(৩)
শিরশ্ছেদ = শিরঃ + ছেদ
‘মা খোকাকে চাঁদ দেখাচ্ছেন'- বাক্যটিতে দেখাচ্ছেন পদটি প্রযোজক ক্রিয়া
চোখের বালি প্রবাদ-প্রবচনটির অর্থ শত্রুতা
ট্রেনটি স্টেশন ছাড়লো। এখানে স্টেশন অপাদান কারক
দোষনীয় = দূষণীয়
‘যে শুনেই মনে রাখতে পারে'- এক কথায় শ্রুতিধর
‘অশীতিপর' শব্দটির অর্থ আশি থেকে নব্বই বছর বয়সী ব্যক্তি
মনমাঝি’- এর ব্যাসবাক্য মন রূপ মাঝি
আপ্যায়নের উদ্দেশ্যে যে দাওয়াতপত্র দেওয়া প্রদান করা হয় তাকে নিমন্ত্রণপত্র পত্র বলা হয়
‘ময়মনসিংহ গীতিকা'- প্রথম সম্পাদনা করেন ড. দীনেশচন্দ্র সেন
ব্যাকরণ-
ব্যাকরণ (= বি + আ + √কৃ + অন) শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ। সংজ্ঞা : যে শাস্ত্রে কোনো ভাষার বিভিন্ন উপাদানের প্রকৃতি ও স্বরূপের বিচার-বিশ্লেষণ করা হয় এবং বিভিন্ন উপাদানের সম্পর্ক নির্ণয় ও প্রয়োগবিধি বিশদভাবে আলোচিত হয়, তাকে ব্যাকরণ বলে। ব্যাকরণ পাঠের প্রয়োজনীয়তা: ব্যাকরণ পাঠ করে ভাষার বিভিন্ন উপাদানের গঠন প্রকৃতি ও সেসবের সুষ্ঠু ব্যবহারবিধি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা যায় এবং লেখায় ও কথায় ভাষা প্রয়োগের সময় শুদ্ধাশুদ্ধি নির্ধারণ সহজ হয় বাংলা ব্যাকরণ : যে শাস্ত্রে বাংলা ভাষার বিভিন্ন উপাদানের গঠনপ্রকৃতি ও স্বরূপ বিশ্লেষিত হয় এবং এদের সম্পর্ক ও সুষ্ঠু প্রয়োগবিধি আলোচিত হয়, তাই বাংলা ব্যাকরণ । বাংলা ব্যাকরণে আলোচ্য বিষয প্রত্যেক ভাষারই চারটি মৌলিক অংশ থাকে। যেমন—
১. ধ্বনি (Sound)
২. শব্দ (Word )
৩. বাক্য (Sentence )
৪. অর্থ (Meaning)
সব ভাষার ব্যাকরণেই প্রধানত নিম্নলিখিত চারটি বিষয়ের আলোচনা করা হয়
১. ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology)
২. শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব ((Morphology)
৩. বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম (Syntax) এবং
৪. অর্থতত্ত্ব (Semantics)
এ ছাড়া অভিধানতত্ত্ব (Lexicography) ছন্দ ও অলংকার প্রভৃতিও ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় ।
Related Question
View Allভাষার চারটি মৌলিক অংশের নাম ধ্বনি, শব্দ, অর্থ, বাক্য।
বাংলা বর্ণমালা ট, ঠ, ড, ড, ণ, বর্ণগুলোকে মূর্ধন্য বা পশ্চাৎ দন্তমূলীয় বর্ণ বলে।
’’Affidavit’’ এর বাংলা প্রতিশব্দ হলো হলফনামা বা শপথবাক্য।
'বুদ্ধিমান‘ শব্দের বিশেষ্য পদ হলো বুদ্ধি।
উপর্যপুরি = উপরি + উপরি
‘গগনে উঠিল রবি লােহিত বরন’
= অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!