পৃথিবীর কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণের পরিমাণ ৩৬০০।
চাঁদ ও সূর্য ভূপৃষ্ঠের জল ও স্থলভাগকে আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণের ফলে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর প্রত্যহ এক স্থানে ফুলে ওঠে এবং অপর স্থানে নেমে যায়। সমুদ্রের পানিরাশির নিয়মিত এ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলা হয়। প্রতি ৬ ঘণ্টা ১৩ মি. পর পর জোয়ার-ভাটা হয়ে থাকে।
উদ্দীপকে 'A' চিহ্নিত স্থান দ্বারা বার্ষিক গতিকে বোঝানো হয়েছে।
পৃথিবী একটি চাপীয় বৃত্তের ন্যায় গ্রহ যা একদিকে হেলে থাকে। আবার এর কক্ষপথও সম্পূর্ণ বৃত্তাকার নয়। ফলে পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরার ক্ষেত্রে এর একেক অংশ একেক রকমভাবে সূর্যের আলো পেয়ে থাকে। বার্ষিক গতির প্রভাবে সূর্য যখন যে অবস্থানে থাকে তার প্রভাবে এরূপ পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। এরূপ পরিভ্রমণকালে ২৩ সেপ্টেম্বরের পরে সূর্য থেকে পৃথিবী আরও দূরে সরতে থাকে দক্ষিণ মেরু অপেক্ষাকৃত নিকটবর্তী হয়। ফলে উত্তর গোলার্ধে দিনের পরিমাণ কমতে থাকে এবং রাতের পরিমাণ বাড়তে থাকে। এভাবে উদ্দীপকের 'A' চিহ্নিত স্থানে পৃথিবী অবস্থান করে, ২২ ডিসেম্বর যখন দক্ষিণ মেরু সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি (২৩.৫০) হেলে থাকে। এদিন সূর্যকিরণ মকরক্রান্তি রেখায় লম্বভাবে (৯০০ কোণে) পতিত হয়। এদিনে দক্ষিণ গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় হয় এবং রাত সবচেয়ে ছোট হয়।
উদ্দীপকের 'B' চিহ্নিত স্থানে পৃথিবী যে সময় অবস্থান করে সে সময় সূর্য নিরক্ষরেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। এ সময় পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয়। সূর্য উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধ থেকে সমান দূরত্বে থাকে। এর দেড় মাস পূর্ব থেকে দেড় মাস পর পর্যন্ত উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল এবং দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল। বাংলাদেশ যেহেতু উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত তাই এখানে এ সময় বসন্তকালের মাঝামাঝি ঋতু অবস্থান করবে। অর্থাৎ শীতকাল শেষ হয়ে আসবে এবং বসন্তকাল শুরু হবে। বাংলাদেশের আবহাওয়াতে বসন্তের প্রভাব পড়তে থাকবে। শীতের প্রকোপ শেষ হয়ে আসবে। শীতের তীব্রতার ফলে প্রকৃতিতে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয় অর্থাৎ গাছপালার পাতা ঝড়ে পড়ে, প্রকৃতি বুক্ষ হয়ে ওঠে; তা থেকে প্রকৃতি মুক্তি পাবে। অর্থাৎ বসন্তের আগমনে প্রকৃতির সজীবতা ফিরে আসতে থাকবে এবং গ্রীষ্মের প্রখরতা মৃদু মাত্রায় শুরু হবে। ঋতু পরিবর্তনের সুস্পষ্ট ছাপ প্রকৃতির ওপর পরিলক্ষিত হবে এবং গ্রীষ্মের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেতে থাকবে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allপৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে মেরুরেখা বলে।
সূর্য একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র যা সৌরজগতের সকল গ্রহ ও উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক। ৫৫% হাইড্রোজেন, ৪৪% হিলিয়াম এবং ১% অন্যান্য গ্যাসের সমন্বয়ে সূর্য গঠিত। আর এ সূর্যের মধ্যে মাঝে মাঝে যে কালো দাগ দেখা যায় তাকে সৌরকলঙ্ক বলে। সূর্যের অন্যান্য অংশের চেয়ে সৌরকলঙ্কের উত্তাপ কিছুটা কম থাকে।
দেওয়া আছে
A' চিহ্নিত স্থানটির স্থানীয় সময় সকাল ৭টা A' চিহ্নিত স্থানের পূর্বে B' স্থানটি অবস্থিত হওয়ায় 'B' স্থানের স্থানীয় সময় ' A' চিহ্নিত স্থানের স্থানীয় সময় থেকে বেশি হবে।
অর্থাৎ, ৭টা + ৩ ঘণ্টা ১৬ মিনিট = ১০টা ১৬ মিনিট
সুতরাং 'B' স্থানটির স্থানীয় সময় হবে ১০: ১৬ মিনিট
না, উক্ত তারিখে অর্থাৎ ২২ জুন তারিখে দুটি স্থানে দিবারাত্রির দৈর্ঘ্য একইরূপ হবে না।
ছকে 'A' ও 'B' স্থান দুটি দুই গোলার্ধে অবস্থিত। 'A' স্থানটি ৩০০ উত্তর অক্ষরেখা বরাবর এবং 'B' স্থানটি ৫০° দক্ষিণ অক্ষরেখায় অবস্থিত। দুটি স্থান দুই গোলার্ধে হওয়ায় ২২ জুন তারিখে দুটি স্থানে দিবা-রাত্রির দৈর্ঘ্য ভিন্ন রকম হবে। অর্থাৎ 'A' স্থানে দিন বড় এবং রাত ছোট হবে। পক্ষান্তরে, 'B' স্থানে দিন ছোট ও রাত বড় হবে। ২১ জুন সূর্যের উত্তরায়নের শেষ দিন। এদিন সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। লম্বরশ্মি অধিক তাপ দেয়। তাছাড়া সূর্য উত্তর গোলার্ধে অধিক স্থান জুড়ে এবং অধিক সময় ধরে কিরণ দেয়। ফলে ঐ দিনের পূর্বেকার দেড় মাস এবং পরবর্তী দেড় মাস মোট তিন মাস সূর্য উত্তর গোলার্ধে অধিক তাপ ও আলো দেয় বলে ঐ সময়কালে উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হয়। এ কারণে ২২ জুন তারিখে উত্তর গোলার্ধে দিন বড় হয় এবং রাত ছোট হয়। পক্ষান্তরে, ২২ জুনে দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে অনেক দূরে অবস্থান করে। ফলে সূর্য তির্যকভাবে অনেক দূরে অবস্থান করে। ফলে সূর্য তির্যকভাবে অল্প সময় এবং অল্প স্থানব্যাপী আলো দেয়। এর ফলে দক্ষিণ গোলার্ধে তাপ ও আলো কম পায়। এ কারণে ২২ জুন দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ছোট এবং রাত বড় হয়।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, 'A' ও 'B' দুটি দুই গোলার্ধে অবস্থানের কারণে দিবা-রাত্রির মধ্যে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে। উত্তর গোলার্ধে দিন বড় এবং রাত ছোট। পক্ষান্তরে, দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ছোট ও রাত বড় হয়।
নিজ অক্ষের ওপর পৃথিবীর একটি পূর্ণ আবর্তনকে সৌরদিন বলে।
সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। এভাবে দেখা যায়, প্রতি ৪ বছর পর পর একটি বাড়তি দিন থাকছে। এই বাড়তি দিন প্রতি ৪র্থ বছরে যোগ হয়ে ৩৬৬ দিন হয়। সেই বছরের ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের পরিবর্তে ২৯ দিনে হয়। এরূপ বছরকে অধিবর্ষ বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
