উত্তরঃ

অথেন্টিকেশন (Authentication): অথেন্টিকেশন হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি, সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন তার পরিচয় যাচাই করে। অর্থাৎ, ব্যবহারকারী যিনি নিজেকে দাবি করছেন, তিনি সত্যিই সেই ব্যক্তি কিনা তা নিশ্চিত করার পদ্ধতিই হলো অথেন্টিকেশন। এটি সাধারণত কোনো রিসোর্স (যেমন- কম্পিউটার সিস্টেম, ওয়েবসাইট, ডেটা) অ্যাক্সেস করার আগে করা হয়। অথেন্টিকেশনের সাধারণ উপায়গুলো হলো পাসওয়ার্ড, পিন, বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ, মুখমণ্ডল), স্মার্ট কার্ড ইত্যাদি।

টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (Two-Factor Authentication - 2FA):
টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (2FA) হলো একটি নিরাপত্তা প্রক্রিয়া যেখানে ব্যবহারকারীকে তার পরিচয় প্রমাণ করার জন্য দুটি ভিন্ন ধরনের প্রমাণ বা "ফ্যাক্টর" সরবরাহ করতে হয়। একটি মাত্র ফ্যাক্টর (যেমন- শুধু পাসওয়ার্ড) চুরি বা অনুমান করা গেলেও, দুটি ভিন্ন ফ্যাক্টর হ্যাকারের পক্ষে জোগাড় করা অনেক বেশি কঠিন, ফলে এটি অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করে।

টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশনের ফ্যাক্টরগুলো সাধারণত নিম্নলিখিত তিনটি শ্রেণীর মধ্যে থেকে দুটি বেছে নেওয়া হয়:
১. জ্ঞান ভিত্তিক (Something you know): যেমন- পাসওয়ার্ড, পিন, নিরাপত্তা প্রশ্ন।
২. অধিকার ভিত্তিক (Something you have): যেমন- মোবাইল ফোন (যেখানে ওটিপি আসে), সিকিউরিটি টোকেন, স্মার্ট কার্ড।
৩. সত্তা ভিত্তিক (Something you are): যেমন- বায়োমেট্রিক তথ্য (আঙুলের ছাপ, মুখমণ্ডল স্ক্যান, কণ্ঠস্বর)।

টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন প্রক্রিয়ায়, ব্যবহারকারী প্রথমে তার প্রথম ফ্যাক্টর (সাধারণত ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড) দিয়ে লগইন করার চেষ্টা করে। এটি সঠিক হলে, সিস্টেম দ্বিতীয় ফ্যাক্টরের জন্য অনুরোধ করে। দ্বিতীয় ফ্যাক্টরটি হতে পারে: ব্যবহারকারীর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে পাঠানো একটি ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (OTP)। একটি অথেন্টিকেটর অ্যাপ (যেমন- Google Authenticator, Authy) দ্বারা জেনারেট করা একটি সময়-ভিত্তিক কোড। একটি ফিজিক্যাল সিকিউরিটি কী (যেমন- YubiKey)। একটি বায়োমেট্রিক ইনপুট। কেবলমাত্র উভয় ফ্যাক্টর সঠিকভাবে সরবরাহ করা হলেই ব্যবহারকারীকে সিস্টেমে অ্যাক্সেস দেওয়া হয়।

HM Habib
HM Habib
1 year ago
উত্তরঃ

ডিজিটাল সিগনেচার এবং প্রচলিত (হাতে করা) সিগনেচারের মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলো হলো:

বৈশিষ্ট্যডিজিটাল সিগনেচার (Digital Signature)প্রচলিত সিগনেচার (Conventional Signature)
স্বরূপএটি একটি ইলেকট্রনিক বা ক্রিপ্টোগ্রাফিক কোড যা ডিজিটাল ডকুমেন্টের সাথে যুক্ত থাকে।এটি কাগজে হাতে করা একটি চিহ্ন বা নাম।
নিরাপত্তাঅত্যন্ত সুরক্ষিত; ক্রিপ্টোগ্রাফি (পাবলিক কী ইনফ্রাস্ট্রাকচার) ব্যবহার করে, যা জাল করা প্রায় অসম্ভব।তুলনামূলকভাবে কম সুরক্ষিত; জাল করা বা নকল করা সম্ভব।
যাচাইকরণস্বয়ংক্রিয়ভাবে গাণিতিক অ্যালগরিদম ব্যবহার করে এর সত্যতা, প্রেরকের পরিচয় এবং ডকুমেন্টের অখণ্ডতা যাচাই করা যায়।দৃশ্যমান যাচাইকরণ বা হস্তলিপি বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন হতে পারে।
অখণ্ডতা (Integrity)ডকুমেন্ট স্বাক্ষরিত হওয়ার পর কোনো পরিবর্তন করা হলে সিগনেচারটি অকার্যকর হয়ে যায়, ফলে ডকুমেন্টের অখণ্ডতা নিশ্চিত হয়।ডকুমেন্ট স্বাক্ষরিত হওয়ার পরও পরিবর্তন করা সম্ভব এবং তা সহজে ধরা নাও যেতে পারে।
অস্বীকৃতি রোধ (Non-repudiation)প্রেরক পরবর্তীতে ডকুমেন্ট পাঠানোর বিষয়টি অস্বীকার করতে পারে না।প্রেরক অস্বীকার করার সুযোগ পেতে পারে।
সময় ও খরচদ্রুত এবং কম খরচে সম্পন্ন করা যায়। কাগজ বা ডাকের প্রয়োজন হয় না।সময়সাপেক্ষ এবং কাগজ, কালি, ডাক খরচ যুক্ত।
পরিবেশগত প্রভাবকাগজবিহীন হওয়ায় পরিবেশবান্ধব।কাগজ ব্যবহারের কারণে পরিবেশের উপর প্রভাব ফেলে।
প্রয়োগক্ষেত্রই-কমার্স, অনলাইন ব্যাংকিং, সফটওয়্যার বিতরণ, সরকারি ডিজিটাল নথি, আইনি চুক্তি।হাতে লেখা চিঠি, চেক, দলিল, আইনি কাগজপত্র।
HM Habib
HM Habib
1 year ago
154

সাইবার নিরাপত্তা (Cyber Security) হলো এমন একটি পদ্ধতি বা প্রক্রিয়া যা কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটা, এবং প্রোগ্রামকে সাইবার আক্রমণ, অননুমোদিত প্রবেশ, এবং ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড থেকে সুরক্ষিত রাখে। এটি ডিজিটাল ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং সাইবার আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

সাইবার নিরাপত্তার মূল উপাদান:

১. নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি (Network Security):

  • এটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে সুরক্ষিত করার পদ্ধতি, যাতে নেটওয়ার্কে অননুমোদিত প্রবেশ এবং ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড রোধ করা যায়। নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি ফায়ারওয়াল, ইন্ট্রুশন ডিটেকশন সিস্টেম (IDS), এবং ইন্ট্রুশন প্রিভেনশন সিস্টেম (IPS) ব্যবহার করে সুরক্ষা প্রদান করে।

২. ইনফরমেশন সিকিউরিটি (Information Security):

  • ইনফরমেশন সিকিউরিটি বা তথ্য নিরাপত্তা হলো ডেটার গোপনীয়তা, সততা, এবং প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া। এটি ডেটা এনক্রিপশন, পাসওয়ার্ড পলিসি, এবং অ্যাক্সেস কন্ট্রোলের মাধ্যমে তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে।

৩. অ্যাপ্লিকেশন সিকিউরিটি (Application Security):

  • অ্যাপ্লিকেশন সিকিউরিটি হলো সফটওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশনকে সুরক্ষিত রাখার প্রক্রিয়া, যা হ্যাকারদের থেকে তথ্য চুরি এবং আক্রমণ প্রতিরোধ করে। এটি সোর্স কোড রিভিউ, প্যাচ ম্যানেজমেন্ট, এবং অ্যাপ্লিকেশন ফায়ারওয়াল ব্যবহারের মাধ্যমে নিরাপত্তা প্রদান করে।
  1. এন্ডপয়েন্ট সিকিউরিটি (Endpoint Security):
    • এন্ডপয়েন্ট সিকিউরিটি হলো কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, এবং অন্যান্য ডিভাইসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা সিস্টেমে ক্ষতিকর সফটওয়্যার এবং ভাইরাসের প্রবেশ রোধ করে।

৫. ক্লাউড সিকিউরিটি (Cloud Security):

  • ক্লাউড সিকিউরিটি হলো ক্লাউড ভিত্তিক ডেটা এবং সার্ভিসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা ক্লাউড সার্ভিস ব্যবহারকারীদের তথ্য এবং অ্যাপ্লিকেশন সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে।

সাইবার নিরাপত্তার হুমকি:

১. ম্যালওয়্যার (Malware):

  • ম্যালওয়্যার হলো ক্ষতিকর সফটওয়্যার যা কম্পিউটার বা ডিভাইসে প্রবেশ করে এবং তথ্য চুরি, ক্ষতি, বা নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করতে পারে। উদাহরণ: ভাইরাস, র‍্যানসমওয়্যার, ট্রোজান।

২. ফিশিং (Phishing):

  • ফিশিং হলো একটি সাইবার আক্রমণ, যেখানে আক্রমণকারী ভুয়া ইমেইল বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন পাসওয়ার্ড বা ক্রেডিট কার্ড নম্বর চুরি করতে চেষ্টা করে।

৩. ডিডস আক্রমণ (DDoS Attack):

  • DDoS আক্রমণে অনেক কম্পিউটার একসঙ্গে একটি ওয়েবসাইট বা সার্ভারে অনবরত অনুরোধ পাঠায়, যাতে সিস্টেমের কার্যকারিতা হ্রাস পায় বা বন্ধ হয়ে যায়।

৪. র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware):

  • র‍্যানসমওয়্যার হলো এমন একটি ম্যালওয়্যার, যা ডেটা বা সিস্টেমকে এনক্রিপ্ট করে এবং মুক্তিপণ দাবি করে ডেটা বা সিস্টেম মুক্ত করতে।

৫. মিটম আক্রমণ (Man-in-the-Middle Attack):

  • এই আক্রমণে হ্যাকার ব্যবহারকারী এবং সার্ভারের মধ্যে প্রবেশ করে এবং তাদের মধ্যে আদান-প্রদান করা তথ্য চুরি করতে পারে।

সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পদ্ধতি:

১. ফায়ারওয়াল ব্যবহারে সুরক্ষা:

  • ফায়ারওয়াল নেটওয়ার্কে অননুমোদিত প্রবেশ রোধ করে এবং সিস্টেমকে সুরক্ষিত রাখে।

২. এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:

  • এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ম্যালওয়্যার এবং ক্ষতিকর প্রোগ্রাম সনাক্ত এবং সরানোর মাধ্যমে সিস্টেম সুরক্ষিত করে।

৩. ডেটা এনক্রিপশন:

  • ডেটা এনক্রিপশন ব্যবহার করে ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয়, যাতে তথ্য নিরাপদ থাকে এবং অননুমোদিত অ্যাক্সেস প্রতিরোধ করা যায়।

৪. পাসওয়ার্ড পলিসি:

  • শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার এবং নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে সিস্টেম এবং অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখা যায়।

৫. দুই স্তরের অথেন্টিকেশন (Two-Factor Authentication):

  • দুই স্তরের অথেন্টিকেশন বা 2FA ব্যবহার করে লগইন প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত সুরক্ষা যোগ করা যায়, যা অননুমোদিত প্রবেশের ঝুঁকি হ্রাস করে।

সাইবার নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ:

১. সাইবার হুমকির পরিবর্তন:

  • সাইবার আক্রমণ এবং হুমকি প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হয় এবং নতুন নতুন পদ্ধতি নিয়ে আসে, যা সিস্টেম সুরক্ষা চ্যালেঞ্জিং করে তোলে।

২. মানব-ভুল (Human Error):

  • প্রায়শই মানব-ভুল যেমন দুর্বল পাসওয়ার্ড ব্যবহার, ফিশিং ইমেইল খুলে ফেলা বা সিস্টেম আপডেট না করা, সাইবার আক্রমণের জন্য সুযোগ তৈরি করে।

৩. নেটওয়ার্ক এবং সিস্টেমের জটিলতা:

  • বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে নেটওয়ার্ক এবং সিস্টেম জটিল হওয়ার কারণে সমস্ত ডিভাইস এবং সংযোগ সুরক্ষিত রাখা কঠিন।

সারসংক্ষেপ:

সাইবার নিরাপত্তা হলো একটি সুরক্ষা পদ্ধতি যা কম্পিউটার সিস্টেম, ডেটা, এবং নেটওয়ার্ককে সাইবার আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। এটি ফায়ারওয়াল, এন্টিভাইরাস, এনক্রিপশন, এবং পাসওয়ার্ড পলিসির মতো বিভিন্ন সুরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। যদিও সাইবার নিরাপত্তার কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তবে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ডিজিটাল তথ্য এবং সিস্টেমকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

ডেটা এনক্রিপশন হলো ডেটা গোপনীয়তা রক্ষার একটি অপরিহার্য প্রক্রিয়া, যেখানে ডেটাকে একটি সুরক্ষিত কোডে রূপান্তরিত করা হয় যাতে শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যক্তিরাই এটি অ্যাক্সেস করতে এবং বুঝতে পারে। এটি ডেটা সুরক্ষার মৌলিক ভিত্তিগুলির মধ্যে অন্যতম।

এনক্রিপশনের মাধ্যমে একটি অ্যালগরিদম (algorithm) এবং একটি কী (key) ব্যবহার করে প্লেইনটেক্সট (plaintext) বা সাধারণ ডেটাকে সাইফারটেক্সট (ciphertext) বা এনক্রিপটেড ডেটা-তে রূপান্তরিত করা হয়। এই সাইফারটেক্সটটি পাঠযোগ্য নয় এবং ডেটা যদি ভুল হাতে পড়েও, অননুমোদিত ব্যবহারকারী তার বিষয়বস্তু বুঝতে পারে না। ডেটা ডিক্রিপ্ট (decrypt) করার জন্য সঠিক কী এবং অ্যালগরিদম জানা প্রয়োজন।

ডেটার গোপনীয়তা রক্ষায় ডেটা এনক্রিপশনের ভূমিকা নিম্নরূপ:

        
  • অননুমোদিত অ্যাক্সেস প্রতিরোধ: এনক্রিপশন ডেটাকে অননুমোদিত অ্যাক্সেস থেকে রক্ষা করে। কোনো ডেটা হ্যাক বা চুরি হলেও, এনক্রিপ্ট করা ডেটা ব্যবহারযোগ্য হয় না, কারণ ডিক্রিপশন কী ছাড়া এটি বোঝা অসম্ভব।
  •     
  • পরিবহনকালীন ডেটা সুরক্ষা (Data in Transit): ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা স্থানান্তরের সময় এনক্রিপশন এটিকে সুরক্ষিত রাখে। যেমন, অনলাইন ব্যাংকিং বা ই-কমার্স লেনদেনে SSL/TLS (Secure Sockets Layer/Transport Layer Security) এনক্রিপশন ব্যবহার করা হয় যাতে ডেটা ইন্টারসেপ্ট (intercept) হলেও তা নিরাপদ থাকে।
  •     
  • সংরক্ষিত ডেটা সুরক্ষা (Data at Rest): কম্পিউটার, সার্ভার, ক্লাউড স্টোরেজ, হার্ড ড্রাইভ বা পেনড্রাইভে সংরক্ষিত ডেটাকে এনক্রিপশন সুরক্ষিত রাখে। ডিভাইস চুরি বা হারানোর ক্ষেত্রেও ডেটা সুরক্ষিত থাকে।
  •     
  • আইনগত ও নিয়ন্ত্রক সম্মতি (Regulatory Compliance): GDPR (General Data Protection Regulation), HIPAA (Health Insurance Portability and Accountability Act) এবং অন্যান্য ডেটা সুরক্ষা আইন ডেটার গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য এনক্রিপশন ব্যবহারের উপর জোর দেয়।
  •     
  • ব্যবহারকারীর আস্থা বৃদ্ধি: ব্যবহারকারীরা যখন জানে যে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য এনক্রিপশনের মাধ্যমে সুরক্ষিত, তখন তারা অনলাইন পরিষেবা ব্যবহারে বেশি আস্থা অনুভব করে।
  •     
  • তথ্য ফাঁস (Data Breach) ঝুঁকি হ্রাস: ডেটা ফাঁস হলেও এনক্রিপ্ট করা ডেটা অননুমোদিত পক্ষ দ্বারা অপব্যবহার করা কঠিন হয়ে পড়ে, যা ডেটা ফাঁসের প্রভাব কমিয়ে দেয়।

মোটকথা, ডেটা এনক্রিপশন ডিজিটাল বিশ্বে ডেটার গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি অপরিহার্য হাতিয়ার, যা ব্যক্তিগত, আর্থিক এবং সংবেদনশীল তথ্যকে সুরক্ষিত রাখে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
294
উত্তরঃ

Authentication হলো এমন একটা পদ্ধতি যেখানে Users এর Identity, Recosnizing করা হয়। Authentication সাধারণত ক্লাইট ব্যবহার করে যখন সার্ভারের ক্লেইম সম্পর্কে Users এর জানতে হয়। Authentication এ ইউসার বা কম্পিউটারের সার্ভারের নিকট তার আইডেন্টিটি প্রমাণ করতে হয়। সার্ভার সাধারণত ইউজারের নাম এবং পাসওয়ার্ড Authentication করে। 

Two Factor Authentication: Two Factor Authentication বা 2FA বলতে সাধারণত সার্ভারের একাধিক মাধ্যম ব্যবহার করে Authentication করার পদ্ধতিকে বুঝায়। সাধারণত এই পদ্ধতিতে সার্ভার ইউজার নাম এবং পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে সার্ভারের এক্সেস প্রদান করে না। সার্ভারের এক্সেস এর জন্য ইউজার অন্য কোন মাধ্যম যেমনঃ E-mail অথবা মোবাইল ফোনের নাম্বার এর মাধ্যমে এক্সেস করে থাকে। 2FA এর প্রধান কাজ বা উদ্দেশ্য হল আরও সিকিউরিটি প্রদান করা। উদাহরণ (Text Message ) : Text Message সাধারণত কোন মোবাইল ডিভাইসে লগ ইন কোড প্রদান করে থাকে। User এর সাধারণত ঐ মোবাইল ডিভাইসটিকে কোন ইন্টারনেট সংযোগে থাকতে হয়। লগ ইন কোড পাওয়ার পর কোন ইউজার ঐ লগ ইন কোড প্রদান করে সার্ভারকে এক্সেস করে থাকে। Text Message-ই সাধারণত 2FA এর জনপ্রিয় মাধ্যম। এছাড়াও আরও কিছু মাধ্যম হলঃ Authentication Applications, Biometric ইত্যাদি।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
1.5k
উত্তরঃ

অথেন্টিকেশন (Authentication): অথেন্টিকেশন হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি, সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন তার পরিচয় যাচাই করে। অর্থাৎ, ব্যবহারকারী যিনি নিজেকে দাবি করছেন, তিনি সত্যিই সেই ব্যক্তি কিনা তা নিশ্চিত করার পদ্ধতিই হলো অথেন্টিকেশন। এটি সাধারণত কোনো রিসোর্স (যেমন- কম্পিউটার সিস্টেম, ওয়েবসাইট, ডেটা) অ্যাক্সেস করার আগে করা হয়। অথেন্টিকেশনের সাধারণ উপায়গুলো হলো পাসওয়ার্ড, পিন, বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ, মুখমণ্ডল), স্মার্ট কার্ড ইত্যাদি।

টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (Two-Factor Authentication - 2FA):
টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (2FA) হলো একটি নিরাপত্তা প্রক্রিয়া যেখানে ব্যবহারকারীকে তার পরিচয় প্রমাণ করার জন্য দুটি ভিন্ন ধরনের প্রমাণ বা "ফ্যাক্টর" সরবরাহ করতে হয়। একটি মাত্র ফ্যাক্টর (যেমন- শুধু পাসওয়ার্ড) চুরি বা অনুমান করা গেলেও, দুটি ভিন্ন ফ্যাক্টর হ্যাকারের পক্ষে জোগাড় করা অনেক বেশি কঠিন, ফলে এটি অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করে।

টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশনের ফ্যাক্টরগুলো সাধারণত নিম্নলিখিত তিনটি শ্রেণীর মধ্যে থেকে দুটি বেছে নেওয়া হয়:
১. জ্ঞান ভিত্তিক (Something you know): যেমন- পাসওয়ার্ড, পিন, নিরাপত্তা প্রশ্ন।
২. অধিকার ভিত্তিক (Something you have): যেমন- মোবাইল ফোন (যেখানে ওটিপি আসে), সিকিউরিটি টোকেন, স্মার্ট কার্ড।
৩. সত্তা ভিত্তিক (Something you are): যেমন- বায়োমেট্রিক তথ্য (আঙুলের ছাপ, মুখমণ্ডল স্ক্যান, কণ্ঠস্বর)।

টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন প্রক্রিয়ায়, ব্যবহারকারী প্রথমে তার প্রথম ফ্যাক্টর (সাধারণত ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড) দিয়ে লগইন করার চেষ্টা করে। এটি সঠিক হলে, সিস্টেম দ্বিতীয় ফ্যাক্টরের জন্য অনুরোধ করে। দ্বিতীয় ফ্যাক্টরটি হতে পারে: ব্যবহারকারীর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে পাঠানো একটি ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (OTP)। একটি অথেন্টিকেটর অ্যাপ (যেমন- Google Authenticator, Authy) দ্বারা জেনারেট করা একটি সময়-ভিত্তিক কোড। একটি ফিজিক্যাল সিকিউরিটি কী (যেমন- YubiKey)। একটি বায়োমেট্রিক ইনপুট। কেবলমাত্র উভয় ফ্যাক্টর সঠিকভাবে সরবরাহ করা হলেই ব্যবহারকারীকে সিস্টেমে অ্যাক্সেস দেওয়া হয়।

HM Habib
HM Habib
1 year ago
342
উত্তরঃ

ডিজিটাল সিগনেচার এবং প্রচলিত (হাতে করা) সিগনেচারের মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলো হলো:

বৈশিষ্ট্যডিজিটাল সিগনেচার (Digital Signature)প্রচলিত সিগনেচার (Conventional Signature)
স্বরূপএটি একটি ইলেকট্রনিক বা ক্রিপ্টোগ্রাফিক কোড যা ডিজিটাল ডকুমেন্টের সাথে যুক্ত থাকে।এটি কাগজে হাতে করা একটি চিহ্ন বা নাম।
নিরাপত্তাঅত্যন্ত সুরক্ষিত; ক্রিপ্টোগ্রাফি (পাবলিক কী ইনফ্রাস্ট্রাকচার) ব্যবহার করে, যা জাল করা প্রায় অসম্ভব।তুলনামূলকভাবে কম সুরক্ষিত; জাল করা বা নকল করা সম্ভব।
যাচাইকরণস্বয়ংক্রিয়ভাবে গাণিতিক অ্যালগরিদম ব্যবহার করে এর সত্যতা, প্রেরকের পরিচয় এবং ডকুমেন্টের অখণ্ডতা যাচাই করা যায়।দৃশ্যমান যাচাইকরণ বা হস্তলিপি বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন হতে পারে।
অখণ্ডতা (Integrity)ডকুমেন্ট স্বাক্ষরিত হওয়ার পর কোনো পরিবর্তন করা হলে সিগনেচারটি অকার্যকর হয়ে যায়, ফলে ডকুমেন্টের অখণ্ডতা নিশ্চিত হয়।ডকুমেন্ট স্বাক্ষরিত হওয়ার পরও পরিবর্তন করা সম্ভব এবং তা সহজে ধরা নাও যেতে পারে।
অস্বীকৃতি রোধ (Non-repudiation)প্রেরক পরবর্তীতে ডকুমেন্ট পাঠানোর বিষয়টি অস্বীকার করতে পারে না।প্রেরক অস্বীকার করার সুযোগ পেতে পারে।
সময় ও খরচদ্রুত এবং কম খরচে সম্পন্ন করা যায়। কাগজ বা ডাকের প্রয়োজন হয় না।সময়সাপেক্ষ এবং কাগজ, কালি, ডাক খরচ যুক্ত।
পরিবেশগত প্রভাবকাগজবিহীন হওয়ায় পরিবেশবান্ধব।কাগজ ব্যবহারের কারণে পরিবেশের উপর প্রভাব ফেলে।
প্রয়োগক্ষেত্রই-কমার্স, অনলাইন ব্যাংকিং, সফটওয়্যার বিতরণ, সরকারি ডিজিটাল নথি, আইনি চুক্তি।হাতে লেখা চিঠি, চেক, দলিল, আইনি কাগজপত্র।
HM Habib
HM Habib
1 year ago
611
উত্তরঃ

এনক্রিপশন হলো এমন এক পদ্ধতি, যেখানে মূল তথ্য পরিবর্তন করে অপর একটি সংকেত (কোড) তৈরি করা হয়, যা সাধারণভাবে পাঠোদ্ধার করা সম্ভব নয়।

199
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews