অ্যানথ্রাসাইটে কার্বনের পরিমাণ ৯৫%।
জৈব পদার্থের উপস্থিতি মাটির ভৌত, রাসায়নিক ও জৈবিক গুণাবলি উন্নত করে। মাটিস্থ অণুজীবের সংখ্যা ও কার্যাবলি বাড়ায়, মাটির রস ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। তাই জৈব পদার্থকে মাটির জীবন বলা হয়।
উদ্দীপকের M, N, O হলো যথাক্রমে মাটি, জ্বালানি ও উদ্ভিদ। এরা পরস্পরের সাথে সম্পর্কযুক্ত। মাটির নিচ থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক জ্বালানি তৈরির মূল উপকরণ হলো উদ্ভিদ। মাটির নিচ থেকে প্রাপ্ত জ্বালানি প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলিয়াম তৈরি হয়েছে মূলত উদ্ভিদ থেকে। হাজার হাজার বছর আগে মরে যাওয়া গাছপালা ও প্রাণীর দেহাবশেষ কাদা ও পানির সাথে ভূগর্ভে জমা হয়। সময়ের সাথে সাথে এরা বিভিন্ন রকম শিলা স্তরে ঢাকা পড়ে। শিলাস্তরের চাপে পচা দেহাবশেষ ঘনীভূত হয়ে এতে বিদ্যমান জৈব পদার্থ প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলিয়ামে পরিণত হয়। আবার প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে জলাভূমিতে জন্মানো ফার্ন, শৈবাল, গুল্ম ও অন্যান্য গাছপালা মরে ক্ষত্রাপ্ত হয়ে কয়লা তৈরী হয়েছে। আবার, উদ্ভিদ বেঁচে থাকার জন্য তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান মাটি থেকে শোষণ করে।
তাই উপরের আলোচনা থেকে এটি স্পষ্ট যে, মাটি, জ্বালানি ও উদ্ভিদ পরস্পর সম্পর্কযুক্ত।
উদ্দীপক উল্লিখিত M হলো মাটি। আমাদের দৈনন্দিন জীবন পরিচালনাসহ খাদ্যশস্য উৎপাদন, উদ্ভিদ জন্মানো, বাসস্থান তৈরি, খনিজ পদার্থের উৎস, জ্বালানির উৎস ও পানি এই সবক্ষেত্রে মাটির ভূমিকা রয়েছে।
প্রথমত, মাটিতে গাছপালা জন্মায়। আর গাছপালা থেকেই আমরা খাদ্যশস্য পাই। আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অক্সিজেনও আমরা পাই গাছপালা থেকেই। দ্বিতীয়ত, মাটিতে আমরা ঘরবাড়ি, অফিস রাস্তাঘাট তৈরি করি। মাটির নিচ থেকে জীবন ধারণের দরকারি পানির বড় অংশ আসে। আমাদের বেঁচে থাকার জন্য অতি প্রয়োজনীয় জ্বালানির সিংহভাগ আহরণ করি মাটির নিচ থেকে। একইভাবে সোনা, রূপা, লোহাসহ নানারকম খনিজ পদার্থ মাটিরই অংশ।
সুতরাং দেখা যায়, উদ্দীপকে যেসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে তার সবগুলোর উৎসই হচ্ছে মাটি। তাই মাটির গুরুত্ব অপরিসীম।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!