The cost of two watches taken together is Tk. 840. If by selling one at a profit of 16% and the other at a loss of 12%, there is no loss or gain in the whole transaction, find the cost of each of the two watches.
(profit and loss)
বলা হচ্ছে যে, দুটি ঘড়ির একত্রে ক্রয়মূল্য 840 টাকা। একটি ঘড়ি 16% লাভে এবং অপরটি 12% ক্ষতিতে বিক্রয় করলে লাভ/ক্ষতি কোনটাই হয় না। প্রতিটি ঘড়ির ক্রয়মূল্য কত?
Let, the cost price of one watch is x Tk.
The cost price of another watch is (840-x) Tk.
Selling price at 16% profit=
Again, price at 12% loss
According to the question,
The cost price of one watch is 360 Tk.
The cost price of another watch = (840-360)= 480 Tk.
ans. The cost price of one watch is 360 Tk. & another watch is 480 Tk.
কোনো পণ্য ক্রয় ও বিক্রয়ের মাধ্যমে যে আর্থিক লাভ বা ক্ষতি হয়, তাকে লাভ-ক্ষতি (Profit and Loss) বলা হয়।
মৌলিক ধারণা
যদি বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের চেয়ে বেশি হয়, তবে লাভ হয়। আর যদি বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের চেয়ে কম হয়, তবে ক্ষতি হয়।
গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা
ক্রয়মূল্য (Cost Price বা CP) = যে মূল্যে পণ্য ক্রয় করা হয়।
বিক্রয়মূল্য (Selling Price বা SP) = যে মূল্যে পণ্য বিক্রয় করা হয়।
লাভ (Profit) = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য
ক্ষতি (Loss) = ক্রয়মূল্য − বিক্রয়মূল্য
লাভের সূত্র
ক্ষতির সূত্র
লাভের শতকরা হার
ক্ষতির শতকরা হার
বিক্রয়মূল্য নির্ণয়ের সূত্র
লাভ হলে:
ক্ষতি হলে:
গুরুত্বপূর্ণ ধারণা
লাভ বা ক্ষতি সবসময় ক্রয়মূল্যের উপর নির্ণয় করা হয়।
SP > CP হলে লাভ হয়।
SP < CP হলে ক্ষতি হয়।
শতকরা হিসাব করতে ১০০ দ্বারা গুণ করতে হয়।
উদাহরণ
একটি পণ্যের ক্রয়মূল্য ৫০০ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ৬০০ টাকা।
তাহলে লাভ:
অর্থাৎ লাভ = ১০০ টাকা।
মনে রাখার উপায়
বেশি দামে বিক্রি করলে লাভ, কম দামে বিক্রি করলে ক্ষতি।
একজন ব্যবসায়ী দোকান ভাড়া, পরিবহন খরচ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ পণ্যের ক্রয়মূল্যের সাথে যোগ করে প্রকৃত খরচ নির্ধারণ করেন। এই প্রকৃত খরচকে বিনিয়োগ বলে। এই বিনিয়োগকেই লাভ বা ক্ষতি নির্ণয়ের জন্য ক্রয়মূল্য হিসেবে ধরা হয়। আর যে মূল্যে ঐ পণ্য বিক্রয় করা হয় তা বিক্রয়মূল্য। ক্রয়মূল্যের চেয়ে বিক্রয়মূল্য বেশি হলে লাভ বা মুনাফা হয়। আর ক্রয়মূল্যের চেয়ে বিক্রয়মূল্য কম হলে লোকসান বা ক্ষতি হয়। আবার ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্য সমান হলে লাভ বা ক্ষতি কোনোটিই হয় না। লাভ বা ক্ষতি ক্রয়মূল্যের ওপর হিসাব করা হয়।
আমরা লিখতে পারি, লাভ = বিক্রয়মূল্য - ক্রয়মূল্য ক্ষতি = ক্রয়মূল্য – বিক্রয়মূল্য উপরের সম্পর্ক থেকে ক্রয়মূল্য বা বিক্রয়মূল্য নির্ণয় করা যায়।
তুলনার জন্য লাভ বা ক্ষতিকে শতকরা হিসেবেও প্রকাশ করা হয়।
উদাহরণ ১। একজন দোকানদার প্রতি হালি ডিম ২৫ টাকা দরে ক্রয় করে প্রতি ২ হালি ৫৬ টাকা দরে বিক্রয় করলে তাঁর শতকরা কত লাভ হবে?
সমাধান : ১ হালি ডিমের ক্রয়মূল্য ২৫টাকা
যেহেতু ডিমের ক্রয়মূল্য থেকে বিক্রয়মূল্য বেশি, সুতরাং লাভ হবে।
এখানে, লাভ = (৫৬ – ৫০) টাকা বা ৬ টাকা।
৫০ টাকায় লাভ ৬ টাকা
টাকা
= ১২ টাকা।
লাভ ১২%
উদাহরণ ২। একটি ছাগল ৮% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। ছাগলটি আরও ৮০০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রয় করলে ৮% লাভ হতো। ছাগলটির ক্রয়মূল্য নির্ণয় কর।
আবার, ৮% লাভে বিক্রয়মূল্য (১০০ + ৮) টাকা বা ১০৮ টাকা। বিক্রয়মূল্য বেশি হয় (১০৮ – ৯২) টাকা বা ১৬ টাকা। বিক্রয়মূল্য ১৬ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
একজন একটি দ্রব্য 25% লাভে বিক্রয় করে। সে যদি দ্রব্যটি 20% কম দাম দিয়ে কিনতো এবং তা যদি 10.50 টাকা কমে নিত্রনা করতো, তবে সে ঐ দ্রব্যটি বিক্রয় করে 30% লাভ করতো। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত?