতিপথ দুই দিকে চলে যায়। গঙ্গা নদীর নিম্নগতি রাজমহল হতে মোহনা পর্যন্ত বিস্তৃত।
অতএব, বলা যায় নদীর মধ্যগতি ও নিম্নগতির বৈশিষ্ট্যগত বৈসাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
23

Related Question

View All
উত্তরঃ

যান্ত্রিক, রাসায়নিক ও জৈবিক প্রক্রিয়ায় ভূপৃষ্ঠের শিলারাশি চূর্ণ-বিচূর্ণ বা বিশ্লিষ্ট হলে তাকে বিচূর্ণীভবন বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
151
উত্তরঃ

সমুদ্রতলদেশের ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস, নভোজাগতিক ঘটনা প্রভৃতি কারণে সুনামির সৃষ্টি হয়।
সাধারণত সমুদ্রতলদেশের ভূমিকম্প আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের

সাধারণত সমুদ্রতলদেশের ভূমিকম্প আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সমুদ্রের তলদেশের বিশাল জলরাশি সরে যায় এবং সমুদ্রের পানিতে প্রচণ্ড ঢেউয়ের সৃষ্টি হয় যা সুনামি নামে পরিচিত। এছাড়া পাত সঞ্চালনের কারণে সৃষ্ট ভূমিকম্পের কারণেও সমুদ্রের বিশাল জলরাশি সরে যায় এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা পানি আরও ফুলে ওঠে লক্ষ লক্ষ টনের বিশাল ঢেউ তৈরি করে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসে যা সুনামি নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
147
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বিবিসি এর প্রচারিত দুর্যোগটি হলো ভূমিকম্প।
ভূঅভ্যন্তরে দ্রুত বিপুল শক্তি বিমুক্ত হওয়ায় পৃথিবীপৃষ্ঠে যে ঝাঁকুনি বা কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকল্প বলে। নিচে ভূমিকম্প সংঘটিত হওয়ার কারণ বর্ণনা করা হলো- ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ভূনিম্নস্থ শিলাস্তরে ভারের সামঞ্জস্য রক্ষার্থে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টির ফলে ভূকম্পন অনুভূত হয়।
ভূআলোড়নের ফলে ভূত্বকের কোনো স্থানে শিলা ধসে পড়লে বা শিলা চ্যুতি ঘটলে ভূমিকম্প হয়। আবার সমগ্র পৃথিবী ৭টি প্লেটের সমন্বয়ে গঠিত এবং এসব প্লেট সঞ্চরণশীল। যার কারণে একটি প্লেটের সাথে অন্য প্লেটের সংঘর্ষ বা ধাক্কা লাগে এবং শিলাস্তরের মধ্যে কম্পন অনুভূত হয়। জাপানের পূর্ব পার্শ্বে একটি প্লেট থাকায় এখানে ভূমিকম্প বেশি অনুভূত হয়। তবে মূলত প্লেটগুলোর সঞ্চরণশীলতার কারণেই শিলাস্তরের মধ্যে কম্পনের সৃষ্টি হয়, যা ভূমিকম্প নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
130
উত্তরঃ

উদ্দীপকে হারিস সাহেবের পরের দিন দেখা দুর্যোগটি হলো আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত।

আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে লাভা উপরের দিকে ওঠে এবং বহুদূরে লাভার ঢল ছড়িয়ে পড়ে বহু নগর, গ্রাম ইত্যাদি ধ্বংস করে। এর দাহ্য ও বিষাক্ত গ্যাস উদগিরণে নিকটবর্তী এলাকার হাজার হাজার লোকের নিমেষে প্রাণহানি হয়। অনেক সময় আগ্নেয়গিরি থেকে উদগীরিত লাভা, ভস্ম ও ধূলিকণা আকাশের উপরের দিকে স্ট্রাটোমণ্ডলে ওঠে যায় এবং তা দ্রুত পৃথিবীপৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে পৃথিবীপৃষ্ঠে আবার যেসব আগ্নেয়গিরি উঁচু পার্বত্য এলাকায় অবস্থিত সেসব পর্বত বরফে ঢাকা থাকলে অগ্ন্যুৎপাতের সময় তা গলে পাদদেশীয় এলাকায় বন্যার সৃষ্টি করে ও জীবনহানি ঘটে এবং বায়ুদূষণের সৃষ্টি করে।
উদ্দীপকের প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপটিও অগ্ন্যুৎপাতের ফলেই সৃষ্টি হয়েছে। অর্থাৎ শুধু তাই নয়, এর ফলে মালভূমিও সৃষ্টি হয়। লাভার সাথে অত্যন্ত মূল্যবান খনিজ ভূপৃষ্ঠে ওঠে আসে। ফলে উক্ত এলাকা খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
133
উত্তরঃ

ভূগর্ভস্থ গলিত লাভা, বাষ্প, ভস্ম, গ্যাস, ধূম্র প্রভৃতি পদার্থ ভূপৃষ্ঠের ফাটল বা ছিদ্রপথের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠে নির্গত হলে তা জমাট বেঁধে যে পদার্থ বা গিরির সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয়গিরি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
153
উত্তরঃ

ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তন সৃষ্টিকারী শক্তিসমূহের মধ্যে ধীর পরিবর্তন অন্যতম। ধীরগতির শক্তিসমূহের ভূমিরূপের পরিবর্তন দীর্ঘ সময় ব্যাপি সংঘটিত হয়। ধীর গতির শক্তিসমূহ প্রধানত প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এ প্রাকৃতিক শক্তিসমূহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্নভাবে কাজ করে। ধীরগতির শক্তিসমূহ চারটি প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয় যেমন-
১. বিচূর্ণীভবন,
২. অপসারণ,
৩. নগ্নীভবন ও
৪. অবক্ষেপণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
174
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews