Hides(পশুচর্ম অজিন)and skins are the raw material of the leather manufacturer or tanner(চামড়া পাকা করার কাজে নিয়োজিত কর্মী). When man first used animal skins is not known. Skins, even when preserved by tanning(চামড়া পাকা করণ) , do not last as long as stone, pottery(মৃৎশিল্প),  metals and bones, and our knowledge about the early use of skins in vague.  However, the numerous flint scrappers (ধ্বংসাশের পাথরের টুকরো) and bone or ivory sewing needles in our museums show that tens of thousands of years ago, in the early Stone Age, skins were prepared and used long before textiles. Nowadays, hides and skins are essential raw materials and important articles (বস্তু) of commerce. Any animal skin can be made into leather, but the skin chiefly used come from cattle, sheep, goats, pigs and horses. To a lesser extent the skins from dogs, deer, reptiles, marine animals, fish and birds are also used. Snakes, lizards, seals, whales and sharks all contribute to the leather manufacture. ‘Hide’ is the trade word for the skins of the larger animals such as full grown cattle and horses; and ‘skin’ for the smaller animals and immature larger animals, such as ponies and calves. Some skin are made into leather after the hair or wool has been removed; but the skins of the fur-bearing animals and sometimes of sheep, lambs (and ponies are processed, or ‘dressed’, with the hair or wool still in place. Most cattle hides come from South America, the U.S.A, and from Australia with smaller quantities from East and West Africa, Central America and the Sudan. Sheepskins come from Australia and New Zealand, and the best goat skins comes from India, Pakistan, Ethiopia, Saudi Arabia and Nigeria. There is usually a long interval between the flaying or stripping, of the skin from the animals and putting it into tannery for processing. If the flayed skins were left wet, they would go bad, just like meat; they must therefore be preserved in some way. The commonest method is salting. This involves sprinkling the skins with salt on their inner side; or immersing the skins completely in strong salt solution for some hours, after which they are drained and sprinkled with solid salt. Another method is drying is to stretch the skins out on the grounds, or on frames and to dry them in the sun, or even better in the shade. Beetles and other insects eat skins and must be kept away by the use of some chemical such as D.D.T. The dried skins are called ‘crust’ leather and are sent in this farm to the tanneries for the very complicated process of tanning. After tanning, only the middle layer of the skin is left to provide leather as we know it. It is to the closely knit fiber structure of the middle layer that leather owes its virtues of flexibility, strength and elasticity, its resistance to rubbing and its unique power of allowing water vapour and air to pass through it while resisting penetration by liquid water itself.

Summarize the passage in your own words in 100 words.

Updated: 10 months ago
No explanation available yet.
456

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাসমূহে ইংরেজি ভাষাজ্ঞানের সাথে সাথে বিশ্লেষণী শক্তি ও মানসিক দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য Reading Comprehension একটি গুরুত্বপূর্ণ Test Area হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই একটিমাত্র বিষয় ছাড়া অন্যান্যগুলো মোটামুটিভাবে স্মৃতিশক্তি নির্ভর। Literature, Grammar, Vocabulary ইত্যাদি বিষয়গুলো মুখস্থ করে কমবেশি উত্তর দেয়া সম্ভব। কিন্তু একমাত্র ব্যতিক্রম Reading Comprehension যাতে সমৃদ্ধ Vocabulary সম্পন্ন প্রতিযোগিদেরকেও গলদঘর্ম হতে হয়। কারণ Reading-এর ক্ষেত্রে শুধু শব্দার্থ জানাই জরুরি নয় বরং Passage-এর সামগ্রিক অর্থ ও ভাবার্থ অনুধাবনই অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ। অধিকন্তু পাঠকের শব্দ ভাণ্ডার সমৃদ্ধ হলেও শব্দের প্রায়োগিক অর্থের চেয়ে সাধারণ অর্থের ওপর অধিক নির্ভরশীল হলে Comprehension থেকে কাঙ্ক্ষিত ফল লাভ সম্ভব নয়। আর এসব কারণেই Reading Comprehension একটি ভীতিকর বিষয়। কিন্তু প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকাই যেখানে মূল লক্ষ্য সেখানে Reading-এর মতো একটি তুচ্ছ (!) বিষয়কে প্রতিবন্ধক হিসেবে দাঁড় করিয়ে রাখা মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। সত্যি বলতে কি, Reading-এর অর্থ, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, প্রক্রিয়া, কৌশল ইত্যাদি সম্বন্ধে প্রাথমিক ধারণা থাকলে Comprehension-এর উত্তর দেয়া কিছুটা কঠিন হলেও দুঃসাধ্য কিছু নয়। বিষয়টি অনেকের কাছে তাত্ত্বিক মনে হলেও আপনি যদি (পরীক্ষার) প্রশ্নকর্তার ভূমিকা নিয়ে বিষয়টির গভীরে যাওয়ার চেষ্টা করেন তাহলে দক্ষ Reader না হয়েও অবলীলায় Reading Comprehension-এর উত্তর দেয়া আপনার জন্য সহজসাধ্য হবে বলে আশা করা যায়। Practice-এর জন্য কিছু Comprehension দেয়া হলো:

What is Reading (Reading কী)?

বিদেশী পণ্য বা বইয়ের পিছনে এক কোণায় উল্লম্ব কালো কালো দাগ ও অজ্ঞাত সংখ্যা বিশিষ্ট একটি সাদা চতুর্ভুজ হয়ত অনেকেই দেখেছেন। একে বলা হয় বারকোড বা রেখা সংকেত। এই বারকোডের মধ্যে ঐ পণ্যের বিস্তারিত তথ্য ও মূল্য 'সাংকেতিক চিহ্নের মাধ্যমে লেখা' তথা Encode করা থাকে।

বিশেষ যন্ত্র বা কম্পিউটারের মাধ্যমে এ সাংকেতিক লেখার (Code) 'অর্থোদ্ধার' তথা Decode করা হয়।

খুব সহজভাবে বুঝতে, Reading কে আমরা বারকোডের সাথে তুলনা করতে পারি। লেখক একটি Passage-এ তার অর্থ ও ভাবার্থ Encode করেন এবং পাঠক তা Decode করে থাকেন। সুতরাং সহজ কথায় Reading is a decoding process অর্থাৎ Reading হচ্ছে একটি 'অর্থোদ্ধার' প্রক্রিয়া।

"The Oxford Companion to the English Language' নামক গ্রন্থে Reading-এর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে-'Reading is the process of extracting meaning from written or printed language'.

অর্থাৎ লিখিত বা মুদ্রিত ভাষা থেকে অর্থের নির্যাস বের করার প্রক্রিয়াকে Reading বলা হয়।

'Longman Dictionary of Applied Linguistics' গ্রন্থে Comprehension-এর সংজ্ঞায় একইভাবে বলা হয়েছে-

'Comprehension is the process by which a person understands the meaning of written or spoken language'.

Types of Reading Comprehension (Comprehension-এর প্রকারভেদ)

পূর্বোক্ত গ্রন্থে Reading comprehension-এর যেসব প্রকার বর্ণনা করা হয়েছে সে হিসেবে Comprehension মোটামুটি ৪ প্রকার:

  1. Literal Comprehension: Passage-এর সুস্পষ্টভাবে পদ ও তথ্যসমূহ বোঝা, মনে রাখা এবং মনে করতে পারাকে Literal Comprehension বলা হয়। Literal অর্থ শাব্দিক বা আক্ষরিক। এর মাধ্যমে প্যাসেজের শুধু শাব্দিক অর্থ জানা যায়, যা Advanced reading-এর জন্য যথেষ্ট নয়।
  2. Inferential Comprehension: পাঠকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, অন্তজ্ঞান ও অনুমানের মাধ্যমে Passage-এ যেসব বিষয় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই সেগুলো হৃদয়ঙ্গম করাকে Inferential Comprehension বলে। দক্ষ Reader হওয়ার জন্য এ ধরনের Comprehension-এর বিকল্প নেই।
  3. Critical or Evaluative Comprehension: Passage-এ প্রদত্ত তথ্যকে পাঠকের জ্ঞান ও মূল্যবোধের সাথে তুলনা করতে পারার যোগ্যতাই Critical Comprehension। এ ধরনের Comprehension-এর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের প্রতি লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি, Attitude ও Style অনুধাবন করার যোগ্যতা অর্জন করতে হয়।
  4. Appreciative Comprehension: প্রদত্ত Passage থেকে আবেগময় (Emotional) বা অন্য কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে তাকে Appreciative Comprehension বলে।
What Makes Reading Difficult (যেসব কারণে Reading কঠিন মনে হয়)

বিভিন্ন কারণে Reading কঠিন হয়ে উঠতে পারে। একটি Passage একজনের কাছে সহজ কিন্তু অন্যজনের কাছে কঠিন মনে হতে পারে। যেসব কারণে Reading কঠিন হয়ে ওঠে সেগুলোর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নিচে দেয়া হলো:

  1. Difference in Language: লেখক ও পাঠকের Code বা ভাষা যদি ভিন্ন হয় তাহলে Reading কঠিন হয়ে ওঠে। সুতরাং লেখকের ভাষা সম্বন্ধে পাঠকের যত বেশি জ্ঞান, চর্চা ও অভিজ্ঞতা থাকবে পাঠকের কাছে তা তত সহজ বলে মনে হবে। আর এ কারণেই ইংরেজি আমাদের কাছে এত কঠিন মনে হয়।
  2. Problem in Vocabulary: কোনো ভাষায় দক্ষ হওয়ার জন্য প্রয়োজন সেই ভাষার সমৃদ্ধ Vocabulary। বেশি শব্দ জানা থাকলে Passage বুঝতে বেশি সুবিধা হয়। শুধু শব্দ জানলেই হবে না, ঐ শব্দের আক্ষরিক ও প্রায়োগিক অর্থ সম্বন্ধে স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে।
  3. Subject-wise Knowledge: বিভিন্ন বিষয় থেকে নেয়া Passage অনেকের কাছে দুর্বোধ্য মনে হবে। কারণ যিনি রসায়ন ব ভূগোল পড়েননি বা এ সম্পর্কে তার প্রাথমিক ধারণা নেই, ঐসব Passage তার কাছে বেশি কঠিন মনে হতে পারে।
  4. Difficulty is Concepts and Style: শাব্দিক অর্থ জানলেও কোনো সুনির্দিষ্ট বিষয়ে Clear concept থাকলে বা লেখকের Style সম্পর্কে অবহিত না থাকলে Reading অস্বস্তিকর হতে পারে।

ওপরের আলোচনা থেকে এটা পরিষ্কার যে, শুধু শাব্দিক জটিলতার কারণে নয়, লেখক, লেখা ও পাঠকের মাঝে কিছু সাধারণ (Common) বিষয়ে ঘাটতি থাকলে Reading দুর্বোধ্য হতে বাধ্য।

Role of Background Knowledge in Reading

কোনো বিষয় সম্বন্ধে আমরা তখনই অনুমান করতে পারি যখন ঐ বিষয় সম্বন্ধে আমাদের পূর্বজ্ঞান বা Background knowledge থাকে। এই পূর্বজ্ঞানের ধারণাটিকে Reading-এর পরিভাষায় Schema theory বলা হয়। Schema এমন একটি মানসিক দক্ষতা যা অভিজ্ঞতার মাধ্যমে অর্জিত হয়। যেমন: Road accident সংক্রান্ত যদি কোনো Passage দেয়া হয়, তাহলে এ সম্পর্কে পূর্বজ্ঞান বা অভিজ্ঞতা থাকলে তা দ্রুত বুঝতে সুবিধা হয়। অন্যদিকে কোনো Passage-এ যদি তুষার ঝড়ের বর্ণনা থাকে তাহলে এ সম্পর্কে অনবহিত পাঠকের কাছে এটা দুর্বোধ্য হতে বাধ্য। তদ্রুপ কোনো Text-এ যদি Technical term বা বিশেষ পরিভাষা থাকে তবে ঐ Text পাঠকের কাছে জটিল হয়ে ওঠে। তেমনি কোনো দেশের সংস্কৃতি সম্বন্ধে যথাযথ জ্ঞান না থাকলে cultural schema বুঝতে সমস্যা হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তাই Reading Skill বৃদ্ধির জন্য Background knowledge বা Schema গুরুত্বপূর্ণ। Schema সমৃদ্ধকরণ একটি দীর্ঘ দিনের প্রক্রিয়া যা বেশি বেশি Reading Activities-এর মাধ্যমে আরো সমৃদ্ধ হয়। Reader-এর পূর্ব জ্ঞানের পরিধি যত প্রশস্ত হয়, Comprehension তত বিস্তৃত হতে থাকে। সুতরাং আমরা দেখছি যে, পাঠক, লেখকের Background knowledge যত বেশি Share করেন, Comprehension তত বেশি সহজ ও স্বচ্ছন্দ হয়।

Process of Reading (পঠন প্রক্রিয়া)

যে কোনো জটিল বিষয় আয়ত্ত করার জন্য যেমন প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার, তেমনি Difficult reading আত্মস্থ করার জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া রয়েছে। পড়ার এ দুটি প্রক্রিয়াই ব্যবহৃত হয়। তবে মাঝে মাঝে একটি আরেকটির ওপর প্রভাব বিস্তার করলেও উভয়টিই অত্যন্ত জরুরি। Reading-এর প্রক্রিয়া দুটি হচ্ছে:

  1. The top-down process
  2. The bottom-up process

1. The Top-down Process of Reading: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাঠক তার অভিজ্ঞতা ও বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে পূর্বজ্ঞানের মাধ্যমে অর্জিত অনুমান (Prediction) দিয়ে Passage-এর মর্মার্থ অনুধাবনের চেষ্টা করে থাকে। 'Passage-এ যে বিষয়টি সরাসরি বর্ণিত নয়'- তা অনুমান করতে এই Process প্রয়োগ করা হয়। লেখকের লেখার ধরন ও যুক্তি বিশ্লেষণ করে Passage-টির সামগ্রিক অর্থ অনুধাবনই এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য।

2. The Bottom up Process of Reading: এই প্রক্রিয়ায় পাঠক Passage-এর Word ও Sentence structure পূর্ণ সচেতনতার সাথে বিশ্লেষণ করে অর্থ অনুধাবনের চেষ্টা চালায়। Text পড়তে গিয়ে শুরুতেই দিশেহারা হলে পাঠক সাধারণত এই প্রক্রিয়ার আশ্রয় নেয়। 'Passage-এর বাহ্যিক অর্থ হয়তো লেখকের ইস্পিত অর্থ নয়'- পাঠকের এরূপ বিশ্বাস থেকেই Bottom-up process শুরু হয়। সাধারণত পার্থিব জ্ঞানের অভাব হলে অথবা লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি (Point of view) অত্যধিক জটিল হলে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে শব্দ ও বাক্য বিশ্লেষণ করে আমরা একটি সাদামাটা অর্থ করার প্রচেষ্টা চালাই।

Interactive Reading

অস্বীকার করার উপায় নেই যে, Top-down ও Bottom up process একে অপরের পরিপূরক। পাঠক প্রয়োজন অনুযায়ী এক প্রক্রিয়া থেকে অন্য প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে পারে। Passage-এর সম্ভাব্য অর্থ বোঝার জন্য পাঠক হয়ত প্রথমে Top-down process ব্যবহার করতে পারে। অতঃপর তার এই অর্থই কি লেখক বুঝাতে চাচ্ছেন কিনা- তা যাচাই করার জন্য Bottom-up process ব্যবহার করে। এই পদ্ধতিকে বলা হয় Interactive process। এই প্রক্রিয়াটি সচেতনভাবে ব্যবহার করতে পারলে পাঠকের Comprehension ত্বরান্বিত হয়।

Strategies of Reading (Reading-এর কৌশল)

Reading comprehension-এ ভালো করার মূলমন্ত্র হচ্ছে বেশি বেশি অনুশীলন করা। তবে শুধু অনুশীলন করলেই হবে না, বরং Practice ও Practical উভয় test-এ কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হবে। অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে যারা এসব কৌশল প্রয়োগ করে Comprehension-এর প্রশ্নোত্তর সমাধান করার চেষ্টা করেছে তারা অন্যান্যদের চেয়ে Reading-এ ভালো সাফল্য দেখাতে পেরেছে। ক্ষেত্র বিশেষে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী যত বেশি কৌশল ব্যবহার করা হবে Reading তত Effective Successful হবে।

কৌশল-১ Eye Movement: দৃষ্টিপাতের সঠিক ব্যবহার কার্যকর Reading-এর জন্য অন্যতম পূর্বশর্ত। কোনো কিছু পড়ার সময় আমাদের চোখ কিন্তু বিরামহীন স্বচ্ছন্দ গতিতে চলে না, বরং কিছু শব্দ একত্রে দেখার পর দৃষ্টি সামান্য বিরতি দিয়ে পরবর্তী শব্দগুচ্ছে দ্রুত ধাবিত হয়। আমরা একই সাথে যতগুলো শব্দ পড়তে পারি তাকে বলা হয় Eye span এবং দুই Eye span-এর মাঝে দৃষ্টিপাতের সংক্ষিপ্ত বিরতিকে বলা হয় Fixation। নিচের চিত্র দেখুন:

দুর্বল পাঠক শব্দে শব্দে পড়ার কারণে তার Eye span কম এবং Fixation বেশি। দক্ষ পাঠকের Eye span থাকে প্রসারিত এবং Fixation কম হয়। অর্থাৎ Reading-এ যার Eye span যত কম Fixation-এ সে তত বেশি দক্ষ Reader হিসেবে বিবেচিত হবে। পড়ার সময় আমাদের দৃষ্টি শুধু একটি লাইনে সীমাবদ্ধ থাকে না, উপর নিচেও চলে যায়। সে ক্ষেত্রে দক্ষ পাঠক Passage -এর শুধু Key words বা মূল শব্দগুলো দেখে দ্রুত ভাবার্থ হৃদয়ঙ্গম করতে পারে।

কৌশল-২ Reading Sense Group: কৌশলী পাঠক শব্দে শব্দে পড়ে না বরং কতগুলো শব্দ নিয়ে অর্থের যে একটি Unit বা Sense group তৈরি হয় তা পড়ে থাকে। এই কৌশলকে আমরা Phrase readingও বলতে পারি। বাক্যের শব্দগুলোকে Phrase by phrase ভাগ করে পড়লে পঠন দ্রুত হয় এবং অর্থ দ্রুত বুঝতেও সুবিধা হয়। যেমন একজন ভালো পাঠক নিচের বাক্যটি পড়বে এভাবে-

The good old man | raised his hands | in blessing.

দক্ষ পাঠক এই বাক্যটিকে মাত্র দুই fixation-এ পড়ে ফেলতে পারে। পক্ষান্তরে একজন দুর্বল পাঠক বাক্যটি পড়বে এভাবে -

The good | old man | raised his | hand in | blessing.

এভাবে একাধিক Sense group-এর মধ্যে যদি দ্রুত সমন্বয় সাধন করা যায় তাহলে Passage-এর Message বুঝা সহজতর হয়।

একটি Passage কে বিভিন্ন Sense group বা Phrase-এ একটি কলামে লিখে অনুশীলন করা যেতে পারে, এভাবে-

In this way

it is hoped

he will accustom himself

to taking in
increasingly long chunks of text

at a single eye fixation.

কৌশল-৩ Visual Reading: Reading দুই প্রকার: 1. Silent reading 2. Reading aloud. অনেকে পড়ার সময় মুখে শব্দ উচ্চারণ করে পড়েন, শব্দ না করে পড়লে তাদের পড়া হয় না- এরা আসলে ভালো পাঠক নন। দক্ষ পাঠক মনে মনে পড়েন, মনের কান দিয়ে শোনেন, মানসপটে আঁকেন অর্থচিত্র, অনুভব করেন হৃদয় দিয়ে। শব্দ করে পড়ার বদ অভ্যাস ত্যাগ করতে না পারলে কখনোই ভালো পাঠক হওয়া যাবে না।

কৌশল-৪ Reading Formats and Layouts: 'একটি Passage কোন স্টাইলে মুদ্রণ করা হয়েছে' পড়ার সময় তা অনেকেই খেয়াল না করলেও Comprehension-এর জন্য এটি একটি সহজ অথচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ কৌশল। মুদ্রিত লেখার আকৃতি (Font size), স্টাইল (eg Times/Arial), Bold, Italic, Capitalization এমনকি Punctuation, layout ইত্যাদি সতর্কতার সাথে খেয়াল রাখা Reading-এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন- Passage-এর Layout দেখলে বুঝায় এর কোন অংশ কোনটির সাথে যুক্ত। বাম মার্জিন থেকে একটু ডানে সরে (Indentation) লেখা শুরু হলে নতুন Paragraph নির্দেশ করে। গুরুত্ব বুঝানোর জন্য অথবা কারো কথা উদ্ধৃত করার জন্য Single অথবা Double quotation marks ব্যবহার করা হয়। তেমনি Passage-টি যদি Dialogue আকারে থাকে তাহলে তা না পড়েই শুধু Layout দেখে বুঝা যায়। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে- বড় হাতের অক্ষর (Capitalization), মোটা অক্ষর (Bold) ও বাঁকা অক্ষর (Italic)-এর ব্যবহার বিভিন্ন কারণে বা উদ্দেশ্যে passage-এ দেয়া থাকতে পারে। যেমন-

  • কঠিন শব্দ, যা সম্বন্ধে পরে প্রশ্ন করা হবে তা Bold করে দেয়া থাকতে পারে--
    The total annual precipitation of an area with fourty inches of rain ....
  • বাক্যের মধ্যে কোনো শব্দ Capital letter দিয়ে শুরু হলে বুঝতে হবে এটি Proper noun,
  • কোনো বই বা ফিল্মের নাম Italic করে দেয়া থাকতে পারে-
    The jewish character is successfully depicted in The Merchannt of Venice.
  • বিদেশী শব্দ বা শব্দগুচ্ছ Italic করা থাকে।
    A species of viola is viola calaminaria.
  • কোনো বিশেষ Word বা Phrase বিশেষভাবে উল্লেখ করতে-
    We can't understand what they called total satisfaction.

কৌশল-৫ Pre-reading Activities: মূল Reading শুরু করার আগে এমন কিছু কাজ আছে যা করলে comprehension-এর কাজ অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারে। Pre-reading-এর মধ্যে থাকতে পারে--

  • Title বা শিরোনাম পাঠ।
  • প্রথম প্যারাগ্রাফের প্রথম দুটি বাক্য পাঠ।
  • প্রতিটি প্যারাগ্রাফের ১ম ও শেষ বাক্য পাঠ।
  • Topic sentence বা মূল বাক্যটি সনাক্তকরণ।

সাধারণত Passage-এর শিরোনাম (যদি থাকে) দেখেই এর বিষয়বস্তু অনুমান করা যায়। শিরোনাম না থাকলে অনেক সময় প্যারাগ্রাফের ১ম বা শেষ বাক্যে আসল কথাটি বলা থাকে। আর যদি Topic sentence-টি কোনো রকমে সনাক্ত করা যায় তাহলে তো কথাই নেই-পড়ার আগেই Reading শেষ।

Skimming: Reading-এর প্রধান কৌশল হচ্ছে Skimming । Skimming অর্থ -

Glancing rapidly through a text to determine its gist.

অর্থাৎ মূল বিষয়বস্তু জানার জন্য কোনো Passage-এর ওপর দ্রুতবেগে চোখ বুলানোকে Skimming বলা হয়। এ ক্ষেত্রে Top-down process of reading প্রয়োগ করা হয়। কোনো Passage-এর Title বা শিরোনাম নির্ধারণ অথবা লেখকের ব্যঞ্জনার্থ (implication) নির্বাচন সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে skimming অত্যাবশ্যক কৌশল।

কৌশল-৭ Scanning: Comprehension-এর অধিকাংশ প্রশ্নোত্তর এই কৌশল ছাড়া অসম্ভব। scanning অর্থ-

Glancing rapidly through a text either to search for a specific piece of information (eg. name, date etc) or to get an initial impression of difficulty level.

অর্থাৎ Passage-এ বর্ণিত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য (যেমন- নাম, সন বা তারিখ) বের করার জন্য অথবা Passage-টি কতটা কঠিন তা নির্ণয়ের জন্য Passage-এর ওপর দিয়ে দ্রুত চোখ বুলানোকে Scanning বলে। যেসব বিষয় খুঁজতে Scanning ব্যবহৃত হয় তা হচ্ছে-

  • ব্যক্তি, বস্তু, স্থানের নাম বের করতে
  • কোনো সন বা তারিখ খুঁজতে
  • কতটি বিষয় বা কতজন ব্যক্তি সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়েছে
  • ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে সম্পর্ক বের করতে
  • Pronoun-এর Reference বের করতে।

কৌশল-৮ Marking the Text: দক্ষ Reading-এর অন্যতম একটি কৌশল হচ্ছে পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, বস্তু, স্থান, সন, তারিখ ইত্যাদি দাগ দেয়া। বিষয়ের আধিক্য থাকলে বিভিন্ন ধরনের দাগ ব্যবহার করা যেতে পারে। Scanning-এর সময় এসব বিষয় দাগাদাগি করলে প্রশ্নোত্তর দ্রুততার সাথে শেষ করা সম্ভব।

কৌশল-৯ Using Context Clue কোনো একটি বিষয় কোন পরিপ্রেক্ষিতে বর্ণনা করা হয়েছে তাকে বলা হয় এর context। আর যেসব শব্দ, শব্দগুচ্ছ বা বাক্য এর অনুধাবনে সাহায্য করে তাদের বলা হয় Context clues। সাধারণত মোটামুটি কঠিন প্রশ্নের উত্তর দিতে Context clue-এর ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে Passage-এ অনুক্ত বিষয় সম্বন্ধে অনুমান করা Context clue ছাড়া সম্ভব নয়।
কৌশল-১০ Using Background Knowledge: Reading-এ Background knowledge-এর গুরুত্ব সম্পর্কে আগেই বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। কোনো বিষয় পড়ার সময় সে সম্পর্কে পাঠক যদি তার পূর্বজ্ঞান ও অভিজ্ঞতার আশ্রয় নেয় তাহলে Passage বুঝতে সুবিধা হয়। যেমন- কোনো Passage-এ যদি উপজাতীয় সংস্কৃতি সম্বন্ধে আলোচিত হয় আর এ ব্যাপারে যদি পাঠকের পূর্বজ্ঞান বা অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে সে সহজেই তা বুঝতে পারবে। পক্ষান্তরে এ ব্যাপারে অনভিজ্ঞ পাঠকের Text বুঝতে সমস্যা হবে।

কৌশল-১১ Guessing/Predicting: জটিল কোনো শব্দ আসলে দক্ষ পাঠক একেবারে দমে যায় না বা থেমে থাকে না। অজানা শব্দের অর্থ বা লেখকের ব্যঞ্জনার্থ বুঝতে Guessing খুবই কার্যকর। যেমন- একটি বাক্যে যদি মোট ১৫টি শব্দ থাকে এবং তন্মধ্যে ৪টি শব্দ কঠিন/ অজানা থাকে, তাহলে পাঠক বাকি ১১টি শব্দার্থ ব্যবহার করে কঠিন এই ৪টি শব্দের অর্থ অনুমান করতে পারে।

কৌশল-১২ Using Affixation: ইংরেজিতে এমন কতগুলো উপসর্গ বা বিভক্তি আছে যা দ্বারা অজানা শব্দের অর্থ জানা সম্ভব। এগুলোকে বলা হয় Affix। Affix দুই প্রকার। ১. Prefix- যা শব্দের পূর্বে বসে। যেমন- pre, re, un ইত্যাদি। ২. Suffix- যা শব্দের পরে বসে। যেমন- -able, -tion, -sion ইত্যাদি।

উদাহরণত: Prediction শব্দটিতে আছে pre যার অর্থ পূর্বে, diction অর্থ বলা। সুতরাং prediction অর্থ পূর্বে বলা বা অনুমান করা।

কৌশল-১৩ Using Etymology: Etymology অর্থ শব্দের উৎপত্তি তত্ত্ববিদ্যা। ইংরেজি অনেক শব্দ গ্রিক ও ল্যাটিন ভাষার সমন্বয়ে গঠিত। তাই Etymology ব্যবহার করে কঠিন শব্দের অর্থ উদঘাটন করা অনেক সহজ হয়ে যায়। যেমন-cide এমন একটি গ্রিক শব্দ যার অর্থ 'হত্যা করা' এ থেকে অন্যান্য যে শব্দ পাওয়া যায় তা হলো-

Suicide আত্মহত্যা (sui= নিজ)

Genocide গণহত্যা (geno = গণ)

Matricide মাতৃহত্যা (matr = মা)

Fratricide ভাতৃ হত্যা (fratr = ভাই) ইত্যাদি ইত্যাদি।

কৌশল-১৪ Using Connector: ইংরেজিতে এমন কিছু সংযোজক (Conjunction) আছে যা দ্বারা কোনো অজানা শব্দের অর্থ বা লেখকের Attitude জানা যায়। Passage-এর পূর্ণাঙ্গ অর্থ হৃদয়ঙ্গম করতে এসবের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। যেমন- Your argument is weak but his argument is cogent। এখানে but, Connector-টি দ্বারা সহজেই Cogent শব্দটির অর্থ বুঝা যায়।

Differences between Efficient and Inefficient Reader
(দক্ষ ও অদক্ষ পাঠকের মধ্যে পার্থক্যসমূহ)
General Differences (সাধারণ পার্থক্যসমূহ)
Efficient Reader (দক্ষ পাঠক)Inefficient Reader (অদক্ষ পাঠক)
Efficient readers read ideas (দক্ষ পাঠক পড়ে ভাব ও ভাবার্থ)Inefficient readers read words (অদক্ষ পাঠক পড়ে শব্দ)
দক্ষ পাঠক শব্দগুচ্ছ বা Phrase ভাগ করে করে পড়ে।অদক্ষ পাঠক পড়ে Word by word অর্থাৎ শব্দগুলো আলাদা আলাদা করে পড়ে।

Efficient readers visualize ideas

(দক্ষ পাঠক passage -এর idea গুলোকে মানসপটে অঙ্কিত করে)

Inefficient readers vocalize words

(অদক্ষ পাঠক সশব্দে শব্দগুলোকে পড়ে যায়)

দক্ষ পাঠক পড়ার একটি উদ্দেশ্য নির্ধারণ করে।অদক্ষ পাঠক 'Passage-এর শেষ পর্যন্ত' পড়তে থাকে।
দক্ষ পাঠক প্রয়োজন অনুযায়ী পড়ার Speed নির্ধারণ করেঅদক্ষ পাঠক প্রতিটি বিষয় আস্তে আস্তে ও অত্যধিক সতর্কতার সাথে পড়ে।
দক্ষ পাঠক অব্যাহতভাবে পড়তে থাকেঅদক্ষ পাঠক বুঝার জন্য একই বাক্য বারবার পড়ে।
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ পাঠকের রয়েছে সমৃদ্ধ Vocabulary বা শব্দ ভাণ্ডার দক্ষ পাঠক তার দৃষ্টিকে স্বচ্ছন্দ গতিতে চালায় ও নিয়ন্ত্রণ করে।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অদক্ষ পাঠকের থাকে সীমিত Vocabulary.

অদক্ষ পাঠকের দৃষ্টি বিভিন্ন দিকে বিচরণ করে।

দক্ষ পাঠক প্রত্যহ দ্রুত গতিতে Reading-এর অনুশীলন করে।অদক্ষ পাঠক Speeded reading practice করে না বললেই চলে।
মনে রাখার জন্য বা দ্রুত তথ্য বের করার জন্য দক্ষ পাঠক Passage-এর বিভিন্ন স্থানে দাগ দেয়।অদক্ষ পাঠক পৃষ্ঠাকে রাখে ঝকঝকে তকতকে।
দক্ষ পাঠক সমালোচনামূলক, রম্য, সাহিত্যিক ইত্যাদি বিভিন্ন ভাগে Reading-কে বিভক্ত করে।অদক্ষ পাঠক বাছবিচার না করে সবকিছু পড়ে।
Specific Differences (সুনির্দিষ্ট পার্থক্যসমূহ)
Area(ক্ষেত্র)Efficient Reader (দক্ষ পাঠক)Inefficient Reader (অদক্ষ পাঠক)
  1. Language (ভাষা)
Text-এর ভাষা পাঠকের কাছে বোধগম্য বলে মনে হয়।Passage-এর ভাষা পাঠকের কাছে খুবই কঠিন মনে হয়।
  1. Contents (বিষয়বস্তু)
Passage-এর বিষয়বস্তু পাঠকের কাছে সহজ মনে হয়। এ সম্পর্কে সে যথেষ্ট জ্ঞান রাখে। তাই সে তার পূর্বজ্ঞান প্রয়োগ করতে পারে।Passage-এর বিষয়বস্তু পাঠকের কাছে খুবই কঠিন মনে হয় এই কারণে যে বিষয়বস্তু সম্পর্কে তার পূর্বজ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নেই।
  1. Speed (দ্রুততা
পাঠক মোটামুটি দ্রুততার সাথে পড়ে যায় কারণ বাক্যের গঠন সে স্বাভাবিকভাবেই চিনতে পারে। ফলে প্রতিটি শব্দ ও শব্দগুচ্ছ আলাদা আলাদা করে পড়ে সময় নষ্ট করে না।পড়ার গতি মন্থর। Vocabulary সমৃদ্ধ না হওয়ায় স্বাভাবিক পঠন পদে পদে বাধাগ্রস্ত হয়।
  1. Attention মনোযোগ
পাঠক শুধু Key word বা গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর দিকে মনোযোগ দেয়, বাকিগুলো এড়িয়ে যায়, এমনকি Text-এর গুরুত্বহীন মনে হলে কিছু অংশ বাদও দিয়ে যায়।অদক্ষ পাঠক Passage-এর সব অংশগুলোতেই সমান মনোযোগ দেয়। ফলে সময় নষ্ট হয়। প্রশ্নোত্তরে পূর্ণ মনোযোগের সময় পায় না।
  1. Incomprehensible

Vocabulary (অজানা শব্দ)

দক্ষ পাঠক অজানা শব্দ সহজভাবে গ্রহণ করে এবং আশেপাশের জানা শব্দগুলো দিয়ে এগুলোর অর্থ অনুমান করে অথবা সেগুলো এড়িয়ে গিয়ে যে কোনোভাবে তা সামলে নেয়। এতে ফল না হলে বিশেষ ক্ষেত্রে অভিধান ব্যবহার করে।অদক্ষ পাঠক অজানা শব্দ সহ্যই করতে পারে না। সে শব্দে শব্দে থামে ও বার বার অভিধান দেখে। ফলে বিরক্তি জন্মে এবং Text-এর সামগ্রিক অর্থ অনুধাবন প্রচেষ্টায় নিরুৎসাহিত হয়।
  1. Prediction (অনুমান)
দক্ষ পাঠক অনুমানে এগিয়ে থাকে। Passage-এ অনুক্ত বিষয়ে অনুমানের মাধ্যমে একটি ধারণা জন্মানোর চেষ্টা করে।অদক্ষ পাঠক অনুমান করতে পারে না। ফলে Text-এ যা বর্ণিত থাকে তা নিয়েই ব্যস্ত থাকে।
  1. Background Information

(পূর্বজ্ঞান বা পূর্বে জানা তথ্যের ব্যবহার)

দক্ষ পাঠকের পূর্বে অর্জিত জ্ঞান, তথ্য ও অভিজ্ঞতা Text-এর অর্থ অনুধাবনে সহায়তা করে।দক্ষ পাঠকের পূর্বে অর্জিত জ্ঞান, তথ্য ও অভিজ্ঞতা Text-এর অর্থ অনুধাবনে সহায়তা করে।
  1. Purpose (উদ্দেশ্য)
যে কোনো বিষয় পড়ার ক্ষেত্রে দক্ষ পাঠকের একটি সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য থাকে। যেমন- জ্ঞানার্জন, তথ্য সংগ্রহ বা আনন্দ লাভ।অদক্ষ পাঠকের সুস্পষ্ট বা সুনির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য থাকে না। বাধ্য হয়ে বা শিক্ষকের আদেশ পালনের জন্য পড়ে।
  1. Motivation (প্রেষণা)
পাঠক কোনো বিষয়ে নিজে আগ্রহান্বিত হয়ে বা এটাকে একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ মনে করে পড়তে উদ্বুদ্ধ হয়।Reading-এ অদক্ষ পাঠকের বিশেষ কোনো আগ্রহ বা উৎসাহ থাকে না।
  1. Strategies (কৌশল ব্যবহার)
প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের Text-এর জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে।অদক্ষ পাঠক একই কৌশল সব ধরনের Text-এ ব্যবহার করে থাকে।

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews