ভারত মহাসাগরের গভীরতম খাতের নাম শুন্ডা খাত (গভীরতা প্রায় ৭,৩১৫ মিটার)।
নদী ও সমুদ্রের উপকূলবর্তী জলরাশি প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর ফুলে ওঠে আবার ধীরে ধীরে নেমে যায়। জলরাশির এরূপ নিয়মিত ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
জোয়ার-ভাটার প্রধান দুটি কারণ হলো- ১. চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির (Gravitational force) প্রভাব এবং (২) পৃথিবীর আবর্তনের (Rotation) ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি (Centrifugul force
নদী ও সমুদ্রের উপকূলবর্তী জলরাশি প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর ফুলে ওঠে আবার ধীরে ধীরে নেমে যায়। জলরাশির এরূপ নিয়মিত ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
জোয়ার-ভাটার প্রধান দুটি কারণ হলো- ১. চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির (Gravitational force) প্রভাব এবং (২) পৃথিবীর আবর্তনের (Rotation) ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি (Centrifugul force
উদ্দীপকের 'A' চিহ্নিত স্থানে শৈবাল সাগর অবস্থিত।
শৈবাল সাগর আটলান্টিক মগাসাগরে অবস্থিত। চারপাশে বিভিন্ন স্রোত থাকলেও শৈবাল সাগরে স্রোতের প্রবাহ না থাকায় এ অঞ্চলে জাহাজ চলাচল করতে পারে না।
পশ্চিমে উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের সাথে উত্তর দিক থেকে আসা শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের মিলনস্থলে শৈবাল সাগরের সৃষ্টি হয়েছে। এই সাগরের পূর্বে শীতল ক্যানারি স্রোত উষ্ণ উত্তর নিরক্ষীয় স্রোতের সাথে মিলিত হয়েছে। ফলে শৈবাল সাগরের চারপাশে উষ্ণ ও শীতল স্রোতের মিলনস্থলে ব্যাপক কুয়াশা ও তুষার ঝড়ের সৃষ্টি হয়। এ অঞ্চল দিয়ে
কোনো জাহাজ চলাচল করতে গেলে অধিকাংশ সময় কুয়াশা ও তুষার ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। উপরন্তু 'A' অঞ্চলের মধ্যভাগে কোন স্রোত নেই। এ কারণে শৈবাল সাগরের উপর দিয়ে জাহাজ চলাচল করতে পারে না।
চিত্রের 'B' তথা উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতপথটি সর্বাধিক জাহাজ চলাচলের উপযোগী।
উত্তর আটলান্টিক স্রোতগুলোর অনুকূলে পৃথিবীর সর্বাধিক জাহাজ যাতায়াত করে। শীতল অপেক্ষা উষ্ণ সমুদ্রস্রোতে জাহাজ ও নৌচলাচলের সুবিধা বেশি। উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলে যথেষ্ট বৃষ্টিপাত ঘটায়। ফলে বরফ জমতে পারে না। এই স্রোতপথে অতি সহজে উত্তর আমেরিকা থেকে ইউরোপে পৌঁছানো যায়। তাই বিশ্বের সমুদ্রপথে সর্বাধিক যাত্রী ও পণ্য এ পথেই পরিবাহিত হয়। আবার উত্তর নিরক্ষীয় স্রোতের অনুকূলে জাহাজ চালনা করেও ইউরোপ থেকে নিরাপদে ও অল্প সময়ে উত্তর আমেরিকা পৌঁছানো সম্ভব হয়।
সুতরাং, চিত্রের 'B' পথটি সামুদ্রিক জাহাজ চলাচলের জন্য সর্বাধিক উপযোগী।
Related Question
View Allপৃথিবীর গভীরতম (১০,৮৭০ মিটার) খাতের নাম ম্যারিয়ানা খাত (Mariana trench) যা প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
সমুদ্রের উপকূলরেখা থেকে তলদেশ পর্যন্ত ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান (Continental shelf) বলে।
পৃথিবীর নদীবন্দরগুলোর অধিকাংশই মহীসোপান অঞ্চলে গড়ে ওঠেছে। ফলে এসব অঞ্চলে নৌচলাচল ও ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছে। মহীসোপানের তলদেশে খনিজ সম্পদের ভান্ডার থাকায় এর যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।
চিত্রের 'A' চিহ্নিত স্থানের পানির প্রবাহ বা স্রোতটি হলো ল্যাব্রাডর স্রোত। এটি একটি শীতল স্রোত।
উত্তর মহাসাগর হতে আগত দুইটি সুমেরু শীতল স্রোত গ্রীনল্যান্ডের পূর্ব ও পশ্চিম পার্শ্ব দিয়ে দক্ষিণ দিকে' প্রবাহিত হয়ে ল্যাব্রাডর উপদ্বীপের নিকট মিলিত হয়। এই মিলিত স্রোত শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত নামে পরিচিত। এই স্রোতটি উত্তর আমেরিকার স্থলভাগের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। এই স্রোতের জন্য উত্তর আমেরিকার ল্যাব্রাডর উপদ্বীপের বন্দরগুলো বছরের প্রায় নয় মাস বরফে আচ্ছাদিত থাকে। এর উপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু শুষ্ক ও শীতল হওয়ায় নিকটবর্তী স্থলভাগে বৃষ্টিপাত না হয়ে ব্যাপক তুষারপাত ঘটে। ফলে এ অঞ্চলে কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসার না হওয়ায় মানুষের অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!