প্রবহমান দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলে।
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকে যে পর্বতের সৃষ্টি হয় তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।
ভূত্বকের ফাটল বা ছিদ্রপথে ভূঅভ্যন্তরের গলিত ম্যাগমা, ধূম্র, ভস্ম প্রবলবেগে ভূপৃষ্ঠে এসে উপনীত হয় এবং ফাটলের চারদিকে সঞ্চিত হয়ে আগ্নেয় পর্বত গঠিত হয়। একে সঞ্চয়জাত পর্বতও বলে। যেমন: জাপানের ফুজিয়ামা।
চিত্রে 'A', 'B' ও 'C' উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত নদীর গতিপথকে নির্দেশ করে যা তিনভাগে বিভক্ত। যেমন- ঊর্ধ্বগতি, মধ্যগতি ও নিম্নগতি। নিচে এগুলো বর্ণনা করা হলো-
i
ঊর্ধ্বগতি: এটি নদীর প্রাথমিক অবস্থা। পর্বতের উৎসস্থান থেকে সমভূমিতে পৌছানো পর্যন্ত অংশকে নদীর ঊর্ধ্বগতি বলে। ঊর্ধ্বগতিতে নদীর প্রধান কাজ ক্ষয়সাধন।
ii মধ্যগতি: মধ্যগতিতে নদী সমভূমির উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এসময় নদী বিস্তার লাভ করে কিন্তু গভীরতা কমে যায়। নদী সঞ্চয় কাজ এ গতিতেই শুরু করে।
iii নিম্নগতি: এটি নদীর জীবনচক্রের শেষ পর্যায়। এ অবস্থায় নিম্নক্ষয় বন্ধ থাকে ও পার্শ্বক্ষয় হয় অল্পপরিমাণে। নদী উপত্যকা খুব চওড়া ও গভীর হয়। স্রোতের বেগ একেবারে কম থাকায় পানিবাহিত বালুকণা কাদা নদীগর্ভে ও মোহনায় সঞ্চিত হয়।
চিত্রে 'B' ও 'C' তথা নদীর সমভূমি এবং সর্বশেষ মোহনা পর্যায়ে অবস্থিত বাংলাদেশ নদীভাঙন দুর্যোগ কবলিত এলাকা।
নদীর শেষ পর্যায়ে অবস্থিত বলে বাংলাদেশের সমভূমি নদীসঞ্চয়জাত পলিমাটি দ্বারা গঠিত প্লাবনভূমি। নরম পলিমাটি গঠিত বলে এদেশে প্রতিবছর নদীভাঙনে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ধ্বংস হয়। অর্থাৎ নদীপথের সমভূমি পর্যায়ে অবস্থান করায় বাংলাদেশ নদীভাঙনপ্রবণ।
Related Question
View Allনদীভাঙন এক ধরনের মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
দুর্যোগ ও বিপর্যয় পরস্পর সম্পর্কযুক্ত হলেও বিষয় দুটি এক নয়।
তাদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। যেমন: দুর্যোগ হচ্ছে এমন ঘটনা যা সমাজের বাস্তবিক কাজকর্মে প্রচণ্ডভাবে বিঘ্ন ঘটায় এবং জীবন সম্পদ ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। অপরদিকে বিপর্যয় হচ্ছে এমন একটি আকস্মিক ও চরম প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট ঘটনা যা জীবন, সম্পদ ইত্যাদির উপর আঘাত করে দুর্যোগের সৃষ্টি করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!