ডিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ১৩ শতাংশ।
শস্য বহুমুখীকরণ বলতে একই জমিতে পাশাপাশি বহু ধরনের শস্য চাষ করাকে বোঝায়।
জমিতে একই শস্য চাষ মাটির পুষ্টিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই বিভিন্ন শস্য চাষ করলে এসব শস্য গাছের নানা অংশ মাটিতে জৈব সার যোগ করে মাটির পুষ্টি ঘাটতি রোধ করে। এভাবে শস্য বহুমুখীকরণের মাধ্যমে কৃষক নিজের এবং পরিবেশকে উপকৃত করে।
'B' এর উদাহরণ অর্থকরী ফসল পাট।
বাংলাদেশে পাট উৎপাদনের জন্য অনুকূল জলবায়ু রয়েছে। পাট উষ্ণ অঞ্চলের ফসল। পাট চাষের জন্য ২০০-৩৫° সে. তাপমাত্রা এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের (১৫০-২৫০ সে.মি.) প্রয়োজন। বাংলাদেশে মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সময়কাল জলবায়ুর এ বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। আবার নদী অববাহিকায় পলিযুক্ত দোআঁশ মাটি পাট চাষের উপযোগী। নদীবহুল বাংলাদেশের প্লাবন সমভূমি এ প্রেক্ষিতে আদর্শ। তাই প্রাকৃতিক নিয়ামকে আনুকূল্যে বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণ পাট জন্মে।
A এর ফসলগুলো হলো খাদ্যশস্য; ধান, গম, আলু, সবজি এবং ফলমূল। এ সবগুলোই বাংলাদেশে চাষের উপযোগী এবং বাংলাদেশে উৎপাদন হচ্ছে। তবে ফসলগুলোর মধ্যে ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য এবং সর্বত্রই ধান চাষ হয়।
বাংলাদেশে আউশ, আমন, বোরো প্রভৃতি ধরনের ধান চাষ হয়। ধান চাষের জন্য ১৬০ থেকে ৩০° সে. তাপমাত্রা প্রয়োজন এবং ১০০ থেকে ২০০ সে.মি. বৃষ্টিপাত প্রয়োজন, যা এদেশে বিদ্যমান। আবার নদী অববাহিকার পলিমাটি ধান চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। এজন্য বাংলাদেশের সর্বত্র ধান জন্মে। দেশের সকল জেলায় ধান জন্মে; কিন্তু রংপুর, কুমিল্লা, সিলেট যশোর, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, বরিশাল ময়মনসিংহ, বগুড়া, দিনাজপুর, নোয়াখালী প্রভৃতি অঞ্চলে ধান চাষ বেশি হয়। রংপুরে আমন ও সিলেটে বোরো ধান ভালো হয়।
পরিশেষে বলা যায় ধান, গম, আলু সবজি ও ফলমূল প্রভৃতি খাদ্যশস্য বাংলাদেশের উৎপাদন হয়। তান্মধ্যে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় ধান
Related Question
View Allমৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত।
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা
এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে
বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়।
উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম
চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়। উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!