উত্তরঃ

২১ দফার প্রথম দফা হলো বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের পথ সূচিত হওয়ায় একে বাঙালির মুক্তির প্রথম আন্দোলন বলা হয়।
দেশ বিভাগের পর বাঙালি প্রথম ভাষাকেন্দ্রিক বৈষম্যের শিকার হয়। মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি বাংলা ভাষাভাষী হওয়া সত্ত্বেও তাদের প্রতি উর্দু চাপিয়ে দেওয়া হয়। ফলে বাঙালি ভাষা আন্দোলন করে এবং এর মাধ্যমে জাতীয়তাবাদের জন্ম হয়। এ জন্য এ আন্দোলনকে বাঙালির মুক্তির প্রথম আন্দোলন বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উত্ত স্লোগানে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ইঙ্গিত পাওয়া যায় এবং এ আন্দোলনই পরবর্তীকালে স্বাধিকার আন্দোলনে রূপলাভ করে।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের অধিকারবন্দ্বিত মানুষের গণচেতনার বহিঃপ্রকাশ। ভাষা আন্দোলন ছিল পরবর্তী সকল রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রেরণাদানকারী আন্দোলন। ভাষা আন্দোলন থেকে পাওয়া জাতীয়তাবাদী চেতনায় জাগ্রত হয়ে বাঙালি প্রথমে আইয়ুব সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আন্দোলন শুরু করে। এ আন্দোলনের পরিণতিতে ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। এছাড়া ভাষা আন্দোলনের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বাঙালি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে। ভাষা আন্দোলন জাতীয় চেতনা উন্মেষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাঙালি জাতির অধিকার সচেতনতাবোধ জাগ্রত করে। বাঙালি জাতি অন্যায়, অত্যাচার ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনের শিক্ষালাভ করে। এ আন্দোলনই গণআন্দোলনের প্রেরণা যোগায়। তাই বলা যায়, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্যেই '৬৬-এর ছয় দফা, '৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের বীজ নিহিত ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক প্রভৃতি ক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি সীমাহীন যে বৈষম্য প্রদর্শন করা হয় তা নিরসনের লক্ষ্যে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

ছয় দফা ছিল মূলত বাঙালির বাঁচার দাবি। এ দাবি ছিল জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। বাঙালি জনগণের মধ্যে জাতীয়তাবাদের ধারণার উন্মেষ ও বিকাশ ঘটানোর ক্ষেত্রে ছয় দফার গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। ১৯৬৬ সালে এ আন্দোলনের ফলে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পূর্ণ বিকাশ ঘটে।
পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে সকলেই ছয় দফাকে মুক্তির সনদ হিসেবে গ্রহণ করে। ছয় দফার মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মনে আলাদাভাবে একটি জাতিসত্তাবোধের জন্ম হতে থাকে। সকল শোষিত, বঞ্চিত ও নিপীড়িত শ্রেণি ছয় দফার মধ্যে নিজেদের শ্রেণিস্বার্থের প্রতিচ্ছবি দেখতে পায়। এজন্যই সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের নিকট ছয় দফা কর্মসূচি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এই ছয় দফা আন্দোলন বাঙালির মানবিক চেতনার জন্ম দেয় এবং জাতীয়তাবোধের বিকাশে পুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পরবর্তীকালের সমস্ত আন্দোলন এমনকি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে ছয় দফার চেতনাবোধ।
পরিশেষে বলা যায়, বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটাতে ছয় দফা কর্মসূচির গুরুত্ব ছিল অপরিসীম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
13

Related Question

View All
উত্তরঃ

শহিদ মিনার নির্মাণের উদ্দেশ্য হলো ভাষাশহিদদের স্মরণ ও ভাষার প্রতি যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শন।
১৯৫২ সালের ভাষার জন্য শহিদ হওয়া ব্যক্তিদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ ও তাদের স্মৃতিসংরক্ষণের জন্য ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ঢাকা মেডিকেলের ছাত্ররা প্রথম শহিদ মিনার নির্মাণ শুরু করে এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি শহিদ শফিউরের বাবা তা উদ্বোধন করেন। কিন্তু পুলিশ ও সেনাবাহিনী তা ভেঙে ফেললে ১৯৫৭ সালে বর্তমান স্থানে শহিদ মিনার স্থাপন শুরু হয় এবং ১৯৬৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নতুন শহিদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
522
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত মানভূমের ভাষা আন্দোলনের সাথে আমার * পঠিত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সাদৃশ্য খুঁজে পাই।

উদ্দীপকে দেখা যায়, মানভূমের বাঙালিদের মধ্যে ১৯৪৮ সালে বাংলা ভাষা আন্দোলন গড়ে ওঠে। এসময় রাজনৈতিকভাবে স্কুল-কলেজ ও সরকারি দপ্তরের হিন্দি ভাষা জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ আন্দোলনের সাথে আমার পঠিত বাংলা ভাষা আন্দোলনের * সাদৃশ্য লক্ষণীয়। অনুরূপ ১৯৪৭ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়। পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৫৬.৪০% মানুষের মুখের ভাষা বাংলার পরিবর্তে মাত্র ৭.২০% মানুষের ভাষা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বরে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। ১৯৪৮ সালের ১৯ মার্চ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকা এসে ২১ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে ঘোষণা করেন উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। তাছাড়া ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু হবে ঘোষণা করলে পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন নতুন মাত্রা ও সর্বাত্মক রূপলাভ করে। এ সময়ে তমদ্দুন মজলিস ও রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক হরতাল আহূত হলে স্থানীয় প্রশাসন ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ১ মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে এবং সকল সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়। সরকারের এ ঘোষণায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। অতঃপর ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্ররা মিছিল বের করলে পুলিশের গুলিতে সালাম, আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন, আব্দুল জব্বার শহিদ হন। যার ফলে বিশ্ব ইতিহাসে ভাষার জন্য আন্দোলনের এক অবিনশ্বর ইতিহাস রচিত হয়।

অতএব উদ্দীপকের ভাষা আন্দোলনের সাথে পূর্ব-বাংলার ভাষা আন্দোলনের মিল পরিলক্ষিত হয়। বাংলা ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদ উজ্জীবিত হয় যা স্বাধীনতা যুদ্ধের মূলমন্ত্র ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
387
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ভাষা আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ বাংলা ভাষা আন্দোলনে 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল' উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।

ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটায়। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি সর্বপ্রথম নিজেদের স্বতন্ত্র সত্তা ও অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়। আর এ চেতনাই পরবর্তীতে প্রতিটি গণআন্দোলনে অনুপ্রেরণা জোগায় এবং সকল বৈষম্য থেকে মুক্তির পথ সুগম করে। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রেরণায় উদ্দীপ্ত হয়ে বাঙালি জাতি ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে শাসক দল মুসলিম লীগের সকল বৈষম্যমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে গণরায় প্রদানের মাধ্যমে যুক্তফ্রন্টকে জয়ী করে। বাঙালি জাতীয়তাবোধে উজ্জীবিত বাঙালি জাতি পরবর্তীতে ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭৩ সালের সাধারণ নির্বাচনে স্বাধিকারের প্রশ্নে পশ্চিম পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগকে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। সর্বোপরি এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতি বুকের তাজা রক্ত দিয়ে স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে আনে। ফলে বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের। তাই ঘটনা পরম্পরা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১৯৫২ সালে। বাঙালি জাতি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ের যে জাতীয়তাবাদের শিক্ষা অর্জন করে তার ধারাবাহিকতাতেই স্বাধীনতা অর্জন করে।

উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন যে জাতীয়তাবাদের শিক্ষা দেয় তার মধ্যে ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল। তাই উদ্দীপকের উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
722
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের রাতকে কালরাত্রি বলা হয়। কাল রাত বলতে নৃশংস ও ভয়ংকর রাতকে বোঝানো হয়। ১৯৭১ সালে ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চ লাইট নামে বাঙালি জাতির উপর যে জঘন্য ও নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালায় এ রাতকে কালরাত্রি বলা হয়। এ রাতে অসংখ্য নিরস্ত্র বাঙালিকে নির্বিচারে হত্যা করা হয় এবং ঢাকা শহরের রাস্তায় লাশের স্তূপ তৈরি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
585
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews