পৃথিবীর সব দেশের সীমানা চিহ্নিত করে পুরো বিশ্বের মানচিত্রকে বিশ্বমানচিত্র বলে।
এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণাংশে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান।
বাংলাদেশ উত্তর অক্ষরেখা থেকে উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে পূর্ব দ্রাঘিমারেখার মধ্যে অবস্থিত। বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত।
উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' দেশ দুটি যথাক্রমে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশ। যা যথাক্রমে ইউরোপ এবং এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
UN Data-2019) অনুযায়ী যুক্তরাজ্যের মোট জনসংখ্যা প্রায় ৬,৭৬,১৭,৬৮৩ জন। যুক্তরাজ্যের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ০.৫%। এখানে জনসংখ্যার গড় আয়ু ৭৮.৮ বছর। অন্যদিকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৩৭ লাখ জন। বাংলাদেশের মোট পুরুষ ও নারীর অনুপাত। ১০০.২ : ১০০। জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১,১০৯ জন। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭%।
যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের জনসংখ্যার তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণে বোঝা যায় যে, বাংলাদেশ অতি জনবহুল দেশ। অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের জনসংখ্যা আয়তনের তুলনায় কম। জীবনযাত্রার মান বাংলাদেশের তুলনায় উন্নত। এছাড়াও জনসংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে।
উদ্দীপকে 'খ' চিহ্নিত স্থানটি হলো বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের জনসংখ্যা ক্রমবৃদ্ধির জন্য মৌসুমি জলবায়ু, শিক্ষার অভাব, বাল্যবিবাহ এবং ধর্মীয় কুসংস্কার প্রভৃতি নিয়ামকগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
বাংলাদেশের জলবায়ু উষ্ণ ও আর্দ্রভাবাপন্ন। উষ্ণমণ্ডলীয় সহনীয় জলবায়ুর কারণে এ অঞ্চলের মানুষ অতি অল্প বয়সে প্রজনন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়। ধর্মীয় কুসংস্কারের কারণে সামাজিক দায়িত্ব সম্পর্কে অসচেতন রয়েছে। ফলে জন্মনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে না। বাংলাদেশের অধিকাংশ লোক অশিক্ষিত। অশিক্ষিত লোকজন মনে করে বেশি সন্তান হলে তাদের দারিদ্র্য দূর হবে।
অশিক্ষার কারণে বাংলাদেশে বাল্যবিবাহের প্রভাব রয়েছে। বাংলাদেশে বহুবিবাহ প্রথা প্রচলিত রয়েছে। বহুবিবাহ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার দ্রুততর করে।
উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, বাংলাদেশের জনসংখ্যার ক্রমবৃদ্ধির জন্য মৌসুমি জলবায়ু, শিক্ষার অভাব, বাল্যবিবাহ এবং ধর্মীয় কুসংস্কার ইত্যাদি নিয়ামকের ভূমিকা রয়েছে বলে আমি মনে করি।
Related Question
View Allবাংলাদেশের মোট আয়তন ১,৪৭.৫৭০ বর্গ কি.মি.।
যেসব অঞ্চল দিয়ে ক্রান্তীয় রেখা অতিক্রম করেছে তাকে ক্রান্তীয় অঞ্চলের দেশ বলে।
বাংলাদেশের উপর দিয়ে ২৩.৫° কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। তাই বাংলাদেশকে ক্রান্তীয় অঞ্চলের দেশ বলে।
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দেশটি হলো-যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান ও সর্ববৃহৎ অংশ উত্তরে কানাডার সীমানা হতে দক্ষিণে মেক্সিকো এবং পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগরের তীর হতে পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগরের তীর পর্যন্ত বিস্তৃত। যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ অংশটি ২৫° উত্তর হতে ৪৫° উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত।
আবার আলাস্কার অংশটি বেরিং সাগর ( পশ্চিম দ্রাঘিমা) হতেপশ্চিম দ্রাঘিমা পর্যন্ত এবং উত্তর অক্ষাংশ হতে দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত। অন্যদিকে হাওয়াই পূর্ব-পশ্চিমে পশ্চিম দ্রাঘিমা এবং উত্তর-দক্ষিণে হতে উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত। দেশটির মোট আয়তন ৯৮,২৬,৬৭৫ বর্গ কিলোমিটার।
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দেশ দুটি হলো যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। উভয় দেশের শাসনব্যবস্থার মধ্যে কিছু পার্থক্য বিরাজ করে। নিচে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের শাসন-ব্যবস্থার তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা 'হলো :
যুক্তরাষ্ট্রে একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান। রাষ্ট্রীয় নাম ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা। আইনসভা দ্বিকক্ষিক। নিম্নকক্ষ হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং এর সদস্যসংখ্যা ৪৩৫। উচ্চকক্ষ হচ্ছে সিনেট এবং এর সদস্যসংখ্যা ১০০। ভোট প্রদানের যোগ্যতা অর্জনের বয়স ১৮ বছর। ১৭৮৭সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান প্রণয়ন করা হয় এবং ১৭৮৯ সালের ৪ মার্চ থেকে এটি কার্যকর করা হয়। সুপ্রিমকোর্ট দেশের সর্বোচ্চ বিচারালয়। এর কেন্দ্রীয় আইনসভার নাম কংগ্রেস।অন্যদিকে, যুক্তরাজ্য প্রকৃত বিচারে সংসদীয় গণতন্ত্রব্যবস্থা বিদ্যমান। এর আইনসভার নাম পার্লামেন্ট। আইনসভা দুই স্তরবিশিষ্ট। নিম্নকক্ষ হাউজ অব কমন্স যার সদস্যসংখ্যা ৬৫০, সকলেই নির্বাচিত। উচ্চকক্ষ হাউজ অব লর্ডস। যুক্তরাজ্যে সংবিধান সময়ের ব্যবধানে কিছু কিছু লিখিত হলেও অধিকাংশই প্রচলিত নীতি ও প্রথানির্ভর।
পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাদেশের নাম হলো অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ।
যে সমস্ত রাজনৈতিক অঞ্চলের কেবল নামীয় পরিচিতি রয়েছে সেগুলোকে নামীয় অঞ্চল বলে।
মহাদেশ ও মহাদেশের অংশবিশেষ নামীয় অঞ্চলের প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
যেমন- এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া, ল্যাটিন আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য, ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, ইউরেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি এলাকাও নামীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। নামীয় অঞ্চলের সীমানা সুনির্দিষ্ট নয় এবং এসব অঞ্চলের একক নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রও থাকে না; যেমন- এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকার কোনো রাজধানী নেই। তাই বলা যায় নামীয় অঞ্চলের সীমানা সুনির্দিষ্ট নয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
