উপরের চিত্র অনুযায়ী NH4Cl ও CaO কে একসাথে তাপ দিলে NH3 গ্যাস, CaCl2 ও H2O উৎপন্ন হয়। অর্থাৎ 'X' গ্যাসটি হলো NH3 গ্যাস। এক্ষেত্রে তীব্র এসিড HCI এবং মৃদু ক্ষার NH3 এর বিক্রিয়া অম্লধর্মী লবণ (NH4Cl) উৎপন্ন হয়।
গ্যাসের জলীয় দ্রবণ হলো NH4OH (aq)।
এর জলীয় দ্রবণ ক্ষারধর্মী। তাই এটি এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।
ধাতব লবণ যেমন দ্রবণে দ্রবণ যোগ করলে প্রথমে ক্ষারীয় কপার সালফেটের নীল অধঃক্ষেপ পড়ে। পরে অতিরিক্ত দ্রবণ যোগে দ্রবণীয় টেট্রামিন কপার সালফেটের গাঢ় নীল দ্রবণ সৃষ্টি হয়।
(নীল অধঃক্ষেপ)
(গাঢ় নীল দ্রবণ) ট্রেট্টা অ্যামিন কিউপ্রিক সালফেট
CuSO4 এর জলীয় দ্রবণ অম্লধর্মী হওয়ায় এখানে NH4OH এর ক্ষারধর্ম প্রকাশ পেয়েছে।
Related Question
View AllpH হলো হাইড্রোজেন আয়নের ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম। pH = - log [H+]। কোনো দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে হয়। আমরা জানি, কোনো দ্রবণের pH মান 7 এর কম হলে দ্রবণটি অম্লীয় আবার 7-এর বেশি হলে দ্রবণটি ক্ষারীয়। কোনো দ্রবণের pH মান 7 হলে দ্রবণটি প্রশম। চুনের পানি যেহেতু ক্ষারীয় সেহেতু চুনের পানির pH এর মান 7 থেকে বেশি হবে।
উদ্দীপকের X গ্যাসটি হলো অ্যামোনিয়া এর সাথে HCI এর বিক্রিয়া করলে এর সাদা ধোঁয়া উৎপন্ন হবে। এক্ষেত্রে তীব্র এসিড HCI এবং মৃদু ক্ষার এর বিক্রিয়া অম্লধর্মী লবণ উৎপন্ন হয়।
অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড
অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড এর বাণিজ্যিক নাম নিশাদল।
আভিধানিক অর্থে pH মানে হলো হাইড্রোজেন আয়নের ক্ষমতা। কোনো দ্রবণে pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে হয়। দ্রবণের pH মান 7-এর কম হলে দ্রবণটি অম্লীয় আবার 7-এর বেশি হলে দ্রবণটি ক্ষারীয়। কোনো দ্রবণের pH মান 7 হলে দ্রবণটি প্রশম হবে।
উদ্দীপকের জলাশয়ের বর্জ্য পদার্থের মধ্যে সালফিউরিক এসিড (H2SO4) মিশ্রিত অবস্থায় থাকে। তাই জলাশয়ের pH মান 7 এর কম হয়।
টেক্সটাইল মিল ও ডায়িং শিল্পের বিভিন্ন রঞ্জক পদার্থ সমৃদ্ধ যে অপদ্রব্য দূষণ প্লান্টে যায় তার মধ্যে থাকে সালফিউরিক এসিড। এ এসিড নিয়ন্ত্রণের জন্য যৌক্তিক পরামর্শ নিচে দেওয়া হলো:
যৌক্তিক পরামর্শ: আমাদের দেশে বড় বড় শহরে বর্জ্য শোধনাগারের ব্যবস্থা আছে। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় কম। একইভাবে আমাদের দেশের বড় বড় টেক্সটাইল মিল ও ডায়িং শিল্পে দূষণ নিয়ন্ত্রণ প্লান্ট থাকলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় কম। আবার কোনো কোনো শিল্প-কারখানায় থাকে না। যেসব মিল কারখানায় দূষণ প্লান্ট আছে ঐ প্লান্ট এসিড দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য যথেষ্ট কার্যকরী নয়। তাই এসিডযুক্ত বর্জ্য শোধনাগারের ব্যবস্থা করতে হবে। এসিড প্রশমিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। টেক্সটাইল মিল ও ডায়িং শিল্পের সালফিউরিক এসিডযুক্ত বর্জ্যে ক্ষার জাতীয় কোনো পদার্থ মিশালে তা এসিডকে প্রশমিত করে যা কোনো অব্যবহৃত জলাশয়ে ফেললে দূষণ নিয়ন্ত্রণ হবে। আবার এই প্লান্টের ব্যবস্থা এমন জায়গা করতে হবে যাতে তা কারও ক্ষতি করতে না পারে। সবশেষে বলা যায় যে, প্রত্যেক শিল্পকারখানায় বর্জ্য পরিশোধনাগার স্থাপন বাধ্যতামূলক এবং প্লান্টে এসিড প্রশমিত করার ব্যবস্থা করতে হবে। এভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!