উত্তরঃ

পরিসংখ্যানে পরিসর নির্ণয়ের সূত্র হলো, পরিসর = (সবচেয়ে বড় সংখ্যা – সবচেয়ে ছোট সংখ্যা) + ১

উত্তরঃ

কোনো গবেষণা বা অনুসন্ধানের উদ্দেশ্যে অনুসন্ধান ক্ষেত্র থেকে অনুসন্ধান কার্যে ব্যবহৃত কোনো বৈশিষ্ট্যের সংখ্যাত্মক প্রকাশকে উপাত্ত বা তথ্য বলে। গবেষণা বা অনুসন্ধান কার্যক্রমের উদ্দেশ্য হলো উপাত্ত বা তথ্য (Data) সংগ্রহ করা। কোনো বিষয় বা সমস্যা সম্পর্কে গবেষণা করতে হলে বিষয় বা সমস্যা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া প্রয়োজন। এ ধারণাই যদি সংখ্যাত্মকভাবে প্রকাশ করা হয় তাকে উপাত্ত বলে। যেকোনো অনুসন্ধান বা গবেষণাকর্মের জন্য উপাত্ত বা তথ্য কাঁচামালস্বরূপ।
উপাত্ত অবশ্যই সংখ্যাত্মক হবে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, একটি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সর্বোচ্চ স্থান অধিকারী ১০ জন ছাত্র-ছাত্রীর গণিত বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর হলো ৮৬, ৮২, ৮৫, ৮৭, ৮০, ৭৯, ৮২, ৮৬, ৮৩, ৮৪।

উত্তরঃ

আমাদের দেশের অর্থাৎ আবহাওয়া অধিদপ্তর পরিসংখ্যান বিজ্ঞানের সূত্র ও পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত প্রদান করে থাকে।
পরিসংখ্যানের ইংরেজি প্রতিশব্দ Statistics শব্দটি ইতালীয় শব্দ 'Statista' থেকে সৃষ্টি হয়েছে। তবে প্রথম দিকে Statistics শব্দটি রাষ্ট্রের ক্রিয়াকলাপ বোঝাতে ব্যবহৃত হলেও পরবর্তীকালে তা আরও ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত হচ্ছে। পরিসংখ্যান বিজ্ঞান বলতে আমরা এমন এক তথ্য গাণিতিক বিজ্ঞানকে বুঝি, যা কোনো বিরাট জনসমষ্টি বা বস্তু সমষ্টি সম্বন্ধে সংখ্যার দ্বারা নির্দেশযোগ্য কতকগুলো তথ্য বা ঘটনার সংগ্রহ, সমাকলন ও শ্রেণীকরণের কাজে নিযুক্ত থাকে এবং তার সাহায্যে সংখ্যায় প্রকাশযোগ্য নতুন উপাত্তের আলোকপাত করে। পরিসংখ্যানের প্রধান কাজ হলো সংখ্যাগতভাবে তথ্য সংগ্রহ করা অর্থাৎ ঘটনা বা তথ্য সংগ্রহ করে তাকে সংখ্যার দ্বারা প্রকাশ করা।
উদ্দীপকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জলবায়ুর বিভিন্ন নিয়ামক যেমন- তাপমাত্রা, আদ্রতা প্রভৃতি বিষয়ে সংখ্যাতাত্মিক তথ্য সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করে। তাই বলা যায়, উক্ত প্রতিষ্ঠানটি পরিসংখ্যান বিজ্ঞানের সূত্র ও পদ্ধতি প্রয়োগ করে।

উত্তরঃ

মনোবিজ্ঞানে উক্ত বিজ্ঞান অর্থাৎ পরিসংখ্যান পাঠের ব্যাপক প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। পরিসংখ্যান কোনো নির্দিষ্ট পরিস্থিতি সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞানদান করে এবং তার মাধ্যমে নীতি প্রণয়নে সহায়তা করে। এর ভিত্তিতে মানবকল্যাণ সম্পর্কিত যেকোনো সমস্যা সম্বন্ধে সম্যক ধারণা লাভ করার ব্যাপারেও পরিসংখ্যান সাহায্য করে।
মনোবিজ্ঞান হলো পরীক্ষণ নির্ভর আচরণ-বিজ্ঞান। তাই মনোবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু হলো মানুষের আচরণ এবং মানুষের আচরণ সম্বন্ধে তথ্য আহরণ করার জন্য মনোবিজ্ঞানীগণ প্রতিনিয়ত পরীক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন। এই সকল সংগৃহীত, রাশিকৃত তথ্য থেকে মানুষের আচরণ সম্বন্ধে সাধারণ সূত্র আবিষ্কারের জন্য পরিসংখ্যান পদ্ধতির প্রয়োজন। গবেষণার প্রতিটি স্তরে অর্থাৎ পরিকল্পনা প্রণয়ন থেকে শুরু করে ফলাফলের বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করা পর্যন্ত সকল ক্ষেত্রেই পরিসংখ্যান পদ্ধতির প্রয়োজন।
মনোবিজ্ঞানে পরিসংখ্যানের পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তার মধ্যে রয়েছে পরীক্ষণ পদ্ধতির পরিপূরক হিসেবে ব্যবহার। মনোবিজ্ঞানে পরিসংখ্যান পদ্ধতি প্রয়োগের ফলে আচরণ সম্পর্কিত বর্ণনা বর্তমানে বহুলাংশে নির্ভুল, নিখুঁত, নৈর্ব্যক্তিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক হয়ে উঠেছে। সাধারণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ, উপাদান বিশ্লেষণ, পরিকল্পনা গ্রহণ, বিভিন্ন ঘটনার কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় এবং প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পূর্বানুমানে মনোবিজ্ঞানে পরিসংখ্যানের ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

131

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো বণ্টনের সবচেয়ে বড় সংখ্যা থেকে সবচেয়ে ছোট সংখ্যার বিয়োগফলের সাথে ১ যোগ করলে যে মান পাওয়া যায় তাকে পরিসর বলে।

546
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় প্রবণতা হলো তথ্যসারির একটি প্রতিনিধিত্বকারী মান যার চারদিকে অন্যান্য সংখ্যা জড়ো হয়। কেন্দ্রীয় প্রবণতা বলতে বোঝায় X-অক্ষের ওপর একদল সাফল্যাঙ্ককের অবস্থান অথবা একটি পৌনঃপুন্য বণ্টনের সাফল্যাংকের একটি কেন্দ্রীয় বিন্দুর চার পাশে জড় হওয়ার প্রবণতা। আমরা যখন কোনো পৌনঃপুন্যের বণ্টন লক্ষ করি তখন দেখা যায় যে, সাফল্যাঙ্কগুলোর বণ্টনের মাঝামাঝি বিন্দুতে, অর্থাৎ কেন্দ্রস্থলে স্তূপীকৃত হওয়ার এবং দুই প্রান্তে ক্রমশ বিরল হয়ে আসার একটা প্রবণতা রয়েছে। একে কেন্দ্রীয় প্রবণতা বলে।

1.9k
উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-১ এর 'B' চিহ্নিত স্থানে মধ্যক বা মধ্যমাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
দৃশ্যকল্প-১ কেন্দ্রীয় প্রবণতা বিভিন্ন পরিমাপকে দেখানো হয়েছে। আমরা জানি, কেন্দ্রীয় প্রবণতার কেন্দ্রমুখী অংশসমূহকে ৩টি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: গড় বা গাণিতিক গড়, মধ্যক বা মধ্যমা এবং কেন্দ্রিক বা প্রচুরক। প্রদত্ত ছকের প্রথমাংশে গড় উল্লেখ থাকায় এটা খুব সহজেই অনুমান করা যায় যে 'B' অংশে মধ্যক বা মধ্যমা এবং 'C' অংশে কেন্দ্রীক বা প্রচুরককে নির্দেশ করা হয়েছে।
দৃশ্যকল্প-১ এ 'B' চিহ্নিত স্থান তথা মধ্যমা বা মধ্যক নির্ণয়ের সূত্র

নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-অবিন্যস্ত উপাত্ত থেকে মধ্যক নির্ণয়ের সূত্র হলো-

Mdn = N+1 তম সংখ্যা

2

এখানে, N হলো সাফল্যাঙ্ককের মোট সংখ্যা সংখ্যাগুলোকে ক্রমানুসারে সাজিয়ে মোট সাফল্যাংক তথা N এর সাথে ১ যোগ করে ২ দ্বারা ভাগ করতে হবে। প্রাপ্ত সংখ্যাটি হবে মধ্যক। বিন্যাস্ত উপাত্ত থেকে মধ্যক নির্ণয়ের সূত্র হলো-

এখানে Mdn= মধ্যক

L = মধ্যক যে শ্রেণিতে আছে সেই শ্রেণির প্রকৃত নিম্নসীমা।

cfl = মধ্যক যে শ্রেণিতে আছে তার নিচের শ্রেণির ক্রমবর্ধিষ্ণু পৌনঃপুন্য

f= মধ্যক যে শ্রেণিতে আছে সেই শ্রেণির পৌনঃপুন্য

N = পৌনঃপুন্যের সমষ্টি।

i = শ্রেণিসীমা

310
উত্তরঃ

প্রদত্ত সারণি হতে 'C' চিহ্নিত পরিমাপটি তথা প্রচুরক নিচে নির্ণয় করে দেখানো হলো-

শ্রেণি ব্যবধান

পৌনঃপুন্য

৪০-৪৪

৩৫-৩৯

৩০ - ৩৪

২৫- ২৯

২০- ২৪

১৫ - ১৯

১০-১৪

N = ৪০

এখন, প্রচুরক =Lmo

Lmo = যে শ্রেণির পৌনঃপুন্য সবচেয়ে বেশি সেই শ্রেণির প্রকৃত নিম্নসীমা

fa = সবচেয়ে বেশি পৌনঃপুন্য বিশিষ্ট্য শ্রেণির পূর্ববর্তী শ্রেণির পৌনঃপুন্যের পার্থক্য।

fb = সবচেয়ে বেশি পৌনঃপুন্য বিশিষ্ট্য শ্রেণির পরবর্তী শ্রেণির পৌনঃপুন্যের পার্থক্য

i = শ্রেণিসীমা

এখন,

= ২৪.৫ + ১.৬৭

= ২৬.১৭

নির্ণেয় প্রচুরক ২৬.১৭।

217
উত্তরঃ

কোনো বণ্টনের সবচেয়ে বড় সংখ্যা থেকে সবচেয়ে ছোট সংখ্যার বিয়োগফলের সাথে ১ যোগ করলে যে মান পাওয়া যায় তাকে পরিসর বলে।

2.3k
উত্তরঃ

পরিসরকে শ্রেণি ব্যবধান দ্বারা ভাগ করলে পাওয়া যাবে শ্রেণিসংখ্যা।
পৌনঃপুন্য বণ্টনের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো শ্রেণিরসংখ্যা নির্ণয় করা।
শ্রেণিসংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র হলো:


শ্রেণিসংখ্যা = পরিসর

শ্রেণি ব্যবধান
শ্রেণিসংখ্যা প্রাপ্ত তথ্যের ওপর নির্ভর করলেও সাধারণত ৫ থেকে ১০ এর মধ্যে হলে ভালো হয়।

595
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews