'X' দেশের শাসক খুব স্বৈরাচারী। সে দেশের জনগণ আন্দোলন করে উক্ত শাসকের পতন ঘটায় এবং নতুন শাসকের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয়। অপরদিকে, ক্রিকেটের মাঠে নাবিলের ডন নামের এক বন্ধুর সাথে পরিচয় হয়। তারা কথা প্রসঙ্গে উভয় দেশের সংবিধান নিয়ে আলোচনা করছিল। ডন বলল, আমাদের দেশের সংবিধানে কোনো সমস্যা হলে অনায়াসেই সেটা বদলানো যায়, কিন্তু নাবিল বলল, আমাদের দেশে বদলানো কঠিন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

যেসব নিয়মের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় তাকে সংবিধান বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে মৌলিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংবিধান হলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমরা কী কী অধিকার ভোগ করতে পারব তা সংবিধানে উল্লেখ থাকায় এগুলোর গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। জীবনধারণের অধিকার, চলাফেরার অধিকার, বাকস্বাধীনতার অধিকার, ধর্মচর্চার অধিকার, সম্পত্তির অধিকার ইত্যাদিসহ অন্যান্য মৌলিক অধিকার সংবিধানে উল্লেখ থাকায় কারও পক্ষে এগুলো লঙ্ঘন করা সম্ভব নয়। এভাবে বাংলাদেশের সংবিধানে নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

'X' দেশটিতে বিপ্লবের দ্বারা সংবিধান প্রণয়নের পদ্ধতি ফুটে উঠেছে।
কখনও কখনও বিপ্লবের মাধ্যমেও সংবিধান প্রণীত হয়। শাসক যখন জনগণের স্বার্থ ও কল্যাণ নিহিত নয় এমন কোনো কাজ করে অর্থাৎ স্বৈরাচারী শাসকে পরিণত হয়, তখন বিপ্লবের মাধ্যমে স্বৈরাচারী শাসকের পরিবর্তন ঘটিয়ে নতুন শাসকগোষ্ঠী শাসন ক্ষমতা গ্রহণ করে নতুন সংরিধান তৈরি করে। রাশিয়া, কিউবা, চীন প্রভৃতি দেশের সংবিধান এ পদ্ধতিতে তৈরি হয়েছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, 'X' দেশে স্বৈরাচারী শাসক বিদ্যমান। তাই সে দেশের জনগণ আন্দোলন করে উক্ত শাসকের পতন ঘটায় এবং নতুন শাসকের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয়, যা সংবিধান প্রণয়নের অন্যতম পদ্ধতি বিপ্লবের মাধ্যমে সংবিধান প্রণয়নকে নির্দেশ করে। কেননা জনগণের বিপ্লবের মাধ্যমে যে নতুন শাসক ক্ষমতা গ্রহণ করেন তিনি নতুন সংবিধান তৈরি করেন। তাই বলা যায়, 'X' দেশে বিপ্লবের দ্বারা সংবিধান প্রণয়নের পদ্ধতি প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

নাবিল ও ডনের দেশের সংবিধানের মধ্যে নাবিলের দেশের সংবিধান অর্থাৎ দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান আমার কাছে গ্রহণযোগ্য।
উদ্দীপকের ডনের দেশের সংবিধান সুপরিবর্তনীয়। কেননা তাদের দেশের সংবিধানে কোনো সমস্যা হলে অনায়াসেই সেটা বদলানো যায়। অন্যদিকে, নাবিলের দেশের সংবিধান বদলানো কঠিন, যা দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধানের অনুরূপ। এ দুটি সংবিধানের মধ্যে নাবিলের দেশের সংবিধান অর্থাৎ দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান আমার কাছে গ্রহণযোগ্য।
দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট। অন্যদিকে, সুপরিবর্তনীয় সংবিধানে সাধারণত সুনির্দিষ্টতা ও সুস্পষ্টতা দেখা যায় না। দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান স্থিতিশীল বিধায় নাগরিক অধিকার রক্ষায় বেশি উপযোগী। আর সুপরিবর্তনীয় সংবিধান স্থিতিশীল নয় বলে জনসাধারণের অধিকার রক্ষায় তা তেমন সুদৃঢ় নয়। দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধানে নাগরিকের মৌলিক অধিকার সংরক্ষিত হয়। কেননা এতে মৌলিক অধিকারগুলো লিপিবদ্ধ থাকে। অন্যদিকে, সুপরিবর্তনীয় সংবিধান সহজে পরিবর্তন করা যায় বলে জনসাধারণের খেয়ালখুশি মতো ও রাজনৈতিক দলগুলোর মর্জিমাফিক তা পরিবর্তিত হয়। ফলে অনেক সময় এ সংবিধানের মৌলিকত্ব থাকে না এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
পরিশেষে বলা যায়, সুপরিবর্তনীয় সংবিধানের তুলনায় দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান জনগণের কাছে বেশি বোধগম্য হয় এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় অধিক তৎপর হয়। এ কারণে সুপরিবর্তনীয় সংবিধানের চেয়ে দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান আমার কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
90

আমরা রাষ্ট্রে বাস করি। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। এসব নিয়মাবলির সমষ্টিকে সংবিধান বলে । সংবিধানের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় । সংবিধানকে বলা হয় রাষ্ট্রের দর্পণ বা আয়নাস্বরূপ । সংবিধানে নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য, শাসকের ক্ষমতা এবং নাগরিক ও শাসকের সম্পর্ক কিরূপ হবে তা সুস্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ থাকে । কাজেই রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের সংবিধান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন । এ অধ্যায়ে আমরা সংবিধানের ধারণা, সংবিধানের গুরুত্ব, সংবিধান প্রণয়ন পদ্ধতি, বিভিন্ন প্রকার সংবিধানের বৈশিষ্ট্য, বাংলাদেশের সংবিধান তৈরির ইতিহাস, এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য এবং বিভিন্ন সংশোধনী সম্বন্ধে জানব ।

এ অধ্যায় পড়া শেষে আমরা-

  •  সংবিধানের ধারণা ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব ।
  • সংবিধান প্রণয়নের পদ্ধতি ব্যাখ্যা করতে পারব ।
  •  উত্তম সংবিধানের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে পারব।
  •  বাংলাদেশের সংবিধান রচনার ইতিহাস বর্ণনা করতে পারব।
  •  বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।       
  •  বাংলাদেশের সংবিধানের বিভিন্ন সংশোধনী বর্ণনা করতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

১২১৫ সালে ইংল্যান্ডের রাজা জন যে অধিকার সনদ প্রণয়ন করেছিলেন তার নাম 'ম্যাগনাকার্টা'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2k
উত্তরঃ

একটি রাষ্ট্রকে সঠিক ও যথার্থভাবে পরিচালনা ও রাষ্ট্রীয় জীবনের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য সুষ্ঠু সংবিধান প্রণয়ন অপরিহার্য।
সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক দলিল। এর মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। সংবিধানে নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য, শাসকের ক্ষমতা এবং নাগরিক ও শাসকের সম্পর্ক কীরূপ হবে তা সুস্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ থাকে। জনগণের মৌলিক অধিকার কী কী এবং কীভাবে সংরক্ষিত হবে তাও সংবিধান নির্দিষ্ট করে। সংবিধান ছাড়া একটি সভ্য রাষ্ট্র পরিচালনার কথা কল্পনা করা যায় না। তাই বলা যায়, রাষ্ট্র ও জনগণের সার্বিক দিক পরিচালনা ও উন্নয়নের জন্য সংবিধান প্রণয়ন প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.4k
উত্তরঃ

'ক' সংগঠনটি পরিচালনার নিয়মাবলি অলিখিত সংবিধানের বৈশিষ্ট্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অলিখিত সংবিধানের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- এটি ঐতিহাসিকভাবে উদ্ভূত সাধারণ প্রচলিত প্রথা, রীতি-নীতি, অভ্যাস-আচরণের ওপর ভিত্তি করে সৃষ্টি হয়। কোনো পরিষদ, সম্মেলন বা বিশেষভাবে গঠিত আইন পরিষদ কর্তৃক অলিখিত সংবিধান সৃষ্টি করা হয় না। লিখিত সংবিধান যেমন দলিল আকারে পাওয়া যায়, অলিখিত সংবিধান সেরূপ পাওয়া যায় না। অলিখিত সংবিধানের পরিবর্তন প্রক্রিয়াও সহজ। অলিখিত সংবিধান ব্যবস্থায় সাধারণ আইন-কানুন ও শাসনতান্ত্রিক আইনের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।
উদ্দীপকের 'ক' নামক সামাজিক সংগঠনটি চিরাচরিত নিয়ম-কানুন অনুযায়ী পরিচালিত হয়। এর নিয়মগুলো কোথাও লিপিবদ্ধ করা হয়নি। এতে কোনো সমস্যা দেখা দিলে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়। এখানে মূলত অলিখিত সংবিধানের প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে। কেননা 'ক' নামক সংগঠনের নিয়মগুলোর বৈশিষ্ট্যে উপরে আলোচিত অলিখিত সংবিধানের বৈশিষ্ট্যেরই প্রতিফলন।

তাই বলা যায়, উদ্দীপকের 'ক' সংগঠন পরিচালনার নিয়মাবলির সাথে অলিখিত সংবিধানের বৈশিষ্ট্যেগুলো সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
846
উত্তরঃ

'খ' প্রতিষ্ঠানের নিয়মাবলির সাথে লিখিত সংবিধানের সাদৃশ্য রয়েছে। 'ক' ও 'খ' প্রতিষ্ঠান দুটির পরিচালনার নিয়মাবলির মধ্যে আমি 'খ' প্রতিষ্ঠানের নিয়মাবলি উত্তম বলে মনে করি।
লিখিত সংবিধানের অধিকাংশ ধারা লিখিত থাকে বলে এটি জনগণের নিকট সুস্পষ্ট ও বোধগম্য হয়। এতে সাধারণত সংশোধন পদ্ধতি উল্লেখ থাকে বিধায় খুব সহজে পরিবর্তন বা সংশোধন করা যায় না। আবার লিখিত সংবিধান স্থিতিশীল বিধায় শাসক তার ইচ্ছামতো এটি পরিবর্তন বা সংশোধন করতে পারে না। লিখিত সংবিধানের সকল ধারা জনগণ ও শাসক মেনে চলতে বাধ্য হয়। সংবিধান লিখিত থাকায় জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষিত হয়।
অন্যদিকে অলিখিত সংবিধান অস্পষ্টতা দোষে দুষ্ট। শাসক-শাসিতের সম্পর্ক বা অন্যান্য বিষয়গুলো এ সংবিধানে লিখিত থাকে না। সে কারণে শাসক ও শাসিত তাদের সুনির্দিষ্ট অধিকার, কর্তব্য ইত্যাদি বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা গ্রহণ করতে পারে না। ফলে শাসনব্যবস্থায় জটিলতা সৃষ্টি হয়। আবার অধিক পরিবর্তনশীলতার কারণে সংবিধানে স্থায়ী নীতি ও দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রতিকূলতা সৃষ্টি হয়। তাছাড়া অলিখিত সংবিধানে জনগণের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হবার আশঙ্কা থাকে।
উদ্দীপকের 'খ' নামক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকও স্কুল পরিচালনায় সুস্পষ্টভাবে লিখিত নিয়মকানুন মেনে চলেন এবং যেকোনো ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সক্ষম হন। তাই আমি মনে করি 'ক' ও 'খ' প্রতিষ্ঠান দুটির নিয়মাবলির মধ্যে 'খ' প্রতিষ্ঠানের নিয়মাবলি উত্তম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
818
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সংবিধান ১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭২ থেকে কার্যকর হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
802
উত্তরঃ

যে সংবিধানের অধিকাংশ নিয়ম কোনো দলিলে লিপিবদ্ধ থাকে না তাকে অলিখিত সংবিধান বলে। এ ধরনের সংবিধানের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- প্রথা ও রীতিনীতিভিত্তিক, চিরাচরিত নিয়ম ও আচার- অনুষ্ঠানের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা। কোনো পরিষদ, সম্মেলন বা বিশেষভাবে গঠিত আইন পরিষদ কর্তৃক অলিখিত সংবিধান সৃষ্টি করা হয় না। লিখিত সংবিধান যেমন দুলিল আকারে পাওয়া যায়, অলিখিত সংবিধান সেরূপ পাওয়া যায় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.7k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews