X দেশের সরকার বর্তমান অর্থবছরে একটি নতুন কর আরোপ করেছে। এ করের করঘাত এবং করপাত ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির উপর পড়ে। অর্থাৎ এই করের করভার অন্যের উপর চাপানো যায়। তাছাড়া সরকার তার ব্যয় নির্বাহের জন্য দেশের জনগণ এবং আমেরিকা থেকেও ঋণ গ্রহণ করেছে।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

জাতীয় ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে যে আয় সংগ্রহ করে তা-ই সরকারি আয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

সরকারি ঋণের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো জরুরি অবস্থা মোকাবিলা করা। অনেক সময় দেশে অপ্রত্যাশিতভাবে খরা, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস, মহামারী, দুর্ভিক্ষ প্রভৃতি দেখা দিতে পারে। এ ধরনের জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য সরকারের প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়, যা সরকারের রাজস্ব উৎস থেকে মিটানো সম্ভব হয় না। তাই সরকার এ ধরনের অপ্রত্যাশিত জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য ঋণ গ্রহণ করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সরকার কর্তৃক আরোপিত করটি হলো পরোক্ষ কর। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-

পরোক্ষ কর বলতে ঐ করকে বোঝায়, যে করের করঘাত ও করপাত ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির উপর পড়ে। অর্থাৎ যার উপর কর ধার্য করা হয় সে প্রাথমিকভাবে করের বোঝা বহন করলেও শেষ পর্যন্ত করের চূড়ান্ত ভার অন্যের কাঁধে চাপিয়ে দেয়। পরোক্ষ কর সাধারণত উৎপাদক, বিক্রেতা, আমদানিকারক, রপ্তানিকারক ইত্যাদি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের উপর আরোপ করা হয়। পরোক্ষ করের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আমদানি-রপ্তানি শুল্ক, আবগারি শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর (VAT), বিক্রয় কর, প্রমোদ কর, মাদক শুল্ক প্রভৃতি। সরকারের কর রাজস্বের বেশিরভাগই পরোক্ষ করের মাধ্যমে সংগৃহীত হয়। উদ্দীপকে X দেশের সরকারও নতুন যে কর আরোপ করেছে তার করঘাত এবং করপাত ভিন্ন ব্যক্তির উপর পড়ে। অর্থাৎ এ করের ভার অন্যের উপর চাপানো যায়।
অতএব বলা যায়, উদ্দীপকে সরকার কর্তৃক আরোপিত কর পরোক্ষ কর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সরকারি ঋণের উৎসগুলোর মধ্যে যেটি উত্তম তা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
সরকারি ঋণের অভ্যন্তরীণ উৎসের সুবিধাসমূহ:

⇨ এ উৎস থেকে সরকার নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ ঋণ পেতে পারে এবং এ ঋণের জন্য সরকারকে কম সুদ দিতে হয়।
⇒ঋণ গ্রহণের এ উৎসগুলো অধিক নির্ভরযোগ্য এবং প্রয়োজনের সময় সহজেই ঋণ সংগ্রহ করা যায়।
⇒এ ঋণের উৎসগুলো সরকারেরই প্রণীত নিয়ম কানুন মেনে চলে।
⇒ এ ঋণের উৎসগুলোর কার্যকলাপ জনস্বার্থ বিরোধী নয়।
⇒ এ ঋণের উৎসগুলো থেকে সরকার বাধ্যতামূলকভাবে ঋণ গ্রহণ করতে পারে এবং ঋণ প্রত্যর্পণ বিলম্বিত করতে পারে।
সরকারি ঋণের বৈদেশিক উৎসের সুবিধাসমূহ:
⇒ বিদেশি উৎস থেকে প্রাপ্ত ঋণ বৈদেশিক মুদ্রায় পাওয়া যায়।
⇒ এ উৎস থেকে প্রাপ্ত ঋণের অর্থ দ্বারা বিদেশ থেকে শিল্পের কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি সহজেই আমদানি করা যায়।
⇒এ ঋণের বদৌলতে বিদেশি বিশেষজ্ঞ ও দক্ষ কারিগর পাওয়ার সুযোগ ঘটে।
⇒ এ উৎস থেকে কখনও কখনও বিপুল অংকের ঋণপ্রাপ্তি সম্ভব হয়।

বর্তমান সরকারের নানাবিধ কারণে ব্যয়ভার অধিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের আয় অপেক্ষা ব্যয় বেশি হলে ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করে এবং দেশের ঋণ পর্যাপ্ত না হলে বৈদেশিক ঋণের সাহায্য নিয়ে থাকে। সরকারি ঋণ যেহেতু সরকারি ব্যয়কে প্রভাবিত করে, তাই দেশের অভ্যন্তর থেকে সংগৃহীত ঋণ অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। কারণ এরূপ অর্থ দ্বারা দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে, নিয়োগ, উৎপাদন, আয় বৃদ্ধিতে শুভ প্রভাব রচনা করে। আর এ বর্ধিত আয় থেকেই পরবর্তীতে ঋণ পরিশোধ করা যেতে পারে। তাই বলা যায়, অভ্যন্তরীণ

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
25
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

জাতীয় ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে যে আয় সংগ্রহ করে, তাকে সরকারি আয় বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
93
উত্তরঃ

সরকার দেশ পরিচালনার জন্য এবং জাতীয় ব্যয় নির্বাহের জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে আয় সংগ্রহ করে। যেমন- আয়কর, মুনাফা কর, শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আবগারি শুল্ক, প্রশাসনিক রাজস্ব, জরিমানা ও বাজেয়াপ্ত, লাইসেন্স ফি, ঋণ, দান/অনুদান ইত্যাদি থেকে সরকার আয় করে থাকে। সরকারের এসব খাত থেকে আয় করাকে বলা হয় সরকারি আয়। সরকারের এই আয়ের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো সরকারি ব্যয়। তাই উল্লেখিত উৎস থেকে সরকার আয় করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
74
উত্তরঃ

রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রশাসনিক ও প্রতিরক্ষা ব্যয়সহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় মেটানোর জন্য সরকার বিভিন্ন উপায়ে দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে যে অর্থ আদায় করে, তাকে সরকারি আয় বা রাজস্ব বলে।

সরকারি আয় সরকারি কোষাগারে জমা থাকে এবং দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের পক্ষে এর হিসাব রাখে। সরকারের আয়ের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলো কর। সরকার বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বাধ্যতামূলকভাবে কর হিসেবে যে অর্থ আদায় করে, তাকেই কর আয় বলে। এই কর আয় আবার দুই ধরনের; যথা- প্রত্যক্ষ কর ও পরোক্ষ কর। যে ব্যক্তির উপর কর ধার্য করা হয় তার বোঝা যদি তাকে বহন করতে হয়, তবে সেই করকে প্রত্যক্ষ কর বলে। যেমন-আয়কর, সম্পদ কর, ভূমি কর, মৃত্যু কর ইত্যাদি। আবার কোনো ব্যক্তির উপর যে কর ধার্য করা হয়, তার ভার বা বোঝা সে যদি অন্য কারও উপর চাপাতে পারে, তবে তাকে পরোক্ষ কর বলা হয়। যেমন- বিক্রয় কর, পণ্যকর, প্রমোদ কর ইত্যাদি। এছাড়া করবহির্ভূত আয় রয়েছে, যা থেকে রাষ্ট্র/সরকার আয় করে থাকে। সরকার কর ব্যতীত অন্যান্য উৎস থেকে যে রাজস্ব বা অর্থ পায়, তাকে করবহির্ভূত আয় বলে। এ ধরনের আয় সরকারের বাধ্যতামূলক পাওনা নয়। বিশেষ সুযোগ-সুবিধা প্রদানের বিনিময়ে সরকার জনগণের কাছ থেকে পেয়ে থাকে। যেমন- ফি, বাণিজ্যিক আয়, সরকারি সম্পত্তির আয়, জরিমানা ও ক্ষতিপূরণ, সরকারি ঋণ, সুদ, দান ও অনুদান ইত্যাদি। বিভিন্ন উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশে রাষ্ট্রীয় আয় এসব উৎস থেকে হয়ে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
60
উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকার প্রশাসন পরিচালনা, আর্থসামাজিক উন্নয়ন, জনকল্যাণ সাধন প্রভৃতির জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করে।

এ ব্যয় নির্বাহের জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করতে হয়। বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসকে দুভাগে ভাগ করা যায়। যথা- (ক) কর রাজস্ব, (খ) করবহির্ভূত রাজস্ব। সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস হলো কর রাজস্ব। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো আয়কর। বাংলাদেশ সরকারের আয়কর আইন অনুযায়ী যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার ঊর্ধ্বে, তাদের কাছ থেকে আয়কর আদায় করা হয়। বাংলাদেশে কর ব্যবস্থায় মূল্য সংযোজন কর (VAT) ১৯৯২ সালে প্রচলন করা হয়। দেশের মধ্যে পণ্যসামগ্রী বিক্রয়ের উপর এ কর ধার্য করা হয়। দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যাদির উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়। বাংলাদেশে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত চা, চিনি, তামাক, সিগারেট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়। এছাড়া সম্পূরক শুল্ক, ভূমি রাজস্ব, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, রেজিস্ট্রেশন, যানবাহন শুদ্ধ, অন্যান্য কর ও শুল্ক কর রাজস্বের অন্তর্ভুক্ত। সরকার বিভিন্ন আর্থিক ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়ে তার উপর সুদ বাবদ প্রচুর আয় করে থাকে। সরকারি সম্পত্তি ভাড়া ও ইজারা দেওয়ার মাধ্যমে, দেশের বিভিন্ন রাস্তা, ব্রিজ ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে টোল ও লেভি সংগ্রহ করে, বনভূমি থেকে, ডাক বিভাগ থেকে, রেলওয়ে থেকে প্রচুর পরিমাণ অর্থ আয় করে, যা করবহির্ভূত রাজস্ব বলে পরিচিত।

উল্লেখিত উৎসসমূহ থেকে বাংলাদেশ সরকার প্রচুর অর্থ আয় করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
70
উত্তরঃ

হ্যাঁ, সমাজে ভালোভাবে চলতে হলে অবশ্যই ব্যয় অপরিহার্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
75
উত্তরঃ

রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকার বিভিন্ন খাতে যে ব্যয় নির্বাহ করে, তাকে সরকারি ব্যয় বলে। দেশের ভেতরে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো নির্মাণ, সামাজিক কল্যাণসাধন, দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রভৃতি কাজের জন্য সরকারকে ব্যয় করতে হয়। কল্যাণমূলক রাষ্ট্রে জনগণের কল্যাণের কথা চিন্তা করে বর্তমানে প্রায় প্রতিটি দেশের সরকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক খাত বিবেচনায় রেখে বাজেটে ব্যয় বরাদ্দ রাখে; পরে আবার তা ব্যয়ও করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
75
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews