মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়। উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
নাচিত্রের 'X' চিহ্নিত অঞ্চলটি মৌলভীবাজার জেলা। এ জেলায় বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল চা জন্মায়।
পানি নিষ্কাশনবিশিষ্ট ঢালু জমিতে চা ভালো হয়। বাংলাদেশে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেটে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে। চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়েও চা চাষ হচ্ছে। চা চাষের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু প্রয়োজন। সাধারণত ১৬০ থেকে ১৭০ সেলসিয়াস তাপমাত্রা ও ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত চা চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। এছাড়া উর্বর লৌহ ও জৈব পদার্থ মিশ্রিত দোআঁশ মাটিতে চা চাষ ভালো হয়।
প্রাকৃতিক এসব নিয়ামক ছাড়াও মূলধন, শ্রমিক, পরিবহন, বাজার প্রভৃতি নিয়ামক ও সরকারি সহযোগিতা চা উৎপাদনে ভূমিকা রাখে।
চিত্রের 'X' হলো মৌলভীবাজার ও 'Y' অঞ্চল হলো দিনাজপুর জেলা। জেলা দুটোতে প্রাপ্ত খনিজ সম্পদ প্রাকৃতিক গ্যাস ও কয়লা।
প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ। দেশের মোট বাণিজ্যিক জ্বালানি ব্যবহারের প্রায় ৬৮ শতাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস পূরণ করে। অপরদিকে শক্তির অন্যতম উৎস কয়লা। কলকারখানা, রেলগাড়ি, জাহাজ প্রভৃতি চালানোর জন্য জ্বালানী হিসেবে কয়লা ব্যবহৃত হয়।
শিল্পকারখানায় কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন: ফেঞ্চুগঞ্জের সার ও ছাতকের সিমেন্ট কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। চা বাগানেও প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এছাড়া কীটনাশক, ঔষধ, রাবার, প্লাস্টিক, কৃত্রিম তত্ত্ব প্রভৃতি তৈরির - জন্য প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ফার্নেস তেলের পরিবর্তে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। যেমন- সিদ্ধিরগঞ্জ,
আশুগঞ্জ, ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ব্যবহার করা হয়। গৃহস্থালি ও জ্বালানি কাজেও প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। অপরদিকে গ্যাস ও লাকড়ির পরিপূরক জ্বালানি হিসেবে কয়লা ব্যবহৃত হতে পারে। বর্তমানে বড়পুকুরিয়া থেকে উত্তোলিত কয়লার ৬৫ শতাংশ বড় পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হচ্ছে। অবশিষ্ট ৩৫ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে ইটভাটা, কলকারখানাসহ অন্যান্য
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায়, সম্পদ দুটির মধ্যে প্রাকৃতিক • গ্যাসের অর্থনৈতিক গুরুত্ব অধিক।
একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নর নির্ভর করে সম্পদ ও শিল্পের উপর। প্রাকৃতিক সম্পদকে সরাসরি অথবা অন্যান্য সম্পদকে কাজে লাগিয়ে প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী উৎপাদন করে ব্যবহার করা হয়। কৃষিজ ও বনজ সম্পদ, জি, প্রাকৃতিক গ্যাস, করলা বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে এ দেশে নিজের গুরুত্ব অপরিসীম। পোশাক শিল্প বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যথেষ্ট অবদান রাখছে ।
Related Question
View Allমৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত।
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা
এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে
বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়।
উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম
চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়। উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!