যখন দুটি জিনের একটি প্রচ্ছন্ন এবং অপরটি প্রকট হয় তখন উত্ত জিন দুটিই হলো একে অপরের হেটারোজাইনাস জিন।
ব্যাকটেরিয়া নিউক্লিয়েড DNA ছাড়াও আরেকটি ক্রোমোজোম জীবহিঃর্ভূত গোলাকার DNA বিদ্যমান। এই গোলাকার DNA কে প্লাজমিড বলে। এই প্লাজমিডকে রিকম্বিনেন্ট DNA টেকনোলজিতে জ ব্যবহার করে কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ট্রান্সজেনিক জীবন উদ্ভাবন করা সম্ভব। এ কারণেই জৈব প্রযুক্তিগত ব্যাকটেরিয়াকে ব্যবহার করা হয়।
Mr. A-এর রোগটি হলো হিমোফিলিয়া। এটি একটি বংশানুক্রমিক - জিনগত রোগ রক্ততঞ্চনে অস্বাভাবিক বিলম্বের কারণে। ক্ষতস্থান থেকে - অবিরাম রক্তক্ষরণ হয়। এতে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। রক্তক্ষরণ জাতীয় আরোও কিছু রোগ ও তাদের লক্ষণগুলো হলো-
রোগের নাম | লক্ষণ |
বর্ণান্ধতা | বিভিন্ন বর্ণের পার্থক্য বুঝতে না পারা'। |
এক্টোডার্মাল ডিসপ্লেসিয়া | ঘামগ্রন্থি ও দাঁতের অনুপস্থিতি। |
রাতকানা | রাতে কোনো জিনিস স্পষ্ট দেখতে না পাওয়া। |
অপটিক অ্যাট্রফি | অপটিক স্নায়ুর ক্ষয়িষ্ণুতা। |
জুভেনাইল গ্লুকোমা | অক্ষিগোলকের কাঠিন্য। |
হোয়াইট ফোরলক | মাথার সম্মুখভাগে এক গোছা সাদা চুল। |
মায়োপিয়া | দৃষ্টিক্ষীণতা। |
মাসকুল্যার ডিস্ট্রফি | পেশি জটিলতা, দশ বছর বয়সেই শিশুর চলনশক্তি লোপ পাওয়া। |
Mr. B ও Miss C-এর রোগ দুটি হলো যথাক্রমে, ডাউন'স সিনড্রোম ও টার্নার'স সিনড্রোম। দুটি রোগই মানুষের জেনেটিক বিশৃঙ্খলাজনিত রোগ।
মানুষের ২১তম ক্রোমোজোমের নন-ডিসজাংশনের ফলে ডাউন'স সিনড্রোম রোগ হয়। অপরদিকে, টার্নার'স সিনড্রোম রোগটি নারীদের সেক্স ক্রোমোজমের নন-ডিসজাংশনের কারণে হয় এবং স্ত্রীলোকটি হয় XX-এর পরিবর্তে X ক্রোমোজোম বিশিষ্ট্য। ডাউন'স সিনড্রোম রোগীরা খর্বাকৃতির ও মানসিক ভারসাম্যহী হয়। এছাড়াও এ রোগে আক্রান্ত রোগীদের চোখের পাতা ফোলা নাক চ্যাপ্টা, জিহ্বা লম্বা ও হাতগুলো ছোট হয়।
অপরদিকে টার্নার'স সিনড্রোমে আক্রান্ত স্ত্রীলোক খর্বাকৃতি হয় এবং এদের ঘাড় দীর্ঘ হয়। পূর্ণবয়স্ক অবস্থায় এদের স্তন ও জনন অঙ্গের বিকাশ ঘটে না।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!