Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দ্রব্য বা সেবা উৎপাদন করতে উৎপাদক বিভিন্ন ধরনের উপকরণ সংগ্রহ ও ব্যবহারের জন্য যে অর্থ ব্যয় করে তাকে উৎপাদনের আর্থিক ব্যয় বলে।

উত্তরঃ

সময়ের ব্যবধানের ফলে, যে অতিরিক্ত উপযোগ সৃষ্টি হয় তাকে সময়গত উপযোগ বলে।

যেমন: পৌষ-মাঘ মাসে ধানের মৌসুমে সরবরাহ বেশি হয়। এই সময়ে ধানের দাম কম থাকে। এ সময়ে ধান মজুত করে ভাদ্র-আশ্বিন মাসে বিক্রি করলে বেশি দাম পাওয়া যায়। অর্থাৎ সময়গত উপযোগ বলতে সময়ের ব্যবধানে কোনো দ্রব্যের উপযোগ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে বোঝায়।

উত্তরঃ

জাউদ্দীপকে উল্লিখিত ২ নং বক্সের উপকরণটি হলো শ্রম। নিচে ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো-

শ্রম বলতে সাধারণত শারীরিক পরিশ্রমকে বোঝায়। অর্থনীতিতে শ্রমের আওতা ব্যাপক। উৎপাদন বা আয় অর্জনের কাজে নিয়োজিত শারীরিক মানসিক সব ধরনের পরিশ্রমকে শ্রম বলে। শ্রম হলো উৎপাদনের জীবন্ত উপকরণ। যতক্ষণ শ্রমিকের জীবনী শক্তি বিদ্যমান ততক্ষণ শ্রমের অস্তিত্ব থাকে। উদ্দীপকের ২নং বক্সের উপকরণটি হলো শ্রম, যা উৎপাদনে নিয়োজিত ২য় উপকরণ। শ্রম ক্ষণস্থায়ী যা সঞ্চয় করা যায় না। যে সময়টি অবহেলায় বা অন্য যে কোনোভাবে অতিবাহিত হয়, তা চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যায়। শ্রম যেহেতু এক স্থান থেকে অন্য স্থানে, এক পেশা হতে অন্য পেশায় স্থানান্তরিত হয়, তাই বলা যায় শ্রম গতিশীল উপাদান। কোনো শ্রমিক শ্রম বিক্রয় করতে চাইলে তাকে উৎপাদন ক্ষেত্রে উপস্থিত হতে হয়। কারণ এটি পুঞ্জিভূত বা মজুতকৃত কোনো দ্রব্য নয়, যা শ্রমিকের অনুপস্থিতিতে উৎপাদন সম্ভব।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের ৪ নং বক্সের উপকরণটি হলো সংগঠন, যা ব্যবসায়ের ভিত্তি বলে বিবেচিত হয়।

শুধু ভূমি, শ্রম ও মূলধন দ্বারা কোনো কিছু উৎপাদন করা যায় না। উৎপাদনের জন্য প্রয়োজন হয় উপকরণগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধন করা। উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোর সুষ্ঠু সমন্বয় সাধনের কাজকে সংগঠন বলে। আধুনিককালে উৎপাদন ব্যবস্থা জটিলতর ও ঝুঁকিপূর্ণ আকার ধারণ করেছে। প্রযুক্তি ও কলকারখানার আবিষ্কারের মাধ্যমে বৃহদায়তন উৎপাদন ব্যবস্থার প্রসার, শ্রম বিভাগ, শ্রমিক মালিক সম্পর্ক, মূলধন সংগ্রহ, বিনিয়োগ, দক্ষ শ্রমিক নিয়োগ, তত্ত্বাবধান, যন্ত্রপাতি ও জনবল নির্বাচন প্রভৃতি ক্ষেত্রের সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে গতিশীল উৎপাদন কার্যক্রম গ্রহণ করতে সংগঠন একটি স্বতন্ত্র ও অপরিহার্য উপাদান হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

অন্যদিকে, সংগঠনের এতদসম্পর্কীয় কাজ যে ব্যক্তি সম্পাদন করে থাকেন তাকে সংগঠক বা উদ্যোক্তা বলে। তাই উদ্যোক্তার বিভিন্ন কাজ যেমন, কোনো কিছু উৎপাদনের পরিকল্পনা প্রণয়ন, ভূমি, শ্রম, মূলধন একত্রীকরণ ও তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন ও ঝুঁকি নিয়ে উৎপাদন কাজ পরিচালনা সবই সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত। এজন্য সংগঠনকে ব্যবসায়ের মেরুদণ্ড বলা হয়। কারণ ভূমি, শ্রম ও মূলধন নিজে নিজে কোনো কাজ করতে পারে না, একমাত্র সংগঠনই পারে সব কিছুর সমন্বয়ের মাধ্যমে উৎপাদন চালাতে।

উদ্দীপকের ৪ নং বক্সের উপকরণটি সংগঠন, যা সব উপকরণগুলোর সমন্বয় সাধনকারী উপকরণ হিসেবে উৎপাদন কাজ পরিচালনা করে। তাই একে ব্যবসায়ের ভিত্তি বলা হয়ে থাকে।

104

শরবত একটি উৎপাদিত দ্রব্য । শরবত উৎপাদন করতে পানি, চিনি, লেবু ইত্যাদির প্রয়োজন হয়। উপকরণ ব্যবহার করে দ্রব্য উৎপাদন এবং তা ভোগের মাধ্যমে উপযোগ বা তৃপ্তি সৃষ্টি করা যায় । উৎপাদন কাজটি করে থাকে সংগঠন । উৎপাদন করতে উপকরণ যেমন পানি, চিনি, লেবু লাগে, কীভাবে উৎপাদন করবে তার একটি পরিকল্পনা করতে হয় এবং উৎপাদন করার সময় বিভিন্ন জন বিভিন্ন কাজ করেন— যোগ্যতা অনুযায়ী এই কাজগুলো বণ্টন করতে হয়, উৎপাদিত পণ্য বিক্রির জন্য বাজারে নিতে হয়। এ ধরনের কাজগুলো করে সংগঠন। যে ব্যক্তি সংগঠনের মূল দায়িত্ব পালন করেন, তাকে বলা হয় উদ্যোক্তা ৷ সংগঠন বা উদ্যোক্তা দক্ষ না হলে উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব হয় না ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

উৎপাদন কাজে নিয়োজিত মানুষের সব ধরনের শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রম, যার বিনিময়ে অর্থ উপার্জন করা যায় তাকেই অর্থনীতিতে শ্রম বলে।

271
উত্তরঃ

অন্যান্য অবস্থা অপরিবর্তিত রেখে উৎপাদন ক্ষেত্রে ক্রমাগতভাবে অধিক হারে শ্রম ও মূলধন নিয়োগ বৃদ্ধি করা হলে উৎপাদন যদি উপকরণ নিয়োগের হার অপেক্ষা কম হারে বৃদ্ধি পায়, তাহলে তাকে ক্রমহ্রাসমান প্রান্তিক উৎপাদন বিধি বলে। উৎপাদন প্রক্রিয়ায় উৎপাদন কৌশল ও অন্যান্য উপকরণ স্থির রেখে একটি উপকরণ বৃদ্ধির ফলে উৎপাদন প্রাথমিকভাবে ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ে। এক পর্যায়ে উপকরণটির ব্যবহার আরও বাড়ালে উৎপাদন ক্রমহ্রাসমান হারে বাড়ে। মনে করি, ভূমি ও শ্রম দুটি উপকরণ আছে। উৎপাদনক্ষেত্রে ভূমিকে স্থির রেখে শ্রমের পরিমাণ ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি করা হলে মোট উৎপাদন প্রথম পর্যায়ে ক্রমবর্ধমান হারে বৃদ্ধি পায় এবং পরে ঐ জমিতে আরও শ্রম নিয়োগ করা হলে মোট উৎপাদন ক্রমহ্রাসমান হারে বাড়ে। উপকরণ ব্যবহারের সাথে উৎপাদন বাড়ার এ নিয়মকে অর্থনীতিতে ক্রমহ্রাসমান প্রান্তিক উৎপাদন বিধি বলা হয়।

457
উত্তরঃ

কবিরের উপযোগ সৃষ্টির প্রক্রিয়াটি দ্বারা রূপগত ও স্থানগত উপযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

কোনো বস্তুর আকৃতি বা রূপ পরিবর্তনের মাধ্যমে যে নতুন উপযোগ সৃষ্টি হয় তা হলো রূপগত উপযোগ। আবার, কোনো দ্রব্য এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় স্থানান্তর করলে যে উপযোগ সৃষ্টি হয়, তা স্থানগত উপযোগ নামে পরিচিত। যেমন- কাঠকে সুবিধামতো পরিবর্তন করে আসবাবপত্র তৈরি করলে রূপগত উপযোগের সৃষ্টি হয়। আর এইসব আসবাবপত্র এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে বিক্রি করলে স্থানগত উপযোগ সৃষ্টি হয়। কবির একজন আসবাবপত্র ব্যবসায়ী। তিনি কাঠ সংগ্রহ করে বিভিন্ন ধরনের আসবাবপত্র তৈরি করেন। কাঠ থেকে আসবাবপত্র তৈরি হলে নতুন উপযোগ সৃষ্টি হয়। আর এটিই হলো রূপগত উপযোগ। তাছাড়া কবিরের তৈরি করা আসবাবপত্র দেশের বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হয় এবং তিনি আসবাবপত্রের প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে থাকেন। এভাবে বিভিন্ন এলাকায় আসবাবপত্র পাঠানোর মাধ্যমে এগুলোর স্থানগত উপযোগও বৃদ্ধি পায়। তাই বলা যায়, কবিরের তৈরি আসবাবপত্রের ক্ষেত্রে রূপগত ও স্থানগত উপযোগের সৃষ্টি হয়েছে।

282
উত্তরঃ

ঘ হ্যাঁ, কবিরকে একজন সফল সংগঠক বলা যায়।

উৎপাদন ব্যবস্থায় যে ব্যক্তি সংগঠনের কাজ করেন তাকে সংগঠক বলে। একজন সফল সংগঠক নিজেই উৎপাদনের সকল পরিকল্পনা প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারণ করেন এবং সে অনুযায়ী কারবার গঠন ও পরিচালনা করেন। এছাড়াও তিনি উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহ সংগ্রহ এবং সেগুলোর সমন্বয় করে উৎপাদন কাজে নিয়োজিত করেন। একজন সংগঠক কারবার প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে উৎপাদিত দ্রব্য বাজারজাতকরণ পর্যন্ত সকল দায়িত্ব ও ঝুঁকি বহনের কাজটিও করে থাকেন।

উদ্দীপক অনুসারে কবির নিজেই ব্যবসায়ের সকল নীতি নির্ধারণ ও ব্যবসায় পরিচালনা করেন। তাছাড়া সে উৎপাদনের বিভিন্ন উপকরণ তথা ভূমি, শ্রম ও মূলধনের সুষ্ঠু সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে নিজের আসবাবপত্রের ব্যবসায় সম্প্রসারণ করেন। তিনি প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে তার উৎপাদিত দ্রব্যের নতুন বাজার অনুসন্ধান করেন, যার ফলে দ্রব্যের চাহিদা এবং মুনাফা বৃদ্ধি পায়।
এছাড়াও কবির তার দোকানে অধিক লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করেন।
কাজেই, কবির তার ব্যবসায়ের কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের মাধ্যমে একজন সফল সংগঠক হতে পেরেছেন বলে আমি মনে করি।s

226
উত্তরঃ

বিভিন্ন উপকরণ নিয়োগের দ্বারা যে পরিমাণ উৎপাদন পাওয়া যায় তাকে মোট উৎপাদন বলে।

905
উত্তরঃ

ব্যক্তিগত ব্যয় হচ্ছে (ব্যক্তিমালিকানাধীন ফার্মের) উৎপাদনের সাথে জড়িত সব ধরনের প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য ব্যয়ের যোগফল।

কোনো উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ভাড়া বা উপকরণ ক্রয়ের জন্য দৃশ্যমান যে ব্যয় করে তাকে প্রকাশ্য ব্যয় বলে। যেমন- ফার্মে কর্মরত মানুষের বেতন ও ভাতাদি, কাঁচামাল, মাধ্যমিক দ্রব্য ক্রয়ের জন্য ব্যয়, বাড়ি ভাড়া, মূলধনের সুদ ইত্যাদি হলো প্রকাশ্য ব্যয়। আর উদ্যোক্তার নিজের শ্রমের মূল্য, স্ব-নিয়োজিত সম্পদের ব্যয় ও উদ্যোক্তার আনুষঙ্গিক ব্যয় ইত্যাদি হলো অপ্রকাশ্য ব্যয়। এই সকল প্রকাশ্য ও অ-প্রকাশ্য ব্যয়ের সমষ্টিই হলো ব্যক্তিগত ব্যয়।

510
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews