উত্তরঃ

কোনো জনসমষ্টিতে প্রতিবছর প্রতি হাজারে মোট যত শিশু জন্মগ্রহণ করে তা-ই স্থূল জন্মহার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অনেকটাই নির্ভর করে জনসংখ্যার উপর। কিন্তু অধিক জনসংখ্যা অনেক সময় দেশের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেলে দেশের সামগ্রিক চাহিদা বৃদ্ধি পায়। এই চাহিদা পূরণের জন্য প্রতিবছর খাদ্যঘাটতি মোকাবিলা, নিত্যপ্রয়োজনীয় অতিপ্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্য আমদানি করতে হয়। সে তুলনায় রপ্তানি দ্রব্যের পরিমাণ সীমিত হলে বাণিজ্যের ঘাটতি দেখা দেয়। তখন সেই দেশকে ঋণের নিচে চাপা পড়তে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত যে জনসংখ্যায় একটি দেশের উৎপাদন ও আয় সর্বোচ্চ হয় তাকে কাম্য জনসংখ্যা বলে। কোনো দেশের প্রকৃত জনসংখ্যা যদি কাম্য জনসংখ্যা থেকে কম হয় তাহলে তাকে নিম্ন জনসংখ্যা আর প্রকৃত জনসংখ্যা যদি কাম্য জনসংখ্যা থেকে বেশি হয় তাহলে তাকে অধিক জনসংখ্যা বলে। নিচে উদ্দীপকের B, C ও D বিন্দুতে অসামঞ্জস্যের পরিমাণ নির্ণয় করা হলো-

আমরা জানি, কাম্য জনসংখ্যা তত্ত্বের সূত্র হলো-

M =A-OO

এখানে, M = অসামঞ্জস্যের পরিমাণ

A = প্রকৃত জনসংখ্যা

o = কাম্য জনসংখ্যা

B বিন্দুতে অসামঞ্জস্যের পরিমাণ-

M = -

=-

= -.২০

প্রকৃত জনসংখ্যা = ৪ কোটি
কাম্য জনসংখ্যা = ৫ কোটি

অর্থাৎ দেখা যায়, ৪ বিন্দুতে ঋণাত্মক মান নির্দেশ করছে, যা কাম্য জনসংখ্যার চেয়ে কম জনসংখ্যা নির্দেশ করছে।

আবার, C বিন্দুতে অসামঞ্জস্যের পরিমাণ-

M = -==

প্রকৃত জনসংখ্যা = Q কোটি
কাম্য জনসংখ্যা = ৫ কোটি

অর্থাৎ, C বিন্দুতে অসামঞ্জস্যের পরিমাণ ০, অর্থাৎ B বিন্দুতে কাম্য জনসংখ্যা রয়েছে।
আবার, D বিন্দুতে অসামঞ্জস্যের পরিমাণ,

M= -==

প্রকৃত জনসংখ্যা = ৬ কোটি
কাম্য জনসংখ্যা = ৫ কোটি

এখানে দেখা যাচ্ছে, D বিন্দুতে অসামঞ্জস্যের পরিমাণ ০.২। অর্থাৎ C বিন্দুতে জনসংখ্যা কাম্য জনসংখ্যা অপেক্ষা অধিক

অতএব বলা যায়, উদ্দীপকের B বিন্দুতে কাম্য জনসংখ্যা অপেক্ষা কম জনসংখ্যা, C বিন্দুতে কাম্য জনসংখ্যা এবং D বিন্দুতে কাম্য জনসংখ্যা অপেক্ষা অধিক জনসংখ্যা রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের জনসংখ্যা কাম্য কি না তা কাম্য জনসংখ্যা তত্ত্বের আলোকে নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

সম্পদের দক্ষ ব্যবহারে যে জনসংখ্যায় সর্বোচ্চ উৎপাদন ও মাথাপিছু আয় নিশ্চিত হয় সে জনসংখ্যা কাম্য জনসংখ্যা বলে অভিহিত। এ তত্ত্ব অনুযায়ী যতক্ষণ পর্যন্ত দেশে জাতীয় আয় ও মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও জনাধিক্য ঘটেনি বলে মনে করতে হবে। দেশে যদি কাম্য জনসংখ্যা থাকে তাহলে প্রাকৃতিক সম্পদের উপযুক্ত ব্যবহারের মাধ্যমে জাতীয় উৎপাদন তথা জনগণের মাথাপিছু আয় সর্বাধিক হয় এবং জীবনযাত্রার মানও সর্বোচ্চ হয়। এছাড়া দেশের প্রকৃত জনসংখ্যা কাম্য অপেক্ষা কম হলে সে দেশকে 'নিম্ন জনসংখ্যার দেশ' এবং কাম্য অপেক্ষা বেশি হলে তাকে 'অধিক জনসংখ্যার দেশ' বলা হয়।
কাম্য জনসংখ্যা তত্ত্ব অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেলেও এখনো জনাধিক্যের সমস্যা সৃষ্টি হয়নি। এর পক্ষে যুক্তিসমূহ নিম্নরূপ-

⇒ জন্ম ও মৃত্যুহার: বাংলাদেশে জন্মহার যেমন বেশি মৃত্যুহারও তেমনি বেশি। ফলে জনসংখ্যা যে হারে বাড়ার কথা তা সে হারে বাড়ে না।

→ ক্রমবর্ধমান মাথাপিছু আয় বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ক্রমেই বাড়ছে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৩ অনুযায়ী এদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ৯২৩ মার্কিন ডলার। বর্তমানে তা ১৭৫২ মার্কিন ডলার।

⇒ নিম্ন জীবনযাত্রার মান এদেশের অধিকাংশ মানুষ নিম্ন মানের জীবন যাপন করে। অধিক জনসংখ্যা বহুলাংশে এর জন্য দায়ী।

⇒ সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক সম্পদ : এদেশ প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ। প্রাকৃতিক গ্যাস, পানি, কয়লা, সামুদ্রিক সম্পদের দক্ষ ব্যবহার করতে পারলে জীবনযাত্রার মান ও মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাবে।

⇒ কৃষির আধুনিকীকরণ: বাংলাদেশের কৃষিতে আধুনিক চাষাবাদের ফলে আমূল পরিবর্তন এসেছে। উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে কাম্য জনসংখ্যা তত্ত্ব অনুযায়ী এদেশ অতিরিক্ত জনসংখ্যার দেশ হিসেবে গণ্য নয়।

কাম্য জনসংখ্যার পরিপ্রেক্ষিতে যতই যুক্তি থাকুক না কেন বাংলাদেশে ম্যালথাসের তত্ত্ব অধিক প্রযোজ্য। দারিদ্র্য, বেকারত্ব, পুষ্টিহীনতা, জীবনযাত্রার নিম্নমান ইত্যাদি এদেশের মানুষের মধ্যে বিদ্যমান। তাই জনসংখ্যার বাস্তবতায় বাংলাদেশ অতিরিক্ত জনসংখ্যার দেশ হিসেবে গণ্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
16
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীবিকা অর্জনের জন্য স্ব-উদ্যোগে উৎপাদন কাজে নিয়োজিত থাকাই হলো আত্মকর্মসংস্থান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
73
উত্তরঃ

একটি দেশের জনসংখ্যার মধ্যে মৃত্যুর শতকরা অংশকে 'মৃত্যুহার বলে। মৃত্যুহার জনসংখ্যাকে হ্রাস করে বলে জন্মহার অপেক্ষা মৃত্যুহার বেশি হলে জনসংখ্যা হ্রাস পায়। আবার জন্মহার অপেক্ষা মৃত্যুহার কম হলে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায়। বিভিন্ন কারণে মৃত্যুহার হ্রাস পাওয়ায় বিশ্বের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
90
উত্তরঃ

উদ্দীপকে অধ্যক্ষ সাহেবের ছেলে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি পাস করে গ্রামে এসে মৎস্য খামারের কাজ শুরু করে। বর্তমানে একজন উচ্চশিক্ষিত ছেলে গ্রামে এসে মৎস্য চাষ করবে, এটা কেউ ভাবতেই পারে না। কারণ, এত কষ্ট করে পড়াশোনা করে কেউ গ্রামে গিয়ে মৎস্য চাষ করতে চায় না। তেমনি অধ্যক্ষ সাহেবও চাননি। কিন্তু অধ্যক্ষ সাহেবের ছেলে চায় নিজের উদ্যোগে নিজেকে স্বাবলম্বী করতে। যেকোনো চাকরি করতে গেলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অধীনে কাজ করতে হয়। তাদের কথামতো সব কাজকর্ম করতে হয়। নিজের কোনো স্বাধীনতা থাকে না। কিন্তু যখন নিজের উদ্যোগে কোনো কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায়, তখন আর কারও অধীন থাকতে হয় না। নিজের স্বাধীনতা বজায় রেখেই কাজ করা যায়।

অতএব বলা যায়, উল্লিখিত কারণেই অধ্যক্ষ সাহেবের ছেলে এমএসসি পাস করেও গ্রামে এসে নিজ উদ্যোগে মৎস্য খামারে কাজ শুরু করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
61
উত্তরঃ

উদ্দীপকে অধ্যক্ষ সাহেবের ছেলে যে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটি হচ্ছে আত্মকর্মসংস্থান। নিচে আত্মকর্মসংস্থানের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করা হলো-

জীবিকা অর্জনের জন্য স্ব-উদ্যোগে উৎপাদন কাজে নিয়োজিত থাকাকে আত্মকর্মসংস্থান বলে। একজন কর্মক্ষম ও কর্মে ইচ্ছুক ব্যক্তি বেকারত্ব লাঘবে স্বাধীনভাবে কোনো উৎপাদনকর্মে নিয়োজিত হলেই তাকে আত্মকর্মসংস্থান বলে অভিহিত করা হয়। বাংলাদেশের মতো জনাধিক্যের দেশের সব শ্রমশক্তিকে প্রচলিত ধারায় কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া সম্ভম্ব নয়।
বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে আত্মকর্মসংস্থান প্রয়োজন। বেকারত্বের কারণে বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় কম। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির জন্য আত্মকর্মসংস্থান প্রয়োজন। জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য আত্মকর্মসংস্থান প্রয়োজন। বেকার জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থান তৈরি করার মতো মূলধন সরকারের না থাকায় আত্মকর্মসংস্থান সরকারের বাজেট ব্যবস্থাপনায় চাপ কমায়। বেকারত্ব ও দরিদ্রতা সামাজিক অস্থিরতার জন্ম দেয়, তাই আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে বেকারত্ব ও দারিদ্র্য দূর করতে
পারলে সামাজিক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে বেকার জনগোষ্ঠী উন্নয়নকাজে অংশগ্রহণ করলে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়।

উপর্যুক্ত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের মতো জনবহুল উন্নয়নশীল দেশে আত্মকর্মসংস্থানের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
62
উত্তরঃ

জনসংখ্যার ঘনত্ব নির্ণয়ের সূত্রটি হলো, DP = TPTA যেখানে, DP = জনসংখ্যার ঘনত্ব, TP = মোট জনসংখ্যা, TA = মোট আয়তন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
96
উত্তরঃ

যে জনসংখ্যায় একটি দেশের উৎপাদন ও আয় সর্বোচ্চ হয়, তাকে কাম্য জনসংখ্যা বলে। একটি দেশে প্রাকৃতিক সম্পদ, মূলধন ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে জনসংখ্যা যে আয়তন/পরিমাণ দ্বারা সর্বোচ্চ মাথাপিছু আয় অর্জিত হয়, সেই জনসংখ্যার আয়তন/পরিমাণকে কাম্য জনসংখ্যা বলা হয়। কাম্য জনসংখ্যায় মোট জনসংখ্যা ও কর্মজীবী জনসংখ্যার অনুপাত স্থির থাকে। তাই উক্ত জনসংখ্যায় পূর্ণ নিয়োগ অবস্থা বর্তমান থাকে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
108
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews