জিআইএস-এর পূর্ণরূপ হলো Geographical Information System.
মানচিত্র প্রণয়নে সর্বদা দূরত্বের একই একক ব্যবহার করা হয় না। কখনও ইঞ্চি বা কখনও সেন্টিমিটার ব্যবহার করা হয়। আর বিভিন্ন দেশে দূরত্ব পরিমাপের জন্য স্বতন্ত্র একক রয়েছে, যেমন- রাশিয়ার 'ভার্সট'। সুতরাং, এক দেশের এককের মাধ্যমে মানচিত্রে স্কেল প্রকাশ হলে ভাষাগত কারণে তা অন্য দেশের লোকের কাছে ব্যবহারযোগ্য হবে না। এ অসুবিধা দূর করার জন্য প্রতিভূ অনুপাত পদ্ধতি উদ্ভাবিত হয়েছে। ইংরেজিতে একে Representative Fraction বা সংক্ষেপে R.F এবং বাংলায় প্র.অ. বলে।
উপরের ১ নম্বর চিত্রটি প্রাকৃতিক মানচিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়।
চিত্র-১
চিত্র-১ এ উল্লিখিত পাহাড় হচ্ছে এক ধরনের ভূমিরূপ এবং নদী হচ্ছে ভূমিরূপ পরিবর্তনকারী শক্তি (agent)।
উাধারণত প্রাকৃতিক মানচিত্রে পাহাড়, মালভূমি, সমভূমি, নদী, উপত্যকা, হ্রদ ইত্যাদি ভূপ্রকৃতি দেখানো হয়। আবার কার্যভিত্তিক প্রাকৃতিক (functional physical map) মানচিত্রে কোনো দেশ বা অঞ্চলের বিভিন্ন প্রাকৃতিক ভূদৃশ্য (landscape) দেখানো হয়। সুতরাং ১ নম্বর চিত্রটি প্রকাশে প্রাকৃতিক মানচিত্র উপযোগী।
চিত্র-২ এর মানচিত্রটি হচ্ছে মৌজা বা ক্যাডাস্ট্রাল মানচিত্র।
ক্যাডাস্ট্রাল শব্দটি এসেছে ফ্রেঞ্চ ক্যাডাস্ট্রে থেকে, যার অর্থ হলো রেজিস্ট্রিকৃত সম্পত্তি। সাধারণত গ্রামের জমিগুলো এ ধরনের মানচিত্রে দেখানো হয়। আমাদের জীবনে মৌজা বা ক্যাডাস্ট্রাল (Cadastral) মানচিত্রের গুরুত্ব নিচে আলোচনা করা হলো-
মৌজা মানচিত্র তৈরি করা হয় রেজিস্ট্রিকৃত ভূমি বা বিল্ডিং এর মালিকানার সীমানা চিহ্নিত করার জন্য। এই মানচিত্রে নিখুঁতভাবে সীমানা দেয়া থাকে। এ মানচিত্রটি বৃহৎ স্কেলে অঙ্কন করা হয়। যেমন- ১৬ বা ৩২ ইঞ্চিতে ১ মাইল। যার ফলে বিবিধ তথ্য (প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক) এ মানচিত্রে প্রকাশ করা যায়। আমাদের গ্রামের মানচিত্র এবং শহরের পরিকল্পনা মানচিত্রগুলো মৌজা মানচিত্রের অন্তর্ভুক্ত। এই মানচিত্রের মাধ্যমেই সরকার হিসাব করে ভূমির মালিকের কাছ থেকে কর আদায় করে।
সুতরাং উপরের আলোচনা হতে বলা যায় যে, আমাদের জীবনে ক্যাডাস্ট্রাল মানচিত্র তথা চিত্র-২ এর গুরুত্ব অপরিসীম।
Related Question
View Allআকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় স্থির করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে।
সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।
জাউদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা = ৬ ঘণ্টা = (৬ × ৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]
উদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা
সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা
= ৬ ঘণ্টা
= (৬৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]
আকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় নির্ধারণ করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে।
সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!