Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মাছের পচন প্রতিরোধ করাই হলো মাছ সংরক্ষণ।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

দেশের অভ্যন্তরে ও দেশের বাইরে চিংড়ির চাহিদা ও বাজারদর বেশি থাকায় চিংড়ি চাষ লাভজনক।
চিংড়ির পোনা সহজলভ্য, অল্প বিনিয়োগেই চিংড়ির খামার গড়ে তোলা যায় এবং সারা বছর চিংড়ি চাষ করা যায়। আধুনিক পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ করে বর্তমানে হেক্টরপ্রতি ফলন ৪৫০ কেজি থেকে ৬০০ কেজিতে উন্নীত করা সম্ভব। আমাদের দেশে মাছ রপ্তানি আয়ের শতকরা ৫৮ ভাগ আসে চিংড়ি থেকে। চিংড়ির চাষ করে চাষির আয় ও কর্মসংস্থান ৩০% পর্যন্ত বৃদ্ধি করা সম্ভব। দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে চিংড়ি চাষের সম্ভাবনা খুবই উজ্জ্বল।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র-ক ও চিত্র-খ তে রয়েছে যথাক্রমে গলদা ও বাগদা চিংড়ি। এদের মধ্যে কক্সবাজার এলাকায় বর্ষা মৌসুমে লবণ ক্ষেতে বাগদা চিংড়ি চাষ করা হয়। নিচে বাগদা চিংড়ি চাষ পদ্ধতি/কৌশল ব্যাখ্যা করা হলো-

গ্রীষ্মকালে লবণ উৎপাদন শেষ হলে বর্ষার শুরুতে জোয়ারের পানি ক্ষেতে প্রবেশ করে। এই পানি লবণ ক্ষেতকে ধুয়ে পরিষ্কার করে। বাগদা চিংড়ি চাষে জমি উত্তমভাবে সমতল করে প্রস্তুত করতে হয়। এরপর জমিতে আইল শক্ত করে বাঁধতে হয়। জমির পানির গভীরতা ১ মিটার রাখতে হয়। জমি থেকে রাক্ষুসে মাছ, শেওলা, আগাছা ইত্যাদি দূর করে চুন প্রয়োগ করতে হয়। প্রতি শতকে জৈব সার ১.৫ কেজি, ইউরিয়া ২০০ গ্রাম ও টিএসপি ১৮০ গ্রাম প্রয়োগ করতে হয়। জমি প্রস্তুত ও চুন প্রয়োগের ৮০ দিন পরে জোয়ারের পানি প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। লবণ জমিতে উন্নত হালকা পদ্ধতিতে বাগদা চিংড়ি চাষ করতে হলে প্রতি শতকে ১২৫টি পোনা ছাড়তে হয়। জমির নিচু অংশে জলজ গাছ বা গাছের শাখা দিয়ে চিংড়ির আবাসস্থল তৈরি করতে হয়। পোনা ছাড়ার ১ সপ্তাহ পর প্রাকৃতিক খাদ্য জন্মানোর জন্য প্রতি শতকে ৮০ গ্রাম ইউরিয়া ও ২৪ গ্রাম টিএসপি ছিটিয়ে প্রয়োগ করতে হয়। পানির ভৌত, রাসায়নিক ও জৈবিক গুণাবলি ব্রাগদা চিংড়ির উপযোগী রাখার জন্য মাঝে মাঝে পানি পরিবর্তন করতে হয়। বাগদা চিংড়িকে সুস্থসবল রাখার জন্য রোগবালাই ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করতে হয়।

উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, বর্ষাকালে কক্সবাজার এলাকায় শুধুমাত্র লবণ ক্ষেতে উল্লিখিত কৌশলের মাধ্যমে বাগদা চিংড়ি চাষ করা হয়।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র-ক দ্বারা গলদা চিংড়ি ও চিত্র-খ দ্বারা বাগদা চিংড়িকে নির্দেশ করা হয়েছে। গলদা ও বাগদা চিংড়ির মধ্যে বাংলাদেশে গলদা চিংড়ি চাষের সুযোগ বেশি রয়েছে।

দ্রুত বর্ধনশীল, তুলনামূলক বেশি সুস্বাদু, উচ্চ বাজার মূল্য ও বিদেশে চাহিদা থাকায় গলদা চিংড়ির চাষ এদেশে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনুকূল জলবায়ু, মাটি ও পানির কারণে বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম গলদা চিংড়ি উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করছে। গলদা চিংড়ি মিঠা বা স্বাদু পানিতে চাষ করা হয়। পুকুর, দিঘি, খাল, বিল, বাঁওড় ইত্যাদি জলাশয়ে এককভাবে কিংবা বুই জাতীয় মাছের সাথে গলদা চিংড়ি চাষ করা যায়। বর্তমানে ধানক্ষেতেও গলদা চিংড়ি চাষ করা যায়। জোয়ার-ভাটা অঞ্চলের নিচু এলাকায় নদীর স্বাদু বা মৃদু লবণাক্ত পানিতে ঘের নির্মাণ করেও এ চিংড়ি চাষ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, বাগদা চিংড়ি শুধুমাত্র বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় লোনা পানিতে চাষ করা সম্ভব। ফলে দেখা যায় যে, গলদা চিংড়ির তুলনায় বাগদা চিংড়ির চাষের ক্ষেত্র কম।
আমাদের দেশে প্রায় ৩৩টি গলদা চিংড়ির হ্যাচারি রয়েছে। সনাতন পদ্ধতিতে গলদা চিংড়ি চাষে পুঁজি কম লাগে এবং তেমন কোনো পরিচর্যার দরকার হয় না। আবার ধানক্ষেতে গলদা চিংড়ি চাষের মাধ্যমে অধিক আয় করা সম্ভব। এছাড়াও ঘেরে বাগদা চিংড়ি চাষে পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ে কিন্তু খামার পর্যায়ে গলদা চাষে পরিবেশের তেমন ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থাকে না বলে এটি অর্থনৈতিকভাবে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, বাংলাদেশে বাগদা চিংড়ির তুলনায় গলদা চিংড়ি চাষের সুযোগ বেশি।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
68
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো প্রাণীর যথাযথ বৃদ্ধি ও কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন পাওয়ার জন্য। প্রাকৃতিক খাদ্যের পাশাপাশি বাইরে থেকে যে খাদ্য সরবরাহ করা হয় তাই সম্পূরক খাদ্য।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
4.4k
উত্তরঃ

পুকুরে নিয়মিত সার প্রয়োগ করলে পানিতে প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরির হার সন্তোষজনকভাবে বাড়ে এবং মাছের ফলন বৃদ্ধি পায়।
পুকুরে মাছের খাদ্য হিসেবে প্রাকৃতিকভাবে যে উদ্ভিদ ও প্রাণিকণা জন্মায় তাকে প্লাংকটন বলে। প্লাংকটন উৎপাদনের আধিক্যের ওপর মাছের উৎপাদন নির্ভর করে। ফাইটোপ্লাংকটনের আধিক্যের জন্য নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম প্রভৃতি পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন। পানিতে এইসব উপাদান অনেক সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে না। এছাড়াও মাছ আহরণ, পানি পরিবর্তন এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক কারণে পুকুরে পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ কমে যায়। তাই পুকুরের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন জৈব ও অজৈব সার ব্যবহার করে
প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের যোগান দেওয়া হয়।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
2.2k
উত্তরঃ

চিত্র-ক হলো গলদা চিংড়ি। ধানের সাথে চিত্র-ক অর্থাৎ গলদা চিংড়ি চাষের কৌশল নিচে দেওয়া হলো-
ধানক্ষেতে চিংড়ি চাষের ক্ষেত্রে যে জমিতে বছরে ৩-৪ মাস সময় এবং ১০-২০ সেমি গভীরতায় পানি আটকে রাখা যাবে এমন জমি নির্বাচন করতে হবে। জমির আইল শক্ত, মজবুত এবং উঁচু করে তৈরি করতে হবে। পানির গভীরতা সমান রাখার জন্য জমির সকল স্থানে চাষ দিয়ে সমতল রাখতে হবে। জমিতে ভালোভাবে চাষ দেয়ার পর প্রচলিত নিয়মে রাসায়নিক সার ও গোবর সার মিশিয়ে জমি তৈরি করতে হবে। জমির ঢাল অনুযায়ী ক্ষেতের ভিতরে আড়াআড়িভাবে কয়েকটি নালা খনন করতে হবে। প্রতিটি নালা ৫০-৬০ সেমি গভীর এবং ৬০-১০০সেমি প্রশস্ত হতে হবে। নালার মাথায় কিংবা সংযোগস্থানে নালার চেয়ে গভীর ও প্রশস্ত করে গর্ত খনন করতে হবে যার গভীরতা হবে ১ মিটার। এরপর ধানের চারা সারিবদ্ধভাবে রোপণ করতে হবে। ধানের চারা রোপণের ক্ষেত্রে সারি থেকে সারির দূরত্ব ২০-২৫ সেমি এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব ১৫-২০ সেমি রাখতে হবে। এক্ষেত্রে ধানের চারা রোপণের ২০-২৫ দিন পর চিংড়ির পোনা ছাড়তে হয়। জৈষ্ঠ্য মাসে ধান রোপণের ১০-১৫ দিন পর সাধারণ নিয়মে গলদা চিংড়ির পোনা প্রতি হেক্টরে ৫ সেমি আকারে ১০-১৫ হাজার হারে মজুদ করা হয়।
উপরে উল্লিখিত পদ্ধতিতে ধানের সাথে গলদা চিংড়ির চাষ করা হয়।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
725
উত্তরঃ

চিত্র-ক ও চিত্র-খ দ্বারা যথাক্রমে গলদা ও বাগদা চিংড়িকে বোঝানো হয়েছে।

গলদা ও বাগদা চিংড়ির বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্যগুলো হলো-

বৈশিষ্ট্য

গলদা চিংড়ি

বাগদা চিংড়ি 

মাথা ও ক্যারাপেস বড় এবং দেহের ওজনের প্রায় অর্ধেক ছোট এবং দেহের ওজনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। 
রোস্ট্রামলম্বা ও বাঁকানোখাটো ও সোজা।
রোস্ট্রামে কাঁটার সংখ্যাউপরিভাগে ১১-১৪টি এবং নিচের দিকে ৮- ১৪টি।উপরিভাগে ৭-৮টি এবং নিচের দিকে ২-৩টি।
অ্যানটেনিউলতিনটি ফ্লাজেলাযুক্ত।দুটি ফ্লাজেলাযুক্ত।
শিরোবক্ষঅন্যান্য অঙ্গ যেমন- উদর অংশ অপেক্ষা বড় ও উন্নত।অংশটি অপর অংশের তুলনায় স্বাভাবিক।
প্লুরাদ্বিতীয় উদর খন্ডকের প্লুরা প্রথম ও তৃতীয় খন্ডকের প্লুরাকে আবৃত রাখে।দ্বিতীয় উদর খন্ডকের প্লুরা কেবল প্রথম খন্ডকের প্লুরাকে আবৃত করে রাখে।
বক্ষোপাঙ্গপ্রথম দুটি উপাঙ্গ চিলেটে বা সাঁড়াশির ন্যায় অংশে রূপান্তরিত হয়।প্রথম তিন উপাঙ্গ চিলেটে বা সাঁড়াশির ন্যায় অংশে রূপান্তরিত হয়।
আবাসস্থলপ্রধানত স্বাদু পানি।লোনা পানি।
বর্ণহালকা সবুজ বাদামি।হালকা বাদামি।
Tamanna
Tamanna
1 year ago
622
উত্তরঃ

প্লাংকটন হলো পানিতে মুক্তভাবে ভাসমান আণুবীক্ষণিক জীব যা মাছ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
611
উত্তরঃ

পুকুরে প্রয়োগকৃত বিভিন্ন সারের কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য চুন প্রয়োগ করা গুরুত্বপূর্ণ।

চুন মাটি ও পানির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। পানির পিএইচ মানের ভারসাম্য বজায় রাখে। পানিতে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বাড়ায়। পানির ঘোলাতু কমায় ও পানি পরিষ্কার রাখে। মাছের রোগজীবাণু ও পরজীবী ধ্বংস করে। এ সমস্ত কারণে পুকুরে চুন প্রয়োগ করতে হয়।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
2k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews