উত্তরঃ

নিষেক ক্রিয়া ছাড়া ডিম্বাণু হতে ভ্রূণ তৈরির প্রক্রিয়াই হলো পার্থেনোজেনেসিস।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

ভূণথলিতে ডিম্বাণু ও সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে দুটি পুংগ্যামিটের মিলনকে একত্রে দ্বি-নিষেক বলে। একই সময়ে ডিম্বাণুর - সাথে একটি পুংগ্যামিটের মিলন ও সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে অপর - পুংগ্যামিটের মিলন ঘটে। এক্ষেত্রে, দুটি পুংগ্যামিটের একটি ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়ে জাইগোট এবং অন্যটি সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে - মিলিত হয়ে সস্য নিউক্লিয়াস গঠন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্র-'A' দ্বারা উদ্ভিদের কৃত্রিম' অঙ্গজ প্রজননের জোড় - কলম পদ্ধতিতে দেখানো হয়েছে। এ পদ্ধতিতে ভালো জাতের গুণমান বজায় রাখা সম্ভব হয়। জোড় কলম পদ্ধতিতে উন্নতমানের গাছের শাখার একটি অংশ কৌণিকভাবে কেটে টবে লাগানো অন্য একটি গাছের সমব্যাসের শাখার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়। জোড়া দেওয়া স্থানটি পলিথিন দিয়ে ঢেকে শক্ত করে দড়ি দিয়ে বেঁধে দিতে হয়। কিছু দিনের মধ্যেই দুই অংশ জোড়া লেগে যায়। উন্নত গুণসম্পন্ন যে গাছের - অংশ জোড়া দেওয়া হয় তাকে সায়ন ও যে গাছে জোড়া লাগানো হয় তাকে স্টক বলে। জোড়া সম্পূর্ণ হলে স্টকের উপরিভাগ কেটে বাদ দিলে সায়ন থেকে কাঙ্ক্ষিত উদ্ভিদ পাওয়া যায়। এভাবে উদ্দীপকের A প্রক্রিয়াটি তথা উদ্ভিদের কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননের জোড় কলম পদ্ধতিটি সম্পন্ন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নির্দেশিত 'B' প্রক্রিয়াটি হলো কৃত্রিম প্রজনন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কৃত্রিম প্রজনন প্রক্রিায় উদ্ভিদ সৃষ্টির গুরুত্ব অপরিসীম। নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো-

কৃত্রিম প্রজনন প্রক্রিয়া হলো একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি যেখানে জিনগত বৈশিষ্ট্যে ভিন্ন দুটি উদ্ভিদের মধ্যে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে পরাগায়ন ঘটিয়ে উন্নত প্রকরণ সৃষ্টি করা হয়। বাংলাদেশের জনসংখ্যা যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ সে হারে বাড়ছে না। তাই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা মেটাতে আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে উন্নত প্রকরণের ফসলের জাত প্রয়োজন। কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে উন্নত প্রকরণের ফসলের জাত উদ্ভাবন করে ফলন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্য চাহিদা মেটানো সম্ভব। দুর্যোগপ্রবণ বাংলাদেশে যখন কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয় তখন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ফলে খাদ্যাভাব দেখা দেয়। কিন্তু কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে প্রতিকূল পরিবেশ সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবন করলে ফসল নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। এছাড়াও পূর্বে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে ফসল্ নষ্ট হয়ে যেত, ফলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হতো। আবার ফসলকে পোকামাকড় হতে রক্ষা করার জন্য লক্ষ লক্ষ ডলারের ঔষধ প্রয়োগ করতে হতো। কিন্তু কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধী জাত উদ্ভাবন করলে রোগ প্রতিরোধের জন্য ঔষধ প্রয়োগের তেমন প্রয়োজন হয় না। ফলে খরচ কম হয় অথচ ফসল বেশি পাওয়া যায়।
তাই উপরিউক্ত আলোচনা থেকে এটা বলা যেতে পারে যে, কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে উচ্চ ফলনশীল, রোগ প্রতিরোধী ও প্রতিকূল পরিবেশ সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবনের মধ্য দিয়ে আমাদের মতো জনবহুল দেশের খাদ্য চাহিদা পূরণ করা এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব। অর্থাৎ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে উদ্ভিদ সৃষ্টির গুরুত্ব অপরিসীম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
17

উদ্ভিদ প্রজননঃ প্রজনন হল এমন একটি প্রক্রিয়া যা দ্বারা উদ্ভিদ এবং প্রাণী তার প্রতিরুপ বা বংশধর সৃষ্টি করে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

অপেক্ষাকৃত বড় ও নিশ্চল স্ত্রীগ্যামিটের সাথে ছোট ও সচল পুংগ্যামিটের যৌন মিলনই হলো নিষেক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
33
উত্তরঃ

পুংকেশরের কাজগুলো হলো-
i.পুংকেশর পুংজনন স্তবক গঠন করে থাকে।
ii.এরা পরাগধানীকে ধারণ করে।
iii. পুংকেশরের মাথায় অবস্থান করা পরাগধানী পরাগরেণু তৈরি করে, যা পরাগায়নে সহায়তা করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
35
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্র 'A' হলো পুংগ্যামিটোফাইট। পুংগ্যামিটোফাইটের প্রথম কোষ হলো পরাগরেণু।
পরাগরেণুর নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে দুটি অসম নিউক্লিয়াস তৈরি করে। বড়টিকে বলা হয় নালিকা নিউক্লিয়াস এবং ছোটটিকে বলা হয় জনন নিউক্লিয়াস। পরাগায়নের ফলে পরাগরেণু স্ত্রীকেশরের গর্ভমুণ্ডে পতিত হয় এবং অঙ্কুরিত হয়, অর্থাৎ ইনটাইন বৃদ্ধি পেয়ে জার্মপোর দিয়ে নালিকার, আকার বাড়তে থাকে। এ নালিকাকে পোলেন টিউব বলে। পোলেন টিউবের ভিতরে নালিকা নিউক্লিয়াস এবং পরে জনন নিউক্লিয়াস প্রবেশ করে। নালিকাটি গর্ভদণ্ডের ভেতর ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং গর্ভাশয়ের ভিতরে ডিম্বকরন্দ্র পর্যন্ত পৌছায়। ইতোমধ্যে জনন নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে দুটি পুংগ্যামেট সৃষ্টি করে। এভাবেই উদ্ভিদদেহে পরাগরেণু থেকে পুংগ্যামিটোফাইট সৃষ্টি হয়। ডিম্বকরন্দ্র পর্যন্ত পৌছায়। ইতোমধ্যে জনন নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে দুটি পুংগ্যামেট সৃষ্টি করে। এভাবেই উদ্ভিদদেহে পরাগরেণু থেকে পুংগ্যামিটোফাইট সৃষ্টি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
33
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্র 'B' হলো স্ত্রীগ্যামিটোফাইট বা পূর্ণাঙ্গ ভূণথলি। নিষেকের পর ভ্রূণথলির বিভিন্ন অংশ পরিবর্তিত হয়।

নিষেকের পর ডিম্বকরন্দ্র পরিবর্তিত হয়ে বীজরন্দ্রে পরিণত হয়। ডিম্বকনাভী পরিবর্তিত হয়ে বীজনাভীতে পরিণত হয়। ডিম্বক নাড়ী পরিবর্তিত হয়ে বীজবৃত্তে পরিণত হয়। এক্সাইন ও ইন্টাইনে পরিবর্তিত হয়ে যথাক্রমে টেস্টা ও টেগমেন তৈরি করে। নিষেকের পরে জুণপোষক বা নিউসেলাস নষ্ট হয়ে যায় অথবা পেরিস্পার্মে পরিণত হয়। সস্য নিউক্লিয়াস পরিবর্তিত হয়ে সস্য বা এন্ডোস্পার্ম তৈরি হয়। সাহায্যকারী কোষ এবং প্রতিপাদ কোষ নষ্ট হয়ে যায়। নিষেকের পর গর্ভাশয় পরিবর্তিত হয়ে ফলে পরিণত হয়। গর্ভাশয় প্রাচীর পরিবর্তিত হয়ে তৈরি হয় ফলত্বক। ডিম্বক পরিবর্তিত হয়ে বীজে পরিণত হয়। ডিম্বকের বহিঃত্বক রূপান্তরিত হয়ে বীজ বহিঃত্বক এবং ডিম্বক অন্তঃত্বক রূপান্তরিত হয়ে বীজ অন্তঃত্বক তৈরি করে। ডিম্বাণু পরিবর্তিত হয়ে তৈরি হয় ভুণ। এটি বীজের অভ্যন্তরে থাকে। এভাবে চিত্রের বিভিন্ন অংশ পরিবর্তিত হয়ে ফল তৈরি করে। সপুষ্পক উদ্ভিদের জনন কোষ দুটি গঠিত হওয়ার পর এদের মিলন ঘটলে ফুলের গর্ভাশয়টি ফলে এবং ডিম্বকসমূহ বীজে পরিণত হয়। বীজ উদ্ভিদের বংশ রক্ষা করে এবং বংশ বৃদ্ধি করে। নিষেকের মাধ্যমে উত্ত পরিবর্তন না ঘটলে ফল ও বীজের সৃষ্টি হতো না। ফলে খাদ্যের অভাবে প্রাণিকুল বিশেষ করে মানবজাতি ধ্বংস হয়ে যেতো

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
41
উত্তরঃ

নিষেক ক্রিয়া ছাড়া ডিম্বাণু হতে ভ্রূণ তৈরির প্রক্রিয়াই হলো পার্থেনোজেনেসিস।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
34
উত্তরঃ

ভূণথলিতে ডিম্বাণু ও সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে দুটি পুংগ্যামিটের মিলনকে একত্রে দ্বিনিষেক বলে। একই সময়ে ডিম্বাণুর সাথে একটি পুংগ্যামিটের মিলন ও সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে অপর পুংগ্যামিটের মিলন ঘটে। এক্ষেত্রে, দুটি পুংগ্যামিটের একটি ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়ে জাইগোট এবং অন্যটি সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে মিলিত হয়ে সস্য নিউক্লিয়াস গঠন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
34
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews