উত্তরঃ

দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস ১৮৭০ সালের ৫ নভেম্বর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

পাকিস্তানের সামরিক শাসক জেনারেল আইয়ুব খান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মৌলিক গণতন্ত্র ছিল মূলত গণতন্ত্র ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র।
১৯৫৮ সালে ক্ষমতায় এসে আইয়ুব খান তার ক্ষমতাকে স্থায়ী করার চিন্তা-ভাবনা করেন। এ চিন্তা থেকেই ১৯৫৯ সালে তিনি 'মৌলিক গণতন্ত্র' নামের একটি তত্ত্বের উদ্ভাবন করেন। এ তত্ত্বের ভিত্তিতে তিনি পকিস্তানের উভয় অঞ্চল থেকে মোট ৮০ হাজার ভোটার নির্বাচন করেন। রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পরিষদ এবং দুটি প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে এরাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করত। মূলত এরা সবাই ছিল আইয়ুব খান ও তার সহযোগীদের অনুগত। এভাবে আইয়ুব খান মৌলিক গণতন্ত্রের নামে সংসদীয় গণতন্ত্র বন্ধ করে গণতন্ত্র হত্যার ষড়যন্ত্র করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্রে বাংলার অন্যতম মহান নেতা শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের প্রতিকৃতি উল্লেখ রয়েছে। বাংলার কৃষকদের কল্যাণে তার অবদান অসামান্য।
পাঠ্যবইয়ের বর্ণনায় দেখা যায় যে, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ছিলেন কৃষক দরদী নেতা। তিনি ১৯৩৭ সালে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেয়ার পর ঋণ সালিশি বোর্ড গঠন করে জমিদার ও গ্রাম্য মহাজনদের দ্বারা কৃষকের অধিকার আদায়ে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। ১৯৩৮ সালে তিনি কৃষকদের সুবিধার্থে প্রজাস্বত্ব আইন পাস করেন। ১৯৪০ সালে তিনি মহাজনি আইন পাস করেন। মোট কথা বাংলার অবহেলিত কৃষকদের জন্য তিনি ছিলেন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যা তাদের মুক্তির পথের সন্ধান দেয়। এজন্য বলা হয়, দক্ষিণাঞ্চলের মেধাবী যুবক তথা শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক দরিদ্র ও কৃষক প্রজাদের সুদখোর মহাজন ও জমিদারদের কবল থেকে রক্ষা করেন। আর তাই বাঙালির হৃদয়ে তিনি স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন।
উপরোক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ছিলেন বাঙালি কৃষককুলের মুক্তির দিশারী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মনীষী অর্থাৎ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে কৃষি, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখেছেন।
শেরে বাংলা এ কে ফলজুল হক তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা কাজে লাগিয়ে যথাযথভাবে উপলব্ধি করেছিলেন যে, বাঙালি জাতির সর্বাঙ্গীন উন্নতি ও অগ্রগতির মূলে প্রয়োজন শিক্ষা। তিনি ছিলেন বিদ্যানুরাগী এবং জ্ঞানার্জনের একজন বিশেষ পৃষ্ঠপোষক। এর ধারাবহিকতায় ১৯১২ সালে তিনি কলকাতায় মুসরিম শিক্ষা সমিতি গঠন করেন। গরিব ও মেধাবী ছাত্রদের জন্য তিনি যথাসাধ্য অর্থ-সাহায্য করতেন। শিক্ষাকে গণমুখী করার লক্ষ্যে ১৯১৩ সালে তিনি বঙ্গীয় আইন পরিষদে শিক্ষা পরিকল্পনা পেশ করেন। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন কলেজ প্রতিষ্ঠা ও নারী শিক্ষায় অবদান রাখেন। অবিভক্ত বাংলার মুখমন্ত্রী হিসেবে তিনি শিক্ষা দপ্তরের ভারও নিজ হাতে গ্রহণ করেন। এর পর তিনি "মুসলিম এডুকেশন ফান্ড" এবং কলকাতায় ইসলামিয়া কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। কলকাতায় 'সেন্ট্রাল মোহামেডান এডুকেশন এসোসিয়েশন', 'লেডি ব্রাবোর্ন কলেজ', ১৯৪০ সালে বরিশালের চাখারে 'ফজলুল হক কলেজ', ঢাকায় 'ইডেন মহিলা কলেজ' ইত্যাদি তার অবদান।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে এ কথা বলা যায়, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ছিলেন বাংলার শিক্ষাক্ষেত্রের উন্নয়নে নিবেদিত প্রাণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
19

Related Question

View All
উত্তরঃ

বেজাল প্যাক্ট হলো বাংলার হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক বিভেদ সমাধানের লক্ষ্যে সম্পাদিত চুক্তি।
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ অনুভব করেছিলেন যে, বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের দাবি অগ্রাহ্য করে স্বাধীনতা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এ দিক বিবেচনা করে চিত্তরঞ্জন দাশ মুসলমানদের সমর্থন ও হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। বাংলার মুসলিম নেতারাও তাঁর সাথে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন এ.কে. ফজলুল হক, মৌলবি আবদুল করিম এবং হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী। তাদের উদ্যোগে ১৯২৩ সালে 'বেঙ্গল প্যাক্ট' স্বাক্ষরিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
118
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শামসুল হুদার সাথে আমার পঠিত মহান নেতা শহিদ তিতুমীরের সাদৃশ্য রয়েছে।

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অগ্রসৈনিক শহিদ তিতুমীরের আসল নাম সৈয়দ মীর নিসার আলী। তিনি দেশের মানুষকে ইংরেজ, জমিদার এবং নীলকরদের অত্যাচার ও শোষণের হাত থেকে রক্ষার প্রচেষ্টা চালান। তিনি কৃষকদেরকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলেন এবং তাদেরকে সংঘবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। শোষকদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তিনি কৃষকদেরকে সামরিক প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেন। এ লক্ষ্যে তিনি কলকাতার নিকটবর্তী নারিকেলবাড়িয়া নামক স্থানে একটি বাঁশের কেল্লা বা দুর্গ নির্মাণ করেন।
উদ্দীপকের শামসুল হুদার ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়, তিনি একজন সৎ ও সাহসী ব্যক্তি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি সব সময় সোচ্চার। অত্যাচারী জমিদার ও সুদখোর মহাজনদের হাত থেকে জনগণকে রক্ষায় তিনি একটি বাহিনী গড়ে তোলেন এবং তাদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি দুর্গ প্রতিষ্ঠা করেন। তার এ লক্ষ্য ও কার্যক্রমের সাথে আমার পঠিত শহিদ তিতুমীরের সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
88
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তিত্বের অর্থাৎ তিতুমীরের আন্দোলনের কারণে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন গতি লাভ করেছিল।
তিতুমীরের কৃষক আন্দোলন ও বারাসাত বিদ্রোহ ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে শক্তিশালী বিদ্রোহ। এর মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেন যে, রক্তদান ব্যতীত স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব নয়। তাঁর পরিচালিত এ বিদ্রোহ ছিল জমিদার ও নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে। তিনি নারিকেলবাড়িয়ার আশপাশের জমিদারদের পরাজিত করে চব্বিশ পরগনা, নদীয়া এবং ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে একটি স্বাধীন রাজ্য গঠন করেন এবং কোম্পানি সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি ইংরেজ সরকারের আক্রমণ মোকাবিলার জন্য নারিকেলবাড়িয়ায় একটি বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। ১৮৩১ সালে ইংরেজ বাহিনীর সাথে যুদ্ধে তিতুমীরও শহিদ হন।
ইংরেজদের গোলাবারুদ এবং নীলকর ও জমিদারদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মুখে তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা ছিল সাহস আর দেশপ্রেমের প্রতীক। যা যুগে যুগে বাঙালিকে অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হতে সাহস যুগিয়েছে। প্রেরণা যুগিয়েছে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে যেতে। উপরের আলোচনা থেকে এটাই প্রমাণিত হয় যে তিতুমীরের আন্দোলনের কারণেই পরবর্তী সময়ের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনগুলো গতি লাভ করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
91
উত্তরঃ

ফরায়েজি আন্দোলন বলতে হাজী শরীয়তউল্লাহ কর্তৃক পরিচালিত ফরজভিত্তিক আন্দোলনকে বোঝায়।
১৮১৮ সালে হাজী শরীয়তউল্লাহ মক্কা থেকে দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফিরে তিনি দেখলেন মুসলমানরা নানা প্রকার কুসংস্কারে লিপ্ত। তারা কবরপূজা, পীরপূজা, ওরস ও মানত করে পরিত্রাণ পাবে বলে মনে করত। এ অবস্থা দেখে হাজী শরীয়তউল্লাহ ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের ডাক দেন। এতে ইসলাম ধর্মের পাঁচটি ফরজ পালনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়। এই আন্দোলনই ইতিহাসে ফরায়েজি আন্দোলন নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
83
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews