সংজ্ঞা: THAAD-এর পূর্ণরূপ হলো Terminal High Altitude Area Defense। এটি আমেরিকার লকহিড মার্টিন কোম্পানির তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত ও নিখুঁত অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
- কার্যপদ্ধতি (Hit-to-Kill Technology): এটি কোনো বিস্ফোরক ছাড়াই প্রচণ্ড গতিবেগে আগত ক্ষেপণাস্ত্রকে সরাসরি ধাক্কা দিয়ে তার গতিশক্তির মাধ্যমে ধ্বংস করে। এটি মূলত ক্ষেপণাস্ত্রের শেষ পর্যায়ে (Terminal Phase) কাজ করে।
- প্রতিরক্ষা স্তর: এটি মূলত বায়ুমণণ্ডলের ভেতরে এবং ঠিক বাইরে (Endo and Exo-atmospheric) ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংস করতে সক্ষম। এটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সর্বশেষ স্তর বা 'Terminal Phase'-এ কাজ করে।
- রাডার সক্ষমতা (AN/TPY-2): এর শক্তিশালী রাডার ১০০০ কিমি দূর থেকে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে। এই রাডার ব্যবস্থার কারণেই চীন ও রাশিয়া এর মোতায়েনের বিরোধিতা করে, কারণ এটি তাদের অভ্যন্তরীণ সামরিক কার্যকলাপও পর্যবেক্ষণ করতে পারে।
- কৌশলগত গুরুত্ব: উত্তর কোরিয়া, ইরান বা রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি রুখতে এটি দক্ষিণ কোরিয়া ও ইসরায়েলে মোতায়েন করা হয়েছে। এটি বর্তমান ভূ-রাজনীতিতে একটি শক্তিশালী 'প্রতিরক্ষা ঢাল' ও 'কূটনৈতিক অস্ত্র'।
Related Question
View Allভূমিকা: 'সুমুদ' (Sumud) একটি আরবি শব্দ যার অর্থ 'অটল থাকা' বা 'অটল প্রতিরোধ'। এটি মূলত ফিলিস্তিনিদের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক অবস্থানের নাম। গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি নৌ-অবরোধ অমান্য করে সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক ত্রাণ ও সহায়তা পৌঁছানোর জন্য এই ফ্লোটিলা বা নৌ-বহর পরিচালিত হয়।
উদ্দেশ্যসমূহ:
- মানবিক করিডোর প্রতিষ্ঠা: ২০০৭ সাল থেকে গাজায় চলা ২০০৭ স কঠোর ইসরায়েলি নৌ-অবরোধ অমান্য করে সেখানে জীবন রক্ষাকারী ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও খাদ্যসামগ্রী সরাসরি সমুদ্রপথে পৌঁছে দেওয়া।
- আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগ: সমুদ্র আইন (UNCLOS) অনুযায়ী উপকূলীয় রাষ্ট্রের জলসীমায় অবাধ যাতায়াতের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি তোলা এবং প্রমাণ করা যে ইসরায়েলি অবরোধ আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।
- বিশ্ববিবেক জাগ্রত করা: ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান 'মানবিক বিপর্যয়' বিশ্ব গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা এবং প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর ওপর কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা।
- ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সংহতি: বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শান্তিকামী মানুষ ও মানবাধিকার কর্মীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রমাণ করা যে ফিলিস্তিন ইস্যুটি কেবল আরবদের নয়, বরং এটি একটি বৈশ্বিক মানবিক সংকট।
চেকবুক ডিপ্লোমেসি (Checkbook Diplomacy): এটিএমন একটি কূটনীতি যেখানে কোনো শক্তিশালী রাষ্ট্র অর্থনৈতিক অনুদান, বড় বিনিয়োগ বা সহজ শর্তে বিশাল অংকের ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে অন্য দেশের রাজনৈতিক বা ভূ-কৌশলগত সমর্থন আদায় করে। চীনকে এই কূটনীতির বর্তমান প্রবর্তক বলা হয়।
- অর্থনৈতিক উন্নয়নে এর গুরুত্ব ও বিশ্লেষণ: অবকাঠামো উন্নয়ন ও দ্রুত প্রবৃদ্ধি: বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে যেখানে অভ্যন্তরীণ সঞ্চয় কম, সেখানে এই কূটনীতির অধীনে প্রাপ্ত অর্থ মেগা প্রজেক্ট (সেতু, গভীর সমুদ্র বন্দর, রেল সংযোগ) বাস্তবায়নে গেম-চেইঞ্জার হিসেবে কাজ করে।
- বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI) আকর্ষণ: উন্নত অবকাঠামো তৈরি হলে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা ওই দেশে বিনিয়োগে আগ্রহী হয়, যা কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয় বাড়ায়।
- ঝুঁকি বিশ্লেষণ (Debt Trap): উত্তরের এই অংশে 'ঋণের ফাঁদ' নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ থাকা চাই। যদি ঋণের টাকা অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় হয়, তবে তা শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দরের মতো সার্বভৌমত্ব সংকটের কারণ হতে পারে।
- ভূ-রাজনৈতিক দরকষাকষি: এর মাধ্যমে একটি দেশ বড় শক্তিগুলোর সাথে দরকষাকষির সক্ষমতা অর্জন করে। যেমন: বাংলাদেশ একইসাথে চীন, ভারত ও জাপানের বিনিয়োগের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!