উত্তরঃ

প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট কারণে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হলে তাকে দুর্যোগ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

পরিবেশের মূল উপাদানগুলোর দূষণকে পরিবেশ দূষণ বলে।
প্রাকৃতিক পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান যেমন- মাটি, পানি, বায়ু ইত্যাদির ভৌত, রাসায়নিক ও জৈব পরিবর্তন ঘটলে তা জীবজগতের ওপর ক্ষতিকর বা নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে। একেই পরিবেশ দূষণ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

ছকের'?' চিহ্নিত বিষয়টি হচ্ছে দুর্যোগকালীন সতর্কতা।
প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট কারণে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হলে তাকে দুর্যোগ বলে। দুর্যোগকালীন সতকর্তা অবলম্বন করলে ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা হ্রাস করা যায়। দুর্যোগের পূর্বাভাস পাওয়ার সাথে সাথেই খাবার পানি কলসিতে ভরে
ভালো করে মুখ বন্ধ করে ঢেকে রাখতে হবে। শুকনো খাবার পলিথিনে মুড়ে মাটির নিচে পুঁতে রাখতে হবে। বন্যা শুরুর পূর্বেই গবাদি পশুর নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। বন্যার আগেই খাদ্য ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলতে হবে। বাড়িঘর ডুবে গেলে আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে হবে। ভূমিকম্প হলে খাট, চৌকি বা টেবিলের নিচে ঢুকতে হবে। দুর্যোগের সময় ছোট শিশুদের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। দুর্যোগে নিরাপদ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করতে হবে। পানি ফুটিয়ে বা বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট অথবা ফিটকিরি দিয়ে বিশুদ্ধ করে পান করতে হবে। দুর্যোগকালীন সময়ে বিভিন্ন রোগব্যাধি বিশেষ র করে ডায়রিয়ার প্রকোপ থেকে রক্ষার জন্য সতর্ক থাকতে হবে। সকলে মিলে দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হবে। এক্ষেত্রে সবার প্রতি সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করতে হবে।
উল্লিখিত ব্যবস্থাগুলো গ্রহণের মাধ্যমে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব। তাই দুর্যোগকালীন সতর্কতা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

ছকের দুর্যোগ পরবর্তী ব্যবস্থাপনা পর্যায়টি দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির ওপর নির্ভর করে।

দুর্যোগ পরবর্তী ব্যবস্থাপনা দুর্যোগ কবলিত এলাকার জন্য অত্যন্ত জরুরি। এটি দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির ওপর নির্ভর করে। দুর্যোগ পরবর্তী ব্যবস্থাপনা যত দ্রুত সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে জনগণের দুর্ভোগ তত কম হবে।
ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষেত্রে ঝড় থেমে যাবার পরই আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে যাওয়া উচিত নয়। কারণ একবার ঝড় থেমে যাবার পর উল্টো দিক থেকে আবার তীব্র বেগে প্রবাহিত হয়ে আঘাত হানতে পারে। বন্যার পানি বা ঝড় পুরোপুরি থেমে গেলে আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে বাড়িতে ফিরে যেতে হবে। ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও মেরামত করতে হবে। এজন্য বিভিন্ন ধরনের পরিষ্কারকসামগ্রী ও নির্মাণসামগ্রী প্রয়োজন। রোগ সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। বিশুদ্ধ খাবার, পানির ব্যবস্থা করতে হবে। দুর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমাজের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি ও সচতেনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপকূলীয় জেলাসমূহে ৩২,০০০ এর বেশি স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী প্রস্তুত করা হয়েছে। তারা ঘূর্ণিঝড়ের সতর্ক সংকেত, উদ্ধার ও পুনর্বাসন কাজ করে থাকে পানি উন্নয়ন বোর্ড, বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বন্যা সংক্রান্ত পূর্বাভাস প্রদান ও প্রচারের ব্যবস্থা করে থাকে। আহতদের সেবা, চিকিৎসা, উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন কাজে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন কমিটি এবং সামরিক বাহিনী প্রশংসার সাথে কাজ করে আসছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার যথায ও কার্যকর প্রয়োগ দুর্যোগ পরবর্তী বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে সক্ষম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
4
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

মানুষ, অন্যান্য প্রাণী ও উদ্ভিদের স্বাভাবিক জীবন বিকাশের নিশ্চয়তাকে পরিবেশ সংরক্ষণ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
20
উত্তরঃ

ক্রমাগত জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতা ও পরিবেশ দূষণ মারাত্মক আকার ধারণ করছে।
বর্ধিত জনসংখ্যার প্রয়োজনে বনজঙ্গল, গাছপালা কেটে চাষের জমি তৈরি বা বসতবাড়ি নির্মাণ করা হয়। গাছপালা কাটার ফলে বৃষ্টিপাত কমে যায়, খরার প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে খাদ্য, বাসস্থান, যানবাহন, শিল্পকারখানা সবকিছুর চাহিদাই বৃদ্ধি পায়। জমিতে অধিক কীটনাশক ও সার ব্যবহার এবং ভূগর্ভের পানি উত্তোলনের ফলে মাটি দূষণ হচ্ছে। অধিক শিল্পকারখানা ও যানবাহনের ফলে পানি ও বায়ু দূষণ ঘটছে। সুতরাং বলা যায়, অধিক জনসংখ্যাই পরিবেশ দূষণের অন্যতম কারণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
20
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'A' চিহ্নিত স্থানে যে ধরনের দুর্যোগ নির্দেশ করে তা হলো জলোচ্ছ্বাস।
উপকূলীয় এলাকায় প্রবলভাবে ঝড়ের সাথে সমুদ্রের পানি আঘাত হানলে তাকে জলোচ্ছ্বাস বলে। জলোচ্ছ্বাস প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট দুর্যোগ। এটি স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে। জলোচ্ছ্বাস আকস্মিকভাবে ঘটে। ঘূর্ণিঝড় যখন সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রবল বেগে স্থলভাগের দিকে ধেয়ে আসে তখন সমুদ্রের পানি ফুলে উঠে ঝড়ের সাথে আঘাত হানে। তখন জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়। সমুদ্রে ভূমিকম্পের ফলেও জলোচ্ছ্বাস সংঘটিত হয়। জলোচ্ছ্বাস হলে পানির উচ্চতা ১২" পর্যন্ত উঠতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের ফলে যে ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি হয় জলোচ্ছ্বাস তা ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এই দুর্যোগ পরিবেশকে বিনষ্ট ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে এবং প্রাণহানি ঘটায়। জনপদের স্বাভাবিক জীবনকে বাধাগ্রস্ত করে।
উদ্দীপকের ছকে দুটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয় দুটি হলো সমুদ্রের পানি ফুলে ওঠা, যা ঘূর্ণিঝড় ও ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্টি হতে পারে। এ বিষয় দুটি জলোচ্ছ্বাস দুর্যোগকে নির্দেশ করছে। কারণ পাঠ্যবইয়ে আমরা জেনেছি জলোচ্ছ্বাস হওয়ার পিছনে এ দুটি কারণ দায়ী। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের 'A' চিহ্নিত স্থানটি জলোচ্ছ্বাস দুর্যোগকে নির্দেশ করছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
10
উত্তরঃ

দুর্যোগ পূর্ববর্তী ও পরবর্তী ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে উদ্দীপকটি ধারণা দিতে সক্ষম বলে আমি মনে করি।
দুর্যোগ ঘটার পূর্বেই দুর্যোগের আশঙ্কা করে অভিজ্ঞতার আলোকে বিশেষ পদক্ষেপ ও কর্মসূচি গ্রহণ করাকে দুর্যোগের পূর্ব প্রস্তুতি বোঝায়। দুর্যোগ পরবর্তী ব্যবস্থাপনা দুর্যোগ কবলিত এলাকার জন্য অত্যন্ত জরুরি। দুর্যোগ পরবর্তী ব্যবস্থাপনা যত দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে জনগণের দুর্ভোগ তত কম হবে।
উদ্দীপকে জলোচ্ছ্বসের পূর্ববর্তী অবস্থার দুইটি কারণ ফুটে উঠেছে। এ দুইটি কারণ দেখে আমরা বুঝতে পারব জলোচ্ছ্বাস হবে। যার প্রেক্ষিতে আমরা জলোচ্ছ্বাসের পূর্বে এবং পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারব। এর ফলে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা কমিয়ে আনা সম্ভব।
যেমন- পূর্বাভাস পাওয়ার সাথে সাথে যদি মানুষ ও গবাদি পশু আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া যায় তাহলে জলোচ্ছ্বাসের ক্ষতির হাত থেকে তাদেরকে রক্ষা করা যাবে। আবার জলোচ্ছ্বাস থেমে যাওয়ার পর ভালোভাবে নিশ্চিত হয়ে সবাইকে আশ্রয় কেন্দ্র ছেড়ে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিতে হবে। এরপর দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় সবাইকে একসাথে কাজ করার উদ্যোগ নিতে হবে।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকে নির্দেশিত জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস দেখে এর ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
11
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট কারণে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হলে তাকে দুর্যোগ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
10
উত্তরঃ

উচ্চ শব্দে মাইক বাজালে শব্দ দূষণ হয়।
উচ্চ শব্দে মাইক বাজালে মানুষের স্নায়ুর ওপর চাপ পড়ে। মাইকে উচ্চ শব্দে গান-বাজনা চালালে পরিবেশের শান্তিপূর্ণ অবস্থার ব্যাঘাত ঘটে। কর্মপরিবেশ নষ্ট হয়, রোগীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া ঐ এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এভাবে উচ্চ শব্দে মাইক বাজালে শব্দ দূষণ হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
14
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews