উত্তরঃ

যে বিভাগ প্রক্রিয়ায় একক কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে তার অভ্যন্তরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে বিভক্ত করা হয়, তাই হলো অঙ্গগত বিভাগ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যৌক্তিক বিভাগে একটা শ্রেণিবাচক পদকে এর অন্তর্গত ক্ষুদ্রতর শ্রেণিসমূহে বিভক্ত করতে হয়। ফলে বিভক্ত উপজাতিগুলোর ব্যক্তর্থ বিভাজ্য জাতির ব্যক্তর্থের সমব্যাপক হয়। কিন্তু যদি কোনো শ্রেণিকে বিভক্ত করার সময় এ শ্রেণির ব্যক্তর্থের আওতাভুক্ত নয় এমন কোনো উপশ্রেণিকে মূলশ্রেণির সাথে যুক্ত করে দেওয়া হয় তাহলে অতিব্যাপক বিভাগ অনুপপত্তি ঘটে; যেমন: মুদ্রাকে কাগজি মুদ্রা, ধাতব মুদ্রা ও ব্যাংক নোট উপশ্রেণিতে বিভক্ত করা হলে বিভক্ত উপশ্রেণিগুলোর ব্যক্তর্থ মূলশ্রেণির তুলনায় অধিক হবে। কেননা ব্যাংক নোট উপশ্রেণিটি মুদ্রাশ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নয়। ফলে অতিব্যাপক নামক অনুপপত্তি ঘটেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্র-১ -এ যোক্তিক বিভাগের যে নিয়মটি লঙ্ঘন করা হয়েছে তা হলো অব্যাপক বিভাগ। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- 

যৌক্তিক বিভাগের একটি অন্যতম ভ্রান্ত রূপ হচ্ছে 'অব্যাপক বিভাগ', যার উদ্ভব ঘটে বিভাগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়মের লঙ্ঘন থেকে। এই নিয়ম অনুযায়ী, যৌক্তিক বিভাগের ক্ষেত্রে বিভক্ত উপজাতি বা উপশ্রেণিগুলোর মিলিত ব্যক্তর্থ বিভাজ্য জাতি বা শ্রেণির ব্যক্তর্থের সমপরিমাণ হবে। কিন্তু যদি কম হয়, তাহলে উদ্ভদ্ধ ঘটে আলোচ্য ত্রুটিপূর্ণ বিভাগের। অর্থাৎ এরূপ ক্ষেত্রে একটি জাতি বা শ্রেণিকে বিভক্ত করার সময় এর অন্তর্গত সম্ভাব্য সবগুলো উপজাতি বা উপশ্রেণি উল্লেখ করা হয় না, বরং এ ক্ষেত্রে দু-একটি উপজাতি বা উপশ্রেণি বিভাজন-প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়ে যায়। যেমন: 'মানুষ' শ্রেণিকে 'ধনী' ও 'দরিদ্র' -এ দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হলে এদের সংখ্যা মিলিতভাবে মানুষের সংখ্যা থেকে কম হবে। কারণ এখানে 'মধ্যবিত্ত' শ্রেণি 'মানুষ' নামক মূলশ্রেণি থেকে বাদ পড়ে গেছে। এ কারণেই আলোচ্য বিভাজন প্রক্রিয়াটি পরিণত হয়েছে 'অব্যাপক বিভাগ' নামক ভ্রান্ত বিভাগে। কাজেই ভ্রান্তি এড়ানোর জন্য এমনভাবে বিভাজন-প্রক্রিয়া প্রয়োগ করতে হবে, যাতে বিভক্ত উপজাতি বা উপশ্রেণিগুলোর পরিমাণ সম্মিলিতভাবে বিভাজ্য মূল জাতি বা শ্রেণির সমান হয় কোনোভাবেই কম না হয়।

উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, উদ্দীপকের চিত্র-১ -এ যৌক্তিক বিভাগের অব্যাপক বিভাগ নামক নিয়মটি লঙ্ঘন করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্র-২-এ দ্বিকোটিক বিভাগ এবং চিত্র-৩-এ গুণগত বিভাগ পদ্ধতির যে দিকগুলো ফুটে উঠেছে তার তুলনামূলক বিশ্লেষণ নিচে করা হলো-

দ্বিকোটিক বিভাগ বলতে একটি জাতি বা শ্রেণিকে তার অন্তর্গত এমন দুটি বিরুদ্ধ পদসংবলিত উপজাতি বা উপশ্রেণিতে ভাগ করা বোঝায়, যে দুটি উপজাতি বা উপশ্রেণির একটিতে একটি বিশেষ গুণ বর্তমান থাকে এবং এই বিশেষ গুণটি অন্যটিতে অনুপস্থিত থাকে। যেমন: 'মানুষ' শ্রেণিকে 'সৎ মানুষ' ও 'অসৎ মানুষ'-এ দুটি বিরুদ্ধ উপশ্রেণিতে বিভক্ত করাই হচ্ছে দ্বিকোটিক বিভাগ।

এখানে দৃষ্টান্ত দ্বারা দ্বিকোটিক বিভাগের একটি পর্যায়ক্রমিক ধারা দেখানো হলো

আবার যৌক্তিক বিভাগের ক্ষেত্রে একক কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে তার বিশিষ্ট গুণসমূহে বিন্যস্ত করা হলে যে, অনুপপত্তির সৃষ্টি হয়, তাকে গুণগত বিভাগ বলে। যেমন: 'কামাল' নামের একজন বিশেষ ব্যক্তিকে সৎ, শিক্ষিত, জ্ঞানী, দয়ালু ইত্যাদি বিশিষ্ট গুণে বিভক্ত করলে অথবা একটি গোলাপ ফুল আকার, গন্ধ, বর্ণ, সৌন্দর্য ইত্যাদি বিশিষ্ট গুণে বিভক্ত করলে যৌক্তিক বিভাগের ক্ষেত্রে গুণগত বিভাগ অনুপপত্তির উদ্ধ ঘটে।

উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, উদ্দীপকে চিত্র-২ এবং চিত্র-৩-এ দ্বিকোটিক বিভাগ ও গুণগত বিভাগের দিকগুলো ফুটে উঠেছে। এ দুটি বিভাগের তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায়, দ্বিকোটিক বিভাগ ও গুণগত বিভাগ দুটি ভিন্ন ধরনের বিভাগ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
142

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো নীতি বা সূত্রের ভিত্তিতে একটি জাতি বা উচ্চতর শ্রেণিকে তার অন্তর্গত উপজাতি বা নিম্নতর উপশ্রেণিসমূহে বিভক্ত করার মানসিক প্রক্রিয়াকে যৌক্তিক বিভাগ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
398
উত্তরঃ

যৌক্তিক বিভাগের প্রয়োজনীয়তার কিছু ক্ষেত্র এখানে তুলে ধরা হলো-

⇨ জাতিবাচক বা শ্রেণিবাচক পদের ব্যক্তর্থ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পাই। 

⇨ বৃহত্তর জাতির অন্তর্গত বিভিন্ন উপজাতি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ধারণা পাই। 

⇨ সহজেই কোনো বিষয়ের সংজ্ঞা নির্ণয় করা সম্ভম্ব হয়। 

⇨ বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। 

⇨ মানুষের মননশীল ক্ষমতার প্রকাশ ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
671
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাবা যৌক্তিক বিভাগের যেসব নিয়মের কথা ইঙ্গিত করেছেন তা হলো-

⇨ জাতিবাচক বা শ্রেণিবাচক পদকে তার অন্তর্গত বিভিন্ন উপজাতি বা উপশ্রেণিতে বিন্যস্ত করা হয়। 

⇨ একই সময় একটি মাত্র মূলসূত্র ব্যবহার করে একটি পদকে বিভক্ত করতে হয়। 

⇨ বিভক্ত উপজাতি বা উপশ্রেণির মিলিত ব্যক্তর্থ বিভাজ্য জাতি বা শ্রেণির ব্যক্তর্থের সমপরিমাণ হবে। 

⇨ বিভক্ত উপজাতি বা উপশ্রেণিগুলো পরস্পর বিচ্ছেদক হবে। 

⇨ বিভাজ্য জাতি বা শ্রেণির নাম বিভক্ত উপজাতি বা উপশ্রেণিসমূহের প্রত্যেকের উপর প্রযোজ্য হবে।

⇨ বিভাগকরণ প্রক্রিয়ায় উচ্চতর জাতি বা শ্রেণি থেকে ক্রমানুসারে নিম্নতর উপজাতি বা উপশ্রেণির দিকে অগ্রসর হতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
323
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাবার বক্তব্য যৌক্তিক বিভাগের নিয়ম লঙ্ঘনজনিত অনুপপত্তিসমূহকেই ইঙ্গিত করছে। বিভাজন প্রক্রিয়ায় যে নিয়মসমূহ রয়েছে, তা লঙ্ঘন করলে যেসব অনুপপত্তির সৃষ্টি 'হয় তা হলো-

অঙ্গগত বিভাগ ও গুণগত বিভাগ অনুপপত্তি : জাতি বা শ্রেণিবাচক পদের পরিবর্তে একক কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বিভক্ত করা হলে উপশ্রেণির উপর প্রযোজ্য না হলে এই অনুপপত্তিগুলো ঘটে। যেমন: একটি গাছকে মূল, কাণ্ড, পাতা ইত্যাদি অংশে বিভক্ত করা হলে একে অঙ্গগত বিভাগ এবং যদি ফুলকে গন্ধ, বর্ণ, সৌন্দর্য ইত্যাদি বিশিষ্ট গুণে বিভক্ত করা হয়, তাহলে একে গুণগত বিভাগ অনুপপত্তি ঘটে।

সংকর বিভাগ : একই সময় একাধিক মূলসূত্রের ভিত্তিতে বিভাজন করা হলে এই অনুপপত্তির সৃষ্টি হয়। যেমন: মানুষ শ্রেণিকে একই সাথে বর্ণ ও উচ্চতা-এ দুটি মূলসূত্রের ভিত্তিতে বিভক্ত করা হলে এ ক্ষেত্রে 'লম্বা ও ফর্সা মানুষ' এবং 'বেঁটে ও কালো মানুষ' দুই শ্রেণির উদ্ভব ঘটে, যা সঠিক বিভাজন নয়। কারণ এমন অনেক মানুষ রয়েছে যারা লম্বা কিন্তু ফর্সা নয়; আবার এমন অনেক মানুষ রয়েছে, যারা লম্বা নয় কিন্তু ফর্সা। কাজেই এ ক্ষেত্রে সংকর বিভাগ অনুপপত্তি ঘটে।

পরস্পরাঙ্গী বিভাগ : জাতি বা শ্রেণিকে যদি একাধিক মূলসূত্রের ভিত্তিতে বিভক্ত করা হয়, তাহলে এর অন্তর্গত উপজাতি বা উপশ্রেণিগুলো পরস্পর স্বতন্ত্র বা বিচ্ছিন্ন না থেকে বরং একে অপরের সাথে মিশে যায়। আর এ ক্ষেত্রে পরস্পরাঙ্গী বিভাগ অনুপপত্তি ঘটে। অব্যাপক বিভাগ ও অতিব্যাপক বিভাগ: যৌক্তিক বিভাগের ক্ষেত্রে বিভক্ত উপজাতি বা উপশ্রেণিগুলোর মিলিত ব্যক্তর্থ বিভাজ্য জাতি বা শ্রেণির ব্যক্তর্থের সমপরিমাণ না হয়ে যদি কম হয়, তাহলে অব্যাপক বিভাগ অনুপপত্তি এবং যদি ব্যক্তর্থ বেশি হয় তবে অতিব্যাপক বিভাগ অনুপপত্তি ঘটে। উল্লম্ফন বা উৎক্রান্তি বিভাগ: বিভাজন প্রক্রিয়ায় উচ্চতর জাতি বা শ্রেণি থেকে ক্রমানুসারে নিম্নতর উপজাতি বা উপশ্রেণির দিকে অগ্রসর না হয়ে যদি মধ্যবর্তী কোনো স্তরকে বাদ দিয়ে বিভাজন করা হয়, তবে এ ক্ষেত্রে উল্লম্ফন বা উৎক্রান্তি বিভাগ অনুপপত্তি ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
319
উত্তরঃ

যৌক্তিক বিভাগের ক্ষেত্রে জাতি বা শ্রেণির পরিবর্তে কোনো একক ব্যক্তি বা বস্তুকে তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে এবং বিভিন্ন গুণে বিভক্ত করা হলে সৃষ্ট অনুপপত্তির নাম হচ্ছে অঙ্গগত বিভাগ ও গুণগত বিভাগ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
657
উত্তরঃ

যৌক্তিক বিভাগ অঙ্গগত ও গুণগত বিভাগ থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র ভিন্নধর্মী বিভাগ প্রক্রিয়া; কারণ এরা হচ্ছে যৌক্তিক বিভাগের নিয়ম লঙ্ঘনজনিত অনুপপত্তি। এদের সাথে যৌক্তিক বিভাগের পার্থক্য হলো-

⇨ যৌক্তিক বিভাগ কেবল জাতি বা শ্রেণির ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য, কিন্তু অঙ্গগত ও গুণগত বিভাগ একক ব্যক্তি বা বস্তুর ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য। 

⇨ যৌক্তিক বিভাগ একটি বিজ্ঞানসম্মত প্রক্রিয়া। আর অঙ্গগত ও গুণগত বিভাগ লৌকিক পদ্ধতি। 

⇨ যৌক্তিক বিভাগে নির্দিষ্ট একটি মূলসূত্রের ভিত্তিতে বিভাজন করা হয়। কিন্তু অঙ্গগত ও গুণগত বিভাগে নির্দিষ্ট কোনো মূলসূত্র ব্যবহার করে না। 

⇨ যৌক্তিক বিভাগ কতগুলো বিধিবদ্ধ নিয়ম পালন করে। কিন্তু অঙ্গগত ও গুণগত বিভাগে কোনো নিয়ম নেই।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
461
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews