উত্তরঃ

দেহের প্রতিরক্ষাতন্ত্র থেকে উৎপন্ন এক ধরনের দ্রবণীয় গ্লাইকোপ্রোটিন যা রোগব্যাধি সৃষ্টিকারী নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেনকে ধ্বংস করে তাই হলো অ্যান্টিবডি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

সহজাত প্রতিরক্ষা একটি জন্মগত প্রতিরোধ ব্যবস্থা। এটি জন্ম থেকেই রোগ জীবাণুর বিরুদ্ধে সাধারণভাবে কার্যকরী একটি ব্যবস্থা। ত্বক, মিউকাস ঝিল্লি, নাসানালি ও শ্বাসনালির সিলিয়া, পাকস্থলির অম্লীয় পরিবেশ ও পাচকরস, শ্বেত রক্তকণিকার ফ্যাগোসাইটোসিস এবং কিছু নন-স্পেসিফিক রাসায়নিক উপাদানের (কমপ্লিমেন্ট, ইন্টারফেরন) সমন্বয়ে এটি গড়ে উঠে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'X' হলো নিষিক্ত জাইগোট এবং 'Y' হলো গ্যাস্টুলা। জাইগোট মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে সর্বশেষ ধাপে গ্যাস্টুলায় পরিণত হয়। নিচে জাইগোট থেকে গ্যাস্টুলা সৃষ্টির প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হলো-

জাইগোট মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে বহুকোষী ভূণ গঠন করে। জাইগোটের এই বিভাজনকে ক্লিভেজ বলে। ক্লিভেজ প্রক্রিয়ায় ভ্রূণকোষ একটি নিরেট গোলক বা মরুলায় পরিণত হয়। মরুলার কোষগুলো ক্রমশ 'একস্তরে সজ্জিত হয়ে ভেতরে একটি তরলপূর্ণ গহ্বর সৃষ্টি করে। ভূণের এই দশাকে ব্লাস্টুলা বলে। এর প্রাচীরকে ব্লাস্টোডার্ম এবং তরলপূর্ণ গহ্বরকে ব্লাস্টোসিল বলে। পরবর্তী গ্যাস্টুলেশন প্রক্রিয়ায়, ব্লাস্টুলা দ্বি বা ত্রিস্তরে বিভক্ত হয়। ধীরে ধীরে ব্লাস্টুলার একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল ক্রমান্বয়ে ব্লাস্টোসিলের ভেতর প্রবেশ করে। ফলে ব্লাস্টোসিল অবলুপ্ত হয় এবং দুইস্তরবিশিষ্ট কাপের ন্যায় গ্যাস্টুলা গঠিত হয়। এর ভিতরের গহ্বরকে আর্কেন্টেরন বলে। এভাবে জাইগোট 'X' থেকে গ্যাস্টুলা 'Y' সৃষ্টি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'Y' হলো জীবের ভ্রূণের বৃদ্ধির একটি পর্যায় গ্যাস্ট্রলা। ইহা গ্যাস্টুলেশন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়। পরবর্তী অর্গানোজেনেসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এর বিভিন্ন স্তর থেকে দেহের বিভিন্ন অঙ্গের সৃষ্টি হয়। নিচে এই প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো-
গ্যাস্টুলা প্রথমে তিনটি স্তরে বিভক্ত হয়। বহিঃস্তর হলো এক্টোডার্ম, মধ্যস্তর মেসোডার্ম এবং অন্তঃস্তর এন্ডোডার্ম। এরা পরবর্তীতে বিভিন্ন কাজ সম্পাদনের জন্য বিভিন্ন অঙ্গে পরিণত হয়।

এক্টোডার্ম: এক্টোডার্ম এর কোষসমূহ দিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে ভ্রূণের সমগ্র দেহের আবরণ গঠিত হয়। এক্টোডার্ম কোষস্তর দেহের ত্বক, ত্বকোভূত-বিভিন্ন প্রন্থি, চুল, নখ, চোখের লেন্স সৃষ্টি করে। অন্যান্য প্রাণীর পালক, শিং, ক্ষুর, আঁইশ উৎপন্ন হয়। এক্টোডার্ম থেকে ঠোঁট ও মুখবিবরের আবরণ, জিহ্বার আবরণ, পৌষ্টিকনালির অন্তঃপ্রাচীর, পায়ুর আবরণ, দাঁতের এনামেল, সকল সংবেদী অঙ্গ ইত্যাদি গঠিত হয়।-

মেসোডার্ম: ভূণীয় বিকাশের প্রাথমিক পর্যায়ে মেসোডার্ম থেকে সৃষ্ট অংশ ত্বকের ডার্মিস এবং নটোকর্ড গঠন করে। বাকি অংশ মায়োটোম গঠন করে যা থেকে পরবর্তীতে পেশিসমূহ উৎপন্ন হয়। মেসোমিয়ার প্রাণীর রেচন ও জনন অঙ্গ গঠন করে। হাইপোমিয়ার থেকে গঠিত হয় প্রাণীর ঐচ্ছিক পেশি, হৃদপেশি, দেহ গহ্বরের অন্তঃআবরণী, প্রাণীর উপাঙ্গিক কঙ্কাল, যোজক কলা, রক্তকণিকা, রক্তনালি, লসিকা, লসিকা নালি, চোখের বিভিন্ন অংশ, দাঁতের ডেন্টিন, বৃক্কের কর্টেক্স ইত্যাদি।
এন্ডোডার্ম: এখান থেকে গলবিল, অন্ননালি, পাকস্থলি এবং বৃদ্ধ ও অগ্ন্যাশয়ের আবির্ভাব ঘটে। মধ্যকর্ণ, টনসিল, থাইমাস, থাইরয়েড ও প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি, ল্যারিংক্স, ট্রাকিয়া ও ফুসফুসের সৃষ্টি হয়। এছাড়া মূত্রথলি, মূত্রনালি ও তৎসংলগ্ন গ্রন্থি এন্ডোডার্ম থেকে সৃষ্টি হয়। তাই বলা যায় যে, ভিন্ন ভিন্ন কাজের জন্য গ্যাস্টুলা এর বিভিন্ন স্তরের পরিণতি ভিন্ন ভিন্ন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
26

প্রজনন প্রক্রিয়ায় জীব নিজ সত্তাবিশিষ্ট অপত্য বংশধর সৃষ্টি করে নিজ প্রজাতির স্থায়িত্ব বজায় রাখে। মানুষের বংশবৃদ্ধি যৌন জনন প্রক্রিয়ায় সাধিত হয়।

Related Question

View All
উত্তরঃ

শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াসের একীভবনের মাধ্যমে ডিপ্লয়েড জাইগোট সৃষ্টির প্রক্রিয়াই হলো নিষেক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
26
উত্তরঃ

গ্যামেট বা জননকোষ সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে গ্যামেটোজেনেসিস বলে।
এ প্রক্রিয়ায় জনন মাতৃকোষ হতে স্ত্রী জনন অঙ্গে ডিম্বাণু ও পুরুষের জনন অঙ্গে শুক্রাণু তৈরি হয়। এক্ষেত্রে মিয়োসিস কোষবিভাজনের মাধ্যমে ডিপ্লয়েড (2n) মাতৃজনন কোষ থেকে হ্যাপ্লয়েড (n) জননকোষ উৎপন্ন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
32
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম গঠনটি মানবভূণের ব্লাস্টুলা দশা। নিষেকের পর ৬ থেকে ৯ দিনের মধ্যে যে প্রক্রিয়ায় জাইগোটটি ব্লাস্টোসিস্ট অবস্থায় জরায়ুর এন্ডোমেট্রিয়ামে সংস্থাপিত হয় তাকে ইমপ্লান্টেশন বলে। নিষিক্ত জাইগোট মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে দ্রুত বিভক্ত হয়ে মরুলা দশা পার করে উদ্দীপকের ব্লাস্টুলা দশা বা ব্লাস্টোসিস্ট এ পরিণত হয়। ডিম্বনালিতে সৃষ্ট এ ব্লাস্টোসিস্ট ৪-৫ দিনের ভেতর জরায়ুতে এসে পৌঁছালে দু'দিনের ভেতর এর জোনা পেলুসিডা আবরণ অদৃশ্য হয়ে যায়। তখন এর ট্রফোব্লাস্ট কোষ ও জরায়ুর এন্ডোমেট্রিয়াম কোষের মধ্যে সংযোগ স্থাপিত হয়। ব্লাস্টোসিস্ট এন্ডোমেট্রিয়ামের যেখানে গ্রোথিত হয় সেখানকার আবরণি টিস্যু ট্রফোব্লাস্ট থেকে নিঃসৃত এনজাইমের প্রভাবে বিগলিত হয়। তখন ব্লাস্টোসিস্টটি সেখানে যুক্ত হয়। এভাবে নিষেকের ষষ্ঠ থেকে নবম দিনের মধ্যে নিষিক্ত ডিম্বাণু বা জাইগোটটি ব্লাস্টোসিস্ট অবস্থায় জরায়ুর এন্ডোমেট্রিয়ামে প্রতিস্থাপিত হয় যা ইমপ্ল্যান্টেশন নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
28
উত্তরঃ

পূর্ণাঙ্গ মানব শিশুর দেহ গঠিত হয় ভ্রূণীয় বিভিন্ন পরিবর্তনীয় ধাপের মাধ্যমে। এর মধ্যে উদ্দীপকের দ্বিতীয় গঠন অর্থাৎ গ্যাস্টুলা একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
যে প্রক্রিয়ায় একস্তরী ব্লাস্টুলা থেকে ত্রিস্তরী প্রাণিদের ত্রিস্তরী গ্যাস্টুলা গঠিত হয় তাকে গ্যাস্ট্রলেশন বলে। গ্যাস্টুলেশন পর্যায়ে এর কোষগুলোর পরিযানের মাধ্যমে সৃষ্টি হয় তিনটি কোষীয়স্তর, যথা-বহিঃস্থ এক্টোডার্ম, মধ্যস্থ মেসোডার্ম এবং অন্তঃস্থ এন্ডোডার্ম। গ্যাস্টুলায় সৃষ্ট এ তিনটি স্তর থেকেই অঙ্গকুড়ি সৃষ্টি হয় যা অর্গানোজেনেসিস নামে পরিচিত। এর মধ্যে এক্টোডার্মের কোষগুলো পরিণত হয় ত্বক, চুল, নখ, বিভিন্ন অঙ্গের আবরণ ইত্যাদি গঠন করে। মেসোডার্মের কোষগুলো পরবর্তীতে দেহের পেশি, যোজককলা, দেহগহ্বরের অন্তঃআবরণী প্রভৃতি সৃষ্টির মাধ্যমে মানব অজাসমূহের পূর্ণাঙ্গতা আনে। আর এন্ডোডার্মের কোষসমূহের পরিণতিতে পৌষ্টিক নালীর বিভিন্ন অংশ, রেচনতন্ত্রের বিভিন্ন অংশ ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ধরনের গ্রন্থি ইত্যাদি অঙ্গের সৃষ্টি হয়।
কাজেই দেহের বিভিন্ন অঙ্গের পূর্ণতা প্রাপ্তি গ্যাস্টুলার তিনটি স্তরের পরিণতির মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। এজন্য একথা অনস্বীকার্য যে, গ্যাস্টুলার বিভিন্ন স্তরের পরিবর্তন ছাড়া পূর্ণাঙ্গ দেহ গঠন অসম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
24
উত্তরঃ

যৌনজননক্ষম জীবে যে প্রক্রিয়ায় পুংজননকোষ ও স্ত্রীজনন কোষ মিলিত হয় সেই প্রক্রিয়াই হলো নিষেক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
25
উত্তরঃ

সেকেন্ডারি যৌন বৈশিষ্ট্যের উদ্ভবসহ জননাঙ্গের সক্রিয় পরিস্ফুটনকালকে বয়ঃপ্রাপ্তি বা বয়ঃসন্ধিকাল বলে। এ কালটি পুরুষে ১৩-১৫ বছরের মধ্যে এবং নারীতে ১২-১৩ বছরের মধ্যে আবির্ভূত হয়। এ সময় বিভিন্ন হরমোনের প্রভাবে দৈহিক গঠন ও চরিত্রে নানান বৈশিষ্ট্য দেখা দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
28
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews