Walton কোং লি, বৈদেশিক বাণিজ্যের রপ্তানি বাণিজ্যের সাথে সম্পৃক্ত, যা দেশের অর্থনীতিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।
যে প্রক্রিয়ায় মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে অন্যদেশে পণ্যসামগ্রী বিক্রয় করা হয় তাকে রপ্তানি বলে। রপ্তানির মাধ্যমে দেশে উৎপাদিত পণ্য- দ্রব্য বিদেশে অবস্থানরত ক্রেতার নিকট বিক্রয় করা হয়। অন্য দেশ থেকে পণ্য কিনে পরিবর্তনের মাধ্যমে আরেক দেশে বিক্রয় করা হলে তাকে রপ্তানি হিসেবে গণ্য করা হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, Walton কোং লি, ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী উৎপাদন করার জন্য চীন, জাপান ও কোরিয়া থেকে উৎপাদনের বিভিন্ন উপকরণ সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে তারা এ উপকরণগুলোর সাহায্যে নিজস্ব কারখানায় টেলিভিশন, ফ্রিজ, মোটর সাইকেল এবং স্মার্ট ফোন উৎপাদন করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে শোরুম স্থাপনের মাধ্যমে বিক্রয়ের ব্যবস্থা করে। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি তাদের উৎপাদিত পণ্য নেপাল, ভুটান, ইন্দোনেশিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশেও বিক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। যেহেতু তারা বিদেশ থেকে পণ্য কিনে দেশে এনে এর রূপ পরিবর্তন করে বিদেশে রপ্তানি করছে, তাই তাদের ব্যবসায়টি রপ্তানি বাণিজ্যের সাথে সম্পৃক্ত।
রপ্তানি বাণিজ্যের মাধ্যমে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়। এ রপ্তানি বাণিজ্যের মাধ্যমে দেশীয় পণ্য বিদেশে বেশি মূল্যে বিক্রয় করা যায়। ফলে দেশীয় এসব পণ্যের গুণগত মানের দিকে অধিক গুরুত্ব দেওয়ার মাধ্যমে মানোন্নয়ন সম্ভব হয়। রপ্তানির মাধ্যমে অধিক অর্থ উপার্জনের ফলে দেশীয় শ্রমিকদের শ্রমের যথাযথ মূল্য দেওয়া সম্ভব হয়। অন্যদিকে আমদানি অপেক্ষা রপ্তানি বাড়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়, যার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জন সম্ভব। উদ্দীপকে Walton কোম্পানিও তাদের উৎপাদিত পণ্যসামগ্রী বিদেশ রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে। যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
Related Question
View Allমুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে পরিচালিত বিভিন্ন ধরনের উৎপাদন ও বন্টন সহ সকল, ঝুঁকিবহুল, ধারাবাহিক এবং বৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ব্যবসা বলে।
মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে পেশাজীবী গ্রাহকদের প্রয়োজন পূরণের সামর্থ্য কোন কাজ বা সুবিধা প্রদানকে প্রত্যক্ষ সেবা বলে।
সামাজিক ব্যবসায় হল নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূস প্রবর্তিত একশ্রেণীর অর্থনৈতিক প্রকল্প যার মূল লক্ষ্য মুনাফার পরিবর্তে মানবকল্যাণ। যে কোন সাধারণ ব্যাবসায় প্রতিষ্ঠানের মতোই এই সকল প্রকল্প পরিচালিত হয় ; কেবল লক্ষ্য থাকে মানুষের কল্যাণ—বিশেষ করে দারিদ্র ও আয়বৈষম্য দূর করা। মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭০ দশক থেকে শুরু করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যাংকিং, টেলিকম, সৌরশক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি, টেক্সটাইল, তাঁত, বিপণন প্রভৃতি খাতে অনেকগুলো কোম্পানী স্থাপন করেছেন যেগুলোর মৌলিক উদ্দেশ্য মুনাফা ম্যাক্সিমাইজ করা নয় ; অন্যদিকে এগুলোর কোনটিই ব্যক্তিগত মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয় নি। এই উদ্যোগগুলো কার্যত সামাজিক সমস্যা সমাধানের জন্য স্থাপিত ব্যবসায়িক প্রকল্প। এ ধরনের ব্যবসায়িক পুজিঁলগ্নির কথা ঐতিহ্যগত অর্থশাস্ত্রে নেই। এই পরিপ্রেক্ষিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দের শেষভাগে "সামাজিক ব্যবসায়" ধারনাটি প্রবর্তন করেন।সামাজিক ব্যবসায়ের সঙ্গে সনাতন ব্যবসায়ের পার্থক্য কেবল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে: সনাতন ব্যবসায় মুনাফামুখী এবং সামাজিক ব্যবসায় কোম্পানি মুনাফা করবে নিশ্চয়ই, কিন্তু মালিক মুনাফা নেবে না, মালিক কেবল মূলধন ফেরত নিতে পারবে।
যে ব্যবসায় গঠন করতে উদ্যোক্তা বা বিনিয়োগকারী মূলধন সরবরাহ করেন কিন্তু তার প্রধান উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন নয় বরং সমাজের কল্যাণ সাধন করা তাকে সামাজিক ব্যবসায় বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!