উত্তরঃ

মানুষের কর্মকাণ্ডের ফলে পরিবেশের স্বাভাবিক অবস্থা থেকে অস্বাভাবিক অবস্থার রূপান্তর ঘটে যে দূষণ সৃষ্টি হয় তাই মানবসৃষ্ট দূষণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

শিল্পবর্জ্য বুড়িগঙ্গার পানিদূষণের অন্যতম কারণ।
ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন শিল্প-কারখানা যেমন- রং ও প্লাস্টিক শিল্প, বস্ত্র শিল্প, লৌহজাতীয় ধাতু, ওষুধ প্রভৃতি শিল্প হতে নির্গত বর্জ্যসমূহ পয়ঃনিষ্কাশন লাইনের মাধ্যমে বুড়িগঙ্গার পানিতে মিশেছে। ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদানে গঠিত এসব শিল্পবর্জ্যই বুড়িগঙ্গার পানিকে দূষিত করছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা নদীর প্রত্যক্ষ প্রভাব থাকায় এখানে বন্যা ও নদীভাঙন নামক প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয়। নদী বিধৌত অঞ্চল বলে এখানে বর্ষাকালে বন্যার পানি এসে নদীর স্রোত বাড়িয়ে দেয় ফলে এসব অঞ্চলে নদীভাঙন পরিলক্ষিত হয়। বন্যা ও নদীভাঙনের প্রভাবে এসব এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তবে এসব এলাকায় ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস তেমন একটা দেখা যায় না। নিচে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চল অর্থাৎ পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা নদী বিধৌত অঞ্চলে বন্যা ও নদীভাঙনের সম্ভাব্য প্রভাব নিচে আলোচনা করা হলো- বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে বন্যা অন্যতম। এর ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি, এমনকি মানুষের প্রাণহানিও ঘটতে পারে। এছাড়া স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। পশুপাখির জীবন বিনষ্ট ও বিপন্ন হয়। ১৯৭৪, ১৯৭৮, ১৯৮৪, ১৯৮৮, ১৯৯৮, ২০০০, ২০০৪ সালে অঞ্চলটিতে বন্যার প্রভাব ছিল ভয়াবহ।

উদ্দীপকের 'ক' অঞ্চলটিতে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র প্রভৃতি প্রধান নদীর সম্মিলিত প্রভাবে নদীভাঙন একটি নিয়মিত ঘটনা। প্রতিবছর এ অঞ্চলে নদীভাঙনের ফলে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন লোক প্রত্যক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এদের মধ্যে প্রায় ৩ লাখ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২০০ কোটি টাকা। এছাড়াও প্রতিবছর প্রচুর জমি নদীভাঙনে নিঃশেষ হয়ে যায়।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের 'ক' অঞ্চলটিতে বন্যা ও নদীভাঙনের ব্যাপক প্রভাব লক্ষ করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'খ' অঞ্চলটি হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চল, যা ভৌগোলিকভাবে দুর্যোগপ্রবণ।

উদ্দীপকের অঞ্চলটিতে প্রতিবছর ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত হানে। মূলত ভৌগোলিক অবস্থান ও জলবায়ুগত কারণেই এ অঞ্চল অধিক দুর্যোগপ্রবণ।
বাংলাদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের একটি দেশ। তাই এখানে প্রায় প্রতিবছর ক্রান্তীয় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় এবং এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক বন্যা ও জলোচ্ছ্বাস দেখা যায়। এছাড়া বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ঘূর্ণিঝড় হয়ে থাকে। সর্বোপরি বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগর ফানেল (Cone) আকৃতিবিশিষ্ট হওয়ার কারণে অঞ্চলটি অধিক দুর্যোগপ্রবণ। উদ্দীপকের অঞ্চলটিতে সংঘটিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস প্রভৃতি থেকে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে রক্ষার জন্য দুর্যোগ পরবর্তীতে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। দুর্যোগ পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া, জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ, ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার তৎপরতা, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম প্রভৃতি সাড়াদান পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। আবার দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে চিহ্নিত করে তাদের চিকিৎসাসেবা, বাসস্থান ও খাবারের ব্যবস্থা করা, সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সাহায্য প্রদানের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
83

প্রাকৃতিক পরিবেশের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যের যেকোনো নেতিবাচক পরিবর্তনই হলো দূষণ। দূষণকারী উপাদানকে বলা হয় দূষক। দূষণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিদ্যমান। প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলো মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার ওপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলে এমন যেকোনো প্রাকৃতিক ঘটনা। দূষণ হলো প্রকৃতিতে বিষাক্ত অথবা অবক্ষয়কারী উপাদানের সংযুক্তি আর দুর্যোগ হলো

দূষণ ও দুর্যোগ -প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী-স্যারে লেখা বই

Related Question

View All
উত্তরঃ

বায়ুদূষণের একটি অন্যতম উৎস হলো শিল্পকারখানার ধোঁয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
140
উত্তরঃ

দরিদ্রতা অর্থনৈতিক দূষণের ফল।

অর্থনৈতিক দূষণের প্রত্যক্ষ ফল হলো দরিদ্রতা। যেকোনো দেশের সার্বিক উন্নয়নের চাবিকাঠি হলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। বিভিন্ন কারণে যখন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয় অর্থাৎ দূষণের সম্মুখীন হয় তখন উন্নয়ন থমকে দাঁড়ায় আর উন্নয়ন থমকে দাঁড়ালে একটি দেশে দরিদ্রতা নেমে আসে। কারণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের ফলে সামগ্রিক উন্নয়ন সাধিত হয় এবং দারিদ্র্যতা দূরীকরণ হয়। তাই বলা যায়, দরিদ্রতা অর্থনৈতিক দূষণের ফল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
179
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত খনিজটি হলো প্রাকৃতিক গ্যাস যার ভৌগোলিক অবস্থান নিচে দেখানো হলো।
বাংলাদেশের আবিষ্কৃত প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রসমূহ দেশের উত্তর-পূর্বাংশ, পূর্ব বাংলা এবং দক্ষিণ-পূর্বাংশের বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে অবস্থিত।

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রসমূহের মধ্যে সিলেট, ছাতক, রশিদপুর, তিতাস, কৈলাসটিলা, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ, সেমুতাং, বেগমগঞ্জ, কুতুবদিয়া, বিয়ানীবাজার, ফেনী, কামতা, ফেঞ্চুগঞ্জ, জালালাবাদ, বেলাবো, মেঘনা, শাহবাজপুর, সাঙ্গু, বিবিয়ানা, সুন্দলপুর, শ্রীকাইল ও বাঙ্গুরা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
এদের মধ্যে সিলেটের হরিপুর গ্যাসক্ষেত্রটি বাংলাদেশের প্রথম আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র, যা ১৯৫৫ সালে আবিষ্কৃত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
157
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শেষ বাক্যটির সারমর্ম হলো প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের ফলে একদিকে যেমন বনজসম্পদ রক্ষা পায় অন্যদিকে তেমনি কালো ধোঁয়ার হাত থেকে বায়ুদূষণ রোধ হয়।বাংলাদেশে ব্যাপক হারে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। শিল্প ক্ষেত্রে এবং জ্বালানি ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার লক্ষ করা যায়। ফলে জ্বালানির কাজে ব্যবহৃত কাঠের বিকল্প হিসেবে গ্যাস অধিক গ্রহণযোগ্য। এর ফলে কাঠের ব্যবহার হ্রাস পায় যার ফলে বনজসম্পদ রক্ষা পায়। জ্বালানি হিসেবে কাঠ, কয়লার ব্যবহার অধিক হারে বায়ুদূষণ করে। কিন্তু প্রাকৃতিক গ্যাসের কোনো কালো ধোঁয়া নেই। ফলে প্রাকৃতিক গ্যাসের অধিক ব্যবহারের ফলে যেহেতু কাঠের ব্যবহার কম হয় তাই একদিকে যেমন বনজসম্পদ রক্ষা পায় অন্যদিকে কালো ধোঁয়া না থাকায় বায়ুদূষণ রোধ হয়।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি সঠিক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
135
উত্তরঃ

দুর্যোগ হলো এখন কোনো ঘটনা বা অবস্থা যা মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করে এবং জানমালের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
150
উত্তরঃ

পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করে।

যেকোনো ধরনের পরিকল্পনা যদি পরিবেশ দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়ায় তবে তা বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। কারণ পৃথিবীর সবকিছুই পরিবেশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। পরিবেশকে হুমকির মুখে ফেলে দিতে পারে এমন পরিকল্পনা টিকে থাকে না। তাই উন্নয়নকে চিরস্থায়ী করতে অর্থাৎ টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
188
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews