উত্তরঃ

জীবনধারণ, জীবনকে উন্নত ও এগিয়ে নেওয়ার জন্য রাষ্ট্র প্রদত্ত অধিকারকে অর্থনৈতিক অধিকার বলে।

Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যারা কোনো রাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করে, রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করে, রাষ্ট্রপ্রদত্ত অধিকার ভোগ করে এবং রাষ্ট্রের প্রতি কর্তব্য পালন করে, তাদেরকে ঐ রাষ্ট্রের নাগরিক বলে। যেমন- আমরা বাংলাদেশের নাগরিক। কারণ আমরা বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করছি, রাষ্ট্র প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছি এবং রাষ্ট্রের প্রতি বিভিন্ন দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করছি।

Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ছকে 'ক' নির্দেশিত স্থান নাগরিকতা অর্জনের জন্মসূত্র পদ্ধতিকে নির্দেশ করে।
জন্মসূত্রে নাগরিকতা অর্জনের ক্ষেত্রে দুটি নীতি অনুসরণ করা হয়। যথা- জন্মনীতি ও জন্মস্থান নীতি। জন্মনীতি অনুযায়ী পিতা-মাতার নাগরিকতা দ্বারা সন্তানের নাগরিকতা নির্ধারিত হয়। এক্ষেত্রে শিশু যে দেশে বা যেখানেই জন্মগ্রহণ করুক না কেন, পিতা-মাতা যে দেশের নাগরিক সে সেই দেশের নাগরিকত্ব লাভ করবে। বাংলাদেশি কোনো দম্পতির সন্তান যুক্তরাজ্যে জন্ম নিলেও এ নীতি অনুসারে ঐ সন্তান বাংলাদেশের নাগরিকতা লাভ করবে।
অন্যদিকে, জন্মস্থান নীতি অনুযায়ী পিতা-মাতা যে দেশেরই নাগরিক হোক না কেন, সন্তান যে রাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করবে সে ঐ রাষ্ট্রের নাগরিকতা লাভ করবে। যেমন- বাংলাদেশি পিতা-মাতার সন্তান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করলে সেই সন্তান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকতা লাভ করবে।

Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, আমি মনে করি, শর্তসাপেক্ষে যেকোনো ব্যক্তি অনুমোদনসূত্রে নাগরিকত্ব অর্জন করতে পারে।

কতগুলো শর্ত পালনের মাধ্যমে এক রাষ্ট্রের নাগরিক অন্য রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন করলে তাকে অনুমোদন সূত্রে নাগরিক বলা হয়। সাধারণত অনুমোদন সূত্রে নাগরিকতা অর্জনের ক্ষেত্রে যেসব শর্ত পালন করতে হয় সেগুলো হলো- ১) সেই রাষ্ট্রের নাগরিককে বিয়ে করা, ২) সরকারি চাকরি করা, ৩) সততার পরিচয় দেওয়া, ৪) সে দেশের ভাষা জানা, ৫) সম্পত্তি ক্রয় করা, ৬) দীর্ঘদিন বসবাস করা, ৭) সেনাবাহিনীতে যোগদান করা। রাষ্ট্রভেদে এসব শর্ত ভিন্ন হতে পারে।

কোনো ব্যক্তি যদি এসব শর্তের এক বা একাধিক শর্ত পূরণ করে, তবে সে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারে। আবেদন ঐ রাষ্ট্রের সরকার কর্তৃক গৃহীত হলে সে অনুমোদন সূত্রে নাগরিকে পরিণত হয়। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক রাষ্ট্রের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি রাষ্ট্রে অনুমোদন সূত্রে নাগরিকত্ব লাভের মাধ্যমে বসবাস করছে। তাছাড়া মানবিক কারণেও নাগরিকতা দেওয়া হয়। যেমন- কোনো ব্যক্তি যদি কোনো রাষ্ট্রে নিরাপত্তার খাতিরে আশ্রয় নেয়, তবে সেই রাষ্ট্র তার আবেদনের ভিত্তিতে তাকে নাগরিকত্ব দিতে পারে।
উল্লিখিত আলোচনার ভিত্তিতে একথা বলা যায় যে, শর্তসাপেক্ষে যেকোনো ব্যক্তি অনুমোদনসূত্রে নাগরিকত্ব অর্জন করতে পারে।

Md Zahid Hasan
1 year ago
124

আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। নাগরিক হিসেবে আমরা প্রত্যেকে কিছু অধিকার ভোগ এবং কর্তব্য পালন করি। আবার কতগুলো গুণের অধিকারী হয়ে আমরা সুনাগরিকে পরিণত হতে পারি । সুনাগরিক রাষ্ট্রের সম্পদ । আমাদের প্রত্যেকের সুনাগরিকতার শিক্ষা লাভ করা অত্যাবশ্যক । এ অধ্যায়ে নাগরিক ও নাগরিকতার ধারণা, নাগরিকতা অর্জনের উপায়, দ্বৈত নাগরিকতা, সুনাগরিকের ধারণা ও বৈশিষ্ট্য, নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে । এ অধ্যায় পড়া শেষে আমরা-
♦ নাগরিক ও নাগরিকতার ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব
♦ নাগরিকতা অর্জনের উপায় বর্ণনা করতে পারব
♦ দ্বৈত নাগরিকতা ব্যাখ্যা করতে পারব
♦ সুনাগরিকতার ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব
♦ নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্যের ধারণা বর্ণনা করতে পারব
♦ নাগরিক অধিকার ও কর্তব্যের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব
♦ নাগরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে আগ্রহী হব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

একজন ব্যক্তির একই সঙ্গে দুটি রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জনকে দ্বৈত নাগরিকতা বলে। সাধারণত একজন ব্যক্তি একটি রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জনের সুযোগ পায়।
তবে জন্মসূত্রসহ নাগরিকতা অর্জনের একাধিক নীতি থাকায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে দ্বৈত নাগরিকতা সৃষ্টি হতে পারে। যেমন- বাংলাদেশ নাগরিকতা নির্ধারণে জন্মনীতি অনুসরণ করে। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জন্ম ও জন্মস্থান উভয় নীতি অনুসরণ করে। কাজেই বাংলাদেশি কোনো পিতা-মাতার সন্তান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করলে জন্মস্থান নীতি অনুযায়ী সে ঐ রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব লাভ করবে। আবার জন্মনীতি অনুযায়ী সে বাংলাদেশের নাগরিকতাও অর্জন করবে। বিনিয়োগ, অভিবাসন ইত্যাদি উপায়ে অনুমোদনসূত্রেও এক রাষ্ট্রের নাগরিক অন্য রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন করতে পারে। এভাবে দ্বৈত নাগরিকতার সৃষ্টি হয়।

Md Zahid Hasan
1 year ago
468
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' ইউনিয়নের নাগরিকদের মধ্যে নাগরিকের নৈতিক কর্তব্য পালনের বিষয়টি লক্ষ করা যায়।'
অধিকার ভোগ করতে হলে রাষ্ট্রের নাগরিকদের যেসব দায়িত্ব পালন করতে হয় সেগুলোই কর্তব্য হিসেবে বিবেচিত। নাগরিকের কর্তব্য প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত। যথা- নৈতিক ও আইনগত কর্তব্য। ব্যক্তির বিবেক এবং সামাজিক নৈতিকতা বোধ থেকে যে কর্তব্য জন্ম নেয় এবং যা নাগরিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালন করে, তাকে নৈতিক কর্তব্য বলে। যেমন: নিজে শিক্ষিত হওয়া এবং সন্তানদের শিক্ষিত করা, সততার সাথে ভোট দেওয়া, রাষ্ট্রের সেবা করা, বিশ্বমানবতার সাহায্যে এগিয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
উদ্দীপকের 'ক' ইউনিয়নের নাগরিকরা নৈতিক কর্তব্য পালন করেছেন। কেননা তারা ইউনিয়নের নির্বাচনে 'X' ও 'Y' ব্যক্তির মধ্য থেকে 'X' ব্যক্তিকে সৎ ও যোগ্য বলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন। তাদের এই কাজের সাথে নাগরিকের অন্যতম নৈতিক কর্তব্য সততার সাথে ভোট দেওয়ার সাদৃশ্য রয়েছে। সুতরাং বলা যায়, 'ক' ইউনিয়নের নাগরিকদের মধ্যে নাগরিকের নৈতিক কর্তব্য পালনের প্রতিফলন ঘটেছে।

Md Zahid Hasan
1 year ago
899
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'ক' ইউনিয়নের চেয়ারম্যান 'X' ব্যক্তি যে সততা ও কর্তব্যপরায়ণতা দেখিয়েছেন তার আলোকে তাকে সুনাগরিক বলা যুক্তিসঙ্গত।
রাষ্ট্রের সব নাগরিককে সুনাগরিক বলা যায় না। এর জন্য কিছু নির্দিষ্ট গুণের অধিকারী হতে হয়। ব্রিটিশ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও ইতিহাসবিদ লর্ড ব্রাইস (Lord James Bryce) 'The Hindrances to Good Citizenship' (১৯০৯) গ্রন্থে সুনাগরিকের তিনটি মৌলিক গুণের কথা উল্লেখ করেছেন। যথা: বুদ্ধি, বিবেক ও আত্মসংযম। খ্যাতিমান এ রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর মতে, একজন ব্যক্তিকে সুনাগরিক হতে হলে এ তিনটি গুণের অধিকারী হতে হবে। একজন নাগরিক বুদ্ধিমান, বিবেকবান ও সংযমী হলেই কেবল রাষ্ট্রের বৃহত্তর স্বার্থে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করে এর উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।
উদ্দীপকের 'ক' ইউনিয়নের চেয়ারম্যান 'X' ব্যক্তির মধ্যে বুদ্ধি, বিবেক ও আত্মসংযম এ তিনটি গুণই উপস্থিত। বুদ্ধিমান বলেই স্কুলের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে তিনি যোগ্য লোককে বেছে নিয়েছেন। পাশাপাশি বিবেকবোধসম্পন্ন হওয়ার কারণে তিনি নিজের ভাইয়ের ছেলে প্রার্থী হওয়া সত্ত্বেও সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে তার আত্মসংযমেরও প্রমাণ পাওয়া যায়। কেননা চেয়ারম্যান ইচ্ছা করলেই নিজের ভাইয়ের ছেলেকে শিক্ষক পদে নিয়োগ দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থকে উপেক্ষা করে বৃহত্তর স্বার্থে যোগ্য প্রার্থীকেই নিয়োগ দেন। সুতরাং আমরা বলতে পারি, উদ্দীপকের 'X' ব্যক্তি একজন সুনাগরিক।

Md Zahid Hasan
1 year ago
808
উত্তরঃ

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ কর্তৃক গৃহীত তথ্য অধিকার আইনটি ৫ এপ্রিল, ২০০৯ তারিখে রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে।

Md Zahid Hasan
1 year ago
1.2k
উত্তরঃ

নাগরিকের অধিকার হলো সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত কতগুলো সুযোগ-সুবিধা, যা ভোগের মাধ্যমে নাগরিকের ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটে।
অধিকার ব্যতীত মানুষ তার ব্যক্তিত্বকে উপলব্ধি করতে পারে না। অধিকারের মূল লক্ষ্য ব্যক্তির সর্বজনীন কল্যাণ সাধন। রাষ্ট্রের নাগরিকদের মানসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য অধিকার অপরিহার্য।

Md Zahid Hasan
1 year ago
2.7k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews