Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

বুডার হাউজে ১-২১ দিন পর্যন্ত বাচ্চাকে তাপ দেওয়াকে ব্রুডিং বলে।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

মুরগির বার্ড ফ্লু রোগ ভাইরাসের সংক্রমণে হয়। নিচে মুরগির এ রোগ চেনার উপায় ব্যাখ্যা করা হলো-
মুরগির দুর্বলতা দেখা যায়। মুরগি ঝিমায় ও ঘুমভাব দেখা যায়। মাথা ও গলার ঝুঁটি কালচে লাল বা নীল বর্ণ হয় এবং ফুলে যায়। পাতলা = মলত্যাগ করে, প্রচন্ড তৃষ্ণাভাব হয় ও শ্বাসকষ্ট হয়। চোখের চারদিকে - ফুলে গিয়ে পানি পড়ে। পায়ের রোমহীন স্থান লালচে রঙ ধারণ করে • এবং নাক ও মুখ দিয়ে তরল পদার্থ বের হয়। এ রোগে আক্রান্ত মুরগি প্র লক্ষণ প্রকাশের আগেই মারা যেতে পারে।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

গচিত্রে ব্রুডার হাউজে কোয়েলের বাচ্চার অবস্থান দেখানো হয়েছে।

ব্রুডার হাউজ হলো ১-২১ দিন বয়সের বাচ্চাকে তাপ দেওয়ার ঘর। বাচ্চা ছাড়ার সময় ব্রুডারের তাপমাত্রা শীতকালে ৩৫০° সে. ও.গ্রীষ্মকালে ২৮° সে. রাখতে হবে। নিচে চিত্রের ব্রুডার হাউজে কোয়েলের বাচ্চার অবস্থানসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো-

চিত্র-১: বাচ্চাগুলো বুডারের কাছে জড়ো হয়ে আছে। অর্থাৎ ঘরের তাপমাত্রা নির্দিষ্ট তাপমাত্রার চেয়ে কম আছে।

চিত্র-২: বাচ্চাগুলো সারা ঘরে ছড়িয়ে আছে। অর্থাৎ তাপমাত্রা উপযোগী আছে।

চিত্র-৩: বাচ্চাগুলো ব্রুডার থেকে দূরে সরে গেছে। অর্থাৎ তাপমাত্রা নির্দিষ্ট পরিমাণের থেকে বেশি আছে।

সুতরাং উদ্দীপকের চিত্রের বুডার হাউজে কোয়েলের বাচ্চার অবস্থান তাপমাত্রার ভিন্নতার কারণে ভিন্ন ভিন্ন।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

চিত্র-১ এ ব্রুডার হাউজের তাপমাত্রা কমে গিয়েছে এবং চিত্র-৩ এ বুডার হাউজের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়েছে।
ব্রুডার হাউজে তাপমাত্রা সঠিক রাখা জরুরি। তাপমাত্রা যাতে কমে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বাচ্চা প্রতি ২ ওয়াট করে তাপের ব্যবস্থা রাখতে হবে। অর্থাৎ যদি ১০০টি বাচ্চা হয় তাহলে ২০০ ওয়াট তাপের ব্যবস্থা করতে হবে। ব্রুডার পর্দা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে এবং কিছু অংশ ফাঁকা রাখতে হবে। পর্দা দিয়ে ঢেকে না দিলে শীতের সময় বাতাস ঢুকে তাপমাত্রা কমে যেতে পারে। ব্রুডারের মেঝে যাতে ঠান্ডা না থাকে সেজন্য লিটারের পুরুত্ব বেশি দিতে হবে অর্থাৎ ৩-৪ ইঞ্চি। তাপমাত্রা ঠিক রাখতে ইলেকট্রিক বা তুষের চুলা ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়াও বাচ্চার তাপমাত্রা ঠিক রাখতে পানিতে মধু ও রসুনের রস ব্যবহার করা যেতে পারে। তাপমাত্রা কমে গেলে বাল্ব সংখ্যা বাড়িয়ে দিতে হবে। বাচ্চার উৎপাদন ১৫০-২৪°C তাপমাত্রায় সর্বোচ্চ হয়। 

তাপমাত্রা বেড়ে গেলে ডিমের ওজন কমে যায়, খাদ্য রূপান্তর হার হ্রাস পায়, খাবার গ্রহণ কমে যায়। ফলে ব্রুডার হাউজ ছায়াযুক্ত স্থানে করা উত্তম। শেডের ছাদে বা চালায় পানিতে ছিটাতে হবে। ব্রুডার হাউজের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে উপরে উল্লিখিত কাজগুলো করতে হবে।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
85

Related Question

View All
উত্তরঃ

পুলেট হলো প্রজনন ক্ষমতাসম্পন্ন ২০/২২ সপ্তাহ বয়সের মুরগি যাকে এখনো মোরগের সংস্পর্শে দেওয়া হয়নি।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
848
উত্তরঃ

বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক কারণ হাঁস পালনের জন্য জায়গা কম লাগে। হাঁস বছরে প্রায় ৩০০টি পর্যন্ত ডিম দিতে পারে। মুরগির তুলনায় হাঁস ৪০-৪৫টি ডিম বেশি পাড়ে। অধিকাংশ হাঁস নিজের খাবার নিজে সংগ্রহ করে খেতে পারে বিধায় হাঁস পালনে যত্ন, পরিচর্যা ও খরচ কম লাগে। দ্রুত চলাফেরা করতে পারে। এসব কারণে বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
2k
উত্তরঃ

সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত। এটি হাঁসের ডাকপ্লেগ ভাইরাস দ্বরা সংক্রমিত মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ। হাঁসের এই রোগ ডাক হারপেস ভাইরাস-১ (DHV-1) এর সংক্রমণে হয়ে থাকে।

এ রোগে হাঁস আলো দেখলে ভয় পায়। সাঁতার কাটতে চায় না। পানি পিপাসা বৃদ্ধি পায় এবং খাদ্য গ্রহণে অনীহা দেখায়। নাক দিয়ে তরল পদার্থ বের হয়। সবুজ ও হলুদ রঙের পাতলা মলত্যাগ করে। পালক এলোমেলো হয়ে ঝুলে পড়ে। মাথা, ঘাড় ও শরীরে কাঁপুনি দেখা দেয়। পা এবং পাখা অবশ হয়ে যায়। চোখ হতে অনবরত পানি ঝরে এবং চোখের ভিতরে সাদা রঙের আবরণ পড়ে চোখ বন্ধ হয়ে যায়। এ রোগে হাঁস খুঁড়িয়ে হাঁটে, ডিম পাড়া হাঁস ডিম পাড়া কমিয়ে দেয় এবং হঠাৎ মারা যায়।

সাবিনার খামারের হাঁসগুলোতে উল্লিখিত লক্ষণগুলো দেখা দেয়। অর্থাৎ সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
550
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রাণী চিকিৎসক সাবিনাকে তার খামারে ডাক প্লেগ রোগের প্রতিকার ও প্রতিরোধের জন্য করণীয় সম্পর্কে জানান।
সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাক প্লেগ নামক ভাইরাসজনিত একটি মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত হয়েছে। উক্ত রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় বিশ্লেষণ করা হলো-

i. খামারের জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

ii. আক্রান্ত হাঁস অন্যত্র সরিয়ে ফেলা।

iii. মৃত হাঁস মাটিতে পুঁতে ফেলা।

iv. খামারে বহিরাগতদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করা।

V. বাসস্থান নিয়মিত জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা।

vi. পরিষ্কার পানি সরবরাহ করা।

vii. হাঁসের ঘর ফিউমিগেশন করা।

viii. বাসস্থানে ঢোকার মুখে ফুটবাথের ব্যবস্থা করা।

ix. প্রতিষেধক হিসেবে খামারে নিয়মিত ডাক প্লেগ টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা। হাঁসের বাচ্চাকে জন্মের ১৫-২০ দিন পর ১ম মাত্রা, ১ম মাত্রার ২৫ দিন পর বুস্টার বা ২য় মাত্রা এবং ২য় মাত্রার পর প্রতি ৫-৬ মাস অন্তর অন্তর এ টিকা দিতে হয়।

পরিশেষে বলা যায়, উল্লিখিত পদক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ডাক প্লেগ রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
624
উত্তরঃ

যে সকল ডিম থেকে বাচ্চা জন্ম নেয় না সেগুলোই অনুর্বর ডিম।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
744
উত্তরঃ

কবুতর খুব অল্প জায়গায়, কম খরচে, উঁচুতে দেয়ালের পাশে বা ছাদের উপর বাসা তৈরি করে পালন করা যায়।

কবুতরের রোগবালাই কম হয় এবং খাদ্য খরচও কম লাগে। ৪ সপ্তাহের মধ্যেই কবুতরের বাচ্চা খাওয়ার উপযোগী হয়। এরা ৫-৬ মাস বয়সে ডিম দেয় এবং মাত্র ১৮ দিনে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। কাজের অবসরে পালন করা যায় বলে অতিরিক্ত শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না। সময়, শ্রম ও অর্থ কম লাগে বলেই কবুতর পালন অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
723
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews