১. এক বাহু আঁকি। (ত্রিভুজের ভূমি কখ: ৭ সেমি)

(২) খ বিন্দুতে ৯০০ পরিমাপের একটি কোণ বা লম্ব আঁকি।

(৩) লম্ব থেকে ৪ সেমি পরিমাণ কেটে নিই।

(৪) ক বিন্দু থেকে একটি রেখা আঁকি এবং ক কোণের বাহুর সাথে গ বিন্দুতে মিলাই।

(৫) এখন, কখগ প্রদত্ত ত্রিভুজটি হলো।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View All
২৫°
১. কখ সরলরেখা আঁকি।
২. ক বিন্দুতে চাঁদার কেন্দ্রবিন্দু স্থাপন করি এবং কখ রেখাকে ০° বরাবর মিলাই।
৩. ২৫° পরিমাপে একটি বিন্দু গ নিই।
৪. চাঁদা সরিয়ে ফেলি এবং ক থেকে গ বিন্দু পর্যন্ত স্কেলের সাহায্যে একটি রেখা টানি।
৫. ∠খকগ = ২৫° < ৯০°। সুতরাং কোণটি সুক্ষ্মকোণ।

৭৫°
১. কখ সরলরেখা আঁকি।
২. ক বিন্দুতে চাঁদার কেন্দ্রবিন্দু স্থাপন করি এবং কখ রেখাকে ০° বরাবর মিলাই।
৩. ৭৫° পরিমাপে একটি বিন্দু গ নিই।
৪. চাঁদা সরিয়ে ফেলি এবং ক থেকে গ বিন্দু পর্যন্ত স্কেলের সাহায্যে একটি রেখা টানি।
৫. ∠খকগ = ৭৫° < ৯০°। সুতরাং কোণটি সুক্ষ্মকোণ।

৯০°
১. কখ সরলরেখা আঁকি।
২. ক বিন্দুতে চাঁদার কেন্দ্রবিন্দু স্থাপন করি এবং কখ রেখাকে ০° বরাবর মিলাই।
৩. ৯০° পরিমাপে একটি বিন্দু গ নিই।
৪. চাঁদা সরিয়ে ফেলি এবং ক থেকে গ বিন্দু পর্যন্ত স্কেলের সাহায্যে একটি রেখা টানি।
৫. ∠খকগ = ৯০° যা একটি সমকোণ।

১২০°
১. কখ সরলরেখা আঁকি।
২. ক বিন্দুতে চাঁদার কেন্দ্রবিন্দু স্থাপন করি এবং কখ রেখাকে ০° বরাবর মিলাই।
৩. ১২০° পরিমাপে একটি বিন্দু গ নিই।
৪. চাঁদা সরিয়ে ফেলি এবং ক থেকে গ বিন্দু পর্যন্ত স্কেলের সাহায্যে একটি রেখা টানি।
৫. খকগ = ১২০° যা ৯০° থেকে বড়ো কিন্তু ১৮০° থেকে ছোটো।
সুতরাং কোণটি স্থূলকোণ।
১. এক বাহু আঁকি। (ত্রিভুজের ভূমি কখ: ৪ সেমি)

(২) ভূমির বামপ্রান্ত ক বিন্দু থেকে ৬ সেমি দৈর্ঘ্য আঁকি।

(৩) ভূমির ডানপ্রান্ত খ বিন্দু থেকে ৬ সেমি দৈর্ঘ্য আঁকি।

(৪) প্রাপ্ত বিন্দুটি ব্যবহার করে ত্রিভুজের বাকি দুই বাহু আঁকি।

(৫) এখন, কখগ প্রদত্ত ত্রিভুজটি হলো।
১. এক বাহু আঁকি। (ত্রিভুজের ভূমি কখ: ৫ সেমি)

(২) ক বিন্দুতে ৬০° পরিমাপের একটি কোণ আঁকি।

(৩) খ বিন্দুতে ৬০° কোণ খুঁজে বের করি।

(৪) খ থেকে একটি রেখা আঁকি এবং ক কোণের সাথে গ বিন্দুতে বিন্দুগুলো মিলাই।

(৫) এখন, কখগ প্রদত্ত ত্রিভুজটি হলো।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!


